03.02.2023 BANGLA MURLI
“মিষ্টি বাচ্চারা - নর থেকে নারায়ণ হওয়ার জন্য পারফেক্ট ব্রাহ্মণ হও, সত্যিকারের ব্রাহ্মণ সে, যার মধ্যে কোনও বিকার রূপী শত্রু নেই”
*প্রশ্নঃ - বাবার রিগার্ড কোন্ বাচ্চাদের প্রাপ্ত হয়? সুবুদ্ধিমান কারা ?
*উত্তরঃ - বাবার রিগার্ড তাদের প্রাপ্ত হয় যারা যজ্ঞের প্রতিটি কাজ রেস্পন্সিবিলিটি নিয়ে করে। কখনও গাফিলতি করে না। পবিত্র বানানোর রেস্পন্সিবিলিটি বুঝে সেই সেবায় তৎপর থাকে। চলন খুব রয়্যাল থাকে, কখনও নাম বদনাম করে না। অলরাউন্ডার হয়। সুবুদ্ধিমান হল সে, যে ফুল পাস হওয়ার চেষ্টা করে। কখনও দুঃখদায়ী হয় না। কোনও উল্টো কর্ম করে না।
*গীতঃ- আজ নয়তো কাল বর্ষিত হবে এই মেঘ.....
ওম্ শান্তি । বাচ্চাদের এই ডায়রেকশন কে প্রদান করেন? অসীম জগতের পিতা, যাঁকে বাচ্চারা এতখানি পিতৃব্রতা হয়ে স্মরণ করে না। বাবা বলেন বাচ্চারা এখন ফিরে যেতে হবে। বাচ্চা কাদের বলা হয়? যারা ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী তাদেরকে বাবা, সন্তান বা বাচ্চা বলবেন কারণ তারা তাঁর সন্তান হয়েছে। বাবা বসে বোঝান যখন নতুন সৃষ্টির রচনা হয় তখন পুরানো সৃষ্টির আত্মাদের ঘরে ফিরতে হয়। এখন তোমরা বাচ্চারা, পিতাকে আর পিত্রালয়কে অর্থাৎ পরম ধামকে জেনেছো। এটা তো ঠিকই অনেকে বাবাকে ভালোই স্মরণ করে। শ্রীমৎ অনুসরণ করে চলে, কেউ আবার দেহ-অভিমানের বশে স্মরণ করে না। পবিত্র থাকে না। ব্রাহ্মণ হল ঈশ্বরীয় সন্তান, ব্রহ্মা মুখ বংশী। রচয়িতা হলেন পিতা, গায়নও আছে তাইনা যে, ব্রহ্মা মুখ কমল দ্বারা সন্তান রচিত হয় । তোমরা বাচ্চারা জানো যথার্থই আমরা ঈশ্বরের সন্তান ব্রহ্মা মুখবংশী ব্রাহ্মণ হয়েছি। ব্রাহ্মণ তাদের বলা হয় যারা পবিত্র থাকে। সমস্ত কিছু নির্ভর করছে পবিত্রতার উপরে। একে বলা হয় অপবিত্র পতিত দুনিয়া। মানুষ মাত্রই পতিত, তারা পবিত্র কথার অর্থ বোঝে না। কলিযুগ হলো পতিত দুনিয়া, সত্যযুগ হলো পবিত্র দুনিয়া - এই কথা কেউ জানেনা। কেউ কেউ তো বলে দেয় সত্য যুগ, ত্রেতাতেও পতিত মানুষ থাকে, যেমন সীতার হরণ হয়েছিল ..... এ'হল পবিত্র দুনিয়ার গ্লানি করা। যেমন দৃষ্টি, তেমন সৃষ্টি, এমনটাই দেখতে পাওয়া যায়। পবিত্র দুনিয়ায় পতিত যদি থাকে তবে কি বাবা পতিত দুনিয়ার রচনা করবেন? বাবা তো পবিত্র দুনিয়ার স্থাপনা করেন। গাওয়াও হয়ে থাকে - পতিত-পাবন এসো, এসে এই সৃষ্টিকে, তার মধ্যেও বিশেষ করে ভারতকে পবিত্র বানাও। এখন এই ব্রহ্মাকুমার-কুমারী নাম তাদেরকেই দেওয়া হয় যারা পবিত্র থাকে। পতিতকে ব্রাহ্মণ বা ব্রাহ্মণী অথবা বি.কে. বলা হবে না। তারা হল গর্ভজাত বংশাবলী। তোমরা ব্রাহ্মণরা হলে ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী। ব্রহ্মা কুখ বংশাবলী তো বলা হয় না (গর্ভজাত বংশ নয়)। তারা হলো পতিত। এখন তোমরা ঈশ্বরীয় সন্তান এইজন্য হয়েছো যাতে পবিত্র দুনিয়ার মালিক হও। ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণী বা ব্রহ্মাকুমার কুমারী হয়ে যদি পতিত হয় অথবা বিকার গ্রস্ত হয় তবে সে বি.কে. নয়। ব্রাহ্মণ কখনও বিকার গ্রস্ত হবে না। বিকারের বশে বশীভূত হলে শূদ্র বলা হয়। ঈশ্বরের সন্তান এজন্যই হও যাতে ঈশ্বরের কাছে আমরা রাজ্য ভাগ্য প্রাপ্ত করি। রাজত্বের (স্বর্গের) অধিকার প্রাপ্ত করার জন্য পুরুষার্থ করা উচিত। লক্ষ্য রাখতে হবে যে আমরা নর থেকে নারায়ণ হবো।
বাচ্চারা, তোমরা জানো যে নম্বর ওয়ান হলো কাম। সেকেন্ড নম্বরে ক্রোধ। ক্রোধ ইত্যাদির ভূত থাকলে তারা সম্পূর্ণ বর্সার অধিকারী হয় না। বলা হয় কাম বা ক্রোধ রূপী ভূতের বশে, পর-বশ হয়েছে। বাবাকে স্মরণ না করার দরুন রাবণের বশে বশীভূত হয়ে যায়। এমন ক্রোধযুক্ত বা কামযুক্ত আত্মারা নর থেকে নস্রায়ন পদ প্রাপ্ত করতে পারে না। এখানে চাই পারফেক্ট ব্রাহ্মণ । বাবা বোঝান প্রথম নম্বরের ভূত আসে দেহ-অভিমানের। যদি দেহী-অভিমানী হয়ে বাবাকে স্মরণ করতে থাকবে তো বাবা অবশ্যই সাহায্য করবেন। যে যতখানি স্মরণ করে তার ততই সাহায্য প্রাপ্ত হয়। সত্যিকারের ব্রাহ্মণ হল সে যার মধ্যে বিকার রূপী শত্রুদের অবস্থান থাকবে না। মুখ্য দেহ-অভিমানের কারণেই অন্য শত্রুরা আসে। এই ভারত ছিল শিবালয় তখন দুঃখের কোনও কথা ছিল না। এ'কথা মানুষ জানেনা। তারা তো বলে দেয় মায়াও আছে, ঈশ্বরও আছে। ঈশ্বর নিজ সময়ে আসেন, মায়া নিজ সময়ে আসে। অর্ধেক কল্প হলো ঈশ্বরীয় রাজ্য, অর্ধেক কল্প হলো মায়ার রাজ্য। এই তথ্য শাস্ত্রে নেই। ওটা হল ভক্তিমার্গ। জ্ঞানের সাগর একমাত্র বাবা যাঁকে পতিত-পাবন বলা হয়। যারা বাবাকে স্মরণ করেনা তাদের দ্বারা পতিত কর্ম অবশ্যই হতে থাকবে। তাদেরকে ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণী বলা হবে না। খুবই সূক্ষ্ম কথা। শিববাবাকে (ঠাকুরদা) স্মরণ না করলে বর্সা প্রাপ্ত হবে কোথা থেকে। তখন তাদের পুরানো দুনিয়ার আত্মীয় পরিজনদের কথা স্মরণে আসে। ভালো ভাবে বাবাকে স্মরণ করলে বাবাও সাহায্য করবেন। তোমরা মুরলী ক্লাস করাতে গিয়ে কোথাও আটকে গেলে শিববাবা স্বয়ং এসে মুরলী চালাবেন। বাচ্চারা এই কথা বুঝতে পারে না যে শিববাবা এসে সাহায্য করেন। তারা ভাবে তারা ভালো মুরলী ক্লাস করিয়েছে। আরে আজ ভালো করেছো, আগে কেন চালাওনি। তোমরা কি এটাও বুঝতে পারো নাকি যে - শিববাবা বলছেন নকি ব্রহ্মাবাবা বলছেন! শিববাবা বলেন - বাচ্চারা, তোমরা আমার ঈশ্বরীয় সন্তান, আমাকে স্মরণ করো। এমন কেউ আর বলতে পারে না। আমিই এসে এনার মধ্যে প্রবেশ করে বলতে পারি। আমি হলাম জ্ঞানের সাগর। তোমরা জ্ঞানী আত্মায় পরিণত হচ্ছো। তাই যারা বাবার সাথে যোগযুক্ত থাকে বাবাও এসে তাদের সহায়তা করেন। দেহ-অভিমানী স্মরণ করবে না। বাবাকে অবশ্যই স্মরণ করতে হবে। অহংকার আসা উচিত নয় - আমি ভালো মুরলী ক্লাস করাই। না, বুঝতে হবে শিববাবা এসে মুরলী ক্লাস করিয়েছেন। ক্ষণে ক্ষণে শিববাবাকে স্মরণ করা উচিত। অনেক বাচ্চারা সম্পূর্ণ রূপে স্মরণ করে না তাই কর্ম ভোগও দূর হয় না। অসুস্থতা বৃদ্ধি পায়। বিকর্ম বিনাশ হয় না।
বাচ্চাদেরকে বাবার সাথে যোগযুক্ত হতে হবে। আমরা হলাম রাজযোগী। বাবার থেকে রাজত্ব প্রাপ্ত করতে হবে। আমরা নর থেকে নারায়ণ হবো। বুদ্ধি দিয়ে বুঝতে হবে আমি এমন পড়াশোনা করি যাতে সূর্য বংশে যাই। এমন নয়, প্রথমে দাস-দাসী হয়ে পরে রাজত্ব লাভ হবে। বাবাকে স্মরণ করলে বাবার সহযোগিতা প্রাপ্ত হবে। নাহলে কিছু পাপ, ক্ষতি ইত্যাদি হবে। তারা অত্যন্ত দুঃখদায়ী হয়ে যায়। লক্ষ্মী-নারায়ণ তো হলেন সুখদায়ী, তাইনা। সুবুদ্ধিমান বাচ্চারা চেষ্টা করবে ফুল পাস করার। এমন নয়, যা পেলাম সেটাই ঠিক আছে। প্রতিটি বিষয়ে অলরাউন্ড পুরুষার্থ করা উচিত। এমন নয় এই কাজ তো আমার নয় আমি কেন করবো, বাবা অলরাউন্ড কাজ করেন তাইনা। বাচ্চাদের আচরণ ঠিক থাকে না তখন বাবার নাম বদনাম করায়। বাবা বলেন আমার সন্তান হয়ে উল্টো কর্ম করলে পদ ভ্রষ্ট হয়ে যায়। এমন ভাববে না যে ব্রহ্মাবাবা ডায়রেকশন দিচ্ছেন। শিববাবা স্মরণে থাকা উচিত।
বাচ্চাদের বুঝতে হবে দুনিয়াকে পবিত্র করার দায়িত্ব রয়েছে মাথার উপরে। আমরাই হলাম রেস্পন্সিবল। ভারতকে পবিত্র বানানোর অনেক বড় রেস্পন্সিবিলিটি রয়েছে । যজ্ঞের প্রতিটি কর্ম রেস্পন্সিবিলিটির সাথে করতে হবে। কোনও গাফিলতি যদি না থাকে তবেই বাবা রিগার্ড দেবেন। নাহলে ধর্মরাজের এমন দন্ড ভোগ করবে যে, কখনও জেলে বন্দিরাও এমন দন্ড ভোগ করেনি। তাই বাবা বলেন বিনাশের পূর্বে সব বিকর্ম যোগের দ্বারা ভস্মীভূত করো। তা নাহলে জন্ম-জন্মান্তর বিকর্মের সাজা ধর্মরাজপুরীতে ভোগ করতে হবে, তাই গাফিলতি করবে না। এ হল অন্তিম জন্ম। পরে তো যাবে স্বর্গে। দন্ড ভোগ করে প্রজা পদ প্রাপ্ত করাকে পুরুষার্থ বলা হবে না। সেই সময় ত্রাহি ত্রাহি করতে হবে। এমন সাক্ষাৎকারও বাবা করাবেন যে বার বার বাবা বুঝিয়েছিলাম, ব্রাহ্মণ হওয়া মাসির বাড়ি যাওয়ার মতন সহজ কথা নয়। ঈশ্বরের সন্তান হয়ে কোনও বিকার থাকা উচিত নয়। তার মধ্যেও কাম বিকার হলো মহা শত্রু। যারা কাম বিকারের বশীভূত হয়ে পড়ে তাদেরকে ব্রাহ্মণ বলা যাবে না। মায়া খুব প্রহার করবে কিন্তু কর্মেন্দ্রিয়ের দ্বারা কোনও কর্ম করবে না। ফ্যামিলিয়ারিটির হাল্কা নেশা - এটাও হলো একপ্রকারের মায়ার নেশা। বাবা বুঝিয়েছেন এর দ্বারাও কর্মের বোঝা বাড়বে। তোমরা ব্যভিচারী হয়ে গেছো। ঈশ্বরীয় সন্তানের মধ্যে কাম-ক্রোধ ইত্যাদি শয়তান কখনো থাকে কি? সেসব হল শয়তান আসুরিক গুণ। অনেকে আছে যারা ঈশ্বরের সন্তান হয়ে মায়ার আপন হয়ে যায়। দেহ-অভিমানে এসে যায়। বাবার শ্রীমৎ অনুসরণ করলে বাবা রেস্পন্সিবল হবেন। ব্রহ্মার মতের গায়নও আছে। ব্রহ্মার মত অনুসরণ করলেও শিববাবা রেস্পন্সিবল থাকবেন । তাহলে নিজের উপরে রেস্পন্সিবিলিটি নেওয়ার প্রয়োজন নেই। বাপ-দাদা, দুই জনের মত-ই হল সুবিখ্যাত। মাতার মতানুসারেও চলা উচিত কারণ মাতা হলেন গুরু। ওই মাতা-পিতা আলাদা। এই সময় মাতাকে গুরু বানানোর প্রচলন আছে।
তোমরা পুরুষার্থ করছো শিবালয়ের জন্য। সত্যযুগকে শিবালয় বলা হয়। পরমাত্মার অ্যাক্যুরেট নাম হলো শিব। শিব জয়ন্তীর গায়ন আছে। শিবকে কল্যাণকারী বলা হয়, তিনি হলেন বিন্দু স্বরূপ। পরম পিতা পরমাত্মার রূপ হলোই স্টার । স্বর্ণ বা রৌপ্যের ছোট স্টার তৈরি করে কপালে টিপও পরে। বাস্তবে সেটাই সঠিক আর স্টার অবস্থানও করে ভ্রুকুটিতে। কিন্তু মানুষের জ্ঞান নেই। কেউ আবার কপালে ত্রিশূলও আঁকে। ত্রিনেত্রী, ত্রিকালদর্শীর নিদর্শন অর্থাৎ দিব্য দৃষ্টি, দিব্য বুদ্ধিকে বোঝায়। এখন বাচ্চারা, তোমাদের এই জ্ঞান আছে। তোমরা চাইলে স্টার লাগাতে পারো। আমাদের চিহ্ন শ্বেত স্টার। আত্মার রূপও হল স্টারের মতো। বাবা সব রহস্য বুঝিয়ে দেন। সতর্কও করে দেন। বি.কে. তারা, যারা প্রতিজ্ঞা করেছে যে, পাপ কর্ম কখনও করবে না। এই কথাটি স্মরণে রাখতে হবে। কাউকে দুঃখ দেবে না। যদি দুঃখ দাও তবে শিববাবার সন্তান নয়। শিববাবা আসেন সুখ প্রদান করার জন্য। সেখানে যথা রাজা রানী তথা প্রজা - সবাই একে অপরকে সুখ প্রদান করে। এখানে সবাই শ্যাম বর্ণের হয়ে গেছে, কাম কাটারী চলতে থাকে । এটা হলোই একে অপরকে দুঃখ দেওয়ার দুনিয়া। সত্য যুগ হল একে অপরকে সুখ দেওয়ার দুনিয়া। বোঝানো উচিত যে, আমরা ঈশ্বরীয় সন্তান হয়েছি। আমরা কোনও পাপ করি না। নাহলে পুণ্য আত্মাদের দুনিয়ায় এত উচ্চ পদ প্রাপ্ত হবে না। প্রত্যেকের নাড়ি দেখে বোঝা যায় যে এরা আমাদের কুলের কিনা।
আমরা এ'কথা বলে থাকি যে, ভগবানুবাচ তো প্রখ্যাত আছেই যে - আমি তোমাদেরকে রাজযোগের শিখিয়ে থাকি। ভগবান তো একমাত্র নিরাকারকে বলা হয়। তাহলে উনি কবে এসে রাজযোগ শেখাবেন? নিশ্চয়ই যখন নতুন দুনিয়ার স্থাপনা হবে। নতুন দুনিয়ার জন্য অবশ্যই পুরানো দুনিয়ায় আসতে হবে। ভগবানুবাচ - আমি তোমাদের রাজযোগ শেখাই। কোথাকার জন্য? নরকের জন্য? পবিত্র দুনিয়ার জন্য। ভগবানুবাচ - আমি তোমাদের রাজার রাজা করি। তাহলে কবে এসেছিলেন, উনি কে, পুনরায় কবে আসবেন? নিশ্চয়ই সত্য যুগের জন্যই শেখাবেন। খুব সহজ। কিন্তু যদি কারো ভাগ্যে না থাকে তবে তো বুদ্ধিতে বসবে না। এমন যেন তপ্ত লোহার চাটু (ছ্যাত্ করেই উবে যায়) । তখন বুঝতে হবে তারা আমাদের সূর্য বংশী, চন্দ্র বংশী রাজ্যের নয়। যদিও প্রজা তো অসংখ্য তৈরী হবে।
আচ্ছা!
মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি ৫ হাজার বছর পরে এসে বাবার কাছে স্বর্গের অধিকার নিতে আসা বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*
১ ) কারো মনে কখনো দুঃখ দেবে না। প্রতিজ্ঞা করতে হবে কখনও কোনও পাপ কর্ম করবো না। সদা সুখদায়ী হবো।
২ ) কর্মেন্দ্রিয়ের দ্বারা কোনো রকমের উল্টো কর্ম করবে না। বাবা আর দাদার (শিববাবা ও ব্রহ্মাবাবা) মতানুসারে চলে নিজের বোঝা (কর্মের বোঝা) নামিয়ে দিতে হবে।
*বরদানঃ-* অমৃতবেলা থেকে রাত পর্যন্ত মর্যাদা অনুসারে চলা মর্যাদা পুরুষোত্তম ভব
সঙ্গম যুগের মর্যাদা -ই পুরুষোত্তম বানায়, সেইজন্যই মর্যাদা পুরুষোত্তম বলা হয়। তমোগুণী বায়ুমন্ডল, ভাইব্রেশন থেকে বাঁচার সহজ সাধন হলো এই মর্যাদা গুলি। মর্যাদার সীমারেখার ভিতরে যারা থাকে তারা পরিশ্রম অনুভব করে না। প্রতিটি কদমের জন্য বাপদাদার দ্বারা মর্যাদা প্রাপ্ত হয়েছে, সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নিলে স্বভাবতঃই মর্যাদা পুরুষোত্তম হওয়া যায়। অতএব অমৃতবেলা থেকে রাত পর্যন্ত মর্যাদায় পরিপূর্ণ জীবন থাকলে তখনই বলা হবে পুরুষোত্তম অর্থাৎ সাধারণ পুরুষদের চেয়ে উত্তম আত্মারা।
*স্লোগানঃ-* যেকোনো বিষয়ে যে নিজেকে মোল্ড করে নেয় সে-ই সর্বজনের আশীর্বাদের (দুআ'র )পাত্র হয়।
No comments:
Post a Comment