25.02.2023 BANGLA MURLI
“মিষ্টি বাচ্চারা
- শ্রী শ্রী এর শ্রেষ্ঠ মতে চললেই তোমরা নর থেকে শ্রী নারায়ণ হবে, নিশ্চয়েই বিজয় রয়েছে”
*প্রশ্নঃ - ঈশ্বরের ডায়রেক্ট রচনায় কোন্ বিশেষত্বটি অবশ্যই
থাকা চাই?
*উত্তরঃ - সদা প্রফুল্লিত (হর্ষিত) থাকার। ঈশ্বরের রচনার
মুখ থেকে সর্বদা জ্ঞান রত্নই যেন নিঃসৃত হয়। আচরণ অত্যন্ত রয়্যাল থাকা চাই। বাবার
নাম বদনাম হয় এমন আচার আচরণ যেন না হয়। কান্নাকাটি, বাদ বিবাদ, উল্টো পাল্টা খাবার খাওয়া.... এইসব ঈশ্বরীয়
সন্তানের লক্ষণ নয়। ঈশ্বরের সন্তান হয়ে যদি কেউ কান্নাকাটি করে, কোনো অকর্তব্য করে, তো বাবার সম্মান হানি হয়। তাই বাচ্চাদের খুব
খুব সতর্ক হতে হবে। সদা ঈশ্বরীয় নেশায় থেকে হর্ষিতমুখ থাকতে হবে।
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চাদের মুখমন্ডল দেখতে হয়। এখানে কোনও সাধু সন্ন্যাসী নেই, বাপদাদা এবং বাচ্চারা আছে। একেই বলে ঈশ্বরীয়
কুটুম্ব পরিবার। ঈশ্বর অর্থাৎ পরম পিতা, যাঁর সন্তান হলেন ব্রহ্মা, তারপরে তোমরা
ব্রহ্মাকুমার কুমারীরা। উনি হলেন ওয়ার্ল্ডের ফাদার। যদিও সম্পূর্ণ দুনিয়ার তিনজন
ফাদার তো হয়ই। এক নিরাকার পিতা, দ্বিতীয়
প্রজাপিতা ব্রহ্মা, তৃতীয় লৌকিক
পিতা। কিন্তু এ'কথা কেউ জানেনা।
চিত্র ইত্যাদিও বানিয়েছে কিন্তু জানেনা ইনি কবে এসেছিলেন ? শিবেরও চিত্র আছে। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করের চিত্রও আছে। কিন্তু তারা কেমন পার্ট
প্লে করেছেন ? তাদের নাম কেন
গায়ন করা হয়... সে কথা কেউ জানেনা। যদিও অনেক শিক্ষিত, লক্ষ লক্ষ মানুষ লেকচার শুনতে যায়। কিন্তু
বাচ্চারা তোমাদের তুলনায় তারা কিছুই জানেনা। একেবারে তুচ্ছ বুদ্ধির তারা। বাবা
এসেছেন তোমাদেরকে স্বচ্ছ বুদ্ধির বানাতে। তোমরা সবকিছু জানো। উঁচুর থেকেও উঁচু
হলেন বাবা । এখন তিনি নতুন রচনা রচিত করছেন। নতুন দুনিয়ায় নতুন রচনা তো চাই,
তাইনা। গান্ধীজিও বলতেন
নতুন দুনিয়া, নতুন রাজ্য চাই।
একমাত্র ভারতবর্ষেই, যেখানে এক রাজ্য
সত্যযুগে হয়ে থাকে । শুধু সূর্য বংশী লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য হয় পরে চন্দ্র বংশীর
রাজ্য হয় তখন সূর্য বংশী প্রায় লুপ্ত হয়ে যায়। তখন বলা হয় চন্দ্র বংশীদের রাজত্ব।
হ্যাঁ, তারা জানে যে
লক্ষ্মী-নারায়ণ রাজত্ব করে গেছেন। তখন বলা হবে রাম-সীতার রাজ্য। সুতরাং ব্রহ্মা
ক্রিয়েটর নন। ক্রিয়েটর হলেন একমাত্র শিববাবা। শিববাবা রচিয়তা আসেন, এসে বলেন আমি কীভাবে নতুন রচনা রচিত করছি।
ব্রহ্মার দ্বারা ব্রাহ্মণদের অর্থাৎ তোমাদের রচনা করি। অতএব বাবার কাছে অবশ্যই
বর্সা (স্বর্গের অধিকার) প্রাপ্ত হওয়া উচিত। এইটুকু কথাও যদি বুদ্ধিতে থাকে তবে ২১
জন্মের জন্য অহো সৌভাগ্য। কখনও দুঃখী বা বিধবা হবে না। কারো বুদ্ধিতে এমন সম্পূর্ণ
নেশাই নেই। যদিও খুব সহজ।
গীত : - ভাগ্য
জাগিয়ে এসেছি....
ওম্ শান্তি ।
তোমরা আসো এই পাঠশালায়, কীসের পাঠশালা?
শ্রীমৎ ভগবতের পাঠশালা।
পরে তার নাম গীতা রেখে দিয়েছে। শ্রীমৎ শ্রেষ্ঠ থেকে শ্রেষ্ঠ পরমাত্মার, উনি নিজের সন্তানদের শ্রেষ্ঠ মত প্রদান করছেন।
পূর্বে তো তোমরা রাবণের আসুরিক মতানুসারে চলে আসছো। এখন ঈশ্বর পিতার মত প্রাপ্ত
হয়েছে। আমি শুধুমাত্র তোমাদের পিতা নই। তোমাদের পিতা, টিচার এবং সদগুরুও । যারা আমার আপন হয়, তারা বলে শিববাবা ব্রহ্মার মুখের দ্বারা আমরা
আপনার আপন হয়েছি। প্রতিজ্ঞা করে আমি আপনার, আপনারই হয়ে থাকবো। বাবাও বলেন তোমরাও আমার। এখন
আমার মতানুসারে চলবে। শ্রীমৎ অনুসরণ করে চললে তোমরা সেই শ্রেষ্ঠ লক্ষ্মী-নারায়ণ
হয়ে যাবে। গ্যারান্টি রয়েছে। কল্প পূর্বেও তোমাদের নর থেকে নারায়ণ, নারী থেকে লক্ষ্মী বানিয়েছিলাম। এমন কথা কোনও
মানুষ বলতে পারে না। কেউই বলতে পারে না। এই কথা একমাত্র বাবা বলেন আমার বাচ্চারা,
আমি তোমাদের রাজযোগ
শিখিয়ে পুনরায় স্বর্গের মালিক বানাই। সত্যযুগ হল আল্লার দুনিয়া। ভগবতী, ভগবানকে আল্লাহ বলবে। এই সময় সবাই উল্টো ঝুলে
রয়েছে। চিল এসে ঠুঁকরে দেয় না! এখানেও মায়া আঘাত করে। দুঃখী হতে থাকে। এখন বাবা
বলেন আমি তোমাদের এই দুঃখ থেকে, বিষয় সাগর থেকে
ক্ষীর সাগরে নিয়ে যাই। এ'হল মহিমা বর্ণনা।
বাচ্চারা, এখন আমি জ্ঞানের
সাগর তোমাদেরকে স্বর্গের মালিক বানাই। তোমরা কাম চিতায় বসে জ্বলে পুড়ে কালো হয়েছো,
আমি এসে জ্ঞানের বর্ষা
করি, যার দ্বারা তোমরা গৌর
বর্ণে পরিণত হও। শাস্ত্রে রয়েছে যে, সগর রাজার সন্তানেরা পুড়ে মরেছিল। অনেক কাহিনী বানিয়ে দিয়েছে। এখন বাবা বলেন
এই সব কথা বুদ্ধি থেকে দূর করো। এখন আমার কথা শোনো। সংশয়বুদ্ধি বিনশন্তি। এখন আমার
উপরে দৃঢ় বিশ্বাস (নিশ্চয়) রাখো তো নিশ্চয়বুদ্ধি বিজয়ন্তী। বিজয় মালার দানা হয়ে
যাবে। মালার রহস্য বোঝানো হয়েছে। যারা ভালো সার্ভিস করে তাদের বিজয় মালা তৈরি হয়।
সবচেয়ে ভালো সার্ভিস করে যারা, তারা রুদ্র মালায়
অগ্র স্থানে থাকে। তারপরে বিষ্ণুর মালায় অগ্র স্থানে যাবে। নম্বর অনুসারে ১০৮,
তারপর ১৬ হাজার এরও মালা
অ্যাড করো। এমন নয় সত্য যুগ ত্রেতায় শুধু ১০৮ প্রিন্স প্রিন্সেস থাকবে। বৃদ্ধি হতে
হতে মালা বড় হতে থাকে। প্রজার সংখ্যা বৃদ্ধি হবে তো অবশ্যই প্রিন্স-প্রিন্সেসদের
সংখ্যাও বৃদ্ধি পাবে। বাবা বলেন যদি কিছু বুঝতে না পারো তবে জিজ্ঞাসা করো। হে আমার
আদরের বাচ্চারা, আমাকে জানলে
তোমরা সৃষ্টি রূপী বৃক্ষের কথাও জানবে। এই বৃক্ষ কখনও পুরানো হয় না। ভক্তিমার্গ
কবে শুরু হয় - এই কথা তোমরা জানো। এ:হল কল্প বৃক্ষ। নীচে কামধেনু বসে আছে। অবশ্যই
তার পিতাও থাকবে। এখন তোমরাও কল্প বৃক্ষের তলায় বসে আছো, পরে তোমাদের নতুন বৃক্ষ শুরু হয়ে যাবে। প্রজা
তো লক্ষ লক্ষ তৈরি হয়েছে আরও তৈরি হবে। যদিও রাজা হওয়া খুব কঠিন কাজ। এতেও সাধারণ,
গরিবরাই উঠে আসে।
বাবা বলেন দীনের
নাথ। দান তো গরিবদের করা হয়। অহল্যা, কুব্জা, পাপ আত্মা যারা
আছে, এমন এমন আত্মাদেরকে আমি
এসে বরদান দিয়ে থাকি। তোমরা সন্ন্যাসীদেরও বসে জ্ঞান প্রদান করবে। ব্রাহ্মণ না হয়ে
দেবতায় কেউ পরিণত হতে পারবে না। যারা দেবতা বর্ণের ছিল, তারা ব্রাহ্মণ বর্ণে এসেছে, তারপরেই পুনরায় দেবতা বর্ণে যেতে পারবে। তুমি
মাতা পিতা.... এই গান তো সবাই গায় কিন্তু তোমরা এখন প্রাক্টিক্যালে আছো। এ'হল ব্রাহ্মণদের নতুন রচনা। উঁচু থেকে উঁচু
কেশশিখা বা টিকি ব্রাহ্মণ, উঁচু থেকে উঁচু
হলেন ভগবান পরে ঈশ্বরীয় সম্প্রদায়। তাই তোমাদের অনেক নেশা থাকা উচিত। আমরা ঈশ্বরের
নাতি-নাতনি প্রজাপিতার সন্তান। এখন ঈশ্বরের সন্তানদের তো সদা প্রফুল্লিত থাকা
উচিত। কখনও কান্না কাটি করা উচিত নয়। এখানে অনেক ব্রহ্মাকুমার কুমারীরাও
কান্নাকাটি করে। বিশেষ করে কুমারীরা। পুরুষ তো কাঁদে না। তো যারা কাঁদে তারা তো
নাম খারাপ করে। দেখা যায় তারা মায়ার দাস হয়ে গেছে, আর শিববাবার নেই । বাবা ভিতরে ভিতরে তো বোঝেন
কিন্তু বাইরে তো দেখাবেন না। তা নাহলে আরও পতিত হয়ে যাবে। বাবা বলেন নিজের খেয়াল
নিজে রাখো। সদ্গুরুর নিন্দুক কোথাও ঠাঁই পায় না। তারা বুঝে নবে যে রাজসিংহাসন
কখনওই আমাদের প্রাপ্ত হবে না। তোমাদের তো সর্বদা খুশীতে থাকা উচিত। যখন তোমরা
এখানে খুশীতে থাকবে তবে ২১ জন্ম খুশীতে থাকবে। ভাষণ ইত্যাদি করা কোনও বড় কথা নয়,
সেসব করা তো খুব সহজ।
শ্রীকৃষ্ণের মতন হতে হলে এখন সদা হর্ষিত মুখে থাকো এবং মুখ থেকে রত্ন বের করো। আমি
আত্মা, পরম পিতা পরমাত্মার কাছে
ধন প্রাপ্ত করেছি, আমি আত্মার মধ্যে
যা ধারণ হয়, সেসব আমি নিজ
মুখের দ্বারা দান করি। যেমন বাবা শরীরের লোন নিয়ে দান করতে থাকেন, এমন অবস্থা চাই। বাবা বাচ্চাদেরকেযভালোবাসেন,
কিন্তু দেখেন এর আচরণের
দ্বারা নাম খারাপ হবে তখন বাবার বুঝতে পারেন এর কোথাও ঠাঁই হবে না। বাবা অনেক
নালিশ শোনেন ঈশ্বরীয় সন্তানেরা কান্নাকাটি কেন করে? সম্মান তো ঈশ্বরের নষ্ট হবে, তাইনা। কান্নাকাটি করে, ঝগড়া করে। উল্টো পাল্টা খাবার খায়। দেবতারা
যদি কান্নাকাটি করে তাহলে আলাদা কথা, এরা তো ডায়রেক্ট ঈশ্বরের সন্তানেরা কান্নাকাটি করে, এদের কি গতি হবে ! এমন অকর্তব্য করা উচিত নয়,
যাতে বাবার সম্মান নষ্ট
হয়। প্রতিটি কথায় সতর্কতা চাই। তোমাদেরকে ঈশ্বর পড়াচ্ছেন।
এই সময় তো যত
মানুষ তত মতামত - একে অপরের সঙ্গে মিল নেই। তো বাবা বোঝান এখানে তোমরা বসে আছো
নিজের উঁচু থেকে উঁচু ভাগ্য নির্মাণের জন্য। উচ্চ ভাগ্য পরমাত্মা ব্যতীত অন্য কেউ
নির্মাণ করতে পারে না। সত্যযুগী সৃষ্টির আদি কালে আছেন লক্ষ্মী-নারায়ণ। রচনা তো
ভগবানই করেন। উনি লক্ষ্মী-নারায়ণকে রাজ্য কীভাবে দিয়েছেন ? যথা রাজা রানী তথা প্রজা কীভাবে হয়, সে কথা কেউ জানেনা। বাবা বোঝান কল্পের সঙ্গম
যুগেই আমি এসে লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য স্থাপন করি। বাবা বলেন আমি তোমাদেরকে
রাজতিলক দিচ্ছি । আমি স্বর্গের রচয়িতা তোমাদের রাজতিলক না দিলে কে দেবে? কথায় আছে না যে, তুলসীদাস চন্দন ঘষেন .... এই কথা আসলে এখানকারই
কথা। বাস্তবে রাম হলেন শিববাবা। চন্দন ঘষার কথা নয়। অন্তরে বুদ্ধির দ্বারা পিতাকে
এবং বর্সাকে স্মরণ করো। মায়াপুরীকে ভুলে যাও, এতে অপরিসীম দুঃখ আছে। এ'হল কবরখানা। মিষ্টি বাবা আর মিষ্টি সুখধামকে
স্মরণ করো। এই দুনিয়া তো শেষ হয়ে যাবে। বিদেশে তো বম্ব্স ইত্যাদি পড়বে তো সব গৃহ
ইত্যাদি ভেঙে পড়বে, সবাইকে মরতে হবে।
কাদা মাটি সব শেষ হবে। দেবতারা কাদা মাটিতে থাকেন না। লক্ষ্মীর আহবান করে তো
স্বচ্ছতার উপরে বিশেষ খেয়াল রাখে তাইনা। এখন লক্ষ্মী-নারায়ণ আসবেন তো সম্পূর্ণ
সৃষ্টি স্বচ্ছ হয়ে যাবে, অন্য সব খন্ড শেষ
হয়ে যাবে, তারপরে দেবতারা
আসবেন। ওনারা এসে নিজের প্রসাদ বানাবেন। বম্বে এমন ছিলই না। গ্রাম ছিল। এখন দেখো
কি হয়েছে তো পরে এমন হবে যে অন্য খন্ড থাকবেই না। সত্যযুগে লবণাক্ত জলের ধারে কোনো
গ্রাম থাকে না। মিষ্টি নদীর ধারে বাস করে। পরে ধীরে ধীরে বৃদ্ধি হয়। মাদ্রাস
ইত্যাদি থাকে না। বৃন্দাবন, গোকুল ইত্যাদি
নদীর ধারে থাকে, বৈকুণ্ঠের মহল
সেখানে দেখানো হয়। তোমরা জানো আমরা এখানে এসেছি নর থেকে নারায়ণ হতে। শুধুমাত্র
মানুষ থেকে দেবতা বোলো না, দেবতাদেরই তো
রাজধানী! আমরা এসেছি রাজ্য প্রাপ্ত করতে। একেই বলা হয় রাজযোগ। এ'কোনও প্রজা যোগ নয়। আমরা পুরুষার্থ করে বাবার
কাছে সূর্যবংশী রাজ্য প্রাপ্ত করি। বাচ্চাদেরকে প্রতিদিন জিজ্ঞাসা করা উচিত যে
কোনও দোষত্রুটি করনি তো? কাউকে দুঃখ দাওনি
তো? ডিস-সার্ভিস করনি তো?
একটু সার্ভিস করেই
ক্লান্ত হওয়া উচিত নয়। জিজ্ঞাসা করা উচিত সারা দিনে কি কি করেছো? মিথ্যা বললে পতন হবে। শিববাবার কাছে তো কিছুই
লুকানো যায় না। এমন ভাববে না - কে দেখছে? শিববাবা তো তৎক্ষণাৎ জেনে যাবেন। মিছিমিছি নিজের সর্বনাশ করবে। সত্য বলা উচিত,
তবেই সত্যযুগে নৃত্য করতে
থাকবে। সত্য যেখানে সেখানে বসে নৃত্য করবে.... খুশীতে খুব হর্ষিত মুখে থাকা উচিত।
দেখো স্ত্রী পুরুষ দু'জনেই আছে। একের
স্বর্গের বাদশাহী সৌভাগ্য রয়েছে, অন্যের ভাগ্যে
নাও থাকতে পারে। কারো সৌভাগ্য এমনও আছে যে দুইজনেই পবিত্রতার বন্ধনে আবদ্ধ হয়,
তারা জ্ঞান চিতায় বসে
একত্রে যাবে।
তোমরা বাচ্চারা
জগদম্বা মায়ের বায়োগ্রাফি জানো অন্য কেউ ৮৪ জন্মের কথা মানবে না। তার অসংখ্য ভূজ
দেখানো হয়েছে। তো মানুষ বুঝবে তারা তো হলেন দেবতা, জনম-মরণ হীন। আরে, চিত্র তো মানুষের, তাইনা। এত ভূজ তো হয়ই না। বিষ্ণুকেও ৪-টি ভূজ
দেখানো হয় - প্রবৃত্তিকে প্রমাণ করার জন্য। এখানে তো দুই ভূজ-ই হয়। মানুষ যদিও
নারায়ণকে চতুর্ভূজ, লক্ষ্মীকে দ্বি
ভূজ দিয়েছে। কোথাও আবার লক্ষ্মীকে চার ভূজ দিয়েছে। নারায়ণকে শ্যাম বর্ণ, লক্ষ্মীকে গৌর বর্ণ দেখিয়েছে। কারণ কিছুই
জানেনা। তোমরা এখন জানো - দেবতারা যারা গৌর বর্ণ ছিল, দ্বাপরে এসে যখন কাম চিতায় বসেছে তখন আত্মা
শ্যাম বর্ণে পরিণত হয়েছে। তারপর বাবা এসে তাদের শ্যাম থেকে গৌর বর্ণে পরিণত করেন।
আচ্ছা!
মিষ্টি - মিষ্টি
হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী
বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) মিষ্টি বাবা
এবং মিষ্টি সুখধামকে স্মরণ করতে হবে। এই মায়াপুরীকে বুদ্ধির দ্বারা ভুলে যেতে হবে।
২ ) সার্ভিসে
কখনও ক্লান্ত হবে না। বিজয় মালায় আসার জন্য অক্লান্ত হয়ে সার্ভিস করতে হবে।
শিববাবার কাছে সদা সৎ থাকতে হবে। কোনও রকমের ভুল-ত্রুটি করবে না। কাউকে দুঃখ দেবে
না।
*বরদানঃ-* এক এর পাঠের দ্বারা নিরাকার, আকারকে সাকারে অনুভবকারী বরদানীমূর্তি ভব
শুধুমাত্র এক এর
পাঠ পাকা করে বরদাতাকে রাজি করে নাও তাহলে অমৃতবেলা থেকে রাত পর্যন্ত প্রত্যেকটি
দিনচর্যার কর্মে বরদান দ্বারাই প্রতিপালিত হবে, এগোবে, উড়তে থাকবে। সেই এক এর পাঠ হল - এক বল এক ভরসা, একমত, একরস, একতা এবং একান্ত
প্রিয়.... এই "এক" শব্দটিই বাবার প্রিয়। যে এই এক এর পাঠ পাকা করে নেয়
তাদের কখনও মুশকিল অনুভব হয় না। এমন বরদানী আত্মার বিশেষ বরদান প্রাপ্ত হয় তাই
নিরাকার-আকারকে সাকারে অনুভব করে।
*স্লোগানঃ-* কারো কাছ থেকে দূরে সরে গিয়ে নিজের অবস্থা
(স্থিতি) বানানোর পরিবর্তে সকলের সাহারা হও।
No comments:
Post a Comment