Tuesday, February 28, 2023

02.03.2023 BANGLA MURLI

                                     02.03.2023 BANGLA MURLI





"মিষ্টি বাচ্চারা - বাবার যখন হয়েছো তখন ফার্স্ট নম্বরে আসার পুরুষার্থ করো, মাম্মা - বাবাকে ফলো করলে, পড়াতে মনোযোগ দিলে ফার্স্ট নম্বরে এসে যাবে"

প্রশ্নঃ - মনমতে কৃত কর্মের রেজাল্ট আর শ্রীমতে কৃত কর্মের রেজাল্টের মধ্যে অন্তর কি?

*উত্তরঃ - যারা নিজের মতে কর্ম করে, তাদের ভবিষ্যতে কর্মের জন্য অনুতাপ করতে হয়, তারা দুঃখী হতে থাকে । মনমত অর্থাৎ মায়ার মতে কেউ দেউলিয়া হয়ে যায়, কেউ অসুস্থ হয়ে যায়, কারোর আবার অকাল মৃত্যুও হয়... এ সবই হলো কর্ম ভোগ। শ্রীমতে তোমরা বাচ্চারা এমন শ্রেষ্ঠ কর্ম করো, যাতে অর্ধেক কল্প কোনো কর্মের ভোগ (অনুতাপ) করতে হবে না ।

*গীতঃ- তোমাকে পেয়ে আমরা সমগ্র জগৎ পেয়ে গেছি...

ওম্ শান্তি । বাচ্চারা তোমরা এই গানের দুই লাইন শুনলে । আমরা যেহেতু অসীম জগতের বাবাকে পেয়েছি, তাই এই অসীম জগতের বাবার কাছ থেকে আমরা সমস্ত বিশ্বের বাদশাহী গ্রহণ করছি । এ তো সম্পূর্ণ সাধারণ বুদ্ধিতেই বুঝতে পারা যায় যে, ভারতে যখন দেবী - দেবতার রাজ্য ছিলো তখন অন্য কোনো ধর্ম ছিলো না । লক্ষ্মী - নারায়ণেরই ঘরানা ছিলো । যেমন এডওয়ার্ড দ্য ফার্স্ট, সেকেন্ড, এমন এমন রাজত্বের পরম্পরা চলে, তাই না । সে হলো ইউনাইটেড কিংডমে । ভারতে যখন লক্ষ্মী - নারায়ণের রাজত্ব ছিলো, তখন সম্পূর্ণ বিশ্বের উপরই তাদের রাজত্ব ছিলো । এ'কথা মানুষ ভুলে গেছে । তোমরা বাচ্চারা এখন বাবাকে পেয়ে গেছো, তাহলে যেন বিশ্বের রাজত্বই পেয়ে গেছো । বাবা নিজে বলেন - বাচ্চারা, তোমরা ভুলে গেছো । এই ভারতে যখন দেবী - দেবতার রাজত্ব ছিলো, সত্যযুগ যখন ছিলো, তখন তোমরা সম্পূর্ণ বিশ্বের মালিক ছিলে । পার্টিশন ইত্যাদি কিছুই ছিলো না । লক্ষ্মী - নারায়ণ ডবল মুকুটধারী ছিলেন । বড় বড় রাজারাও পূজা করার জন্য নিজের মহলে লক্ষ্মী - নারায়ণ বা রাম - সীতার মন্দির নির্মাণ করে । ওরাও ভারতের রাজাই ছিলেন আর এরাও ভারতেরই রাজা, কিন্তু ওরা সত্য আর ত্রেতা যুগের রাজা ছিলেন আর এরা দ্বাপর আর কলিযুগের রাজা । সত্যযুগ আর ত্রেতাতে লক্ষ্মী - নারায়ণ আর রাম - সীতার রাজত্ব ছিলো, তারপর পরে হয় বিকারী রাজাদের রাজত্ব । রাজারা বিকারী কীভাবে হন ? এই কথা শিব বাবা এনার দ্বারা বসে বোঝান । এমন গায়নও আছে যে, পূজ্য - পূজারী । তোমাদের সতোপ্রধান থেকে অবশ্যই তমোপ্রধান হতে হবে । তিনি বলেন - হে বাচ্চারা, তোমরা প্রথমে সত্যযুগে সতোগুণী মহারাজা - মহারাণী ছিলে আর সম্পূর্ণ পবিত্র ছিলে । তোমরা বাচ্চারা এখন এই কথা জানো । অবশ্যই আমরাই সেই পূজ্য ছিলাম, এখন আর নেই, আবার পুরুষার্থের দ্বারা আমরা সেই পদ অর্জন করছি । মায়া তোমাদের পূজারী বানিয়ে দিয়েছে । তোমরা এই যে শিক্ষা পাচ্ছো, তা ধারণ করতে হবে । কলেজে যে শিক্ষা পায়, তাও তো ছাত্রদের বুদ্ধিতে থাকে, তাই না । বাচ্চাদের বুদ্ধিতে থাকে যে, আমরা ভারতবাসীরাই সেই দেবতা ছিলাম, পূর্ব কল্পেই বাবা এসে আমাদের রাজযোগ শিখিয়েছিলেন । মুখ্য হলো গীতার কথা । কারো সাথে দেখা হলে, জিজ্ঞেস করো, গীতা কখনো শুনেছো বা পড়েছো ? সেখানে লেখা আছে -- ভগবানউবাচঃ । তাহলে তিনি কীভাবে শোনাবেন ? কখনো শুনেছো যে, ভগবান পড়ান? একমাত্র গীতাতেই ভগবানুবাচ রয়েছে । বাচ্চারা, তোমরা জানো যে, ভগবান রাজযোগ শিখিয়েছিলেন, আর বলেছিলেন, আমি তোমাদের রাজার রাজা বানাবো । ওরা আবার শ্রীকৃষ্ণের নাম দিয়ে দিয়েছে । এখন শ্রীকৃষ্ণ তো ছিলেন সত্যযুগের প্রিন্স । শ্রীকৃষ্ণ এই পদ পেয়েছিলেন বাবার কাছ থেকে । শ্রীকৃষ্ণ কেবল একা পান নি । লক্ষ্মী - নারায়ণের রাজধানী ছিলো, যা আবার নতুন করে স্থাপন হচ্ছে । বাচ্চারা, তাই তোমাদের বুদ্ধিতে এই কথা আসা উচিত । পাঁচ হাজার বছর পূর্বেও ভগবান এই পড়াই পড়িয়েছিলেন । ভগবান হলেন নলেজফুল, ব্লিসফুল । শ্রীকৃষ্ণকে নলেজফুল, ব্লিসফুল এইসব টাইটেল দেওয়া হবে না । বাবা সম্পূর্ণ সৃষ্টিতে তত্ব সহিত সবকিছুর উপর ব্লিস করেন । এ তো পরমপিতা পরমাত্মা ছাড়া আর কেউই করতে পারেন না । ব্লিস অর্থাৎ দয়া । এখানে তো দেখো তত্ব ইত্যাদি সব তমোপ্রধান । অতি বৃষ্টি হলে সব ক্ষতি করে দেয় । তুফান হতে থাকে । এসব অনিয়ম হলো, তাই না । সত্যযুগে কোনো অনিয়ম ইত্যাদি হয় না, যাতে ক্ষতি হয়ে যাবে । ফসলও সময়মতো তৈরী হবে । সময়মতো জল পাওয়া যাবে । ওখানে কোনো উপদ্রব হয় না । এখানে হলো মায়ার উপদ্রব, যা তোমাদের দুঃখী করে । মায়ার অর্থও মানুষ জানে না । তোমরা এখন বুঝতে পারো যে, বাবাকেই বলা হয় পরমপিতা পরমাত্মা অর্থাৎ পরম আত্মা । এমন সঠিকভাবেই বলা উচিত ।


বাবা বলেন, আমি তোমাদের এমন কর্ম শেখাই যে, তোমাদের কর্মের জন্য অনুতাপকরতে হবে না । মনমতে চললে প্রত্যেক মানুষই কর্মের ভোগ অর্থাৎ অনুতাপ করে, তাই না । জ্বর, কাশি, এ সবও কর্মের ভোগ । দেউলিয়া হয়ে যাওয়া, এও কর্মের ভোগ । বাবা তোমাদের শ্রেষ্ঠ কর্ম শেখান । যে যতটা শিখবে, স্বর্গে ততটাই উঁচু পদ প্রাপ্ত করবে । নাটকে যেমন কারোর স্পেশাল রিজার্ভ সীট থাকে । তারপর ক্রমানুসারে সেকেন্ড ক্লাস, থার্ড ক্লাস হয় । বড় - বড় মানুষ সামনের আসনে বসে । তো পড়াশোনাতেও নম্বরের ক্রমানুসার হয় । বাবা বলেন, আমি তোমাদের মালিক বানাতে এসেছি, যে যেমন পড়বে, সেইভাবে । এই পড়া খুবই সাধারণ । যিনি পড়ান, তিনি নিরাকার । তাঁর নাম ব্যাস (দেব) বা শ্রীকৃষ্ণ ইত্যাদি নয় । তাঁদের সকলের তো চিত্র আছে । ব্রহ্মারও চিত্র আছে, শ্রীকৃষ্ণেরও চিত্র আছে । স্থূল বা সূক্ষ্ম চিত্র যাদের আছে তাদের ভগবান বলা যায় না । ভগবান হলেন একজনই, যাঁকে শিব বলা হয় । যত মন্দিরই থাকুক না কেন, কিন্তু নাম প্রকৃতপক্ষে একটাই, তার কখনোই পরিবর্তন হতে পারে না । তিনি হলেন নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা । একথা কে বলেছে ? নিরাকার আত্মা বলে যে, পরমপিতা পরম আত্মা পরমধামে থাকেন । আমরা আত্মারা তাঁর সন্তান । আমরাও ওখান থেকে পার্ট প্লে করতে এসেছি । এখন এক একজন অ্যাক্টরের বায়োগ্রাফি তো আর বলবেন না । মুখ্য অভিনেতাদেরই বলা হয় । এখানেও বড় বড় ব্যক্তিদের বায়োগ্রাফি বলা হয়ে থাকে, তাই না । এখন এই সম্পূর্ণ অসীম জগতের সৃষ্টিতে উঁচুর থেকেও উঁচু মনুষ্য কে? ড্রামাতে সবথেকে বড় পার্ট কার? এও বোঝা উচিত । আমাদের মতো অভিনেতাদের বাবা বসে বুঝিয়ে বলেন । ক্রিয়েটর, ডায়রেক্টর হলেন বাবাই । শিববাবা ব্রহ্মাকে নির্দেশ দেন যে তোমাকে দেবী - দেবতা ধর্মের স্থাপনা করতে হবে । স্থাপনা করে তারপর তোমাকে গিয়ে পালন করতে হবে । আমি করবো না । তোমাদের শেখান, নির্দেশ দেন, তাই না । তিনি তো করনকরাবনহার, তাই না । নিজে করেনও । নলেজ শোনান আর তোমাদের দিয়ে করানও, তাই না । তোমরা শ্রীমৎ পাও যে, এই করো । ড্রামা অনুসারে ব্রহ্মা এই স্থাপনা করে তারপর রাজত্ব করবেন । ব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণীরাও রাজত্ব করবে ।


বাবা তাই বোঝান, আমি হলাম নিরাকার, একজনই, আর সবাই সাকারী । এখন সেই নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা আত্মাদের মত প্রদান করছেন । আত্মা এই কানের দ্বারা শোনে আর মুখের দ্বারা বলে । তাই সবথেকে মুখ্য হলেন পরমপিতা পরমাত্মা, তারপর ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্কর সূক্ষ্মবতনবাসী, তারপর সঙ্গমযুগে হলেন জগদম্বা সরস্বতী আর জগৎপিতা ব্রহ্মা । এরা তো বড়র থেকেও বড় হলেন, তাই না । এদের দ্বারাই রচনা হয় । তোমরা সবাই মিলে ভারতকে স্বর্গ বানাও, বাবার সাহায্যে তোমরা মনুষ্যকে দেবতা বানাও । সত্যযুগে থাকে দৈবী সম্প্রদায় । বাবা বলেন যে, আমি তোমাদের এমন কর্ম শেখাই, যে কর্ম তোমাদের কখনো দুঃখ দেবে না । এখন সবকিছুই তোমাদের পুরুষার্থের উপর নির্ভর করছে, সে বাবার হয়ে এক নম্বর টিকিট নিয়ে সূর্যবংশীই হও অথবা চন্দ্রবংশীই হও । এ তো তোমরা জানোই যে, তোমাদের মা - বাবা সবথেকে বেশী পুরুষার্থ করেন । তারা সার্ভিসও করেন । তারা তো মহারাণী - মহারাজা হবেন । তোমরা তাদের অনুসরণ করবে, না হলে ফেল করে যাবে । জগদম্বার কতো নাম । সরস্বতী হলেন ব্রহ্মার পুত্রী । তাই দুইয়েরই মন্দির পৃথক - পৃথক করা হয়েছে । আজমীরে ব্রহ্মার বড় মন্দির আছে । তিনি হলেন জগৎ পিতা । আর ইনি জগৎ মাতা । জগতের রচয়িতা ।


মুখ্য ধর্ম হলো চার, এরপর অনেক ছোটো - ছোটো মঠ ইত্যাদি তৈরী হতে থাকে । তারাও নিজেদের মধ্যে লড়াই - ঝগড়া করতে থাকে, কেননা অনেক পার্টিশন (ভাগাভাগি) হয়ে যায় । যেখানে সেখানে ঝগড়া লেগেই থাকে । সত্যযুগে তো আর এমন হয় না । বাবা তাই বোঝান - মিষ্টি অতি প্রিয় বাচ্চারা, তোমাদের এই ড্রামাকে বুঝতে হবে । তোমরা এ তো জানো যে, আমরা আত্মারা পরমধাম থেকে আসি, গর্ভে দেহ ধারণ করে আমরা পার্ট প্লে করি । এখন এই পার্ট আমাদের সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে, এরপর এই শরীর ত্যাগ করে আমাদের অশরীরী হয়ে যেতে হবে । বাবা এসেছেন, শিব জয়ন্তীও আছে । অবশ্যই তাহলে শিববাবা এসে অবতার ধারণ করেছিলেন । তাঁর জয়ন্তী কবে, কীভাবে হয়েছিলো, শিব বাবা কীভাবে, কার মধ্যে এসেছিলেন, এসে কি করেছিলেন - এ'কথা কেউই জানে না । অবশ্যই তিনি ভারতকে স্বর্গ বানিয়েছিলেন । বাবা না এলে বাচ্চাদের কে শেখাবে ! আর সকলের মত হলো কলিযুগী আসুরী মত । সেই মতে শ্রেষ্ঠ হতে পারবে না । এখন আমি তোমাদের সুমত দান করছি । তোমরা আর কারোর মতে চলো না । আমি শ্রেষ্ঠের থেকেও শ্রেষ্ঠ, তাহলে অবশ্যই তোমাদের উচ্চ বানাবো । তাই ওই শ্রীমৎ অনুসরণ করা উচিত, আর কারোর মত গ্রহণ করলে ধোকা খেয়ে যাবে ।তোমরা যদি প্রতি পদে শ্রীমৎ গ্রহণ করো তাহলে লক্ষ্মী - নারায়ণের মতো তৈরী হবে ।তাঁদের মহিমাই হলো -- ত্বমেব মাতাশ্চ পিতা ত্বমেব । আমি বাবা, টিচার এবং সৎগুরুর রূপে তোমাদের মত দান করি, যার দ্বারা তোমরা এমন লক্ষ্মী - নারায়ণ তুল্য হও । এই জ্ঞান তোমাদের মধ্যে থাকলেই তোমরা বোঝাতে পারো । নম্বরের ক্রমানুসার তো থাকেই । তোমরা জানো যে, মাম্মা খুবই রিফ্রেশ করে দিতেন । বাবাও রিফ্রেশ করেন । তাই বাচ্চারা, তোমাদেরও এমন অনুসরণ করতে হবে । বাবা, আমরা তোমার কাছ থেকে শুনে অন্যদেরও শোনাবো । এ খুবই সহজ । বলো - ভগবান উবাচঃ লেখা আছে । ভগবান তো হলেন নিরাকার । তোমরা জানো যে, ড্রামাতে এই বেদ শাস্ত্র ইত্যাদি সবই পূর্ব হতেই তৈরী হয়ে আছে । শাস্ত্রতে যা কিছুই আছে, তা যেমন আছে, আবার তেমনই তৈরী হবে । এ কতো গুহ্য কথা । বাবা গুহ্যর থেকেও গুহ্য কথা শোনাতে থাকেন, যাতে বাচ্চারা তা বুঝে আবার অন্যদেরও বোঝাতে পারে । ব্যাস তো লিখেছেন এমন মানুষ হবেন, তাই না । ভগবান কাকে বলা হয় । তিনি তো সকলের বাবা । শ্রীকৃষ্ণ কিন্তু নন । শ্রীকৃষ্ণের হিস্ট্রি - জিওগ্রাফিকেও তোমরা বাচ্চারা জানো । ভগবান তো সৃষ্টির রচয়িতা । রাজযোগ তো ভগবান শিখিয়েছেন, নাকি শ্রীকৃষ্ণ ? তোমাদের এই নেশা থাকা উচিত যে, আমরা এই রাজযোগ শিখে ভবিষ্যতের প্রিন্স - প্রিন্সেস হবো । যারা ব্যারিস্টারী পড়ে, তাদেরও নেশা থাকে । তারা মনে করে, পরীক্ষায় পাস করে চেয়ারে বসে ব্যারিস্টার হবো । তোমরা জানো যে, মৃত্যু তো সকলেরই হবে । বাবা এখন বলছেন, মৃত্যুর পূর্বে পুরুষার্থ করো । এই সময় তোমাদের প্রীতি কেবল আমার সঙ্গে । কৌরবদের বিপরীত বুদ্ধি ছিলো আর পাণ্ডবদের ছিলো প্রীত বুদ্ধি । তাই প্রীত বুদ্ধির যারা তাদের স্থাপনা আর বিপরীত বুদ্ধি যাদের, তাদের বিনাশ হয়েছিলো । এ হলো ঈশ্বরীয় পড়া । প্রথমে তো এই নিশ্চয়তা চাই যে, বাবা আমাদের রাজার রাজা বানানোর জন্য এই পড়া পড়াচ্ছেন । আমি পাঁচ হাজার বছর পরে তোমাদের পড়াতে আসি । এই ড্রামাতে কোনো পরিবর্তন হতে পারে না ।


তোমরা জানো যে, এক বাবাই সত্য বলেন । বাকি যারা ঈশ্বরের জন্য পথ বলে দেয়, আর তার রচনার জন্য যা বলে, সে সবই হলো মিথ্যা । মানুষ বুঝতেও পারে কিন্তু এখনো পর্যন্ত এর প্রভাব আসার সময় হয় নি তাই দেরী হবে । ট্রেন তো নিজের সময় মতো পৌঁছাবে, তাই না । ৮ টার পরিবর্তে ২ টোর সময় তো আর পৌঁছাবে না । আমরা এই পুরুষার্থ করতে করতে বুঝতে পারি যে, এখন শীঘ্র স্বর্গে চলে যাবো, কিন্তু বাবা স্টেশন মাস্টার বলেন যে, ফ্ল্যাগ ডাউন বা সিগন্যাল নেই, এখনো দেরী আছে । রাজত্ব যখন স্থাপন হবে, তখনই তো যাবে, তাই না । অনেক বাচ্চারা বলে - বাবা, এখানে থেকে আমরা বিরক্ত হয়ে গেছি । বাবা বলেন যে, এ তো তোমাদের এক নম্বর জন্ম, এই জন্মে তোমাদের বিরক্ত হলে চলবে না । বন্দে মাতরম্ এমন গায়ন আছে । তোমাদেরকে যোগবলের দ্বারা সম্পূর্ণ বিশ্বকে পবিত্র বানাতে হবে । আচ্ছা !


মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি আত্মা রূপী বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা তাঁর আত্নারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।


*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*


১ ) এই বিনাশ কালে এক বাবার প্রতি সত্যিকারের প্রীতি রাখতে হবে । সদা এই নেশাতে থাকতে হবে যে, আমরা রাজযোগ শিখে ভবিষ্যতে প্রিন্স - প্রিন্সেস হবো ।


২ ) যোগবলের দ্বারা সমগ্র বিশ্বকে পবিত্র বানানোর সেবা করতে হবে । এই নম্বর ওয়ান জন্মে কখনোই বিরক্ত হবে না ।


*বরদানঃ-* স্নেহ আর পবিত্র ভাবনার বন্ধনে ভগবানকে বেঁধে গায়ন যোগ্য ভব

ভক্তিমার্গে গায়ন আছে যে, গোপিনীরা ভগবানকেও বন্ধনে বেঁধে ফেলেছিলেন । এ হলো স্নেহ এবং পবিত্র ভাবনার বন্ধন, যা চরিত্র রূপে গাওয়া হয় । তোমরা বাচ্চারা এই সময় অসীম জগতের কল্প বৃক্ষে স্নেহ এবং পবিত্র ভাবনার রশ্মির দ্বারা বাবাকেও বেঁধে ফেলো, এর গায়নই ভক্তি মার্গে চলতে থাকে । বাবা এর পরিবর্তে স্নেহ এবং ভাবনা এই দুইয়ের রশিকে হৃদয় সিংহাসনের আসনে দোলা বানিয়ে বাচ্চাদের দিয়ে দেন, এই দোলাতে সদা দুলতে থাকো ।

*স্লোগানঃ-* নিজেকে যে কোনো পরিস্থিতিতে মোল্ড করতে পারাই হলো প্রকৃত গোল্ড হওয়া।


No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...