20-02-2023 BANGLA MURLI
"মিষ্টি বাচ্চারা - সূর্যবংশীয় বিজয়মালার দানা হওয়ার জন্য
শ্রীমৎ অনুসারে সম্পূর্ণ পবিত্র হও, পবিত্র হতে চলা বাচ্চারা ধর্মরাজের সাজাভোগ করা
থেকে মুক্ত হয়ে যায়"
প্রশ্ন : - দেহী-অভিমানী হওয়ার পরিশ্রম করতে থাকা
বাচ্চাদের কোন্ নেশা থাকবে?
উত্তর : - আমি বাবার, আমি হলাম বাবার
ব্রহ্মাণ্ডের মালিক, বাবার থেকে উত্তরাধিকার নিয়ে বিশ্বের মালিক হয়ে যাই। এই
নেশা দেহী-অভিমানী হয়ে থাকা বাচ্চাদেরই থাকে।
তারাই উত্তরাধিকারী হয়। তাদের পুরানো দুনিয়ার সম্বন্ধ
স্মরণে থাকে না। দেহ-অভিমানে এলেই মায়ার থাপ্পড় লাগে।
খুশি হারিয়ে যায়, সেইজন্য বাবা বলেন - বাচ্চারা, দেহী-অভিমানী
হওয়ার পরিশ্রম করো। নিজের চার্ট রাখো।
গীত : - আগত কালকের তোমরা হলে সৌভাগ্য....
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চারা জানে যে শিববাবা এখানে সঙ্গম যুগে অবতীর্ণ হয়েছেন বা উপর থেকে
এসেছেন আর তোমরা হলে শিবশক্তি, শিবের উত্তরাধিকারী। তোমাদের নাম বাস্তবে হলো শিবশক্তি।
শিবের থেকে জন্ম হওয়া শক্তিরা। শিব তোমাদের আপন করে নিয়েছেন আর তোমরা শক্তিরা
তারপর শিববাবাকে আপন করে নিয়েছো। শিব এসে আপন উত্তরাধিকারী বানিয়েছেন। তোমরা
শক্তিরা হয়ে গেলে শিববাবার উত্তরাধিকারী। এখন এ তো তোমরা বাচ্চারা জানো যে
শিববাবা এসেছেন নরককে স্বর্গে পরিণত করতে।
আমরা হলাম ওঁনার উত্তরাধিকারী, ওঁনার সহযোগী
হই, ওঁনার উত্তরাধিকার পাওয়ার জন্য। বাবা এসেছেন এই পতিত দুনিয়া অথবা নরককে
পবিত্র করতে। নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা ব্যতীত পতিত সৃষ্টিকে আর কেউ পবিত্র করতে
পারেনা। তোমরা হলে নিরাকার শিববাবার সন্তান। তিনি এখানে যার মধ্যে এসেছেন তার হলো
সাকারী শরীর। এমনিতে তো যখন তোমরা নিরাকারী দুনিয়ায় থাকো তখনও হলে উত্তরাধিকারী।
সকল আত্মারাই হলো সেই পরমপিতা পরমাত্মার সন্তান। কিন্তু তা হয়ে গেল নিরাকারী
দুনিয়ায়। সেখানে
তোমরা যখন আমার কাছে থাকো তখন আমারই সন্তান। তারপর আমাকেও আসতে হয়েছে - পতিত
সৃষ্টিকে পবিত্র করতে। এসে শরীর ধারণ করতে হয়। এখন সেই নিরাকারী দুনিয়ার থেকে
বাবা এসেছেন। বাচ্চারা, তোমাদের
উত্তরাধিকারী বানিয়েছেন, উত্তরাধিকার
দেওয়ার জন্য।
শিবশক্তিরা হলো প্রসিদ্ধ, শিবশক্তি অর্থাৎ শিবের সন্তান। দুনিয়ায় এ'কথা কেউ-ই জানে না যে পতিত-পাবন কে? পতিত দুনিয়াকে অবশ্যই কলিযুগ বলবে, পবিত্র দুনিয়াকে সত্যযুগ। নিরাকারী দুনিয়ায় তোমরা আত্মারা সর্বদা পবিত্র
থাকো। গাওয়া হয়ে থাকে - হে পতিতপাবন এসো.... ভিন্ন-ভিন্ন ভাবে স্মরণ করতে থাকে
কিন্তু বোঝেনা কিছুই।
গাওয়া হয়ে থাকে - হে পতিতপাবন এসো.... ভিন্ন-ভিন্ন ভাবে
স্মরণ করতে থাকে কিন্তু বোঝেনা কিছুই। বাবা বলেন - আমি প্রতিকল্পে, কল্পের সঙ্গমযুগে আসি, এসে তোমাদের অর্থাৎ বাচ্চাদের নিজের উত্তরাধিকারী বানিয়ে থাকি। তখনই তোমরা
ডবল উত্তরাধিকারী হয়ে যাও। এমনিতে তো তোমরা হলে শিববাবার সন্তান কিন্তু নিজেকে
ভুলে গেছো। এখন তোমরা জেনেছো যে আমরা আত্মারা হলাম বাস্তবে শিববাবার নির্বাণধামের
উত্তরাধিকারী। শিববাবা বলেন, তোমরা সকলেই
হলে উত্তরাধিকারী, তাই না !
ব্রহ্মাণ্ডে বসবাসকারী বাচ্চারা হলে ব্রহ্মাণ্ডের মালিক। তারপর এখানে সৃষ্টিতে এসে
ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলেই বাবাকে প্রচুর স্মরণ করে থাকে। যখন অত্যন্ত দুঃখী
হয়ে যায় তখন কান্নাকাটি করতে থাকে - হে ভগবান কৃপা করো। তারপর এখানে সৃষ্টিতে
এসে ভূমিকা পালন করতে হবে। সকলেই বাবাকে প্রচুর স্মরণ করে থাকে। যখন অত্যন্ত দুঃখী
হয়ে যায় তখন কান্নাকাটি করতে থাকে - হে ভগবান কৃপা করো। যদি ক্ষুধার কারণে
মৃত্যু হতে থাকে তখন মারপিট লুটমার করবে। যখন দুনিয়া অত্যন্ত দুঃখী হয়ে যায় তখন
বাবা এসে সুখের দুনিয়া স্থাপন করেন, তাই না !
সেইজন্য এখন বাবার শ্রীমতে সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে দেখাতে
হবে। সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে যায় যারা, তারাই সূর্যবংশীয় বিজয়মালার দানা হয়ে যায়। তারা
ধর্মরাজের সাজাভোগ করবে না। বাবা প্রত্যেকটি কথা ভালোভাবে বসে বুঝিয়ে থাকেন। এ তো বোঝানো হয়েছে যে যখন জগৎ-পিতা
রয়েছেন, তখন জগদম্বাও
রয়েছেন। গীতায় ওনাদের কোনো বর্ণনা নেই। গীতার কানেকশন সম্পূর্ণ বিকল (বিগড়ে)
হয়ে গেছে। ভক্তরা ভগবানকে স্মরণ করে। ভগবানই সমস্ত মানুষের মনোকামনা পূর্ণ করতে
পারেন,
সেইজন্যই ওঁনাকে স্মরণ করা হয়ে থাকে। কৃষ্ণ তো মনোকামনা
পূর্ণ করতে পারেনা। একমাত্র ভগবানকেই বলা হয়ে থাকে সকলের মনোকামনা পূরণকারী। আবার
দ্বিতীয় হলেন জগদম্বা ভগবতী, সকলের মনোকামনা
পূরণকারিনী। জগদম্বা কে? সম্পূর্ণ
উত্তরাধিকারিনী, ব্রহ্মার কন্যা, শিববাবার পৌত্রী।
আর মানুষ বড় বড় রাজা ইত্যাদিদের উত্তরাধিকারী হয়। এই
উত্তরাধিকারী শব্দটি ফ্যামিলির সঙ্গে যুক্ত হয়। সন্ন্যাসীদের সঙ্গে যুক্ত হয় না।
তোমরা জানো যে এখন আমরা শিববাবার উত্তরাধিকারী হয়েছি। ওখানে তো বাবার সঙ্গে থাকি।
ওখানে উত্তরাধিকারের কোন কথা নেই। এখানে তো আমাদের উত্তরাধিকার চাই। আবার ধন-সম্পদ
হলো স্বর্গ, ওখানে দুঃখের
কোনো কথাই নেই। বাচ্চারা, এখন তোমাদের ঠাকুর্দার থেকে ধন-সম্পদ প্রাপ্ত হয়, সেইজন্য ওঁনাকে স্মরণ করতে হবে।
তোমরা হলে ঈশ্বরের উত্তরাধিকারী, বাকি সকলেই হলো
রাবণের উত্তরাধিকারী। রাবণ সম্প্রদায়ের গায়ন করা হয়, তাই না ! এখানে
তোমরা হলে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ভুক্ত। ওরা হলো আসুরীয় রাবণ সম্প্রদায়, ওরা উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করে রাবণের থেকে। রাবণ রাজ্য আছে, তাই না ! ৫ বিকারের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয়েছে, যে উত্তরাধিকারকে তোমরা পুনরায় শিববাবার কাছে এসে দান করে
দাও। কৃষ্ণকে ৫ বিকার দান করবে নাকি ! না তা করবে না। তোমরা শিববাবাকে ৫ বিকার দান
করে দাও। দেবতাদেরকে থোড়াই দান করবে ! কৃষ্ণ ইত্যাদি দেবতারা তো বিকারগুলি
শিববাবাকে দান করে এইরকম পদ প্রাপ্ত করেছে। তাহলে পুনরায় দান নেবে কিভাবে? কৃষ্ণ ইত্যাদি দেবতারা তো বিকারগুলি শিববাবাকে দান করে
এইরকম পদ প্রাপ্ত করেছে। তাহলে পুনরায় দান নেবে কিভাবে? একদম কালো হয়ে গেছে। এখন আমাকে দান করে দাও তারপর বিকারে
যেও না। দান দিয়ে পুনরায় ফিরিয়ে নেওয়া উচিত নয়। যদি বিকারে যাবে তাহলে পদ
ভ্রষ্ট হয়ে যাবে। সেইজন্য নারায়ণ হতে হলে তখন ভুতেদের দূর করে (ভাগিয়ে) দিতে
হবে। যদি বিকারে যাবে তাহলে পদ ভ্রষ্ট হয়ে যাবে। সেইজন্য নারায়ণ হতে হলে তখন
ভুতেদের দূর করে (ভাগিয়ে) দিতে হবে। ডবল উত্তরাধিকার হয়ে গেল, তাই না ! মুক্তি আর জীবনমুক্তি দুইয়েরই উত্তরাধিকার বাবা
দিয়ে থাকেন। যারা বাবার উত্তরাধিকারী সন্তান, তারা এখন আমাকে স্মরণ করে যোগ আর জ্ঞান-বলের দ্বারা বিনাশ করে থাকে। জ্ঞানও হলো
শক্তি, তাই না ! নলেজ
আছে, নলেজ নিয়ে
(পড়ে) বড় বড় পদ প্রাপ্ত করে। পুলিশের বড় অফিসার্স ইত্যাদি হয়। মানুষ পুলিশকে
কত ভয় পায়। এমন কোনো কাজ করলে তখন পুলিশের নাম শুনলে চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যায়।
বাচ্চারা, তোমরা এখন
পড়াশোনার দ্বারা উচ্চ পদ প্রাপ্ত করে থাকো। বাবার বাচ্চা হয়ে যদি বাবাকে স্মরণ
না করবে তাহলে উত্তরাধিকার কিভাবে পাবে ? সে তো হয়ে গেল লৌকিক পিতা, এই পারলৌকিক
বাবাকে তো অধিক স্মরণ করতে হবে। অধিক স্মরণ করলেই উচ্চ পদপ্রাপ্ত করবে। যত পরিশ্রম
করবে ততই পবিত্র হয়ে পবিত্র দুনিয়ার রাজ্য প্রাপ্ত করবে। আমার কাছে ফিরে এসে
পুনরায় সত্যযুগে গিয়ে রাজত্ব করতে হবে। সকলেই ঈশ্বরকে স্মরণ করে যে পুনরায় আমরা
বাবার কাছে যাব। কথিত রয়েছে, অমরনাথ
পার্বতীকে কথা শুনিয়েছিলেন, সে তো তোমরা
সকলেই হলে পার্বতী। শিববাবা কেবল একজন পার্বতীকে কথা শুনিয়েছিল নাকি ! না তা
শোনান নি।তোমরা তো অনেকেই শুনে থাকো, তাইনা? সকলেই স্মরণ করে যে আমাদের পতিত থেকে পবিত্র করে দাও।
পবিত্র করেন একজনই। কীভাবে পবিত্র করেন? সর্বপ্রথমে জগদম্বা পবিত্র হন। তারপর হয় ওনার শক্তিরা। স্বর্গের রচয়িতা হলেন
একমাত্র বাবাই আর কেউ হতে পারে না। এখন তোমরা অনুভবী হয়ে গেছো। বাচ্চারা, তোমাদের কত নেশা থাকা উচিত। শিববাবা তোমাদের কোলে তুলে
নিয়ে স্বর্গের মালিক হওয়ার উপযুক্ত করে গড়ে তোলেন। তোমরা বুঝে থাকো যে আমরা
ঈশ্বরের কোলে এসেছি। অবশ্যই ঈশ্বর আমাদের নিজের সাথে ফিরিয়ে নিয়ে যাবেন। বাচ্চারা, বিশেষভাবে তোমাদের উত্তরাধিকারী বানিয়েছেন। তোমাদের ভূমিকা
রয়েছে। এখন তোমাদের বুদ্ধি কত বড় হয়ে গেছে। বোঝানো উচিত, সত্যযুগে হয় দেবী-দেবতাদের রাজ্য। অবশ্যই ভগবান স্থাপন
করেছিলেন। কিন্তু কীভাবে করেছিলেন? এ কথা কেউ জানে
না। নামও আছে যাদব, কৌরব, পাণ্ডব। পাণ্ডবদের মধ্যে সমস্ত পুরুষদের (মেলস্) দেখানো
হয়ে থাকে। শক্তি সেনার নাম কোথায়? তোমরা হলে
গুপ্ত। ওনাদের তো জানাই নেই, তারপর বলে
লড়াইয়ে যে মারা যাবে সে স্বর্গে চলে যাবে। কিন্তু কোন্ লড়াই?
বাচ্চারা, তোমাদের এখন ভালোভাবে পুরুষার্থ করতে হবে। তোমাদের মধ্যে
কোনো ভূত থাকা উচিত নয়। কেউ ক্রোধ করলে তখন বুঝতে পারো যে এর মধ্যে ভূত আছে। পাঁচ
বিকারকে এখানে দান করে দিতে হবে। তবেই সেই নেশা চড়তে পারে। তারপর তোমরা অত্যন্ত
খোশমেজাজে থাকবে। যেমন দেবতাদের স্বরূপ (চেহারা) হয়ে থাকে। তোমরা হলে রূপ-বসন্ত, তাই না ! বাবা যেমন জ্ঞান রত্ন দিয়ে থাকেন, তোমাদের মুখ
থেকেও রত্ন বের হওয়া উচিত। পুরুষার্থ করতে থাকো। লক্ষ্য অনেক উচ্চ বিশ্বের মালিক
হতে হবে। আমরাই অনেকবার বিশ্বের মালিক হয়েছিলাম। এইরকম আর কোনো সন্ন্যাসী
ইত্যাদিগণ বলতে পারে না। বাবা বলেন - আদরের বাচ্চারা, তোমরা অসংখ্যবার বিশ্বের মালিক হয়েছো। তারপর হারিয়েছো।
এখন পুনরায় বিজয় প্রাপ্ত করো। সব কিছু হলো পুরুষার্থের উপর। বাচ্চাদের অত্যন্ত
খুশি থাকা উচিত। আমরা বিশ্বের মালিক হয়ে যাই তাহলে সেই খুশি স্থায়ী কেন থাকেনা? পুরানো দুনিয়ার সম্বন্ধ স্মরণে চলে আসে। দেহ অভিমান চলে
আসে। সর্বপ্রথমের শত্রু হলো দেহ-অভিমান। দেহ-অভিমান এলো আর লাগলো মায়ার চড়। আমি
বাবার, বাবার
ব্রহ্মাণ্ডের মালিক। বাবার থেকে উত্তরাধিকার নিয়ে বিশ্বের মালিক হয়ে যাই, এই নেশা থাকা উচিত। দেহী- অভিমানী হওয়ার পরিশ্রম করা উচিত।
কল্পে একবারই বাবা এসে তোমাদের দেহী-অভিমানী হওয়া শিখিয়ে থাকেন। কত বলেন যে
বাবাকে স্মরণ করো। তবুও ভুলে যায়, চার্ট লেখায়
ক্লান্ত হয়ে পড়ে। বাচ্চাদের নিজের চার্ট দেখতে হবে। এক বাবা এত বাচ্চাদের চার্ট
কত দেখবেন। বাবার কত কাজ থাকে। পত্রের জবাব লিখতে আঙুল ঘষে যায়। কিন্তু বাচ্চাদের
শখ থাকে যে বাবার হাতে লেখা পত্র পড়বো। তোমার সঙ্গেই বসবো, তোমার কাছেই লেখাপড়া করব..... লিখেও থাকে শিববাবা কেয়ার
অফ ব্রহ্মা। তারপর বাবা জবাবও দিয়ে থাকেন। কত পত্র লিখতে হয়। হ্যাঁ? সার্ভিসেবেল বাচ্চারা সার্ভিসের সমাচার দিলে তখন বাবা খুশি
হবেন। ভালো ভালো চিঠি আসলে তখন নয়নে রাখবেন, হৃদয়ে রাখবেন। নাহলে ওয়েস্ট পেপার বক্সে ফেলে দিতে হবে। সার্ভিসেবেল
বাচ্চাদের অনেক মহিমা করে থাকি। সার্ভিস করা বাচ্চারাই হৃদয়ে চড়তে পারে। সুসন্তানেরা
মা-বাবাকে ফলো করে। বাবা কত ভালোভাবে বোঝান। ভক্তি মার্গে মানুষ মুক্তির জন্য কত
ধাক্কা খেতে থাকে। কিন্তু তারা জানেই না যে মুক্তি কোথায়? কিছুই জানে না। জ্ঞান আছেই একমাত্র জ্ঞান-সাগরের কাছে।
সৃষ্টির আদি মধ্য অন্তকে জানা, একে বলা হয়
জ্ঞান। যতক্ষণ পর্যন্ত সৃষ্টির আদি মধ্য অন্তকে না জানবে, ততক্ষণ হলে অন্ধ। মহাভারতের যুদ্ধ সামনে উপস্থিত । অনেক
কষ্ট হবে। এই দুনিয়া অত্যন্ত নোংরা (খারাপ) হয়ে গেছে। বাবা তবুও বাচ্চাদেরকে
বুঝিয়ে থাকেন যে বাচ্চারা, সাবধান হও। কোনো
ভূত থাকলে তোমরা সুন্দর (গোরা) কীভাবে হবে? তারপর ঈশ্বরীয় সার্ভিসও করো।
আচ্ছা! মিষ্টি
মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপ-দাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর
সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
ধারণার জন্য মুখ্য সার :-১ ) রূপ ও বসন্ত হয়ে মুখ থেকে সর্বদা জ্ঞান রত্নই
বের করতে হবে। দেবতাদের মতন মনকে আনন্দিত (খোশমেজাজে) রাখতে হবে।
২ ) জ্ঞান এবং
যোগবলের দ্বারা বিকর্ম বিনাশ করে, বাবার থেকে ডবল উত্তরাধিকার (মুক্তি-জীবনমুক্তির) নিতে হবে।
বরদান : - "ছাড়লেই মুক্ত" -- এই পাঠের দ্বারা
নম্বার ওয়ান স্থানাধিকারী উড়ন্ত বিহঙ্গ ভব
উড়ন্ত বিহঙ্গ হওয়ার জন্য এই পাঠ পাকা করো যে
"ছাড়লেই মুক্ত"। কোনো প্রকারের ডালপালাকে নিজের বুদ্ধিরূপী পায়ের
দ্বারা আঁকড়ে বসে থেকো না।
এই পাঠের দ্বারাই ব্রহ্মাবাবা নম্বার ওয়ান হয়েছিলেন। এমন
ভাবেননি যে সাথী আমায় ছেড়ে দিলে তখন মুক্ত হয়ে যাব - বাস্তবে নিজেকে সদা এই
পাঠই পড়িয়েছেন যে স্বয়ং ছাড়ো তবেই মুক্ত হও। সেইজন্য প্রথম স্থানে আসার জন্য এ'রকম ফলো ফাদার করো। স্লোগান : - যাদের সংকল্পে একমাত্র বাবা রয়েছেন, তাদের মন (মন্সা) সর্বদাই শক্তিশালী।
স্বমান-আমিউড়ন্ত
বিহঙ্গ আত্মা
No comments:
Post a Comment