Sunday, February 5, 2023

06.02.2023 BANGLA MURAli



"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা ব্রাহ্মণেরা এখন অনেক উঁচু যাত্রাপথে চলেছো, সেইজন্য তোমরা ডাবল ইঞ্জিন প্রাপ্ত করেছো, অসীম জগতের দুই বাবা রয়েছেন তো দুই মা- রয়েছেন"

*প্রশ্নঃ -   বাচ্চারা, সঙ্গমযুগে কোন্ টাইটেল তোমরা নিজের কাছে রাখতে পারো না?

*উত্তরঃ - হিজ হোলীনেস বা হার হোলীনেস এই টাইটেল(উপাধি) তোমরা বি.কে-রা নিজেদের উদ্দেশ্যে না রাখতে পারো বা লিখতে পারো কারণ তোমাদের আত্মা পবিত্র অবশ্যই হচ্ছে কিন্তু শরীর তো তমোপ্রধান তত্ব থেকেই তৈরি হয়েছে এই বড়াই এখন তোমরা করতে পারো না এখন তোমরা হলে পুরুষার্থী

*গীতঃ-   এই কাহিনী হলো প্রদীপ আর তুফানের....

ওম্ শান্তি অসীম জগতের বাবা বসে বাচ্চাদেরকে বুঝিয়ে থাকেন তো বাচ্চারা বুঝে গেছে যে অসীম জগতের দুইজন পিতা তাহলে মাও অবশ্যই দু'জন হবে এক হলেন জগদম্বা, দ্বিতীয় এই ব্রহ্মাও মাতাই দু' জনে বসে বোঝান, সেইজন্য তোমাদের যেন ডবল ইঞ্জিন প্রাপ্ত হয়েছে পাহাড়ে যখন গাড়ি ওঠে তখন ডবল ইঞ্জিন লাগানো হয়, তাই না ! এখন তোমরা ব্রাহ্মণরাই উঁচু যাত্রায় চলেছো তোমরা জানো এখন ঘোর অন্ধকার যখন অন্তিম সময় আসে, তখন অত্যন্ত হাহাকার হতে থাকে দুনিয়া যখন পরিবর্তিত হয় তখন এমন হয় যখন রাজত্ব বদল হয় তখনও এইরকম লড়াই মারামারি হয়ে থাকে বাচ্চারা জানে যে এখন নতুন রাজধানী স্থাপিত হচ্ছে ঘন অন্ধকার থেকে পুনরায় আলোকোজ্জ্বল হতে চলেছে তোমরা সমগ্র এই সৃষ্টির হিস্ট্রির জিওগ্রাফি জানো, সেইজন্য তোমাদের অন্যদেরকেও বোঝাতে হবে অসংখ্য মাতারা এবং বাচ্চারা রয়েছে যারা স্কুলে পড়ায় তারাও বসে যদি বাচ্চাদেরকে অসীম জগতের হিস্ট্রি জিওগ্রাফি বোঝায়, তাহলে কোনো গভর্মেন্ট এতে অসন্তুষ্ট হবে না তাদের সিনিয়ারদেরকেও বোঝানো উচিত তাহলে তারা খুশি হবে ওদের বোঝানো উচিত যতক্ষণ না পর্যন্ত এই অসীম জগতের হিস্ট্রি- জিওগ্রাফিকে বুঝবে ততক্ষণ পর্যন্ত বাচ্চাদের কল্যাণ হতে পারেনা দুনিয়ায় জয়জয়কার হতে পারে না বাচ্চাদের সার্ভিস করার ইশারা দেওয়া হয়ে থাকে টিচার হলে তখন নিজের কলেজে যদি এই ওয়ার্ল্ডের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফী বসে বোঝায় তবেই ত্রিকালদর্শী হতে পারে আর ত্রিকালদর্শী হলে তখন চক্রবর্তীও হতে পারে এই চক্রকে সামনে রেখে তোমরা ভালোভাবে বোঝাতে পারো যেমনভাবে বাবা তোমাদের ত্রিকালদর্শী, স্বদর্শন-চক্রধারী বানিয়েছেন, তোমাদেরও তেমনভাবেই অন্যান্যদের নিজের সমান বানাতে হবে, অন্যদেরকে বোঝাতে হবে যে এখন এই পুরোনো দুনিয়া পরিবর্তিত হচ্ছে তমোপ্রধান দুনিয়া বদল হয়ে সতোপ্রধান হচ্ছে সতোপ্রধানে পরিণতকারী হলেন অদ্বিতীয় পরমপিতা পরমাত্মা, যিনি সহজ রাজযোগ আর স্বদর্শন চক্রধারীর জ্ঞান দিয়ে থাকেন চক্রকে বোঝানো তো অতি সহজ যদি এই চক্রকে সামনে রাখা হয় তাহলেও মানুষ এসে বুঝতে পারে যে সত্যযুগে কারা-কারা রাজ্য করতো তারপর দ্বাপর থেকে কিভাবে অনেক ধর্মের বৃদ্ধি হতে থাকে এরকম সঠিকভাবে বোঝানো গেলে তখন বুদ্ধির কপাট অবশ্যই খুলবে এই চক্রকে সামনে রেখে তোমরা ভালোভাবে বোঝাতে পারো টপিকও (এই বিষয়ও) রাখতে পারো এসো, তাহলে আমরা তোমাদের ত্রিকালদর্শী হওয়ার রাস্তা বলে দিই, যার দ্বারা তোমরা রাজার রাজা হয়ে যেতে পারো তোমরা ব্রাহ্মণরাই এই চক্র কে জানো তবেই তো চক্রবর্তী রাজা হয়ে যাও কিন্তু হবে সে- যে এই চক্রকে বুদ্ধিতে ঘোরাতে থাকবে বাবা তো হলেনই জ্ঞানের সাগর, তিনি বসে বাচ্চাদেরকে সৃষ্টির আদি, মধ্য, অন্তের জ্ঞান শুনিয়ে থাকেন আর মানুষ তো কিছুই জানে না ঈশ্বর সর্বব্যাপী বলে দেওয়ায় জ্ঞানের কথাই ওঠে না ঈশ্বরকে জানার জন্যও কোনো পুরুষার্থ করতে পারেনা তাহলে তো ভক্তিও চলতে পারে না কিন্তু যা কিছু বলে তার কিছুই বোঝে না কাঁচারা বোঝাতে পারবে না যে কিভাবে সর্বব্যাপী নয় কেউ একজন বলেছে ব্যস্ সকলেই মেনে নিয়েছে যেভাবে কেউ আদিদেবকে মহাবীর বলেছে তখন থেকে সেই নামই চলে আসছে যে যেমন নাম অবুঝ হয়ে রেখেছে সেটাই চলে আসছে এখন বাবা বসে বোঝাচ্ছেন যে তোমরা মানুষ হয়েও ড্রামার রচয়িতা এবং রচনাকে জানোনা, দেবতাদের পূজা করো কিন্তু তাদের বায়োগ্রাফি জানো না, তাই একে ব্লাইন্ড ফেইথ (অন্ধশ্রদ্ধা) বলা হয় এত দেবী-দেবতা রাজ্য করে গেছে তাহলে অবশ্যই তারা সমঝদার ছিল তবেই তো পূজ্য হয়েছে এখন তোমরা ব্রহ্মা মুখ-বংশীয়রা এই জ্ঞান শুনে সমঝদার হয়ে যাও এছাড়া সমগ্র দুনিয়াকে তো রাবণ জেলে ভরে রেখেছে হলো রাবণের জেল যেখানে সকলেই শোক বাটিকায় পড়ে রয়েছে কনফারেন্স করতে থাকে যে কীভাবে শান্তি আসবে? তাহলে অবশ্যই অশান্তি দুঃখ রয়েছে, তার মানেই সকলে শোক বাটিকায় বসে রয়েছে এখন শোক বাটিকা থেকে অশোক বাটিকায় কেউ চট করে যেতে পারে না

 

এইসময় কেউই শান্তি বা সুখের বাগানে (বাটিকা) নেই অশোক বাটিকা বলা হবে সত্যযুগকে, তো হলো সঙ্গমযুগ, তোমাদের কেউ সম্পূর্ণ পবিত্র বলতে পারেনা কোনো বি.কে. নিজেকে হিজ হোলিনেস বলাতে পারে না বা লেখাতে পারেনা হিজ হোলিনেস বা হার হোলিনেস সত্যযুগে হয় কলিযুগে কোথা থেকে আসবে ! অবশ্যই আত্মা এখানে পবিত্র হয় কিন্তু শরীরও তো পবিত্র চাই তবেই হিজ হোলিনেস বলতে পারা যাবে, সেইজন্য বড়াই করা উচিত নয় এখন তোমরা হলে পুরুষার্থী বাবা বলেন -- শ্রী শ্রী বা হিজ হোলিনেস সন্ন্যাসীদেরও বলতে পারো না অবশ্যই আত্মা পবিত্র কিন্তু শরীর পবিত্র কোথায়? তাহলে অসম্পূর্ণ হয়ে গেল, তাই না ! এই পার্থিব দুনিয়ায় হিজ বা হার হোলিনেস কেউই হতে পারে না ওরা মনে করে আত্মা-পরমাত্মা হলো সদাই শুদ্ধ কিন্তু শরীরও তো শুদ্ধ চাই হ্যাঁ লক্ষ্মী-নারায়ণকে বলা যেতে পারে, কারণ ওখানে শরীরও সতোপ্রধান পাঁচতত্ত্ব দ্বারা নির্মিত এখানে তত্ত্বও হলো তমোপ্রধান এই সময় কাউকে সম্পূর্ণ পবিত্র বলা যাবেনা এরকম পবিত্র তো ছোট বাচ্চারাও হয়ে থাকে দেবতারা সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিল

 

তাহলে বাবা বসে বোঝান যে তোমরা এখন কত সমঝদার হয়ে উঠছো তোমাদের চক্রেরও সম্পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে পরমপিতা পরমাত্মা যিনি হলেন এই চৈতন্য বৃক্ষের বীজ, সমগ্র বৃক্ষের নলেজ ওঁনার রয়েছে, তিনি তোমাদের নলেজ শোনাচ্ছেন এই সৃষ্টি চক্রের জ্ঞানের উপর তোমরা যেকোনো কাউকে প্রভাবিত করতে পারো বোঝানো উচিত - তোমরা পরমধাম থেকে এসে বস্ত্র (শরীর) পরিধান করে নিজের ভূমিকা পালন করছো এখন শেষসময়ে সকলকে ফিরে যেতে হবে, পুনরায় এসে নিজের ভূমিকা পালন করতে হবে এখানে এখন যে পুরুষার্থ করবে সে 'ভাবেই রাজার রাজত্বে বা ধনবানের কাছে জন্ম নেবে সকলেই নম্বরের ক্রমানুসারে পদ পেয়ে থাকে নম্বরের অনুক্রমে ট্রান্সফার হতে থাকবে এও দেখানো হয়েছে, যেখানে জয় সেখানেই জন্ম..... এখন এইসব কথাকে আর তোলা হয় না ভবিষ্যতে আলো পেতে থাকবে, তো ঠিক এখন যে শরীর ছাড়ে তার অবশ্যই ভালো ঘরে জন্ম নেবে যে বাচ্চারা বেশি পুরুষার্থ করে তাদের খুশিও অধিক থাকে যারা সার্ভিসে তৎপর হয় তাদের নেশাও থাকে তোমরা ব্যতীত সকলেই তো অন্ধকারে রয়েছে গঙ্গা-স্নানাদি করে তো কারোরই পাপ ধুয়ে যেতে পারে না যোগ অগ্নির দ্বারাই পাপ ভস্মীভূত হয় এই রাবণের জেল থেকে মুক্ত করেন একমাত্র বাবাই তবেই তো গাওয়া হয় পতিত পাবন.... নিজেদের পাপাত্মা মনে করে না বাবা বলেন -- কন্যারা, কল্প পূর্বেও তোমাদের দ্বারাই এদের উদ্ধার করিয়েছিলাম গীতাতেও লেখা রয়েছে কিন্তু কেউ বোঝেনা তোমরা বোঝাতে পারো - এই পতিত দুনিয়ায় কেউই পবিত্র নয় কিন্তু বোঝানোর জন্যও অত্যন্ত সাহস চাই তোমরা জানো যে এখন দুনিয়া পরিবর্তন হচ্ছে এখন তোমরা ঈশ্বরের সন্তান হয়েছো এই ব্রাহ্মণ কুল হলো সবথেকে উঁচু তোমাদের স্বদর্শন চক্রের জ্ঞান রয়েছে তারপর যখন বিষ্ণুর কুলে যাবে এখন তোমাদের এই জ্ঞান থাকবে না এখন জ্ঞান রয়েছে সেইজন্য তোমাদের নাম রাখা হয়েছে স্বদর্শন চক্রধারী এই রহস্যপূর্ণ কথাগুলিকে তোমরা ব্যতীত কেউই জানেনা কথামাত্রই তো সকলে বলে যে ঈশ্বরের সন্তান তো সকলেই কিন্তু প্র্যাকটিক্যালে তোমরাই এখন হয়েছো আচ্ছা!

 

সকল মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদেরকে স্মরণের স্নেহ-সুমন সুপ্রভাত বাবার কর্তব্য হলো বাচ্চাদের স্মরণ করা আর বাচ্চাদের কর্তব্য হলো বাবাকে স্মরণ করা কিন্তু বাচ্চারা এত স্মরণ করে না, যদি স্মরণ করে তাহলে অহো সৌভাগ্য আচ্ছা -- মিষ্টি মিষ্টি আত্মারূপী বাচ্চাদের প্রতি আত্মিক পিতার নমস্কার

 

রাতের ক্লাস -- --৬৮

 

ঈশ্বরীয় মিশন চলছে যারা দেবী-দেবতা ধর্মের হবে তারাই চলে আসবে যেমন ওদের মিশন রয়েছে খ্রীষ্টান বানানোর যারা খ্রীষ্টান হয়ে যায় তাদের খ্রীষ্টান ডিনায়েস্টিতে (রাজত্বে) সুখ প্রাপ্ত হয় ভালো বেতন পায়, সেইজন্য খ্রীষ্টান অনেক হয়ে গেছে ভারতবাসী এত বেতন-পত্রাদি দিতে পারে না এখানে করাপশন (দুর্নীতি) অনেক মাঝে ঘুষ না নিলে তখন চাকরি থেকেই বরখাস্ত বাচ্চারা বাবাকে জিজ্ঞাসা করে এই অবস্থায় কি করবো ? বাবা বলবেন যুক্তি অনুসারে কাজ করো, তারপর তা শুভ কার্যে লাগিয়ে দাও এখানেও সকলে বাবাকে ডাকে যে এসো, এসে আমাদের পতিতদেরকে পবিত্র করো, লিবারেট করো, ঘরে নিয়ে যাও বাবা অবশ্যই ঘরে নিয়ে যাবেন, তাই না ! ঘরে যাওয়ার জন্যই এত ভক্তি ইত্যাদি করে থাকে কিন্তু যখন বাবা আসবেন তখনই নিয়ে যাবেন ভগবান হলেনই অদ্বিতীয় এমন নয় যে সকলের মধ্যেই ভগবান এসে বলে থাকেন উনি আসেনই সঙ্গমে এখন তোমরা এমন-এমন কথা মানবে না আগে মানতে এখন তোমরা ভক্তি করো না তোমরা বলে থাকো যে আমরা আগে পূজো করতাম এখন বাবা এসেছেন তোমাদের পূজ্য দেবতায় পরিণত করতে শিখদেরও তোমরা বোঝাও গায়ন রয়েছে, তাইনা ! মনুষ্য থেকে দেবতা..... দেবতাদের মহিমা রয়েছে, তাই না! দেবতারা থাকেই সত্যযুগে এখন হলো কলিযুগ বাবাও সঙ্গমযুগে পুরুষোত্তম হওয়ার শিক্ষা দেন দেবতারা হলো সকলের থেকে উত্তম, তবেই তো এতো পুজো করা হয় যাঁর পূজো করা হয় অবশ্যই তিনি কখনো ছিলেন, এখন নেই মনে করে এই রাজধানী পাস্ট (অতীত) হয়ে গেছে এখন তোমরা হলে গুপ্ত কেউ জানে নাকি যে আমরা বিশ্বের মালিক হবো তোমরা জানো আমরা পড়াশোনা করে 'রকম হয়ে থাকি পড়ার উপর সম্পূর্ণ অ্যাটেনশন দিতে হবে বাবাকে অত্যন্ত ভালোবাসার সঙ্গে স্মরণ করতে হবে বাবা আমাদের বিশ্বের মালিক বানান তাহলে কেন স্মরণ করবো না ! তারপর দৈবীগুণও চাই

 

দ্বিতীয় -- রাতের ক্লাস --৬৮

 

আজকাল অনেকেই এই কনফারেন্স করতে থাকে যে বিশ্বে শান্তি কীভাবে হবে তাদের বলা উচিত যে দেখো সত্যযুগে একটিই ধর্ম, একটিই রাজ্য, অদ্বৈত ধর্ম ছিল দ্বিতীয় কোন ধর্মই নেই যে তালি বাজবে (বিরোধীতা হবে) ছিলই রামরাজ্য, তবেই তো বিশ্বে শান্তি ছিল তোমরা চাও বিশ্ব শান্তি থাকুক সেতো সত্যযুগে ছিল পরে অনেক ধর্ম হয়ে যাওয়ায় অশান্তি হয়েছে কিন্তু যতক্ষণ না পর্যন্ত কেউ বুঝবে ততক্ষণ পর্যন্ত মাথা চাপড়াতে হবে ভবিষ্যতে সংবাদপত্রেও পড়বে, তারপর এই সন্ন্যাসী প্রভৃতিদেরও কান খুলবে বাচ্চারা, তোমরা নিশ্চিত যে আমাদের রাজধানী স্থাপিত হচ্ছে নেশাই রয়েছে মিউজিয়ামের জাঁকজমক দেখে অনেকেই আসবে ভিতরে এসে অবাক হয়ে যাবে নতুন নতুন চিত্রের উপর নতুন নতুন যুক্তি শুনবে

 

তো বাচ্চাদের জানা আছে - যোগ হলো মুক্তি-জীবনমুক্তির জন্যসে তো মনুষ্যমাত্র কেউই শেখাতে পারে না এও লিখতে হবে, পরম পিতা পরমাত্মা ব্যতীত মুক্তি-জীবনমুক্তির জন্য যোগ কেউই শেখাতে পারে না সকলের সদ্গতি দাতা হলেন একজন এই কথা পরিষ্কার করে লিখে দেওয়া উচিত, যাতে মানুষ অবশ্যই পড়ে সন্ন্যাসীরা কি শিখিয়ে থাকে যোগ-যোগ যে বলতে থাকে বাস্তবে যোগ কেউই শেখাতে পারে না মহিমা হলোই একজনের বিশ্বে শান্তি স্থাপন করা বা মুক্তি-জীবনমুক্তি প্রদান করা বাবারই কাজ এমন-এমনভাবে বিচারসাগর মন্থন করে পয়েন্টস্ বোঝাতে হবে এমনভাবে লেখা উচিত যে মানুষ তা সঠিক বলে মনে করে এই দুনিয়াকে তো বদলাতেই হবে হলো মৃত্যুলোক নতুন দুনিয়াকে বলা হয় অমরলোক অমর লোকে মানুষ কিভাবে অমর থাকে, সেও আশ্চর্যের, তাই না ! ওখানে আয়ুও দীর্ঘ থাকে আর সময়ে নিজেরাই শরীর বদল করে নেয়, যেমনভাবে পোশাক পরিবর্তন করা হয়ে থাকে 'সবই বোঝানোর মতন কথা আচ্ছা!

 

মিষ্টি মিষ্টি আত্মা-রূপী বাচ্চাদেরকে আত্মিক পিতা এবং দাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন, শুভ রাত্রি এবং নমস্কার

ধরণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

 

) সৃষ্টি চক্রের জ্ঞানের দ্বারা নিজেকেও ত্রিকালদর্শী আর স্বদর্শন-চক্রধারী হতে হবে আর অন্যান্যদেরও তৈরী করতে হবে

 

) সঙ্গমে শোক-বাটিকার থেকে বেরিয়ে সুখ-শান্তির বাটিকায় যাওয়ার জন্য পবিত্র অবশ্যই হতে হবে

বরদানঃ-জ্ঞানের রমনীয়তাকে স্মরণ করে অগ্রগমনকারী সদা প্রফুল্লিত, সৌভাগ্যশালী ভব

কেবল আত্মা-পরমাত্মার শুষ্ক জ্ঞান নয় অত্যন্ত রমনীয় জ্ঞান, রোজ কেবল নিজের নতুন নতুন টাইটেল স্মরণে রাখো - আমি হলাম আত্মা কিন্তু কোন্ ধরণের আত্মা, কখনো আর্টিস্টের আত্মা, কখনো বিজনেসম্যানের আত্মা.... এইভাবে রমনীয়তার সাথে এগিয়ে যেতে থাকো যেমন বাবাও রমণীয়, কখনো ধোপা হয়ে যান, কখনো বিশ্বের রচয়িতা, কখনো ওবিডিয়েন্ট সার্ভেন্ট.... তাই যেমন বাবা তেমনই বাচ্চারাও এইভাবেই এই রমনীয় জ্ঞানকে স্মরণ করে প্রফুল্লিত হয়ে থাকো তবেই বলা হবে সৌভাগ্যশালী

স্লোগানঃ-প্রকৃত সেবাধারী সে- যার প্রতিটি শিরা-উপশিরায় অর্থাৎ প্রতিটি সংকল্পে সেবার প্রতি উৎসাহ-উদ্দীপনার রক্ত ভরা রয়েছে

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...