09.02.2023 BANGLA MURLI
মিষ্টি বাচ্চারা
- এই পুরানো দুনিয়ার প্রতি আর কোনো আশা না রেখে ভবিষ্যতে উচ্চ পদ প্রাপ্তির জন্য কেবল
নষ্টমোহ হও, বাবাকে স্মরণ করো আর পবিত্র থাকো"
*প্রশ্নঃ - বাবা কোন্ সোজা সরল রাস্তা বলে দেন? কোন্ বিষয়ের সঙ্গে বাবার কোনো সম্বন্ধ নেই?
*উত্তরঃ -বাবা
বাচ্চাদের শান্তিধাম, সুখধাম যাওয়ার সোজা সরল রাস্তা বলে দেন - বাচ্চারা, তোমরা কেবল
বাবাকে স্মরণ করো আর পবিত্র থাকো । বাকি তোমাদের সামনে যে কোনো বিপদ আসুক, দুঃখ বা
অসুস্থতা আসুক, দেউলিয়া হয়ে যাও, এ সব তোমাদের নিজেরই কর্মের হিসেব-নিকেশ, এর সঙ্গে
বাবার কোনো সম্পর্ক নেই । বাবা যুক্তি বলে দেন, কর্মবন্ধন থেকে মুক্ত হওয়া প্রত্যেক
বাচ্চার কাজ ।
*প্রশ্নঃ - কোনো কোনো বাচ্চা কোন্ একটি কারণে সেবার উপযুক্ত হতে
পারে না?
*উত্তরঃ -ফ্যামিলিয়ারিটির
হাল্কা নেশা থাকে, মায়ার পোকা লেগে যায় - এই কারণে সেবার যোগ্য হয় না ।
*গীতঃ- ফিরে গেছে দুঃখের সময়...
"
ওম্ শান্তি । খুশী আর দুঃখ । এখন
তো হলো রাবণ রাজ্য । মানুষ তো জানে না যে, রাবণ রাজ্য কাকে বলা হয় । বাবা এসে বাচ্চাদের
বুঝিয়ে বলেন যে, দুঃখ কখন হয় আর সুখ কখন হয় । এই রাবণ রাজ্যে যেমন দুঃখও আছে, তেমনই
খুশীও আছে । এখনই খুশী, আবার এখনই দুঃখ । বাচ্চা জন্মালে খুশী, আবার মৃত্যু হলে দুঃখ
। সন্ন্যাসীরাও বলে থাকে - এখানকার সুখ কাক বিষ্ঠার সমান । তাহলে অবশ্যই বলা হবে, এ
হলো দুঃখের দুনিয়া, কিন্তু ওরা জানেও না যে, সদা সুখ, যেখানে দুঃখের নাম-নিশানা থাকবে
না, সে থাকে সত্যযুগেই । তোমরা বাচ্চারা এ কথা এখনই জানো যে, অবশ্যই এখন হলো রাত ।
রাত দুঃখের হয়, একে রাবণের রাত বলা হয় । রাবণ আসার কারণে ভক্তি আরম্ভ হয় । বিকার
শুরু হয়ে যায় । তোমরা বাচ্চারা এখন বুঝতে পারো যে, সদা খুশীতে থাকার জন্য আমরা এই
সময় পুরুষার্থ করছি । বাবা বোঝাচ্ছেন যে বাচ্চারা, ভবিষ্যতে উচ্চ পদ প্রাপ্ত করার
পুরুষার্থ করো, আর কোনো আশা রেখো না । বাচ্চারা তো জানেই না যে, অসীম জগতের পিতার কাছ
থেকে কি প্রাপ্ত হয় । বাবা এসেই তা বলে দেন । দুনিয়া এই কথা জানে না যে, পরমাত্মার
থেকে কি প্রাপ্ত হয় । ওরা মনে করে সুখ - দুঃখ তিনিই দেন । বাবা বলেন, আমি তো সদা সুখ
দান করতেই আসি । তোমরা কেবল শ্রীমৎ অনুযায়ী চলো । আমি তো তোমাদের শান্তিধাম আর সুখধামের
পথ বলে দিতে এসেছি । ওই রাস্তায় চলা তো তোমাদের কাজ, আর কি ঝঞ্ঝাট সামনে আসে ? সম্পূর্ণ
দুনিয়া তো ঝঞ্ঝাটেই আছে । বাবা বলেন যে, আমি তো তোমাদের সহজ সরল রাস্তা বলে দিই ।
সে তো খুবই সহজ । বাকি যে বিপদ, ঝঞ্ঝাট আসে, দুঃখ আসে, রোগ ইত্যাদি হয়, দেউলিয়া হয়...
এ সব হলো তোমাদের কর্মের হিসাব । সে তো প্রত্যেককেই ভোগ করতেই হবে, এর সঙ্গে আমার কোনো
সম্পর্ক নেই । এই সময়ও কেউ এমন পাপ করে যে দুঃখ ভোগ করতে হয় । আমি তো তোমাদের পথ
বলে দিতে এসেছি । আমার নির্দেশ হলো -- আমি তোমাদের বাবা, আমাকে স্মরণ করো, কারণ ঘরে
ফিরে যেতে হবে । বাকি লড়াই - ঝগড়া করে তো পুরো আয়ুকালই শেষ করেছো । আমি তো সোজা পথ
বলে দিই যে, আমাকে স্মরণ করো আর পবিত্র থাকো । কীভাবে থাকবে, সেই যুক্তিও তিনি বলে
দেন । বাকি মাথা ঠোকা, পুরুষার্থ করা তো তোমাদের কাজ । বাচ্চারা, এই সব কর্মবন্ধন হলো
তোমাদের । বাবা বলেন যে, গৃহস্থ জীবনে থেকে তোমাদের পবিত্র থাকতে হবে । বাবা জানেন
যে, স্ত্রীর পতির প্রতি, বাচ্চাদের প্রতি অনেক মোহ থাকে, এর থেকে মুক্ত হওয়া, নষ্টমোহ
হওয়া... এ তো বাচ্চাদের কাজ ।
বাবা তো কেবল
দুটি কথা বলেন -- যদি সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করতে হয় তাহলে এক তো অবশ্যই পবিত্র
হতে হবে আর দ্বিতীয় যোগে থাকতে হবে । কোনো বিষয়ে কেউ যদি তোমাদের সঙ্গে লড়াই ঝগড়া
করে, তাহলে এ হলো তোমাদের কর্মের হিসাব । বাকি তোমরা যদি পবিত্র থাকো তাহলে গভর্নমেন্টও
তোমাদের আটকাতে পারবে না । বাবা তো পথ বলে দেন যে, তোমাদের গৃহত্যাগ করতে হবে না ।
গৃহস্থ জীবনে থেকে তোমাদের পবিত্র থাকতে হবে আর যোগে থাকতে হবে । মানুষ মনে করে যে,
পবিত্র থাকা খুবই কঠিন কাজ, কেননা এমন শিক্ষা কেউই কোনোদিন দেয়নি । যদিও অনেক ব্রহ্মচারী
আছে কিন্তু এখানে তো নিয়ম হলো, গৃহস্থ জীবনে থেকে পবিত্র থাকতে হবে । কুমারী তো পবিত্রই,
তার জন্য তো খুবই সহজ, তাই পবিত্রই থাকো । গৃহস্থ জীবনে যেও না । এতে কেবল সাহস থাকার
প্রয়োজন । তোমরা বলতে পারো যে, আমরা ভারতকে স্বর্গ বানানোর জন্য পবিত্র থাকতে চাই,
এতে ভারতেরই কল্যাণ । আমরা পবিত্রতার উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করবো । এ হলো উত্তরাধিকার
প্রাপ্ত করার কথা । সত্যযুগে পবিত্র দুনিয়াই ছিলো । সঙ্গম যুগে যারা পবিত্র থাকবে,
তারাই পবিত্র দুনিয়ার মালিক হতে পারবে । এতে তো সম্পূর্ণ দুনিয়ার প্রশ্নই নেই যে,
সবাই কি করে পবিত্র হবে । এখন হলো সকলের অন্তিম সময় । এখন সবাইকে হিসেব - নিকেশ শোধ
করে ঘরে ফিরে যেতে হবে । সবাই তো আর এসে জ্ঞান গ্রহণ করবে না । যারা সহজ রাজযোগ শিখবে
তারাই উত্তরাধিকার গ্রহণ করবে । সম্পূর্ণ দুনিয়া তো কি, সম্পূর্ণ ভারতই এই জ্ঞান শুনে
ধারণ করতে পারবে না । বাকি কোনো ঝগড়াঝাঁটি হলে সে তোমাদের যোগবলের দ্বারা দূর করতে
হবে । তাদেরই মার খেতে হয়, যাদের কিছুমাত্র মমত্ব আছে, এখনো নষ্টমোহ হয়নি, সেই শক্তি
নেই । বাবার কাছে সমাচার এসেছিলো যে, এক গোপিকা খুব চোখের জল ফেলেছিলো, কিন্তু কাঁদলে
কি হবে ? বাবা তো অনেক যুক্তিই বলে দিয়েছেন । পতিকে বলো যে, আমি পবিত্র থাকতে চাই
আর বাকি সব সার্ভিস করার জন্য তৈরী আছি । তোমরা যুক্তির দ্বারা নিজেকে মুক্ত করতে পারো
কিন্তু প্রথমে নিজের হৃদয়ের মমত্ব দূর করা উচিত । মাতাদের তাদের পতি আর বাচ্চাদের
প্রতি অনেক মোহ থাকে । তারা আবার বলে, কেউ আমাদের মুক্ত করে দিক, কিন্তু এতে চিৎকার
করার বা কান্নাকাটি করার কোনো দরকার নেই । এ হলো বোঝার মতো কথা । মনে করো, কোনো ভালো
মানুষের স্ত্রী, বাচ্চারাও ফার্স্টক্লাস, বাবা তো বলবেন, এখন এই অন্তিম জন্মের জন্য
গৃহস্থ জীবনে থেকে পবিত্র থেকে দেখাও । তাই পতিকে বুঝিয়ে বশ করতে হবে । না হলে তো
জবাব দিতে হবে, কিন্তু যখন নষ্টমোহ হতে পারবে, তখন । কেউ চাইলে এক সেকেন্ডে নষ্টমোহ
হয়ে যেতে পারে, না হলে জীবনভর হতে পারবে না । অনেককে ত্যাগ করার পরও অনেকে নষ্টমোহ
হয় না, তখন মনের ওঠানামা চলতে থাকে ফলে অবস্থাও ঠিক থাকে না । বাবা তাই বলেন, প্রথমে
নষ্টমোহ হয়ে যাও । এরপরও যদি নিজ কর্মের জন্য অনুশোচনা করতে থাকো, তাহলে বাবা কি করবেন
? সকলের জন্য রাস্তা একই, অবশ্যই তোমাদের পবিত্র হতে হবে । যদি পবিত্র থাকতে না দেয়
তাহলে নিজের পায়ে দাঁড়িয়ে কোনো না কোনো সার্ভিসে লেগে যাও । এখানে তো স্বচ্ছ হৃদয়ের
প্রয়োজন । এমন নয় যে, ঘর ছেড়ে চলে এলো, এরপর ব্রাহ্মণ কুলে থেকে কোনো না কোনো পারিবারিক
সম্পর্কে আটকে রইলো । এমনও অনেক আছে যাদের হাল্কা ফ্যামিলিয়রিটির (পরিচিতি) নেশা থাকে
। তাদের অবস্থার উন্নতি হয় না । তারা সার্ভিসের উপযুক্ত হয় না, কেননা ভিতরে (খ্যাতি)
পোকা লেগে থাকে । মায়া তাদের ত্যাগ করে না । তারা লেখে, বাবা মায়ার অনেক তুফান আসে
। তাহলে অবশ্যই হাল্কা নেশা আসছে । এখানে তোমাদের কমল ফুলের সমান থাকতে হবে । ঝিমিয়ে
যাওয়ার কোনো কথাই নেই । সকলেরই তাদের নিজের নিজের কর্ম বন্ধন, তাহলে ওষুধও নিজের
- নিজের আলাদা । কেউ যদি উপার্জন করার জন্য জিজ্ঞেস করে, বাবা তখন তার পোতামেল দেখে
রায় দেন । কেউ এমনও আছে, তাদের কাজই এমন যে, পাপ করা ছাড়া শরীর নির্বাহ করতে পারে
না । এখন সময় এমনই হয়ে গেছে । কারোর কাছে অনেক অর্থ থাকলে পাপ করার দরকার হয় না
। বাবা বলেন, শান্তভাবে বসে যোগের উপার্জন করো কিন্তু কোনো কাজ করার পূর্বে রায় নিতে
হয় । এমন নয় যে, কাজ করার পরে বললে, এই বিষয়ে আটকে গেছি, এবার কি করবো ? বাবা বোঝাতে
থাকেন, যদি ধন অনেক থাকে তাহলে শান্তভাবে বসে বাবার কাছ থেকে উত্তরাধিকার গ্রহণ করো,
কাজকারবারের ঝামেলা ঝঞ্ঝাট ছাড়ো। প্রতি পদে শ্রীমতে চলা খুবই জরুরী । নিজেদের মধ্যে
খুবই মিষ্টিভাবে থাকতে হবে । নাহলে বাপদাদার নাম বদনাম করবে । বাপদাদা বা সদ্গুরুর
নিন্দা যারা করে তারা উচ্চ পদে টিকতে পারবে না । নিজের হাতে আইন নেওয়া উচিত নয় ।
না হলে সবাই বলবে যে, ঈশ্বরীয় কুলে এমন বাচ্চা হয় নাকি ? বাবা বলেন, তোমরা কাউকে
দুঃখ দিও না । ভোরবেলা উঠে তোমরা বাবাকে স্মরণ করো । বাবা, তুমি কতো মিষ্টি, তুমি আমাদের
রাজার রাজা, স্বর্গের মালিক বানিয়ে থাকো। আমরা অবশ্যই তোমার শ্রীমতে চলবো । আমরা আর
আসুরী মতে চলবো না । বাবাকে স্মরণ করে না, তখন বাবা বুঝে যান যে, এদের পুরানো কড়া আসুরী
সংস্কার । এরা কীভাবে স্বর্গের রাজ্যভাগ্য গ্রহণ করবে । নিজের চলন তো দেখো । বাচ্চারা,
না হলে তোমাদের মতো ভাগ্যবান এই দুনিয়াতে আর কেউই নেই । বাবা তো বলবেন - বাচ্চারা,
তোমরা বাবার প্রকৃত বাচ্চা হও । এমন চলন দেখাও যাতে বাবাও খুশী হয়ে যায় । বাবার বাচ্চাদের
প্রতি খুবই খেয়াল থাকে যে, কীভাবে বাচ্চাদের দুঃখ থেকে মুক্ত করিয়ে উচ্চ পদ প্রাপ্ত
করানো যায় ।
বাবা বোঝান
যে, দিনে যদিও বা জাগতিক কাজকর্ম করো, কিন্তু ব্রহ্ম-মুহূর্তে উঠে বাবার সাথে মিষ্টি
- মিষ্টি বার্তালাপ করা উচিত । বাবা তুমি তো কামাল করে দিয়েছো । তুমি তো ২১ জন্মের
জন্য স্বর্গের বাদশাহী দান করে থাকো । আমরা তো তোমার কাছে বলিহারি যাবো । তাই বলিহারি
যেতে হবে, কেবল বললে হবে না । তোমরা যত সময় এই স্মরণে থাকবে, এর প্রভাব সারাদিন চলতে
থাকবে । অনেক বি.কে. আছে যারা ভোরবেলা ওঠে না, তাই তাদের ধারণাও হয় না । ভোরবেলা ওঠার
যদি অভ্যাস হয়ে যায়, তখন দেখবে কীভাবে সার্ভিসেবেল হয়ে যায় । কারোর সার্ভিসের শখ
থাকলে, সে যেখানেই হোক সেবা করবে । গালিও মিলবে । একশো জনের মধ্যে একজন বের হবে । এতে
লজ্জা পাওয়া উচিত নয় । সার্ভিস তো যেখানে - সেখানে, কেবল তা করার কেউ চাই । বাবা
তো উপায় বলেই দেন । তোমাদের নেশা থাকা উচিত । অন্য সব নেশাতে তোমাদের ক্ষতি, একমাত্র
নর থেকে নারায়ণ বানানোর নেশা ছাড়া । এই নেশা বাবা চড়ান । বাকি কারোর কাছে জ্ঞানের
নেশা নেই । পতিত দুনিয়া আর পাবন দুনিয়ার কথাও কেউ জানে না । পতিত দুনিয়াতে অবশ্যই
পতিত মানুষ থাকবে, তাই তো তারা পবিত্র দেবতাদের পূজা করে । সত্যযুগ, ত্রেতাতে তো পবিত্র
মহারাজা - মহারানী ছিলেন । দ্বাপর যুগ থেকে রাবণের রাজধানী শুরু হয় ।
বাচ্চারা জানে
যে, শিববাবা আমাদের ভালো কর্ম করতে শেখান, তারপর তিনি পদেরও সাক্ষাৎকার করান । এ হলো
প্রত্যক্ষ ফলের সাক্ষাৎকার । যেহেতু বাবা স্বয়ং শেখানোর জন্য এসেছেন, তাই শেখার জন্য
কতো উৎকণ্ঠা থাকা উচিত । কর্মবন্ধন আছে -- কেবল এমন বলা, একেও দুর্বলতা বলা হয় । কর্মবন্ধন
থেকে মুক্ত হওয়ার উপায়ও বাবা বলতে থাকেন, কিন্তু এমন রায় তিনি পাকাদেরই দিতে পারেন,
কাঁচাদের নয় । কোনো বন্ধনে আবদ্ধও পুরুষার্থ করে জ্ঞান এবং যোগবলের দ্বারা পতিকে বশীভূত
করে তাকে নিয়ে আসে, মারও অনেক খায় । বলাও হয়ে থাকে, মাটিতে মিশে যাবো তবু ধর্ম ত্যাগ
করবো না । তাই এও প্রতিজ্ঞা করা হয় আর এই প্রতিজ্ঞা বজায় রাখা উচিত । এর দৃঢ় অভ্যাসও
করা উচিত । মায়া অত্যন্ত প্রবল, তোমাদের একে জয় করতে হবে তাই সম্পূর্ণ পুরুষার্থ
করতে হবে । এমন নয় যে, স্বর্গে যে কোনো পদ পেলাম । তা নয়, উচ্চ পদ প্রাপ্ত করার জন্য
পুরুষার্থ করা উচিত । আচ্ছা !
মিষ্টি - মিষ্টি
হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের
পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) নিজের হাতে
আইন তলে নিও না । নিজেদের মধ্যে খুব মিষ্টি সম্পর্ক বজায় রাখতে হবে । কাউকে দুঃখ দেবে
না । ব্রহ্ম মুহূর্তে উঠে বাবার সাথে মিষ্টি - মিষ্টি বার্তালাপ করতে হবে ।
২ ) সেকেন্ডে
নষ্টমোহ হতে হবে । পবিত্র থাকার যুক্তি বের করতে হবে । সাহস রাখতে হবে । জ্ঞান আর যোগবলের
দ্বারা হিসেবপত্র শোধ করতে হবে ।
*বরদানঃ-* সেবার ক্ষেত্রে স্ব সেবা এবং সর্বের সেবার ভারসাম্য
রেখে মায়াজিৎ ভব
সর্বের সেবার
সবার প্রথমে স্ব সেবা আবশ্যক । এই ব্যালেন্স সদা নিজের এবং সেবার উন্নতি প্রাপ্ত করায়
। তাই সেবার ক্ষেত্রে দৌড়ঝাঁপ করেও দুই বিষয়ের ভারসাম্য বজায় রাখো, তাহলেই মায়াজিৎ
হয়ে যাবে । এই ভারসাম্য রাখলে ম্যাজিক হয়ে যায় । না হলে সেবাতে বাহ্যমুখতার কারণে
ম্যাজিকের পরিবর্তে নিজের এবং অন্যের ভাব - স্বভাবের বিশৃঙ্খলায় এসে যাও । সেবার দৌড়ঝাঁপে
মায়া বুদ্ধিকে অস্থির করে মারে ।
*স্লোগানঃ-* নিজের বিশেষত্বের বীজকে সর্বশক্তির জল দ্বারা
সিঞ্চন করে তাকে ফলদায়ক করো ।
No comments:
Post a Comment