Wednesday, February 15, 2023

16.02.2023 BANGLA MURLI

                                     16.02.2023 BANGLA MURLI




মিষ্টি বাচ্চারা - এই সময় পাঁচ বিকাররূপী রাবণ সকলকে সুখ-সম্পত্তির দিক থেকে দেউলিয়া (সর্বস্বান্ত) করে দিয়েছে, তোমরা এখন রাবণ রূপী শত্রুর উপর বিজয় প্রাপ্ত করে জগৎজিত হচ্ছো”

প্রশ্নঃ - ড্রামার কোন্ রহস্যকে জানার কারণে বাচ্চারা তোমাদের চিন্তা-ভাবনা অনেক উচ্চ পর্যায়ে থাকে?

উত্তরঃ -  তোমরা জানো যে ড্রামা অনুসারে অটোমেটিক তোমাদের প্রভাব ছড়িয়ে পড়বে। তারপর ভক্তদের ভীড় বাড়বে, তখন সেবা করা অসম্ভব হয়ে যাবে। ২) বাবার যে বাচ্চারা অন্য ধর্মে কনভার্ট হয়ে গিয়েছিল, তারা বেরিয়ে আসবে, এইজন্য তোমাদের চিন্তা-ভাবনা অনেক উচ্চ পর্যায়ে থাকে যে কোথা থেকে কেউ বেরিয়ে আসবে যে বাচ্চা হয়ে অসীম জগতের বাবার থেকে নিজের উত্তরাধিকার নেবে। তোমাদের এই চিন্তা যেন থাকে না যে, এমন কেউ বেরিয়ে আসুক যে অনেক টাকা দেবে। কিন্তু শিব বাবা পড়াচ্ছেন এই নিশ্চয়তা যেন তার মধ্যে বসে আর বাবার থেকে উত্তরাধিকার নেওয়ার জন্য যেন সে পুরুষার্থ করতে থাকে।

গীতঃ- বাবা মায়ের আশীর্বাদ নিয়ে নাও ...

ওম্ শান্তি । সেবাকে সার্ভিসও বলা হয়। প্রথমে মাতা-পিতা সেবা করেন। এখন দেখো, প্র্যাক্টিক্যালে করছেন তাই না। এখন থেকেই সকল কায়দা-কানুন পরমপিতা পরমাত্মা এসে স্থাপন করেন। বাচ্চারা তোমরা আসো, মাম্মা বাবা বলে ডাকো তো মাম্মা বাবাও তোমাদের সেবা করেন। পার্থিব জগতের মা-বাবাও বাচ্চাদের সেবা করেন। মা, বাবা, গুরু, এরা হলেন পার্থিব জগতের, আর ইনি (শিববাবা) হলেন পারলৌকিক। লৌকিককে তো সবাই জানে, অবশ্যই বাবা জন্ম দেন। টিচার পড়ান অর্থাৎ শিক্ষা দেন। আবার বাণপ্রস্থ অবস্থাতে গুরু করা হয়। এই রীতি-রেওয়াজ কবে থেকে শুরু হয়েছে? এখন থেকেই এর আরম্ভ হয়। এইসময়ই সদ্গুরু আসেন, এসে বোঝান যে আমি হলাম তোমাদের বাবা, টিচার আবার সদ্গুরুও। তোমরা তো বাবার বাচ্চা হয়েছো। টিচারের রূপে এনার থেকে শিক্ষা প্রাপ্ত করছো। অন্তিম কালে সদ্গুরু হয়ে তোমাদেরকে সত্যখন্ডে নিয়ে যাবেন। তিনটি কাজ প্র্যাক্টিক্যালে করেন। বাচ্চারা তোমরা মাতা পিতা বলে ডাকো তো বাবা তোমাদের আহ্বান স্বীকার করেন। তিনি এটা জানেন যে সব বাচ্চা এক সমান সুপুত্র হতে পারেনা। এখানেও অসীম জগতের বাবা বলেন - সব বাচ্চা সুপুত্র নয়। এটা তো তোমরাও জানো। এখন হল রাবণ রাজ্য। এটা কোনও বিদ্বান, পন্ডিত প্রমুখেরা জানে না। যখন কেউ আসে তখন তাকে প্রথমে এটা জিজ্ঞেস করতে হবে যে তুমি কী চাও? কেউ আবার শান্তি চায়, এইজন্য গুরু খুঁজতে থাকে। সত্যযুগে তো কেউ গুরু ইত্যাদির খোঁজ করে না কেননা সেখানে কেউ দুঃখী থাকে না। সেখানে অপ্রাপ্ত কোনও বস্তু থাকেনা। এখানে তো কোনও না কোনও বস্তুর লালসা রেখে গুরুর কাছে যায়। কারো মুখ থেকে যদি শোনে যে এই গুরুর কাছে গিয়ে তার মনোকামনা পূর্ণ হয়েছে তাহলে সেও সেই গুরুর কাছে যাবে। সন্ন্যাসীরা পবিত্র থাকে তাই তাদের মহিমা হয়ে থাকে। অনেক শিষ্য হয়ে যায়। বিবেকও বলে, যে পবিত্র থাকে, বাবাকে অবশ্যই তার মহিমা করতে হয়। তোমরা পবিত্র থাকো, তাই তোমাদের কতোইনা মহিমা হয়। তোমাদের দ্বারা সাধারণ মানুষের ২১ জন্মের জন্য কল্যাণ হয়ে যায়। ২১ জন্মের জন্য সকল মনোকামনা পূর্ণ হয়ে যায়। এটাও তোমরা জানো, দুনিয়াতে এটাও কেউ জানে না যে পরমাত্মা কবে আসেন, জগদম্বা কে, যার দ্বারা আমাদের সকল মনোকামনা পূর্ণ হয়ে যায়। এখন সবাই ঘোর অন্ধকারে আছে। যেমন রাজা-রানী তেমন প্রজা... প্রথম কম অন্ধকার হয়, তারপর ঘোর অন্ধকার হয়ে যায়। মায়ার রাজ্যকে ঘোর অন্ধকার বলা হয়। বাবা বলেন যে ভারতের সবথেকে বড় শত্রু হল মায়া রূপী ৫ বিকার। তোমরা জানো যে এই মায়া রাবণ সীতাদেরকে হরণ করেছিল অর্থাৎ নিজের কারাগারে বন্দি করে রেখেছিল। বাবা আসেনই এই সবথেকে বড় শত্রুর কারাগার থেকে আমাদেরকে মুক্ত করতে। এটাও কারাের জানা নেই যে ভারত, যা একসময় ধন-সম্পদে পরিপূর্ণ ছিলো, তাকে এতো কাঙ্গাল কে বানিয়েছে? এই রাবণই হল সবথেকে বড় শত্রু। এর প্রবেশের কারণেই ভারতের এই অবস্থা হয়ে গেছে। বলা হয়, যে তোমার মধ্যে ক্রোধের ভূত আছে। কিন্তু মানুষ এটা বুঝতে পারেনা যে ৫ বিকারকে ভূত বলা হয়। এই ভূত অর্থাৎ রাবণই হল সবথেকে বড় শত্রু। এমন নয় যে মুসলমান বা খ্রীষ্টানরা ভারতকে কাঙ্গাল বানিয়েছে। না, সকলের সুখ সম্পত্তির দেউলিয়া এই রাবণই করেছে। এই কথা কেউ জানে না। এখন সন্ন্যাস ধর্মের ১৫০০ হাজার বছর হয়েছে। তাদের সংখ্যাও অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃদ্ধি হতে হতে এখন জরাজীর্ণ অবস্থা হয়ে গেছে। তোমাদের তো হল সতোপ্রধান নতুন বৃক্ষ।

 

তোমরা এখন রাবণের সাথে যুদ্ধ করছো। তারা আবার হিংসক যুদ্ধ দেখিয়ে দিয়েছে। বাবা বলছেন তোমরা এই ৫ বিকার রূপী রাবণের থেকে জয়ী হলে জগৎজীৎ হবে। অন্যান্য সকল ধর্মের আত্মাদেরকে ফিরে যেতে হবে কেননা সত্যযুগে তো হবেই এক ধর্ম, এক রাজ্য। সেটাও যারা কল্প পূর্বে নিয়েছিল, যারা সূর্যবংশী হয়েছিল তারাই সতোপ্রধান নম্বর ওয়ান রাজ্য করবে। সত্যযুগে ছিল একটাই ধর্ম। পুনর্জন্ম নিতে নিতে এখন তো অনেক বৃদ্ধি হয়ে গেছে। যেরকম অন্য ধর্ম গুলিতেও অনেক রকমের বৃদ্ধি হয়ে গেছে। সেইরকম এই ধর্মেও ব্রহ্ম সমাজী, আর্য সমাজী, সন্ন্যাসী ইত্যাদি কতো কি আছে, আশ্চর্যের বিষয়। আছে তো সবাই ভারতবাসী, এক আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্মের তাই না। সিজরা তো উপর থেকে সেটাই চলে আসছে তাই না। ভরত খন্ড হলো সত্য খন্ড, যেখানে বাবা এসে দেবী-দেবতা ধর্মে ট্রান্সফার করেন। এটা তোমরা জানো। প্রথমে সাতদিনের ভাট্টিতে রেখে শূদ্র থেকে ব্রাহ্মণ বানাতে হয়। সন্ন্যাসীদের তো বৈরাগ্য আসে, তাই তারা জঙ্গলে চলে যায়। তাদের রাস্তা আলাদা। ঘর-বাড়ি ছেড়ে চলে যায়। তাদের কোনও কষ্ট নেই। তবে হ্যাঁ, মনের মধ্যে সংকল্প আসবে। কাম বিকার থেকে তো মুক্ত হয়েই যায়। এছাড়া ক্রোধ আসে, তাদের মধ্যেও তো নম্বরের ক্রমানুসারে থাকে তাই না। কেউ উত্তম, কেউ মধ্যম, কেউ কনিষ্ঠ, কেউ তো একদম ডার্টিও (নোংরা) হয়। সত্যযুগে যদিও সবাই সুখী হয় কিন্তু নম্বরের ক্রমানুসারেই পদ প্রাপ্ত হয় তাই না। সূর্যবংশী রাজা রাণী প্রজা, চন্দ্রবংশী রাজা রাণী প্রজা... উত্তম, মধ্যম, কনিষ্ঠ তো থাকেই তাই না। তো বাবা সমস্ত রহস্য বসে বোঝাচ্ছেন। এই মার্গে যাত্রা করা অতি দুর্গম, সন্ন্যাস মার্গ এতেটা দুর্গম নয়। তাদের ক্ষেত্রে তো বৈরাগ্য এলো, সন্ন্যাস নিলো, ব্যস্ সব শেষ। কেউ-কেউ ফেলও হয়ে যায়। আর বাকি যারা পাক্কা হয়ে যায়, তাদের পুনরায় ঘর গৃহস্থে ফিরে আসা মুশকিল হয়ে যায়। এখানে তো ঘর-গৃহস্থে থেকে পবিত্র থাকতে হবে। বাবা বোঝান যে - বাহাদূর তো হলো তারা, যারা (যুগল) একসাথে থাকলেও মাঝে জ্ঞান যোগের তলোয়ার থাকে। এইরকম একটা কাহিনীও আছে যে সে বললো ঘড়া যদি মাথার উপর রাখোও কিন্তু তোমার অঙ্গের সাথে আমার অঙ্গ স্পর্শ না হয় অর্থাৎ বিকারের ভাবনা যেন না থাকে। তারা এটাকে শরীর মনে করে নিয়েছে। বিষয়টি হল বিকারের অর্থাৎ নগ্ন না হওয়ার। কাম অগ্নিতে জ্বলবে না। আমাদের গন্তব্য অনেক শ্রেষ্ঠ আর প্রাপ্তিও অনেক বেশী। সন্ন্যাসীরা পবিত্র হলে তাদেরও কতোকিছু প্রাপ্তি হয়। বড় বর মহামন্ডলেশ্বর হয়ে বসে যায়, মহলে থাকে। অনেক মানুষ গিয়ে তাদের কাছে টাকা পয়সা দান করে। চরণ ধোওয়া জল পান করে। তাদের অনেক মহিমা করে। কিন্তু নম্বর ওয়ান মহিনা হল ঈশ্বরের। তিনিই হলেন স্বর্গের রচয়িতা। সেখানে মায়ার নাম নিশান থাকে না। সন্ন্যাসীরা এটা বোঝে না যা মায়া হল ৫ বিকার, তারা কেবল পবিত্র থাকে। ড্রামাতে তাদের এইরকমই পার্ট থাকে। তাদের হলই হঠযোগ সন্ন্যাস। তোমাদের হল রাজযোগ সন্ন্যাস। তারা রাজযোগ তো শেখাতে পারে না। সেখানে হল শংকরাচার্য আর এখানে হল শিবাচার্য। তোমরাও পরিচয় দাও যে আমাদেরকে ভগবান এসে পড়ান। তিনি তো অবশ্যই স্বর্গের মালিকই বানাবেন। নরকের মালিক তো বানাবেন না। তিনি হলেনই স্বর্গের রচয়িতা। তো গৃহস্থে থেকেও পবিত্র থাকা - এতেই পরিশ্রম আছে। কন্যাদের তো অবিবাহিত রেখে গৃহস্থে থাকতে দেয় না। আগে বিকারের জন্য বিবাহ করতো। এখন বিকারী বিবাহ ক্যান্সেল করে জ্ঞান চিতাতে বসে পবিত্র জোড়ী হয়ে থাকে। তো নিজেদেরকে চেক করতে হবে যে, আমাকে মায়া কখনও কোথাও পরিচালনা তো করে না? মনের মধ্যে তুফান তো আসে না? যদি মনের মধ্যে সংকল্প আসেও কিন্তু কর্মেন্দ্রিয়ের দ্বারা কখনও বিকর্ম করবে না। ভাই-বোন মনে করলে, জ্ঞান চিতার উপরে থাকলে কামাগ্নি লাগবে না। যদি কামরূপী আগুন লেগে যায়, তাহলে অধোগতি হয়ে যাবে। এমনি তে তো সমগ্র দুনিয়াতে সকলেই হল ভাই-বোন। কিন্তু যখন বাবা আসেন তখন আমরা তাঁর সন্তান হই। এখন তোমরা প্র্যাক্টিক্যালে হলে ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী, তোমাদের স্মরণীকও এখানে আছে। অধর কুমারীদের মন্দিরও আছে তাই না। যারা কাম চিতা থেকে উঠে জ্ঞান চিতাতে বসে - তাদেরকে অধর কুমারী বলা হয়। তোমরা সন্ন্যাসীদেরকেও বোঝাতে পারো। এছাড়া কোনও অবুঝের সাথে ফালতু সময় নষ্ট করবে না। পাত্র যদি জিজ্ঞাসু হয়, তাহলে সে নিজে থেকেই এসে প্রেমপূর্বক বুঝবে। কেউ কেউ আবার হাডি মজা করার জন্যও আসে, এইজন্য নাড়ি দেখে এইরকম ঔষধ দিতে হবে। বাবা বলেছেন - পাত্র বুঝে দান করো।

 

আজকাল দুনিয়া অনেক খারাপ হয়ে গেছে। সন্ন্যাসীরা তো গেরুয়া বস্ত্র পরে নেয় আর জঙ্গলে গিয়ে একা থাকে। কিছু না কিছু পেয়ে যায়। খেয়ে দেয় বেশ আনন্দেই থাকে। আজকাল তাদের খুব প্রভাব আছে তাই না। তোমাদের মধ্যেও যারা খুব ভালো সার্ভিস করে তো তাদের মহিমার সাথে সাথে অন্যদেরও মহিমা হয়ে যায়। যে বাচ্চা ভালো সেবা করে তো সবাই বলবে এর মা বাবাও এইরকমই হবেন। পরিশ্রম অবশ্যই করতে হবে। সন্ন্যাসীদের তো ঘরে বসেই বৈরাগ্য এসে যায় তো হরিদ্বার চলে যায়। সেখানে গিয়ে কোনও গুরু করে নেয়। এখানকার রীতিনীতি-ই হল আলাদা। এখানকার রীতিনীতির বিষয়ে কোথাও বর্ণনা করা নেই। গীতাকেই মিথ্যা বানিয়ে দিয়েছে। এই প্রথম কথাটি যদি উন্মোচিত হয়ে যায় তাহলে তোমরা সকল বি. কে. রা অত্যন্ত সুপরিচিত হয়ে উঠবে। সবাই তোমাদের কাছে সমর্পণ করতে ছুটে আসবে। প্রভাব তো বের হবেই তাই না। এখন তো তারা তোমাদের সাথে তর্ক বির্তক করে। প্রথমে তো ঘরের আপনজনই শত্রু হয়ে যায়। এই বাবারও অনেক শত্রু হয়ে গেছে। শ্রীকৃষ্ণের জন্যও বলে থাকে যে - ভাগিয়ে নিয়ে গেছে। কতোইনা কলঙ্কিত করেছে। এটাও ড্রামাতে পূর্ব নির্ধারিত আছে। ড্রামা অনুসারে অটোমেটিক প্রভাব বের হতে থাকবে। তারপর ভক্তরা এসে ভীড় করবে। কিন্তু তখন ভীড়ের মধ্যে সেবা করা সম্ভব হবে না। সন্ন্যাসীদের সামনে ভীড় হলে তারা খুশী হয়। এখানে তোমরা জানো যে কোটির মধ্যে একজন বেরিয়ে আসবে। সন্ন্যাসীরা এটাই চিন্তা করে যে এদের মধ্যে এমন কেউ একজন বেরিয়ে আসবে যে অনেক টাকা দেবে। আর তোমাদের মনে এই চিন্তা চলে যে এমন কেউ বেরিয়ে আসবে যে বাবার থেকে উত্তরাধিকার গ্রহণ করবে। তাহলে কতোইনা পার্থক্য আছে। তোমরা যখন ভাষণ করবে তখন যারা এই কুলেরই ছিল কিন্তু বর্তমানে অন্য ধর্মে কনভার্ট হয়ে গেছে তারা বেরিয়ে আসবে। কেউ আর্য সমাজ থেকে, কেউ অন্য কোথা থেকে বেরিয়ে আসবে। তো যখন সেই ধর্মের লোকেরা জানতে পারবে যে, এ আমাদের ধর্মের ছিল, এখন ব্রহ্মাকুমার-কুমারীদের কাছে চলে গেছে তখন তাদের লজ্জায় নাক কাটা যাবে। এক্ষেত্রে বোঝানোর জন্য অনেক যুক্তি চাই। প্রথমে তো বাবার পরিচয় দিতে হবে। অনেকে আবার লিখেও দেয়। শিববাবা পড়াচ্ছেন কিন্তু তাতে খুশী হবে না। একদমই নিশ্চয় নেই। কিছু বাচ্চা আবার পত্রও লেখে। কিন্তু বাবা লিখে দেন যে - তোমাদের মধ্যে একদমই নিশ্চয় নেই। নিশ্চিত হবে - অতি প্রিয় মিঠা বাবার থেকে উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হচ্ছে তো এক সেকেণ্ডও সময় নষ্ট করবে না। বিবেক বলে যে গরীবরা অতিশীঘ্র বাবার হয়ে যাবে। ধনবান কোনও ব্যতিক্রমীই বেরিয়ে আসবে। সাধারণ কিছু সংখ্যক বেরিয়ে আসবে। কেউ এলে তাকে বোলো এটা হল রাজযোগের পাঠশালা। যেরকম ডাক্তারী যোগ (ডাক্তারী পড়া) সেইরকমই এটা হল রাজযোগ, যার দ্বারা রাজাদেরও রাজা হতে পারবে। আমাদের এইম্ অবজেক্ট হলই মানুষ থেকে দেবতা হওয়া। আচ্ছা।

 

বাপদাদার মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি নম্বরের ক্রমে পুরুষার্থ অনুসারে স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। বাবার হৃদয়ে সেই বসবে যে পুরুষার্থ করে অন্যদেরকেও নিজের সমান বানাবে। এছাড়া বাবা সবাইকে ভালো তো বাসবেনই। আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

 

*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*

 

১ ) কর্মেন্দ্রিয় দিয়ে কোনও বিকর্ম করবে না। জ্ঞান আর যোগবলের দ্বারা মনের তুফানের থেকে বিজয় প্রাপ্ত করতে হবে।

 

২ ) এমন সেবা করতে হবে যাতে মা-বাবার নাম উজ্জ্বল হবে। সকলের আশীর্বাদ প্রাপ্ত হবে।

 

*বরদানঃ-* নিজের অনাদি স্বরূপে স্থিত থেকে সকল সমস্যার সমাধানকারী একান্তবাসী ভব

আত্মার স্বধর্ম, সুকর্ম, স্ব স্বরূপ আর স্বদেশ হল শান্ত। সঙ্গমযুগের বিশেষ শক্তি হল সাইলেন্সের শক্তি। তোমাদের অনাদি লক্ষণ হল শান্ত স্বরূপ হয়ে থাকা আর শান্তি প্রদান করা। এই সাইলেন্সের শক্তিতে বিশ্বের সকল সমস্যার সমাধান সমায়িত হয়ে আছে। শান্ত স্বরূপ আত্মা একান্তবাসী হওয়ার কারণে সদা একাগ্র থাকে আর একাগ্রতার দ্বারা পরখ করা বা নির্ণয় করার শক্তি প্রাপ্ত হয় যেটা হলো ব্যবহার বা পরমার্থ দুটোরই সকল সমস্যার সহজ সমাধান।

*স্লোগানঃ-* নিজের দৃষ্টি, বৃত্তি আর স্মৃতির শক্তির দ্বারা শান্তির অনুভব করানোই হল মহাদানী হওয়া।

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...