27.02.2023 BANGLA MURLI
"মিষ্টি বাচ্চারা ‐ বাবা এসেছেন অসীম সৃষ্টির সেবাতে, নরককে স্বর্গ করে তোলা - এই সেবা কল্পে-কল্পে বাবাই করে থাকেন"
*প্রশ্নঃ - সঙ্গম যুগের কোন্ রীতি সম্পূর্ণ কল্পের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন?
*উত্তরঃ - সম্পূর্ণ কল্প বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করে, কিন্তু সঙ্গম যুগে বাবা বাচ্চাদের নমস্কার করেন। বাবা বলেন তোমরা আমার হারিয়ে যাওয়া বাচ্চারা যাদের সেবা করার জন্য উপস্থিত হয়েছি সুতরাং তোমরা বাচ্চারা বড়, সেটাই দাঁড়াল তাইনা। বাবা কল্পের শেষে বাচ্চাদের কাছে আসেন সম্পূর্ণ সৃষ্টি থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করে নরককে স্বর্গ করে তুলতে। বাবার মতো নিরাকার, নিরহঙ্কারী আর কেউই হতে পারে না। বাবা তাঁর ক্লান্ত হয়ে পড়া বাচ্চাদের পা মালিশ করেন।
ওম্ শান্তি । বাবা এলে প্রথমে বাচ্চাদের নমস্কার করবেন নাকি বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করবে? (বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করবে) না, প্রথমে বাবাকে নমস্কার করতে হয়। সঙ্গম যুগের রীতি-নিয়ম সবচাইতে ভিন্ন। বাবা স্বয়ং বলেন আমি তোমাদের সবার পিতা তোমাদের সার্ভিস করতে উপস্থিত হয়েছি। সুতরাং বাচ্চারা বড়ো, এটাই দাঁড়াল তাই না ! দুনিয়াতে বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করে। এখানে বাবা বাচ্চাদের নমস্কার করেন। গাওয়াও হয়ে থাকে তিনি নিরাকারী, নিরহঙ্কারী সুতরাং সেটা তো দেখাতেও হবে তাই না । ওরা তো সন্ন্যাসীদের চরণে মাথা নত করে । চরণ চুম্বন করে। কিছুই জানে না। বাবা আসেনই বাচ্চাদের সাথে মিলিত হতে - কল্প শেষে। অসংখ্য হারানিধি বাচ্চা, সেইজন্যই বলেন - মিষ্টি বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছো। দ্রৌপদীরও পা মালিশ করেছিল না ! সুতরাং তিনি সার্ভেন্ট তাইনা। বন্দে মাতরম্ কে উচ্চারণ করেছিল? বাবা করেছিলেন। বাচ্চারা জানে যে বাবা এসেছেন সম্পূর্ণ সৃষ্টিতে অসীম জগতের সেবাতে। সৃষ্টিতে কত নোংরা। এটা হলোই নরক সুতরাং বাবাকে আসতেই হয়, নরককে স্বর্গ করে তুলতে - অনেক উৎসাহ আর ভালোবাসার সাথে আসেন। তিনি জানেন আমাকে বাচ্চাদের সেবার জন্য আসতে হবে। কল্পে-কল্পে সেবার জন্য উপস্থিত হতে হবে। যখন তিনি স্বয়ং আসেন বাচ্চারাও বোঝে যে বাবা আমাদের সেবার জন্য উপস্থিত হয়েছেন। এখানে বসেই সবার সেবা হয়ে যায়। এমন নয় যে সবার কাছে যেতে হবে। সর্বব্যাপীর অর্থও ওরা জানে না। সম্পূর্ণ সৃষ্টির কল্যাণকারী দাতা তো একজনই তাইনা। তাঁর তুল্য সেবা কোনো মানুষই করতে পারবে না। ওঁনার হলো অসীম জগতের সেবা।
গীত : - জাগো সজনীরা জাগো.....
ওম্ শান্তি । দেখো কত সুন্দর গান। নব যুগ আর পুরানো যুগ.... যুগের উপরেও বোঝান উচিত। যুগ হলো ভারতবাসীদের জন্যই। ভারতবাসীদের থেকেই ওরা শোনে যে সত্যযুগ, ত্রেতা পার হয়ে গেছে, কেননা তারা তো আসেই দ্বাপরে। তাই অন্যদের কাছ থেকে শোনে যে প্রাচীন খন্ড ভারত ছিল, সেখানে দেবী-দেবতারা রাজ্যত্ব করতো। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল, এখন নেই। গাওয়াও হয় ব্রহ্মার দ্বারা স্থাপনা, বিষ্ণুর দ্বারা পালনা করান। তারা করে না, তাদের দিয়ে করানো হয়। তো এ হলো ওঁনার মহিমা। বাস্তবে ওঁনাকে প্রথমে রচনা করতে হয় সূক্ষ্মলোকের, কেননা তিনি হলেন ক্রিয়েটার। গীতাকে সবাই বলে সর্বশাস্ত্রের শিরোমণি শ্রীমদ্ভগবত গীতা। কিন্তু ভগবানের নাম জানে না, কোন্ ভগবান? ব্যাস (দেব) ইত্যাদি যারা শাস্ত্র তৈরি করেছে তারা শ্রীকৃষ্ণের নাম দিয়ে দিয়েছে। গীতা তো দেবী-দেবতা ধর্মের মাতা-পিতা। বাকি সব কিছু পরে এসেছে। সুতরাং এই গীতাই হলো প্রাচীন। আচ্ছা ভগবান গীতা কবে শুনিয়েছিলেন? নিশ্চয়ই সেই সময় সব ধর্ম থাকা উচিত। সব ধর্মের জন্য বাস্তবে এক গীতাই হলো মুখ্য। সব ধর্মাবলম্বীদের এটা মানা উচিত। কিন্তু মানে কোথায়। মুসলমান, খ্রিস্টান ইত্যাদি ধর্মাবলম্বীরা হলো খুব কট্টর। তারা নিজেদের ধর্ম শাস্ত্রকেই মানে। যখন জানতে পারে যে গীতা প্রাচীন শাস্ত্র তখন চেয়ে পাঠায়। কিন্তু এটা তো জানে না যে ভগবান গীতা কবে শুনিয়েছিলেন? চিন্ময়ানন্দ বলেন ৩৫০০ বছর বিফোর ক্রাইস্ট, গীতার ভগবান গীতা শুনিয়েছিলেন। ৩৫০০ বছর আগে এই ধর্ম গুলো তো ছিলই না। তবে কীভাবে এটা সব ধর্মের শাস্ত্র হতে পারে। সব ধর্ম তো এই সময়েই আছে। সব ধর্মকে গীতা দ্বারা সদ্গতি দেওয়ার জন্যই বাবা এসেছেন। বাবার উচ্চারিত মহাবাক্য এই গীতা। বাবার পরিবর্তে বাচ্চার নাম দিয়েই মুশকিল করে ফেলেছে । এই শাস্ত্র কখন শিবরাত্রি পালন করতে হবে তা বলে না। শিব জয়ন্তী আর কৃষ্ণ জয়ন্তী প্রায় একই সময়ে উদযাপন করা হয়। শিব জয়ন্তী শেষ হলে কৃষ্ণের জন্ম হয়।
কখনও শ্রী কৃষ্ণ জ্ঞান যজ্ঞ গাওয়া হয় না। রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞ গাওয়া হয়, এই যজ্ঞের দ্বারাই বিনাশের অগ্নি প্রজ্জ্বলিত হয়। সেটাও প্রকৃতপক্ষে দেখছো তোমরা । আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম পুনরায় স্থাপিত হচ্ছে। এরপর অন্য কোনো ধর্ম থাকবে না। কৃষ্ণও তখনই আসবে যখন সব ধর্ম থাকবে না। এটাও বোঝার বিষয় তাইনা। সত্যযুগে সূর্য বংশীয় দেবী-দেবতাদের রাজ্য ছিল নিশ্চয়ই তখন অল্প সংখ্যক মানুষ ছিল। বাদবাকি আত্মারা তখন মুক্তিধামে থাকে। ভগবানের সাথে তো সবাইকেই মিলিত হতে হবে তাই না! বাবাকে সলাম তো করবে তাইনা। বাবাও তারপর এসে সলাম করেন বাচ্চাদেরকে। বাচ্চারাও এরপর বাবাকে করে। এই সময় বাবা চৈতন্যতে এসেছেন। তারপর ওখানে (মুক্তিধাম) সব আত্মারা বাবার সাথে অবশ্যই মিলিত হবে। কোথায় মিলিত হবে? এখানে তো মিলিত হতে পারবে না। কেননা কোটিতে কেউ, তার মধ্যেও কেউ মিলিত হবে। সুতরাং সব ভক্তরা কবে আর কোথায় মিলিত হবে? যেখানে ভগবানের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল, সেখানে গিয়েই মিলিত হবে। ভগবানের নিবাস স্থান হলো পরমধাম। বাবা বলেন আমি সব বাচ্চাদের পরমধামে নিয়ে যাই - দুঃখ থেকে মুক্তি দিয়ে। এই কাজ একমাত্র ওঁনার। এখন অসংখ্য ভাষা আছে। যদি সংস্কৃত ভাষা দিয়ে শুরু করি সবাই কিভাবে বুঝবে। আজকাল গীতাও সংস্কৃত ভাষায় কন্ঠস্থ করে ফেলে। অনেকেই সংস্কৃতে খুব ভালো গীতা গান করে। এখন অহল্যা, কুব্জা, অবলা যারা আছে... তারা সংস্কৃত কেউ-ই জানে না। হিন্দি খুব কমন ভাষা। হিন্দি ভাষার প্রচারও বেশি। ভগবানও হিন্দিতে শুনিয়ে থাকেন। ওরা তো গীতার অধ্যায় বলে থাকে, এর অধ্যায় কীভাবে তৈরি করবে। এ তো শুরু থেকেই মুরলী চলতেই থাকছে । বাবাকে আসতেই হয় পতিত সৃষ্টিকে পবিত্র করে তোলার জন্য। হেভনলি গডফাদার নিশ্চয়ই স্বর্গই ক্রিয়েট করবেন। তিনি থোড়াই নরক রচনা করবেন, নরকের স্থাপনা তো রাবণ করে থাকে।স্বর্গের স্থাপনা বাবা করেন, ওঁনার নাম শিব। শিব অর্থাৎ বিন্দু। আত্মাও বিন্দু তাইনা। স্টার কীরকম? কতটা ছোট? থোড়াই এমন হবে যে আত্মারা উপরে গেলে বড় হয়ে যাবে। ভ্রুকুটির মাঝখানে একে চিহ্ন দেখানো হয়। বলাও হয় ভ্রুকুটির মাঝখানে জ্বলজ্বল করে এক আজব নক্ষত্র । এতো ছোট আত্মা ভ্রুকুটির মধ্যেই থাকতে পারবে। সুতরাং যেমন আত্মা তেমনই পরমাত্মা। কিন্তু এটাই আশ্চর্যের যে প্রতিটি এতো ছোট্ট আত্মার মধ্যে সমস্ত জন্মের পার্ট সঞ্চিত হয়ে আছে। যা কখনোই মোছে না, চিরদিনের জন্য চলতেই থাকে। কত গুহ্য বিষয় এটা। বাবা আগে কখনো এসব কথা কি শুনিয়েছেন? প্রথমে তো বলতেন আত্মার লিঙ্গ রূপ, অঙ্গুষ্ঠাকার। প্রথমেই যদি এটা বলতেন তোমরা বুঝতে পারতে না। এখন তোমাদের বুদ্ধিতে বসেছে। স্টার তো সবাই বলবে। স্টারের সাক্ষাৎকারও হয়। তোমাদের কোন্ জিনিসের সাক্ষাৎকার চাই ? নতুন দুনিয়ার। নতুন দুনিয়া হলো স্বর্গ যা বাবা রচনা করেন। সেখানেই সবাইকে পাঠিয়ে দেবেন। তিনি স্বয়ং একবারই আসেন। মানুষ এখন শান্তি চায় কেননা সবাই শান্তিতেই যেতে চায়। বলে থাকে (ক্ষণিকের) সুখ হলো কাক বিষ্ঠার সমান। গীতাতে আছে রাজযোগ....যার মাধ্যমে রাজাদের রাজা হওয়া যায়। সন্ন্যাসীরা গীতাকে গ্রহণ করতে পারে না। বাবা বলেন দুই প্রকারের সন্ন্যাস আছে। সন্ন্যাসীদের মধ্যেও অনেক রকমের আছে। এখানে একই প্রকার সন্ন্যাস। তোমরা বাচ্চারা পুরানো দুনিয়া থেকে সন্ন্যাস নিয়ে থাকো। তোমাদের গৃহস্থ পরিবারে থেকেও, কমল পুষ্পের মতো থাকতে হয়। কিভাবে থাকা যায়, সে'কথা এদেরকে জিজ্ঞাসা করো। অনেকেই আছে যারা এভাবে (পবিত্র) থাকে। এই কাজ সন্ন্যাসীদের জন্য নয়। তা না হলে কেন ঘর পরিবার ছেড়ে চলে যায়। চ্যারিটি বিগনস্ অ্যাট হোম (ঘর থেকেই প্রথম শুরু করা)। প্রথম তো স্ত্রীকে শেখাতে হয়। শিববাবাও বলেন আমি তো প্রথমে নিজের স্ত্রীকেই (সাকার ব্রহ্মা) বোঝাই তাইনা। শিববাবার এটা চৈতন্য হোম। সবার প্রথমে তো এই স্ত্রী শেখে তারপর তার অ্যাডপ্ট করা বাচ্চারা নম্বর ক্রমানুসারে শিখছে। বড় গুহ্য এই বিষয়। সমস্ত শাস্ত্রের মধ্যে প্রধান হলো গীতা। কিন্তু গীতা শাস্ত্র থেকে কেউ অনুপ্রেরণা নেয় না। তিনি তো এখানে আসেন, তাঁর স্মৃতিচিহ্নও রয়েছে। শিবের অনেক মন্দির আছে। তিনি স্বয়ং বলেন আমি সাধারণ ব্রহ্মা শরীরে আসি। সে নিজের জন্ম সম্পর্কেও জানে না। এটা শুধু একজনের কথা নয়। সব ব্রহ্মা মুখ বংশাবলীরা বসে আছে। শুধু একজনকে বাবা বোঝাবেন, তা নয়। ব্রহ্মা মুখ দ্বারা তোমরা ব্রাহ্মণরা রচিত হয়েছো, সুতরাং বাবা ব্রাহ্মণদেরই বোঝান। যজ্ঞ সবসময় ব্রাহ্মণদের দ্বারাই চলে। যারা গীতা শোনায় তাদের কাছে ব্রাহ্মণ থাকে না, সেইজন্যই সেটাকে যজ্ঞ বলা যায় না। এই যজ্ঞ অনেক বড়। অসীম জগতের পিতার দ্বারা অসীমের যজ্ঞ এটা। সেই কবে থেকে যজ্ঞ কুন্ড জ্বলে আসছে। এখনও পর্যন্ত ভান্ডারা চলতেই থাকছে। সমাপ্ত কবে হবে? যখন সম্পূর্ণ রাজধানী স্থাপন হয়ে যাবে। বাবা বলেন আমি তোমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাব। তারপর নম্বরানুসারে পার্ট প্লে করার জন্য পাঠিয়ে দেবো। এমন কথা আর কেউ-ই বলতে পারবে না যে আমি তোমাদের পান্ডা, তোমাদের নিয়ে যাব। যত পতিত মানুষ আছে, সবাইকে পবিত্র করে নিয়ে যান। তারপর নিজ-নিজ সময়ানুসারে ধর্ম স্থাপনা করার জন্য পবিত্র আত্মারা আসতে শুরু করে। এখন অনেক ধর্ম আছে। একটাই ধর্ম এখন আর নেই, তারপর অর্ধেক কল্প কোনো শাস্ত্র থাকে না। সুতরাং গীতা সব ধর্মের, সব শাস্ত্রের শিরোমণি। কেননা এর দ্বারাই সবার গতি সদ্গতি হয়। সুতরাং বোঝানো উচিত - সদ্গতি হয় ভারতবাসীদের, বাকিদের গতি হয়। ভারতবাসীদের মধ্যে জ্ঞান তারাই নেবে যারা প্রথমে পরমাত্মার থেকে আলাদা হয়েছে, তারাই প্রথমে জ্ঞান অর্জন করবে। তারাই আবার প্রথমে যেতে শুরু করবে। নম্বরের ক্রমানুসারে তারপর সবাইকে আসতে হবে। সতোঃ, রজোঃ এবং তমোঃ-র মধ্য দিয়ে সবাইকেই পার হতে হবে। এখন কল্পের আয়ু সম্পূর্ণ হয়েছে। সমস্ত আত্মারা উপস্থিত আছে। বাবাও এসেছেন। প্রত্যেককেই নিজ-নিজ ভূমিকা পালন করতে হবে। নাটকে সব অ্যাক্টর্স একত্রে তো আসে না, নিজের-নিজের সময় অনুসারে আসে। বাবাও বুঝিয়েছেন নম্বরানুসারে কীভাবে আসে। বর্ণের রহস্যও বুঝিয়েছেন। কেশশিখা হলো ব্রাহ্মণদের। কিন্তু ব্রাহ্মণদের কে রচনা করেছেন? শূদ্র তো রচনা করবে না। চোটির উপরে তারপর হলো ব্রাহ্মণদের পিতা ব্রহ্মা। ব্রহ্মার পিতা হলেন শিববাবা। সুতরাং তোমরা হলে শিব বংশী ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী । তোমরা ব্রাহ্মণ তারপর দেবতা হবে। বর্ণের হিসেব বোঝাতেও হবে। বাচ্চাদেরকে রায়ও দেওয়া হয়। এটা তো জানা আছে যে সবাই একইরকম হুঁশিয়ার নয়। একজন বিদ্বান বা পন্ডিত যদি একজন নতুন আসা কারো সাথে ডিবেট করে সে তো বোঝাতে পারবে না। সুতরাং বলা উচিত যে আমি নতুন। আপনি অমুক সময় আসুন আমার সিনিয়র আপনাকে বুঝিয়ে বলবেন, আমার থেকেও তীক্ষ্ম অন্যরা রয়েছেন ।
ক্লাসেও নম্বরানুসারে আছে না ! দেহ-অভিমানে আসা উচিত নয়। না হলে সম্মান হানি হয়। বলে থাকে বি.কে তো ভালো করে বোঝাতে পারে না, সেইজন্যই দেহ-অভিমান ত্যাগ করে অন্য কারো কাছে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। বাবাও বলে থাকেন না যে আমি উপর থেকে জিজ্ঞাসা করব। পন্ডিত লোকেরা মাথা খারাপ করে দেবে। সুতরাং তাদের বলা উচিত - আমি এখন শিখছি, আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনি আগামী কাল আসবেন আমাদের বড় ভাই-বোন আপনাকে বোঝাবে। মহারথী, ঘোড়সওয়ার, পদাতিক তো আছে তাইনা। কেউ আবার সিংহবাহিনীও । সিংহ সবচেয়ে তীক্ষ্ম (হিংস্র) । জঙ্গলে একাই থাকে। হাতি সবসময় দলবদ্ধ হয়ে থাকে। একলা থাকলে কেউ মারতেও পারে। শক্তিদেরও সিংহের উপর অধিষ্ঠিত দেখানো হয়েছে।
তোমাদের মিশনকেও বাইরে (বিদেশে) নিয়ে যাওয়া দরকার । কিন্তু বাবা দেখেন কে এ বড় মহত্ত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেবে। প্রাচীন দেবতা ধর্ম কে স্থাপন করেছিল - সেটা প্রমাণ করে ব্যাখ্যা করতে হবে। অনেকেই গড গডেসের কথাও বলে। তারা মনে করে গড গডেস আলাদা, ঈশ্বর আলাদা। তারা লক্ষ্মী-নারায়ণকে ভগবান ভগবতী বলে থাকে। কিন্তু এটা হলো ল' এর বিরুদ্ধ। ওরা হলো দেবী-দেবতা। যদি লক্ষ্মী-নারায়ণকে ভগবান ভগবতী বলে থাকে তবে তো ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করকেও দেবতা বলতে হবে। বোঝার মতো বুদ্ধি চাই । আচ্ছা!
মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*
১ ) দেহ-অভিমানকে ছেড়ে নিজের থেকে বড়দের সামনে এগিয়ে দিতে হবে । বাবার মতো নিরহঙ্কারী হতে হবে।
২ ) চ্যারিটি বিগন্স অ্যাট হোম.....আগে নিজের গৃহস্থ পরিবারে থেকে কমল ফুলের মতো হতে হবে। ঘর পরিবারে থেকেও বুদ্ধি থেকে পুরানো দুনিয়ার থেকে সন্ন্যাস নিতে হবে।
*বরদানঃ-* ‐ সম্বন্ধে সন্তুষ্টতা রূপী স্বচ্ছতাকে ধারণ করে সদা হাল্কা আর খুশিতে থাকা সত্যিকারের পুরুষার্থী ভব
সারাদিন ভ্যারাইটি আত্মাদের সাথে সম্পর্কে আসতে হয়। এখন চেক করো সারাদিন নিজের সন্তুষ্টতা এবং সম্বন্ধে আসা অন্য আত্মাদের সন্তুষ্টতার পারসেন্টেজ কতটা থাকে? সন্তুষ্টতার লক্ষণ হলো নিজেও মন থেকে হাল্কা আর খুশি থাকবে আর অন্যান্যরাও খুশিতে থাকবে। সম্বন্ধে স্বচ্ছতা অর্থাৎ সন্তুষ্টতা এটাই হলো সম্বন্ধের সত্যতা এবং পরিচ্ছন্নতা। সেইজন্যই বলা হয় যেখানে সত্য থাকে সেখানে মন খুশিতে নাচে। সত্যিকারের পুরুষার্থী সবসময় খুশিতে নাচতে থাকবে।
*স্লোগানঃ-* যার কোনো বিষয়েই কোনো রকম দুঃখ (গম) নেই, সেই বেগমপুরের বাদশাহ।
No comments:
Post a Comment