Friday, February 17, 2023

18.02.2023 BANGLA MURLI

                                                18.02.2023 BANGLA MURLI



মিষ্টি বাচ্চারা - তোমাদের ক্ষীরখন্ড হয়ে থাকতে হবে, মতভেদে আসবে না, যে কোনো রকমের খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করতে হবে, কাউকে দুঃখ দেবে না”

*প্রশ্নঃ - জন্ম-জন্মান্তরের জন্য উঁচু পদ প্রাপ্ত করার জন্য কোন্ একটি দয়া নিজের উপরে অবশ্যই করতে হবে?

*উত্তরঃ -    নিজের ভিতরে পরীক্ষা করে য'সব খারাপ অভ্যাস আছে, ক্রোধ ইত্যাদি বিকার আছে সেসব দূর করে দিতে হবে, ক্ষীরখন্ড হয়ে থাকতে হবে। সেই এক এর শ্রীমৎ অনুসরণ করে চলতে হবে, মতভেদে আসবে না, কোনও ইভিল কথা শুনবে না, শোনাবেও না - নিজের উপরে এইটুকু দয়া করতে হবে। এর দ্বারাই জন্ম-জন্মান্তরের জন্য উঁচু পদ প্রাপ্ত হয়। যে নিজের উপরে দয়া করে না সে ২১ জন্মের সুখে সীমারেখা টেনে দেয়।

*গীতঃ- ওম্ নমঃ শিবায়.....

ওম্ শান্তি । শিববাবার মহিমা বাচ্চারা শুনেছে। এই মহিমা কে করে এবং কে জানে? শুধুমাত্র ব্রাহ্মণ কুল ভূষণ অর্থাৎ নতুন মনুষ্য সৃষ্টির সম্প্রদায় যাদেরকে পরমপিতা পরমাত্মা আপন করেছেন বা জন্ম দিয়েছেন তারা ই জানে। কারণ সর্ব প্রথমে এই সৃষ্টিতে তারা ব্রহ্মার দ্বারা জন্ম নেয়। যেমন তোমরা সর্ব প্রথমে জন্ম গ্রহণ করেছো পরমপিতা পরমাত্মার থেকে । তো পিতা হলেন সর্ব জনের সহায়ক, সমগ্র দুনিয়ার সহায়ক, সকলের দুঃখহরণকারী। মানুষ খুব দুঃখে আছে কারণ এখন হলো কলিযুগের অন্তিম সময়। তাই সকলের সহায়ক হন। তবুও শব্দ আছে না, আম আর খাশ (সাধারণ ও বিশেষ) । সুতরাং বিশেষ ভাবে ভারতের, তার মধ্যেও বিশেষ, যারা অনেক জন্মের অন্তিম কালে এসে মিলিত হয় অর্থাৎ যারা সর্ব প্রথমে সৃষ্টিতে আসে। তোমরা বাচ্চারা জানো উনি কীভাবে এসে সর্ব জনের সহযোগী হন। ভক্তরা ভগবানকে স্মরণ করে, কিন্তু ভগবানের পরিচয় জানেনা। যখন ভগবানকেই জানেনা তখন ভগবান যে নতুন ব্রাহ্মণ মুখ বংশাবলী রচনা করেন, তাদেরও জানেনা। পরম পিতা পরমাত্মা এসে সর্ব প্রথমে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায় রচনা করেন, এই কথা কেউ জানেনা। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম তো হয় সত্যযুগে। বাকি সঙ্গম যুগকে ভুলে গেছে কারণ গীতার ভগবানকেই দ্বাপরে নিয়ে গেছে। সত্য যুগের আদি এবং কলিযুগের অন্তের সঙ্গমের কথা তো কেউ জানেনা। না গীতার ভগবানকে জানে। গীতা তো হলো সর্ব শাস্ত্রের মাতা-পিতা। এমন নয় শুধুমাত্র ভারতের শাস্ত্র গুলির মাতা-পিতা। না। যে সব বড় বড় শাস্ত্র ইত্যাদি দুনিয়ায় আছে, সব শাস্ত্রের মাতা-পিতা। ভগবানুবাচ - আমি তোমাদেরকে পুনরায় সহজ রাজ যোগের শিক্ষা প্রদান করি যারই নাম গীতা রেখেছে। তাই আমাকেও বলতে হয় নতুন গীতা শোনাই। পুরানো গীতা তো খন্ডন করা হয়েছে। এই কথা তো স্বয়ং ভগবান বসে নিজ মুখ কমল দ্বারা শোনান। তোমাদের বুদ্ধিতে পরমপিতা পরমাত্মা শিবই স্মরণে আসেন। উনি হলেন স্বর্গের রচয়িতা, সকলের সহযোগী। শ্রীকৃষ্ণকে সকলের সহযোগী বলা হবে না। ভগবান হলেন সৃষ্টির রচয়িতা, একজনই। শ্রীকৃষ্ণ তো স্বয়ং হলেন রচনা। বাগানের ফার্স্ট ক্লাস পুষ্প। পরমপিতা পরমাত্মাকে বাগানের মালিকও (বাগবান) বলা হয়, কান্ডারীও বলা হয়। মানুষ তো বুঝতে পারে না কান্ডারী কীভাবে হন? অবশ্যই অসার সংসার থেকে নিয়ে যান তারপরে এখানেই নতুন দুনিয়ায় পাঠিয়ে দেন। এখানেই ফুলের বাগান তৈরি করেন। সব বাচ্চারা যারা ভক্ত রূপে আছে, আসলে তারা ভগবানের সন্তান ছিল, তাদেরকে মায়া দুঃখী বানিয়ে দিয়েছে। ভগবান তো হলেন একজনই। উনি সব ভক্তদের অবশ্যই সুখ প্রদান করেন। যখন কেউ কাউকে সুখ দেয় তখন তাকে স্মরণ করা হয়। স্ত্রী, স্বামীকে অথবা সন্তান বাবাকে অথবা বন্ধু বন্ধুকে স্মরণ করে। নিশ্চয়ই সুখ প্রদান করেছে সে। ভাইয়ের চেয়েও বন্ধু প্রিয় হয় কারণ সুখ দেয়। সুতরাং সুখ প্রদানকারীকেই স্মরণ করা হয়। এখন সম্পূর্ণ সৃষ্টির মানুষ হল ভক্ত। মানুষেরই ৮৪ জন্মের গায়ন আছে। কুকুর বেড়ালের ৮৪ জন্ম বলে না। গায়নও করে যে, আত্মা পরমাত্মা দূরে থেকেছে বহু কাল.... এই সময় মিলন মেলা হয়। পরম পিতা পরমাত্মা সব বাচ্চাদের মাঝে এসে উপস্থিত হন। আসর বা জমায়ত তো হবেই তাইনা। এক হয় সুখের আসর, অন্যটি হয় দুঃখের আসর। সত্যযুগে হলো সুখের আসর। এখানে তো দুঃখেরই বলা হবে। কারো মৃত্যু হলেও দুঃখের আসর আয়োজিত হয়। কোনো বিখ্যাত মানুষ মারা গেলে শোক পালনের উদ্দেশ্যে পতাকা অর্ধ নমিত করে রাখা হয়। অর্থাৎ দুঃখের আসর, তাইনা। ভক্ত যখন খুব দুঃখে থাকে তখন ভগবানকে স্মরণ করে। কিন্তু তাঁর পরিচয় একেবারেই জানেনা। তারা বলেও থাকে উনি হলেন জন্মদাতা। শেষ পর্যন্ত তারা তাঁকে জানবে তো? নাকি জানবে না? শেষে গেয়ে থাকে করে হে ভগবান তোমার লীলা অপরমঅপার। মহিমা গান করে। তোমরা জানো বাবা না থাকলে সৃষ্টি চক্রের রহস্য কে বুঝিয়ে বলতেন, কে আমাদের চক্রবর্তী বানাতেন?

 

এখন সঙ্গমে তোমরা সদাকালের জন্য দুঃখ থেকে মুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছো। সঙ্গম যুগ তো বিশাল নয়। আমাদের এ'হল নতুন জন্ম। এই ছোট যুগ হল - আমাদের অর্থাৎ বাচ্চাদের পুরুষার্থের জন্য। খুব বড় পরীক্ষা। এই পরীক্ষার সাবজেক্ট সব পরীক্ষার থেকেই পৃথক। পাঁচ বিকারের উপরে বিজয় প্রাপ্ত করতে হবে। অনেক মানুষ বলে পবিত্র থাকা তো অসম্ভব কথা। গৃহস্থে থেকে মায়াকে জিতে নেওয়া খুবই কঠিন। তারা ভাবে এমন ওস্তাদ বা গুরু পাওয়া কঠিন। সন্ন্যাসীরাও ঘর সংসার পরিত্যাগ না করে পবিত্র থাকতে পারে না। অতএব বাবা এই মায়ার উপরে জয় লাভ করার যুক্তি বলে দেন। যেমন কল্প পূর্বেও শিখিয়েছিলেন। যখন বাবা শেখান তখন আমরা ভক্ত থেকে জ্ঞানী হই। একেই ভারতের প্রাচীন জ্ঞান ও যোগ বলা হয়। দুনিয়ায় কেউ জানেনা। বাবা বোঝান এই জ্ঞান লুপ্তপ্রায় হয়ে যায় এবং দেবতা ধর্মও লুপ্ত হয়ে যায়। ড্রামাতে এইরকমই আছে। যখন লুপ্তপ্রায় হয়ে যায়, সৃষ্টি দুঃখী হয় তখন ভগবান এসে পুনরায় স্থাপন করেন। এ'কথাও কেউ জানেনা যে কলিযুগের আয়ু কবে শেষ হয়। তোমরাই বাবাকে এবং সৃষ্টির আদি মধ্য অন্তকে জানো। দেখতে খুবই সাধারণ তোমরা - কুব্জা-অহল্যা । কিন্তু নলেজ খুব উচ্চ। নিজের সম্পূর্ণ ৮৪ জন্মের চক্রের বিষয়ে তোমরা জানো। একটুও যদি কেউ স্মরণ করে সেও ভালো। কিন্তু যদি কেউ প্রশ্ন করে আর উত্তর না দিতে পারো তবে বলা উচিত আমরা এখন পড়ছি। আমাদের চেয়ে তীক্ষ্ণ যারা, তারা ভালোভাবে বোঝাতে পারবে। নিজের অহংকার রাখা উচিত নয়। বলে দেওয়া উচিত, আমাদের সিনিয়র বোন খুবই তীক্ষ্ণ। অন্য সময়ে আসুন তখন উনি বুঝিয়ে দেবেন। যদি এমন কোনও প্রশ্ন ওঠে যার উত্তর সিনিয়র বোনও না দিতে পারে তখন বলা উচিত আমরা সবাই পড়ছি। অন্তিম সময় পর্যন্ত পড়তে থাকবো। গুহ্য থেকে গুহ্যতম নলেজ শুনতে থাকবো। এই পয়েন্টটি এখনও আমাদের বোঝানো হয়নি। এমন তো অবশ্যই, এতটা সময় যে পড়া করেছি তো নিশ্চয়ই এখনও কিছু গুহ্য পয়েন্ট বাকি আছে, যা শুনতে থাকবো। স্কুলেও ধীরে ধীরে পড়ানো হয়। এমন নয় এক দিনেই সম্পূর্ণ নলেজ প্রাপ্ত হয়ে যায়। ঠিক সেই রকমভাবে এখানেও পঠন-পাঠনে, যোগ যুক্ত হওয়াতে, নিজ সম পরিণত করতে সময় লাগে। বাবা দিন-দিন সহজ করে বোঝান। ভগবান হলেন এক, তাঁকেই সবাই স্মরণ করে। ভগবানই স্বর্গের স্থাপনা করেন তাই দেবতায় পরিণত করার জন্য নিশ্চয়ই সঙ্গমেই রাজযোগ শেখাবেন। সুতরাং ম্যানার্সও এইরকম চাই। যখন পাপ শেষ হবে তখন তো বিজয় মালার দানা হবে। টাইম তো লাগে।

 

'হল মনোরম সঙ্গমের মেলা। বোঝাতে হবে সম্পূর্ণ দুনিয়ার মানুষ হল ভক্ত। সাধনা করে ভগবানের জন্য, যাতে পরমাত্মা এসে সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যান। মুক্তি জীবনমুক্তির জ্ঞান প্রদান করবেন, দেবতা ধর্মের স্থাপনা করবেন। সন্ন্যাসীরা তো ভাবে সুখ কাক বিষ্ঠার সমান। সে তো অবশ্যই, এই দুনিয়ার সুখ এমনই। কিন্তু ভারতে কি কোনোদিন সুখ ছিল না? সন্ন্যাসীরা তো পছন্দ করে মুক্তিকে। তারা কখনও জীবনমুক্তির জ্ঞান প্রদান করতে পারে না। ভগবানকেই এসে রাজযোগ শেখাতে হয়। সন্ন্যাসীদের দ্বারা শেখানোর নয়, কারণ তারা কোনও আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম স্থাপন করেন না। এখন সবাই বলেও থাকে যে একমত হোক। কিন্তু এই দুনিয়ায় তো একমত হওয়া সম্ভব নয়। অসংখ্য মত রয়েছে । মাতা পিতা, ভাই বোন, কাকা মামা ইত্যাদি সকলেই ভিন্ন মতামত প্রদান করে। এখন সেই মত অনুসরণ করে চলতে হবে না। এক এর শ্রীমৎ অনুসরণ করে চলতে হবে। ভগবান এসে এক শ্রীমৎ প্রদান করেন তখন একমতের রাজধানী হয়ে যায়। দেবী-দেবতারা সর্বদা ক্ষীরখন্ড হয়ে থাকে। এখানে তো অনেক বাদবিবাদ চলতেই থাকে। শাস্ত্রেও লেখা আছে যে কৌরব পান্ডব দিনের বেলায় যুদ্ধ করতো, রাতের সময় ক্ষীরখন্ড হয়ে থাকতো। এখানেও বাচ্চারা বুঝেছে যে, আমাদের মধ্যে ক্রোধের অংশ এসে গেছে। বাবা, আমরা আপনার কাছে ক্ষমা চাইছি। অতএব তোমাদেরও দেখা উচিত - সারাদিনে কাউকে দুঃখ দিইনি তো? কারো সাথে মতভেদ হয়নি তো? কারো সাথে ইভিল কথা (নেগেটিভ কথা) বলিনি তো, যার দ্বারা কারো দুঃখ অনুভব হয়েছে? ইভিল কথা তো কখনও শোনা উচিত নয়, এমন কিছু দেখলে, শুনলে বাবাকে বলা উচিত। বাবাই বাচ্চাদের সব কিছু বোঝান। নাহলে (কু) অভ্যাস পাকা হয়ে যাবে। কারো মধ্যে কিছু খারাপ স্বভাব থাকলে তা ত্যাগ করা উচিত, নাহলে পদভ্রষ্ট হয়ে যাবে। বাদশাহীর পরিবর্তে প্রজার দাস দাসীদের গরিবই বলা হবে, তাইনা। এই মজদুররা কী ? সেখানেও তো গৃহ ইত্যাদি নির্মাণের কাজ করার জন্য কেউ থাকবে তাইনা। তো বাবা বোঝান কখনো লবণাক্ত হওয়া উচিত নয়। ক্রোধ করা খুব খারাপ। জন্ম-জন্মান্তরের সুখের ভাগ্যে সীমারেখা পড়ে যায়। নিজের উপরে দয়া করতে থাকো। জ্ঞান মার্গে ম্যানার্স খুব ভালো থাকা উচিত। পাঁচ ভূতকে দূর করতে থাকো। বাবা শ্রীমৎ দেন, আর কি করবেন । অনেকে লেখে বাবা আমাদের ক্রোধ দূর হয়েছে। বিঁড়ি ইত্যাদি পান করার অভ্যাস দূর হয়েছে। অর্থাৎ নিজের উপরে দয়া করেছো তাইনা। এখন হেভেনলি গড ফাদার স্বর্গের পদ প্রাপ্ত করানোর জন্য আমাদের পড়াচ্ছেন। বুদ্ধিতে এমন পয়েন্ট আসে? এইরূপ নেশা থাকা উচিত। যত স্মরণ করবে ততই খুশী থাকবে। যদিও ভগবানকে তো সবাই জানেনা কিন্তু না জানা সত্ত্বেও কল্যাণ তো সকলেরই হবে। সবাই যদি এই কথাটি জানতে পারে যে ভগবান এসেছেন তাহলে তো ভীড় জমে যাবে। পিঁপড়ের মতো এসে হাজির হবে, মিলিত হতেও পারবে না তাই খুব কায়দা করে এই ড্রামাটি নির্দিষ্ট রয়েছে। আচ্ছা!

 

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

 

*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*

 

১ ) জ্ঞান আর যোগ শিখে, ভক্ত থেকে তোমাকে জ্ঞানী আত্মা হতে হবে। গৃহস্থে থেকে মায়াকে জিততে হবে। পবিত্র অবশ্যই হতে হবে।

 

২ ) জ্ঞান মার্গে খুব ভালো ম্যানার্স ধারণ করতে হবে। খুব খুব মিষ্টি, নিরহংকারী হতে হবে। ইভিল কথাবার্তা (নেগেটিভ কথা) বলবে না। মতভেদের মধ্যে যাবে না।

 

*বরদানঃ-*   গুটিয়ে নেওয়ার শক্তির দ্বারা বাক্স বেডিং (প্যাক করে) বন্ধ করে সময় মতো এভাররেডি ভব

এভাররেডি তাকে বলা হয়, যে গুটিয়ে নেওয়ার (প্যাক আপ) শক্তির দ্বারা দেহ, দেহের সম্বন্ধ, পদার্থ, সংস্কার.... সবকিছু থেকে বাক্স বেডিং বন্ধ করে প্রস্তুত থাকবে। তাই চিত্রেও গুটিয়ে নেওয়ার শক্তিকে বাক্স বেডিং প্যাক করা দেখানো হয়েছে । সঙ্কল্পও যেন না আসে যে এখন এটা করতে হবে, এমন তৈরি হতে হবে, এখনও বাকি আছে। সেকেন্ডে তৈরি। সময়ের ডাক আসবে আর এভাররেডি। কোনও সম্বন্ধ বা পদার্থ যেন স্মরণে না আসে।

*স্লোগানঃ-*   পরমাত্মার গুণ এবং শক্তি গুলি নিজের মধ্যে ধারণ করাই হল মহান তপস্যা।

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...