Tuesday, February 28, 2023

02.03.2023 BANGLA MURLI

                                     02.03.2023 BANGLA MURLI





"মিষ্টি বাচ্চারা - বাবার যখন হয়েছো তখন ফার্স্ট নম্বরে আসার পুরুষার্থ করো, মাম্মা - বাবাকে ফলো করলে, পড়াতে মনোযোগ দিলে ফার্স্ট নম্বরে এসে যাবে"

প্রশ্নঃ - মনমতে কৃত কর্মের রেজাল্ট আর শ্রীমতে কৃত কর্মের রেজাল্টের মধ্যে অন্তর কি?

*উত্তরঃ - যারা নিজের মতে কর্ম করে, তাদের ভবিষ্যতে কর্মের জন্য অনুতাপ করতে হয়, তারা দুঃখী হতে থাকে । মনমত অর্থাৎ মায়ার মতে কেউ দেউলিয়া হয়ে যায়, কেউ অসুস্থ হয়ে যায়, কারোর আবার অকাল মৃত্যুও হয়... এ সবই হলো কর্ম ভোগ। শ্রীমতে তোমরা বাচ্চারা এমন শ্রেষ্ঠ কর্ম করো, যাতে অর্ধেক কল্প কোনো কর্মের ভোগ (অনুতাপ) করতে হবে না ।

*গীতঃ- তোমাকে পেয়ে আমরা সমগ্র জগৎ পেয়ে গেছি...

ওম্ শান্তি । বাচ্চারা তোমরা এই গানের দুই লাইন শুনলে । আমরা যেহেতু অসীম জগতের বাবাকে পেয়েছি, তাই এই অসীম জগতের বাবার কাছ থেকে আমরা সমস্ত বিশ্বের বাদশাহী গ্রহণ করছি । এ তো সম্পূর্ণ সাধারণ বুদ্ধিতেই বুঝতে পারা যায় যে, ভারতে যখন দেবী - দেবতার রাজ্য ছিলো তখন অন্য কোনো ধর্ম ছিলো না । লক্ষ্মী - নারায়ণেরই ঘরানা ছিলো । যেমন এডওয়ার্ড দ্য ফার্স্ট, সেকেন্ড, এমন এমন রাজত্বের পরম্পরা চলে, তাই না । সে হলো ইউনাইটেড কিংডমে । ভারতে যখন লক্ষ্মী - নারায়ণের রাজত্ব ছিলো, তখন সম্পূর্ণ বিশ্বের উপরই তাদের রাজত্ব ছিলো । এ'কথা মানুষ ভুলে গেছে । তোমরা বাচ্চারা এখন বাবাকে পেয়ে গেছো, তাহলে যেন বিশ্বের রাজত্বই পেয়ে গেছো । বাবা নিজে বলেন - বাচ্চারা, তোমরা ভুলে গেছো । এই ভারতে যখন দেবী - দেবতার রাজত্ব ছিলো, সত্যযুগ যখন ছিলো, তখন তোমরা সম্পূর্ণ বিশ্বের মালিক ছিলে । পার্টিশন ইত্যাদি কিছুই ছিলো না । লক্ষ্মী - নারায়ণ ডবল মুকুটধারী ছিলেন । বড় বড় রাজারাও পূজা করার জন্য নিজের মহলে লক্ষ্মী - নারায়ণ বা রাম - সীতার মন্দির নির্মাণ করে । ওরাও ভারতের রাজাই ছিলেন আর এরাও ভারতেরই রাজা, কিন্তু ওরা সত্য আর ত্রেতা যুগের রাজা ছিলেন আর এরা দ্বাপর আর কলিযুগের রাজা । সত্যযুগ আর ত্রেতাতে লক্ষ্মী - নারায়ণ আর রাম - সীতার রাজত্ব ছিলো, তারপর পরে হয় বিকারী রাজাদের রাজত্ব । রাজারা বিকারী কীভাবে হন ? এই কথা শিব বাবা এনার দ্বারা বসে বোঝান । এমন গায়নও আছে যে, পূজ্য - পূজারী । তোমাদের সতোপ্রধান থেকে অবশ্যই তমোপ্রধান হতে হবে । তিনি বলেন - হে বাচ্চারা, তোমরা প্রথমে সত্যযুগে সতোগুণী মহারাজা - মহারাণী ছিলে আর সম্পূর্ণ পবিত্র ছিলে । তোমরা বাচ্চারা এখন এই কথা জানো । অবশ্যই আমরাই সেই পূজ্য ছিলাম, এখন আর নেই, আবার পুরুষার্থের দ্বারা আমরা সেই পদ অর্জন করছি । মায়া তোমাদের পূজারী বানিয়ে দিয়েছে । তোমরা এই যে শিক্ষা পাচ্ছো, তা ধারণ করতে হবে । কলেজে যে শিক্ষা পায়, তাও তো ছাত্রদের বুদ্ধিতে থাকে, তাই না । বাচ্চাদের বুদ্ধিতে থাকে যে, আমরা ভারতবাসীরাই সেই দেবতা ছিলাম, পূর্ব কল্পেই বাবা এসে আমাদের রাজযোগ শিখিয়েছিলেন । মুখ্য হলো গীতার কথা । কারো সাথে দেখা হলে, জিজ্ঞেস করো, গীতা কখনো শুনেছো বা পড়েছো ? সেখানে লেখা আছে -- ভগবানউবাচঃ । তাহলে তিনি কীভাবে শোনাবেন ? কখনো শুনেছো যে, ভগবান পড়ান? একমাত্র গীতাতেই ভগবানুবাচ রয়েছে । বাচ্চারা, তোমরা জানো যে, ভগবান রাজযোগ শিখিয়েছিলেন, আর বলেছিলেন, আমি তোমাদের রাজার রাজা বানাবো । ওরা আবার শ্রীকৃষ্ণের নাম দিয়ে দিয়েছে । এখন শ্রীকৃষ্ণ তো ছিলেন সত্যযুগের প্রিন্স । শ্রীকৃষ্ণ এই পদ পেয়েছিলেন বাবার কাছ থেকে । শ্রীকৃষ্ণ কেবল একা পান নি । লক্ষ্মী - নারায়ণের রাজধানী ছিলো, যা আবার নতুন করে স্থাপন হচ্ছে । বাচ্চারা, তাই তোমাদের বুদ্ধিতে এই কথা আসা উচিত । পাঁচ হাজার বছর পূর্বেও ভগবান এই পড়াই পড়িয়েছিলেন । ভগবান হলেন নলেজফুল, ব্লিসফুল । শ্রীকৃষ্ণকে নলেজফুল, ব্লিসফুল এইসব টাইটেল দেওয়া হবে না । বাবা সম্পূর্ণ সৃষ্টিতে তত্ব সহিত সবকিছুর উপর ব্লিস করেন । এ তো পরমপিতা পরমাত্মা ছাড়া আর কেউই করতে পারেন না । ব্লিস অর্থাৎ দয়া । এখানে তো দেখো তত্ব ইত্যাদি সব তমোপ্রধান । অতি বৃষ্টি হলে সব ক্ষতি করে দেয় । তুফান হতে থাকে । এসব অনিয়ম হলো, তাই না । সত্যযুগে কোনো অনিয়ম ইত্যাদি হয় না, যাতে ক্ষতি হয়ে যাবে । ফসলও সময়মতো তৈরী হবে । সময়মতো জল পাওয়া যাবে । ওখানে কোনো উপদ্রব হয় না । এখানে হলো মায়ার উপদ্রব, যা তোমাদের দুঃখী করে । মায়ার অর্থও মানুষ জানে না । তোমরা এখন বুঝতে পারো যে, বাবাকেই বলা হয় পরমপিতা পরমাত্মা অর্থাৎ পরম আত্মা । এমন সঠিকভাবেই বলা উচিত ।


বাবা বলেন, আমি তোমাদের এমন কর্ম শেখাই যে, তোমাদের কর্মের জন্য অনুতাপকরতে হবে না । মনমতে চললে প্রত্যেক মানুষই কর্মের ভোগ অর্থাৎ অনুতাপ করে, তাই না । জ্বর, কাশি, এ সবও কর্মের ভোগ । দেউলিয়া হয়ে যাওয়া, এও কর্মের ভোগ । বাবা তোমাদের শ্রেষ্ঠ কর্ম শেখান । যে যতটা শিখবে, স্বর্গে ততটাই উঁচু পদ প্রাপ্ত করবে । নাটকে যেমন কারোর স্পেশাল রিজার্ভ সীট থাকে । তারপর ক্রমানুসারে সেকেন্ড ক্লাস, থার্ড ক্লাস হয় । বড় - বড় মানুষ সামনের আসনে বসে । তো পড়াশোনাতেও নম্বরের ক্রমানুসার হয় । বাবা বলেন, আমি তোমাদের মালিক বানাতে এসেছি, যে যেমন পড়বে, সেইভাবে । এই পড়া খুবই সাধারণ । যিনি পড়ান, তিনি নিরাকার । তাঁর নাম ব্যাস (দেব) বা শ্রীকৃষ্ণ ইত্যাদি নয় । তাঁদের সকলের তো চিত্র আছে । ব্রহ্মারও চিত্র আছে, শ্রীকৃষ্ণেরও চিত্র আছে । স্থূল বা সূক্ষ্ম চিত্র যাদের আছে তাদের ভগবান বলা যায় না । ভগবান হলেন একজনই, যাঁকে শিব বলা হয় । যত মন্দিরই থাকুক না কেন, কিন্তু নাম প্রকৃতপক্ষে একটাই, তার কখনোই পরিবর্তন হতে পারে না । তিনি হলেন নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা । একথা কে বলেছে ? নিরাকার আত্মা বলে যে, পরমপিতা পরম আত্মা পরমধামে থাকেন । আমরা আত্মারা তাঁর সন্তান । আমরাও ওখান থেকে পার্ট প্লে করতে এসেছি । এখন এক একজন অ্যাক্টরের বায়োগ্রাফি তো আর বলবেন না । মুখ্য অভিনেতাদেরই বলা হয় । এখানেও বড় বড় ব্যক্তিদের বায়োগ্রাফি বলা হয়ে থাকে, তাই না । এখন এই সম্পূর্ণ অসীম জগতের সৃষ্টিতে উঁচুর থেকেও উঁচু মনুষ্য কে? ড্রামাতে সবথেকে বড় পার্ট কার? এও বোঝা উচিত । আমাদের মতো অভিনেতাদের বাবা বসে বুঝিয়ে বলেন । ক্রিয়েটর, ডায়রেক্টর হলেন বাবাই । শিববাবা ব্রহ্মাকে নির্দেশ দেন যে তোমাকে দেবী - দেবতা ধর্মের স্থাপনা করতে হবে । স্থাপনা করে তারপর তোমাকে গিয়ে পালন করতে হবে । আমি করবো না । তোমাদের শেখান, নির্দেশ দেন, তাই না । তিনি তো করনকরাবনহার, তাই না । নিজে করেনও । নলেজ শোনান আর তোমাদের দিয়ে করানও, তাই না । তোমরা শ্রীমৎ পাও যে, এই করো । ড্রামা অনুসারে ব্রহ্মা এই স্থাপনা করে তারপর রাজত্ব করবেন । ব্রাহ্মণ, ব্রাহ্মণীরাও রাজত্ব করবে ।


বাবা তাই বোঝান, আমি হলাম নিরাকার, একজনই, আর সবাই সাকারী । এখন সেই নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা আত্মাদের মত প্রদান করছেন । আত্মা এই কানের দ্বারা শোনে আর মুখের দ্বারা বলে । তাই সবথেকে মুখ্য হলেন পরমপিতা পরমাত্মা, তারপর ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্কর সূক্ষ্মবতনবাসী, তারপর সঙ্গমযুগে হলেন জগদম্বা সরস্বতী আর জগৎপিতা ব্রহ্মা । এরা তো বড়র থেকেও বড় হলেন, তাই না । এদের দ্বারাই রচনা হয় । তোমরা সবাই মিলে ভারতকে স্বর্গ বানাও, বাবার সাহায্যে তোমরা মনুষ্যকে দেবতা বানাও । সত্যযুগে থাকে দৈবী সম্প্রদায় । বাবা বলেন যে, আমি তোমাদের এমন কর্ম শেখাই, যে কর্ম তোমাদের কখনো দুঃখ দেবে না । এখন সবকিছুই তোমাদের পুরুষার্থের উপর নির্ভর করছে, সে বাবার হয়ে এক নম্বর টিকিট নিয়ে সূর্যবংশীই হও অথবা চন্দ্রবংশীই হও । এ তো তোমরা জানোই যে, তোমাদের মা - বাবা সবথেকে বেশী পুরুষার্থ করেন । তারা সার্ভিসও করেন । তারা তো মহারাণী - মহারাজা হবেন । তোমরা তাদের অনুসরণ করবে, না হলে ফেল করে যাবে । জগদম্বার কতো নাম । সরস্বতী হলেন ব্রহ্মার পুত্রী । তাই দুইয়েরই মন্দির পৃথক - পৃথক করা হয়েছে । আজমীরে ব্রহ্মার বড় মন্দির আছে । তিনি হলেন জগৎ পিতা । আর ইনি জগৎ মাতা । জগতের রচয়িতা ।


মুখ্য ধর্ম হলো চার, এরপর অনেক ছোটো - ছোটো মঠ ইত্যাদি তৈরী হতে থাকে । তারাও নিজেদের মধ্যে লড়াই - ঝগড়া করতে থাকে, কেননা অনেক পার্টিশন (ভাগাভাগি) হয়ে যায় । যেখানে সেখানে ঝগড়া লেগেই থাকে । সত্যযুগে তো আর এমন হয় না । বাবা তাই বোঝান - মিষ্টি অতি প্রিয় বাচ্চারা, তোমাদের এই ড্রামাকে বুঝতে হবে । তোমরা এ তো জানো যে, আমরা আত্মারা পরমধাম থেকে আসি, গর্ভে দেহ ধারণ করে আমরা পার্ট প্লে করি । এখন এই পার্ট আমাদের সম্পূর্ণ হয়ে এসেছে, এরপর এই শরীর ত্যাগ করে আমাদের অশরীরী হয়ে যেতে হবে । বাবা এসেছেন, শিব জয়ন্তীও আছে । অবশ্যই তাহলে শিববাবা এসে অবতার ধারণ করেছিলেন । তাঁর জয়ন্তী কবে, কীভাবে হয়েছিলো, শিব বাবা কীভাবে, কার মধ্যে এসেছিলেন, এসে কি করেছিলেন - এ'কথা কেউই জানে না । অবশ্যই তিনি ভারতকে স্বর্গ বানিয়েছিলেন । বাবা না এলে বাচ্চাদের কে শেখাবে ! আর সকলের মত হলো কলিযুগী আসুরী মত । সেই মতে শ্রেষ্ঠ হতে পারবে না । এখন আমি তোমাদের সুমত দান করছি । তোমরা আর কারোর মতে চলো না । আমি শ্রেষ্ঠের থেকেও শ্রেষ্ঠ, তাহলে অবশ্যই তোমাদের উচ্চ বানাবো । তাই ওই শ্রীমৎ অনুসরণ করা উচিত, আর কারোর মত গ্রহণ করলে ধোকা খেয়ে যাবে ।তোমরা যদি প্রতি পদে শ্রীমৎ গ্রহণ করো তাহলে লক্ষ্মী - নারায়ণের মতো তৈরী হবে ।তাঁদের মহিমাই হলো -- ত্বমেব মাতাশ্চ পিতা ত্বমেব । আমি বাবা, টিচার এবং সৎগুরুর রূপে তোমাদের মত দান করি, যার দ্বারা তোমরা এমন লক্ষ্মী - নারায়ণ তুল্য হও । এই জ্ঞান তোমাদের মধ্যে থাকলেই তোমরা বোঝাতে পারো । নম্বরের ক্রমানুসার তো থাকেই । তোমরা জানো যে, মাম্মা খুবই রিফ্রেশ করে দিতেন । বাবাও রিফ্রেশ করেন । তাই বাচ্চারা, তোমাদেরও এমন অনুসরণ করতে হবে । বাবা, আমরা তোমার কাছ থেকে শুনে অন্যদেরও শোনাবো । এ খুবই সহজ । বলো - ভগবান উবাচঃ লেখা আছে । ভগবান তো হলেন নিরাকার । তোমরা জানো যে, ড্রামাতে এই বেদ শাস্ত্র ইত্যাদি সবই পূর্ব হতেই তৈরী হয়ে আছে । শাস্ত্রতে যা কিছুই আছে, তা যেমন আছে, আবার তেমনই তৈরী হবে । এ কতো গুহ্য কথা । বাবা গুহ্যর থেকেও গুহ্য কথা শোনাতে থাকেন, যাতে বাচ্চারা তা বুঝে আবার অন্যদেরও বোঝাতে পারে । ব্যাস তো লিখেছেন এমন মানুষ হবেন, তাই না । ভগবান কাকে বলা হয় । তিনি তো সকলের বাবা । শ্রীকৃষ্ণ কিন্তু নন । শ্রীকৃষ্ণের হিস্ট্রি - জিওগ্রাফিকেও তোমরা বাচ্চারা জানো । ভগবান তো সৃষ্টির রচয়িতা । রাজযোগ তো ভগবান শিখিয়েছেন, নাকি শ্রীকৃষ্ণ ? তোমাদের এই নেশা থাকা উচিত যে, আমরা এই রাজযোগ শিখে ভবিষ্যতের প্রিন্স - প্রিন্সেস হবো । যারা ব্যারিস্টারী পড়ে, তাদেরও নেশা থাকে । তারা মনে করে, পরীক্ষায় পাস করে চেয়ারে বসে ব্যারিস্টার হবো । তোমরা জানো যে, মৃত্যু তো সকলেরই হবে । বাবা এখন বলছেন, মৃত্যুর পূর্বে পুরুষার্থ করো । এই সময় তোমাদের প্রীতি কেবল আমার সঙ্গে । কৌরবদের বিপরীত বুদ্ধি ছিলো আর পাণ্ডবদের ছিলো প্রীত বুদ্ধি । তাই প্রীত বুদ্ধির যারা তাদের স্থাপনা আর বিপরীত বুদ্ধি যাদের, তাদের বিনাশ হয়েছিলো । এ হলো ঈশ্বরীয় পড়া । প্রথমে তো এই নিশ্চয়তা চাই যে, বাবা আমাদের রাজার রাজা বানানোর জন্য এই পড়া পড়াচ্ছেন । আমি পাঁচ হাজার বছর পরে তোমাদের পড়াতে আসি । এই ড্রামাতে কোনো পরিবর্তন হতে পারে না ।


তোমরা জানো যে, এক বাবাই সত্য বলেন । বাকি যারা ঈশ্বরের জন্য পথ বলে দেয়, আর তার রচনার জন্য যা বলে, সে সবই হলো মিথ্যা । মানুষ বুঝতেও পারে কিন্তু এখনো পর্যন্ত এর প্রভাব আসার সময় হয় নি তাই দেরী হবে । ট্রেন তো নিজের সময় মতো পৌঁছাবে, তাই না । ৮ টার পরিবর্তে ২ টোর সময় তো আর পৌঁছাবে না । আমরা এই পুরুষার্থ করতে করতে বুঝতে পারি যে, এখন শীঘ্র স্বর্গে চলে যাবো, কিন্তু বাবা স্টেশন মাস্টার বলেন যে, ফ্ল্যাগ ডাউন বা সিগন্যাল নেই, এখনো দেরী আছে । রাজত্ব যখন স্থাপন হবে, তখনই তো যাবে, তাই না । অনেক বাচ্চারা বলে - বাবা, এখানে থেকে আমরা বিরক্ত হয়ে গেছি । বাবা বলেন যে, এ তো তোমাদের এক নম্বর জন্ম, এই জন্মে তোমাদের বিরক্ত হলে চলবে না । বন্দে মাতরম্ এমন গায়ন আছে । তোমাদেরকে যোগবলের দ্বারা সম্পূর্ণ বিশ্বকে পবিত্র বানাতে হবে । আচ্ছা !


মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি আত্মা রূপী বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা তাঁর আত্নারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।


*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*


১ ) এই বিনাশ কালে এক বাবার প্রতি সত্যিকারের প্রীতি রাখতে হবে । সদা এই নেশাতে থাকতে হবে যে, আমরা রাজযোগ শিখে ভবিষ্যতে প্রিন্স - প্রিন্সেস হবো ।


২ ) যোগবলের দ্বারা সমগ্র বিশ্বকে পবিত্র বানানোর সেবা করতে হবে । এই নম্বর ওয়ান জন্মে কখনোই বিরক্ত হবে না ।


*বরদানঃ-* স্নেহ আর পবিত্র ভাবনার বন্ধনে ভগবানকে বেঁধে গায়ন যোগ্য ভব

ভক্তিমার্গে গায়ন আছে যে, গোপিনীরা ভগবানকেও বন্ধনে বেঁধে ফেলেছিলেন । এ হলো স্নেহ এবং পবিত্র ভাবনার বন্ধন, যা চরিত্র রূপে গাওয়া হয় । তোমরা বাচ্চারা এই সময় অসীম জগতের কল্প বৃক্ষে স্নেহ এবং পবিত্র ভাবনার রশ্মির দ্বারা বাবাকেও বেঁধে ফেলো, এর গায়নই ভক্তি মার্গে চলতে থাকে । বাবা এর পরিবর্তে স্নেহ এবং ভাবনা এই দুইয়ের রশিকে হৃদয় সিংহাসনের আসনে দোলা বানিয়ে বাচ্চাদের দিয়ে দেন, এই দোলাতে সদা দুলতে থাকো ।

*স্লোগানঃ-* নিজেকে যে কোনো পরিস্থিতিতে মোল্ড করতে পারাই হলো প্রকৃত গোল্ড হওয়া।


01.03.2023 BANGLA MURLI

                                                       01.03.2023 BANGLA MURLI



"মিষ্টি বাচ্চারা - অনন্ত এই ড্রামার আদি মধ্য এবং অন্তকে বুঝতে হবে, যা অতীত হয়ে গিয়েছিল তাই আবার বর্তমান হতে চলেছে, এখন সঙ্গম যুগ হলো প্রেজেন্ট, পুনরায় সত্যযুগ আসবে"

প্রশ্নঃ - শ্রীমৎ অনুযায়ী, কোন্ বিধি পালন করলে নিজেকে পারফেক্ট (উপযুক্ত) করে তোলা যায়?

উত্তরঃ -    নিজেকে পারফেক্ট করে তোলার জন্য বিচার সাগর মন্থন করো । নিজের সাথে নিজে কথা বলো। বাবা! তুমি কত মিষ্টি মধুর, আমরাও তোমার মতই মধুর হবো। আমরাও তোমার মতনই মাস্টার জ্ঞানসাগর হয়ে সকলকে জ্ঞান প্রদান করবো। কাউকে অখুশি করবো না। শান্তি আমাদের স্বধর্ম, আমরা সর্বদা শান্ত থাকবো। আমরা অশরীরী হওয়ার অভ্যাস করবো - এমনিভাবে নিজের সাথে কথা বলে নিজেকে পারফেক্ট করে তুলতে হবে।

গীতঃ- ওগো মা, আমার জীবনদায়িনী মা...

ওম্ শান্তি । শিব ভগবানুবাচ। ভগবানুবাচ - শুধুমাত্র এই কথা বললে মানুষ কিছুই বুঝতে পারে না। যিনি বলছেন তাঁর নাম অবশ্যই নিতে হয়। যারা গীতা পাঠ করে শোনান, তারা বলেন যে কৃষ্ণ ভগবানুবাচ। কিন্তু তিনি তো অতীত কালে ছিলেন। মানুষ ভাবে যে শ্রীকৃষ্ণ এসে গীতা শুনিয়েছিলেন এবং রাজযোগ শিখিয়েছিলেন। যা অতীতে ঘটে গেছে তা পুনরায় অবশ্যই হবে, যা এখন বর্তমান তাও একসময় অতীত হয়ে যাবে। যা ঘটে গেছে তাকে বলা হয় অতীত। এখন শিববাবা এসেছেন অর্থাৎ অতীতে নিশ্চয়ই তিনি একসময় এসেছিলেন। শিব ভগবানুবাচ - যিনি সকলের ওপরে তিনিই সকলের পিতা, যাকে সর্বশক্তিমান বলা হয়, তিনি এসে একথা বুঝিয়ে দেন। বাচ্চারা, তোমরা হলে তাঁরই সন্তান - শিবশক্তি। তোমরা শিবশক্তির মহিমা গান শুনেছো। শিবশক্তি জগদম্বা - যিনি একসময় অতীতে এখানেই ছিলেন, তার স্মরণিক রয়েছে । একসময় তারা এখানেই ছিলেন সুতরাং অবশ্যই আবার এখানেই আসবেন । ঠিক যেমনভাবে সত্যযুগ অতীতে ছিল, এখন কলিযুগ চলছে, পুনরায় সত্যযুগ আবার আসতে চলেছে। এখন পুরাতন দুনিয়া আর নতুন দুনিয়ার সঙ্গমযুগ চলছে। অবশ্যই এই জগৎ যা একসময় নতুন ছিল তা অতীত হয়ে গেছে, তাই এখন এ হলো পুরাতন জগৎ। যে সত্যযুগ এখন অতীত, তা ভবিষ্যতে পুনরায় আসবে। এই বিষয়টি খুব ভালোভাবে বুঝে নিতে হবে। জ্ঞান, অত্যন্ত ভালোভাবে বোঝার বিষয়। আগে ছিল ভক্তি, এখন এ হলো জ্ঞান। সৃষ্টিচক্র কিভাবে আবর্তিত হতে থাকে, তা বুঝতে হবে। সেসব না বুঝলে, মানুষ অন্য কোনো কিছুই বুঝতে পারবে না। ড্রামার আদি মধ্য এবং অন্তকে ভালো করে বুঝতে হবে। সীমাবদ্ধ জগতের ড্রামার আদি মধ্যকে তো তোমরা জানো। কিন্তু এ হলো অনন্তের ড্রামা - সাধারণ মানুষ এটা বুঝতে পারে না। বাবা, যিনি এই অনন্তের মালিক, তিনি নিজে এসে আমাদের বুঝিয়ে দেন। শিব ভগবানুবাচ, শ্রীকৃষ্ণ ভগবানুবাচ নয়। কৃষ্ণকে শ্রী বলা হয়, কারণ তাকে শিববাবাই শ্রেষ্ঠ বানিয়েছেন। বেচারা ভারতবাসীরা জানেনা যে, কৃষ্ণই পরবর্তীকালে নারায়ণ হন। এখন আমরা বলি যে - ওরা বেচারা অবুঝ, সকলেই গরিব দুঃখী এবং পতিত। এক সময় আমরাও ওইরকমই ছিলাম কিন্তু এখন আমরা পবিত্র হয়ে উঠছি। এখন আমরা পতিত-পাবন বাবাকে পেয়েছি। কৃষ্ণকে পতিত পাবন বলা হয় না। নতুন পবিত্র দুনিয়ার রচয়িতা হলেন একমাত্র বাবা - যাঁকে পরমপিতা পরমাত্মা সর্বশক্তিমান বলা হয়ে থাকে। তিনিই পতিত দুনিয়াকে পবিত্র করে তুলছেন, পতিত সৃষ্টিকে পবিত্র করে তুলছেন। এখন সমগ্র সৃষ্টি পতিত হয়ে গেছে, রাবণ এই সৃষ্টিকে পতিত করে দিয়েছে। একমাত্র ঈশ্বরই হলেন পতিত পাবন। মানুষ কোনো অবস্থাতেই কাউকে পতিত থেকে পবিত্র করে তুলতে পারে না। আর এ তো সমগ্র দুনিয়াকে পবিত্র করার কথা হচ্ছে। যদি মনে করা হয় যে ১-২ কোটি সন্ন্যাসীরা সকলেই পবিত্র, তবুও বাকি ৫০০-৬০০ কোটি পতিত তো দুনিয়াতে রয়েছে। সেই কারণেই এই দুনিয়াকে পতিত দুনিয়া বলা হয় । বাস্তবে শিব ভগবানুবাচ - পতিত দুনিয়াতে একজন পবিত্রও থাকতে পারে না। বাবা বলেন - বাচ্চারা, তোমাদেরকে পবিত্র করে তোলার জন্য, আমি সমগ্র সৃষ্টিকে পবিত্র করে তুলি। পতিত-পাবন কথার অর্থই হলো সমগ্র বিশ্বকে যিনি পবিত্র করে তোলেন। শিব বাবা, নিজেই বলেন যে - আমি পতিত থেকে পবিত্র করে তুলছি। তোমাদেরকেই এই পবিত্র দুনিয়ার মালিক হতে হবে। নতুন দুনিয়াতে হবে এক আদি সনাতন দেবী দেবতা ধর্ম। কিন্তু এ'কথাও কেউ জানে না। আর শিববাবাকেও কেউ জানে না। তোমরা সকলকে এ কথা জিজ্ঞাসা করো যে - তারা যে নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা শিবজয়ন্তী পালন করছে, তিনি কখন এসেছেন? যিনি নিরাকার তিনি কীভাবে আসতে পারেন? যিনি নিরাকার তাঁকে অবশ্যই দেহ ধারণ করে আসতে হবে তবেই তো তিনি কোনো কর্ম করতে পারবেন। শরীর ব্যতীত আত্মা কি করে কর্ম করবে? পরমাত্মা এসে অবশ্যই অনেক উচ্চস্তরের কর্ম করবেন। সমগ্র বিশ্বকে পবিত্র করে তোলা, তা শুধুমাত্র একজনেরই হাতে আছে। মানুষ তো দুঃখী হয়েই রয়েছে। ভক্তরা যখন ভগবানকে আহ্বান করে তাহলে অতি অবশ্যই ভগবান এক হওয়া উচিত। পৃথিবীতে ভক্তের সংখ্যা অনেক। শিব ভগবানুবাচ - আমি শিব ভগবান এসে বাচ্চারা তোমাদেরকে রাজযোগ এবং সৃষ্টি চক্রের জ্ঞান বুঝিয়ে দিই অর্থাৎ এখন আত্মারা তোমাদের মধ্যে সৃষ্টি চক্রের জ্ঞান রয়েছে। ঠিক যেমনভাবে আমি তোমাদের পিতা, আমার মধ্যে এই সৃষ্টি চক্রের সম্পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে, তাই আমি এসেছি তোমাদেরকে তা শিখিয়ে দিতে। সৃষ্টি চক্র তো অবশ্যই আবর্তিত হতে হবে। পতিত থেকে পবিত্র হয়ে উঠতে হবে। এই কাজে কেউ তো নিমিত্ত হবে, তাই না। ৫ বিকাররূপী কয়েদখানা থেকে মুক্ত করতে আমি আসি। আমি শিব, এখন এই দেহে অবস্থান করছি। তোমরা বলো যে - আমি আত্মা, এই শরীরে এখন বসে আছি, আমার শরীরের নাম অমুক। শিববাবা বলেন - আমার নিরাকারী শরীর তো নেই। আমি পরমপিতা, আমার নামই হলো শিব। আমি পরমপিতা পরমাত্মা, একটা স্টারের মতো। আমার একটিই নাম - শিব। তোমরাই হলে শালগ্রাম । কিন্তু ৮৪ জন্মে তোমাদের নাম পাল্টাতে থাকে। আমার তো কেবলমাত্র একটিই নাম, আমি কখনো পুনর্জন্ম গ্রহণ করি না। গীতাতে যার নাম বলা হয়েছে তিনি তো পুরোপুরি ৮৪ টি জন্ম গ্রহণ করেন। শ্রীকৃষ্ণ যে গীতা শুনিয়েছেন - এ কথা সঠিক নয়। এ'কথা খুব ভালোভাবে বোঝার বিষয়। মানুষের হাতে কিছুই নেই, যা কিছু করেন তা পরমপিতা পরমাত্মাই করেন। মানুষকে সুখ শান্তি প্রদান করা - এটাই বাবার কাজ। সর্বদা এক বাবারই মহিমা করতে হবে, কারণ আর কারোরই মহিমা নেই। লক্ষ্মীনারায়ণের ও মহিমা নেই। কিন্তু যেহেতু তাঁরা এখানে রাজত্ব করে গেছেন, তাই মানুষ ভাবে যে তাঁরা স্বর্গের মালিক ছিলেন। আশ্চর্য এটাই যে সে'গুলো হলো জড় চিত্র আর তোমরা এখানে চৈতন্য স্বরূপে বসে আছো। শিব ভগবানুবাচ - তোমরা রাজার রাজা হয়ে পূজনীয় হয়ে ওঠো, পরে আবার তোমরা পূজারীতে পরিণত হবে। পূজনীয় লক্ষ্মীনারায়ণ পরবর্তীকালে নিজেরাই পূজারীতে পরিণত হবে। যারা একসময় অতীতে ছিলেন, এখন তাঁদের মন্দির নির্মাণ করে পুজা করা হয়। এ'কথা প্রমাণিত করে বলতে হবে । এমন নয় যে ঈশ্বর নিজেই পূজনীয় থেকে আবার নিজেরাই পূজারী হয়ে যায় - না, তা নয় । মানুষ তো এটাও জানে না যে, আমি অর্থাৎ পরমাত্মা কোথায় নিবাস করি। আমার যে বাচ্চারা শালগ্রাম, তারাও এটা জানে না যে আমি কোথাকার বাসিন্দা। পরমাত্মা এবং সকল আত্মাদের একটি ঘর আর তা হল সুইট হোম, কিন্তু তাকে কেবল সুইট ফাদার'স হোম বলা হয় না। এখন তোমরা জানো যে নির্বাণধাম হলো আমাদেরও ঘর, ওখানে আমাদের পিতা থাকেন। শুধু ঘরকে স্মরণ করলে তাহলে ব্রহ্মতত্ত্বের সাথে যোগযুক্ত হয়ে যাবে, এর ফলে কোনো প্রকারের বিকর্ম বিনাশ হবে না। যদি কেউ ব্রহ্মযোগী, তত্ত্বযোগীও থাকে কিন্তু তাদের বিকর্ম বিনাশ হওয়া সম্ভব নয়। তবে হ্যাঁ মনের শুদ্ধ ভাবের দ্বারা স্বল্পকালের সুখ অবশ্য প্রাপ্ত হয়। যত স্মরণ করবে তত শান্তি পাবে। এখন বাবা বলেন যে, ওদের এই যোগ পদ্ধতি ভুল। তোমাদেরকে স্মরণ করতে হবে শুধুমাত্র এক বাবাকে। বাবা বলেন যে - আমাকে স্মরণ করলে তবেই তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। শ্রীকৃষ্ণ তা বলতে পারেন না, তিনি তো বৈকুন্ঠের মালিক। তিনি কখনোই বলবেন না যে - অশরীরী হয়ে শিববাবাকে স্মরণ করো অথবা আমাকে স্মরণ করো। সব কিছুই নির্ভর করছে গীতা গ্রন্থকে কারেক্ট করার ওপরে। গীতা খন্ডিত হয়ে যাওয়ার জন্যই ভগবানের অস্তিত্ব বিলুপ্ত হয়ে গেছে। সেই কারণেই বলে দিয়েছে যে ঈশ্বরের কোন নাম রূপ নেই। নাম, রূপ, কাল - এ সকল তো আত্মারও থাকে। আত্মার নাম তো আত্মাই আর তিনি তো পরম পিতা পরমাত্মা। পরম অর্থাৎ সুপ্রিম, সর্বোচ্চ। তিনি জন্ম-মৃত্যু রহিত, অবতার ধারণ করেন। ড্রামাতে যার পার্ট রয়েছে তাঁর দেহে প্রবেশ করেন আর তাঁর নামকরণ করেন - ব্রহ্মা। ব্রহ্মা - এই নাম কখনোই পরিবর্তিত হয় না। ব্রহ্মার দ্বারাই স্থাপনার কার্য তিনি করে থাকেন। সুতরাং তিনি শ্রীকৃষ্ণের দেহে কখনোই আসবেন না। যদি তিনি অন্য দেহে আসেন তাহলে তার নাম ব্রহ্মা রাখতে হবে। মানুষ জিজ্ঞাসা করে যে - অন্য কারোর দেহে কেন তিনি আসেন না? আরে তিনি আর কার দেহে আসবেন? তিনি তো আসেনই এখানে জ্ঞান প্রদান করার জন্য। যত দিন যাবে ক্রমে মানুষ এ'কথা বুঝতে পারবে। তোমাদের সংখ্যা ক্রমশ বাড়তেই থাকবে। তবে তোমাদের স্থিতি অত্যন্ত উচ্চ স্টেজের হওয়ার প্রয়োজন। ঠিক যেমন ভাবে ড্রামার অভিনেতা অভিনেত্রীদের সর্বদাই এটা মনে থাকে যে, আমরা নিজেদের বাড়ি থেকে এসেছি এই স্টেজের ওপরে পার্ট প্লে করার জন্য। ঠিক তেমনভাবেই আমরা আত্মারা এই শরীররূপী বস্ত্র পরিধান করে নিজের নিজের পার্ট প্লে করে চলেছি। শেষে পুনরায় ফিরে যেতে হবে, এই শরীর এখানেই ছেড়ে যেতে হবে। এই কথায় তোমাদের অপার খুশি হওয়া উচিত, ভয় পাওয়া উচিত নয়। তোমরা অনেক উপার্জন করছো। যখন শরীর ত্যাগ করার সময় আসে তখন তারা প্রত্যেকেই বুঝতে পারে যে তারা কতটা উপার্জন করতে পেরেছে। তোমরা বুঝতে পারো যে যারা শরীর ত্যাগ করে চলে গেছে তাদের অনেক উচ্চ স্থিতি ছিল, অনেক সেবা করে তারা এখন হয়তো অন্য দেহ ধারণ করেছে। তারা আগেই চলে গেছে, তাদের শুধুমাত্র ততটুকুই ভূমিকা এখানে ছিল। তবুও কিছু না কিছু জ্ঞান নেওয়ার জন্য হয়তো তাঁরা এসেছেন - তাও হতে পারে। বাবার উত্তরাধিকারী তো হয়েই গেছে। কারো সাথে হিসাব-নিকাশ মেটানোর ছিল, তা মেটাতে গেছে। আত্মার মধ্যে জ্ঞানের সংস্কার তো রয়েছে, সংস্কার আত্মাতেই থাকে, তা কখনো লুপ্ত হতে পারে না। হয়তো কোনো ভালো জায়গায় সেবা করছে। নলেজের সংস্কার নিয়ে থাকলে কিছু না কিছু সেবা অবশ্যই করবে। এমন নয় যে সকলেই এইভাবে যেতে থাকবে, না। তবে হ্যাঁ, যোগযুক্ত হয়ে থাকলে অবশ্যই আয়ু বৃদ্ধি হয়। তাদের ব্যবহারও অত্যন্ত ভালো হওয়া উচিত। তারা বলে যে - বাবা তুমি কত মিষ্টি মধুর, আমরাও তোমারই মত মধুর হবো । আমরাও জ্ঞানের সাগর হয়ে উঠবো। বাবা বলেন - নিজেকে দেখো যে, আমি মাস্টার জ্ঞান সাগর হতে পেরেছি কি? মাতা পিতার মতো অন্যদেরকে জ্ঞান প্রদান করি কি? আমাদের ওপরে কেউ অখুশি নয় তো? শান্তিকে ধারণ করেছো কি ? আমাদের সধর্মই তো হলো শান্তি। নিজেকে দেখো যে - আমার মধ্যে কোনো বিকার অবশিষ্ট নেই তো? যদি কোনো রকমের বিকার থেকে থাকে তাহলে পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারবে না। এইভাবে নিজের সাথে কথা বলতে হবে। এ হল শ্রীমতের সাহায্যে, বিচার সাগর মন্থন করে নিজেকে পারফেক্ট করে তোলা। বাকি সকলেই আসুরিক মতের পথে চলে আন-পারফেক্ট (un-perfect) হয়ে যায়। আমরাও কতটা অনুপযুক্ত (un-perfect) ছিলাম, কোনো গুণই ছিল না। গায়ন রয়েছে যে আমি নির্গুণ, আমার মধ্যে কোনো গুণ নেই। গানের কথাগুলি খুব ভালো । একমাত্র মহিমা সেই পরম পিতা পরমাত্মার রয়েছে। গুরু নানকও তাঁর মহিমা কীর্তন করতেন। অতএব মানুষকেও তা বোঝাতে হবে।

 

বাচ্চারা এটাও জানে যে - পূর্বকল্পে যাদের মধ্যে এই জ্ঞানের স্যাপলিং (চারা রোপণ) হয়েছিল তারাই পুনরায় আসবে এবং এই জ্ঞানকে ধারণ করবে। তা না হলে তারা এখানে আসবে আবার বুঝতে না পেরে চলেও যাবে। এখন তোমরা জানো যে, আমাদেরকে নলেজফুল বাবা এসে যে নলেজ দিয়েছেন তা আর কারোর মধ্যে নেই। আমরা সকলে গুপ্ত ভাবে ছদ্মবেশ ধারণ করে রয়েছি। পুনরায় আমরা ভবিষ্যতে স্বর্গের মালিক হবো। কর্ম তো সকলেই করছে কিন্তু এখন মানুষের সকল কর্মই বিকর্ম । কারণ তারা সেই কর্ম রাবণের মত অনুযায়ী করে। আমরা কর্ম করি শ্রীমৎ অনুযায়ী। শ্রীমৎ দাতা হলেন বাবা।

 

বাবা বুঝিয়েছেন যে, তোমরা হলে স্যালভেশন আর্মি (উদ্ধারকারী সেনা) । স্যালভেশন আর্মি তাদেরকে বলা হয় যারা কারোর ডুবন্ত নৌকোকে পাড়ে নিয়ে আসে, দুঃখীকে সুখী করে। এখন তোমরা শ্রীমৎ অনুযায়ী চলে সকলের তরী পার করছো। সকল কৃতিত্ব তো একমাত্র শিব বাবারই । আমরা তো মূর্খ ছিলাম । বাবার মত পেয়ে আমরা অন্য সকলকে এই মত প্রদান করি। বাবা সম্মুখে এসে এই শ্রীমৎ দেন । রাবণ কোনো ব্যক্তি অথবা বস্তু নয় যে আসবে। মায়া আমাদেরকে বিকারের মধ্যে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে আসে। যেমন ভাবে স্কুলে টিচার (ছাত্র-ছাত্রীদের) পড়ান, ঠিক তেমনভাবেই এখন এখানে বাবা আমাদের শ্রীমৎ প্রদান করেন। রাবণ কোনো ব্যক্তি নয় যে সে আমাদেরকে উল্টো কিছু পড়াবে। বাবা হলেন জ্ঞানের সাগর। রাবণকে জ্ঞানের সাগর অথবা নলেজফুল কখনোই বলা যায় না। তোমরা এখন শ্রীমৎ এর পথে চলছো। তোমরা ব্রাহ্মণ হয়ে এই যজ্ঞের সেবা করছো, তোমাদেরকে এখন রাজযোগ আর জ্ঞান শেখাতে হবে। লৌকিকে যখন কোনো যাগযজ্ঞের অনুষ্ঠান হয় তখন তার সাথে শাস্ত্র ইত্যাদিও রাখা হয়। রুদ্রযজ্ঞের অনুষ্ঠান করা হয় কিন্তু রুদ্র কোথায় তা কেউ জানে না। এখানে তো রুদ্র শিব বাবা প্র্যাকটিক্যালে রয়েছেন। বর্তমানে এখন রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞই রচিত হয়েছে। যা অতীত ছিল তা এখন বর্তমান। মানুষ অতীতকেই স্মরণ করতে থাকে আর তোমরা এখন প্র্যাকটিক্যাল উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করছে। যা অতীত ছিল, তা এখন বর্তমান, পরে তাও অতীত হয়ে যাবে। এইভাবে চক্র ঘুরতেই থাকে। কলিযুগও পাস্ট হয়ে পুনরায় সত্যযুগের আসা উচিত। বর্তমানে এখন হলো সঙ্গম যুগ। যা অতীত হয়ে গেছে এখন তার স্মরণ-চিহ্ন রয়েছে। যাদের জড় চিত্র গুলিকে স্মরণ করা হয় এখন তারা বর্তমানে চৈতন্য স্বরূপে রয়েছে। যারা উচ্চপদ প্রাপ্ত করেন, তাদেরকে নিয়েই মালা তৈরি হয়। এ হলো রুদ্রমালা। এ সকল হল জড়ো চিত্র। নিশ্চয়ই তাঁরা কোন কীর্তি স্থাপন করেছিলেন, তবেই তো তাদের মালাকে রুদ্রমালা বলা হয়। তোমরা চৈতন্য স্বরূপে শিববাবার মালায় ক্রম অনুযায়ী স্থান গ্রহণ করছো। যত যোগযুক্ত হয়ে থাকবে তত তাঁর সমীপে গিয়ে রুদ্রের গলার হার হয়ে যাবে। এখন আমরা সঙ্গম যুগে রয়েছি - এই ভাবে নিজের সাথে কথা বলতে হবে। তোমাদের তো জ্ঞান হয়েছে তোমাদের অন্তরে এই জ্ঞানের অনুরণন যেন সদাই বাজতে থাকে যে - আমরা প্রকৃতপক্ষে শিববাবার সন্তান। আমরা বিশ্বের মালিক হবো, তারপর এই চক্রে আসবো। একে স্বদর্শন চক্র বলা হয়। অনেকেই বলে যে - তোমরা অন্যদের নিন্দা কেন করো। তখন তাদেরকে বলো যে, ভগবানুবাচ লেখা হয়ে রয়েছে, আমরা তাই মানি, এছাড়া আমরা কারোর নিন্দা করি না। আচ্ছা!

 

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা পিতা বাপ-দাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

 

*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*

 

১ ) শ্রীমৎ অনুসারে প্রতিটি কর্মই শ্রেষ্ঠ করতে হবে। সকলের ডুবন্ত নৌকাকে শ্রীমৎ অনুসারে পাড়ে নিয়ে আসতে হবে। দুঃখীদের সুখ দিতে হবে।

 

২ ) মনে মনে স্বদর্শন চক্র ঘোরাতে থাকতে হবে আর রুদ্রমালাতে বাবার সমীপে আসার জন্য তাঁর স্মরণে থাকতে হবে। জ্ঞানের মন্থন করতে হবে, নিজের সাথে নিজে অবশ্যই কথা বলতে হবে।

 

*বরদানঃ-*   ব্রাহ্মণ জীবনে সর্বদা আনন্দ বা মনোরঞ্জনের অনুভবকারী সৌভাগ্যশালী ভব

সৌভাগ্যশালী (খুশীর ভাগ্যশালী) বাচ্চারা সর্বদাই খুশীর দোলনায় দুলতে থাকে। আর ব্রাহ্মণ জীবনে আনন্দ বা মনোরঞ্জনের অনুভব করে। যখন স্মরণ এবং সেবার দুই দিকের দড়ি শক্তভাবে বাঁধা থাকবে, তখনই এই খুশীর দোলনা সর্বদা একরস স্থিতিতে থাকতে পারবে। একদিকের দড়ি যদি আলগা থাকে তাহলে দোলনা নড়তে থাকবে আর যে দোলনায় বসেছিল সে পড়ে যাবে। সেই কারণেই, যদি দুইদিকের দড়ি মজবুত ভাবে থাকে তবেই মনোরঞ্জনের অনুভব করতে পারবে। সর্বশক্তিমান যদি তোমাদের সাথী হয়ে থাকে আর খুশীর দোলনায় তোমরা দুলতে থাকো তাহলে এর থেকে বড় সৌভাগ্য (খুশীর কথা) আর কি হতে পারে।

*স্লোগানঃ-*   সকলের প্রতি যার দয়াভাব আর কৃপা দৃষ্টি থাকে, তিনিই হলেন মহান আত্মা।

এই মাসের সকল মুরলী (ঈশ্বরীয় মহাবাক্য) নিরাকার পরমপিতা শিব, ব্রহ্মা মুখকমল দ্বারা নিজের ব্রহ্মা বৎস্যদের অর্থাৎ ব্রহ্মাকুমার এবং ব্রহ্মাকুমারীদের সম্মুখে ১৮-১-১৯৬৯ এর পূর্বে উচ্চারণ করেছিলেন। এ'গুলি কেবল ব্রহ্মাকুমারিজ এর অধিকৃত টিচার বোনেদের দ্বারা নিয়মিত বি. কে. বিদ্যার্থীদেরকেই শোনানোর জন্য।


01.03.2023 HINDI MURLI

                                                01.03.2023 HINDI MURLI 

मीठे बच्चे - बेहद ड्रामा के आदि-मध्य-अन्त को समझना हैजो पास्ट हुआ वही अब फिर प्रजेन्ट होना हैअभी संगमयुग प्रजेन्ट है फिर सतयुग आना है''

प्रश्नः-  श्रीमत पर अपने आपको परफेक्ट बनाने की विधि कौन सी है?

उत्तर:-  अपने आपको परफेक्ट बनाने के लिए विचार सागर मंथन करो। अपने आपसे बातें करो। बाबा आप कितने मीठे होहम भी आप जैसा मीठा बनेंगे। हम भी आपके समान मास्टर ज्ञान सागर बन सबको ज्ञान देंगे। किसी को भी नाराज़ नहीं करेंगे। शान्ति हमारा स्वधर्म हैहम सदा शान्त रहेंगे। अशरीरी बनने का अभ्यास करेंगे। ऐसी-ऐसी स्वयं से बातें कर स्वयं को परफेक्ट बनाना है।

गीत:-  माता ओ माताजीवन की दाता...

ओम् शान्ति। शिव भगवानुवाच। सिर्फ भगवानुवाच कहने से मनुष्य कुछ नहीं समझ सकेंगे। नाम जरूर लेना पड़ता है। गीता सुनाने वाले जो भी हैं वह कहते हैं कृष्ण भगवानुवाच। वह पास्ट में हो गये हैं। समझते हैं श्रीकृष्ण आया था और गीता सुनाई थी वा राजयोग सिखाया था। अब जो पास्ट हो गया वह फिर प्रेजन्ट जरूर होना है। जो प्रेजन्ट है वह फिर पास्ट होना है। जो पास्ट हो जायेगा उसको कहेंगे बीत गई। तो अब शिवबाबा आया है जरूर होकर गया है। शिव भगवानुवाचजो ऊंच ते ऊंच हैवह सबका बाप हैजिसको सर्वशक्तिमान कहा जाता हैवह बैठ समझाते हैं। तुम उनके बच्चे शिव शक्तियां हो। शिव शक्ति की महिमा गीत में सुनी ना। शिव शक्ति जगत अम्बा होकर गई हैजिसका यह यादगार है। होकर गये हैं फिर आने हैं जरूर। जैसे सतयुग पास्ट हुआअब कलियुग है फिर सतयुग आने वाला है। अभी है पुरानी दुनिया और नई दुनिया का संगम। जरूर नई दुनिया होकर गई हैअब पुरानी दुनिया है। जो सतयुग पास्ट हुआ है फिर भविष्य में आना है। यह समझ की बात है। ज्ञान है ही समझ। वह है भक्तियह है ज्ञान। सृष्टि का चक्र कैसे फिरता है वह समझना है। उनको समझने बिगर मनुष्य कुछ भी समझ नहीं सकते। ड्रामा के आदि मध्य अन्त को समझना है। उस हद के ड्रामा के आदि मध्य अन्त को तो जानते हैं। यह है बेहद का ड्रामाइसको मनुष्य समझ नहीं सकते। बाप जो बेहद का मालिक हैवही खुद आकर समझाते हैं। शिव भगवानुवाच है न कि श्रीकृष्ण भगवानुवाच। कृष्ण को भी श्री कहते हैं क्योंकि उनको श्रेष्ठ बनाने वाला बाप है। भारतवासी बिचारे यह नहीं जानते हैं कि कृष्ण ही नारायण बनते हैं। हम अभी कहते हैं बिचारे बेसमझ हैं। सब गरीब दु:खी पतित हैं। हम भी थे परन्तु अभी हम पावन बन रहे हैं। पतित-पावन बाप अब हमको मिला हुआ है। कृष्ण को पतित-पावन नहीं कहा जाता है। नई पावन दुनिया बनाने वाला रचयिता बाप ही हैजिसको परमपिता परमात्मा सर्वशक्तिमान कहा जाता है। वो ही पतित दुनिया को पावन बनाने वाला हैपतित सृष्टि को पावन बनाने वाला है। पतित सारी सृष्टि हैरावण पतित बनाते हैं। पतित-पावन एक ही ईश्वर है। मनुष्य पतित से पावन बना नहीं सकतेकोई भी हालत में। सारी दुनिया का सवाल है ना। समझो करके संन्यासी एक दो करोड़ पावन हों फिर भी 5-6 सौ करोड़ पतित हैं तो जरूर इसको पतित दुनिया कहेंगे ना। वास्तव में शिव भगवानुवाच पतित दुनिया में एक भी पावन हो नहीं सकता। बाप कहते हैं तुम बच्चों को पावन बनाने लिए सारी सृष्टि को पावन बनाता हूँ। पतित-पावन का अर्थ ही है विश्व को पावन बनाने वाला। शिवबाबा खुद कहते हैं मैं पतित से पावन बना रहा हूँ। तुमको ही पावन दुनिया का मालिक बनना है। नई दुनिया में है आदि सनातन देवी-देवता धर्म। यह भी कोई नहीं जानते। शिवबाबा को भी कोई नहीं जानते। पूछो तुम जो निराकार परमपिता परमात्मा शिव की जयन्ती मनाते होवह कब आयानिराकार आया कैसेजरूर निराकार तो शरीर में ही आयेगा तब तो कर्म कर सके। आत्मा शरीर बिगर कर्म थोड़ेही कर सकेगी। परमात्मा आकर जरूर ऊंच बनाने का ही कर्म करेंगे। सारी विश्व को पावन बनाना यह एक ही के हाथ में है। मनुष्य तो दु:खी ही दु:खी हैं। भक्त भगवान को बुलाते हैं तो जरूर भगवान एक होना चाहिए। भक्त अनेक हैं। शिव भगवानुवाचमैं शिव भगवान तुम बच्चों को राजयोग और सृष्टि चक्र का ज्ञान समझाता हूँ अर्थात् अब तुम्हारी आत्मा को सृष्टि चक्र का ज्ञान है। जैसे मुझ बाप को सृष्टि के चक्र का ज्ञान हैमैं आया हूँ तुमको सिखलाने। सृष्टि चक्र फिरना तो जरूर है। पतित से पावन बनना है। कोई तो निमित्त बनते हैं ना। 5 विकारों रूपी जेल से लिबरेट करने मैं आता हूँ। मैं शिव हूँजो अभी इस तन में बैठा हूँ। तुम कहेंगे मैं आत्मा इस शरीर में बैठा हूँ। मेरे शरीर का नाम फलाना है। शिवबाबा कहते हैं मेरा निराकारी शरीर तो है नहीं। मुझ परमपिता का नाम शिव ही है। मैं परमपिता परम आत्मा स्टार मिसल हूँ। मेरा शिव नाम एक ही है। तुम ही सालिग्राम होपरन्तु तुम्हारा नाम 84 जन्मों में बदलता रहता है। मेरा तो एक ही नाम है। मैं पुनर्जन्म नहीं लेता हूँ। गीता में जिसका नाम डाल दिया है वह तो पूरे 84 जन्म लेते हैं। ऐसे नहीं कि श्रीकृष्ण ने गीता सुनाई। यह बड़ी समझने की बात है। मनुष्य के हाथ में कुछ नहीं हैजो कुछ करते हैं सो परमपिता परमात्मा करते हैं। मनुष्य को शान्ति सुख देना - यह बाप का काम है। हमेशा महिमा एक बाप की ही करनी है और कोई की महिमा है नहीं। लक्ष्मी-नारायण की भी महिमा है नहीं। परन्तु राज्य करके गये हैं तो समझते हैं यह स्वर्ग के मालिक थे। वन्डर तो देखो वह जड़ चित्र और यहाँ चैतन्य बैठे हैं। शिव भगवानुवाच तुम राजाओं का राजा पूज्य बनते हो फिर पुजारी बनेंगे। पूज्य लक्ष्मी-नारायण ही फिर आपेही पुजारी बनेंगे। तो जो पास्ट हो गये हैं उनका फिर मन्दिर बनाकर पूजन करते हैं। यह सिद्ध कर बताना हैऐसे नहीं कि ईश्वर आपेही पूज्य आपेही पुजारी बनता है। नहीं। मनुष्य यह भी नहीं जानते कि मैं परमात्मा कहाँ निवास करता हूँ। मेरे जो बच्चे सालिग्राम हैं वह भी यह नहीं जानते कि हम कहाँ के रहने वाले हैं। आत्माओं और परमात्मा का घर एक ही है स्वीट होम। सिर्फ स्वीट फादर होम नहीं कहेंगे। अभी तुम जानते हो निर्वाणधाम हमारा भी घर है। वहाँ हमारा फादर है। सिर्फ घर को याद करेंगे तो ब्रह्म के साथ योग हो गयाउनसे विकर्म विनाश हो नहीं सकते। भल ब्रह्म योगीतत्व योगी हैं परन्तु उनके विकर्म विनाश नहीं हो सकते। हाँ भावना से करके अल्पकाल के लिए सुख मिलता है। जितना याद करेंगे उतना शान्ति मिलेगी। तो बाप कहते हैं उनका योग रांग है। तुमको याद करना है एक बाप को। बाप कहते हैं मुझे याद करने से तुम्हारे विकर्म विनाश होंगे। श्रीकृष्ण ऐसे कह नहीं सकतेवह तो वैकुण्ठ का मालिक है। वह थोड़ेही कहेगा अशरीरी बन शिवबाबा को याद करो या मुझे याद करो। सारा मदार गीता को करेक्ट कराने पर है। गीता खण्डन होने कारण भगवान की हस्ती गुम हो गई है। कह देते हैं ईश्वर का कोई नाम रूप है नहीं। अब नाम रूप काल तो आत्मा का भी है। आत्मा का नाम आत्मा हैवह भी परमपिता परम आत्मा है। परम अर्थात् सुप्रीमऊंच ते ऊंच। वह जन्म मरण रहित हैअवतार लेते हैं। ड्रामा में जिसका पार्ट है उनमें ही प्रवेश करते हैं और उसका नाम ब्रह्मा रखते हैं। ब्रह्मा नाम कभी बदल नहीं सकता है। ब्रह्मा द्वारा ही स्थापना करते हैं। तो वह श्रीकृष्ण के तन में थोड़ेही आयेंगे। अगर वह दूसरे में आये तो भी उनका नाम ब्रह्मा रखना पड़े। मनुष्य कहते हैं दूसरे कोई में क्यों नहीं आता। अरे वह भी किसके तन में आयेवह आते ही हैं ज्ञान देने के लिए। दिन-प्रतिदिन मनुष्य समझते जायेंगे। तुम्हारी वृद्धि होती जायेगी। अवस्था बड़ी अच्छी चाहिए। जैसे ड्रामा के एक्टर्स को मालूम होता है हम घर से स्टेज पर पार्ट बजाने आये हैं। वैसे हम आत्मा यह शरीर रूपी चोला लेकर पार्ट बजाती है फिर वापिस जाना हैशरीर छोड़ना पड़ता है। तुम्हें तो खुशी होनी चाहिएडरना नहीं चाहिए। तुम बहुत कमाई कर रहे हो। शरीर छोड़ने वाले खुद भी समझ सकते हैं हमने कितनी कमाई की है। तुम समझते हो जो शरीर छोड़कर गये हैं उनमें से किसका मर्तबा बड़ा कहेंफलाने बहुत सर्विस करते थेजाकर दूसरा शरीर लिया। इनएडवांस गये हैं। उनका इतना ही पार्ट था। फिर भी कुछ न कुछ ज्ञान लेने लिए आ जायेंहो सकता है। वारिस तो बन गये ना। किसके साथ हिसाब-किताब चुक्तू करना होगावह खलास करने गये। आत्मा में तो ज्ञान के संस्कार हैं ना। संस्कार आत्मा में ही रहते हैं। वह गुम नहीं हो सकते। कहाँ अच्छी जगह सर्विस करते होंगे। नॉलेज के संस्कार ले गये तो कुछ न कुछ जाकर सर्विस करेंगे। ऐसे तो नहीं सब जाते रहेंगे। नहीं। हाँ इतना जरूर है योग में रहने से आयु बढ़ती है। मैनर्स भी बड़े अच्छे चाहिए। कहते हैं बाबा आप कितने मीठे हो। मैं भी आप जैसा मीठा बनूंगा। हम भी ज्ञान सागर बनेंगे। बाप कहते हैं अपने को देखते रहो मैं मास्टर ज्ञान सागर बना हूँमात-पिता समान औरों को ज्ञान देता हूँहमारे से कोई नाराज़ तो नहीं होता हैशान्ति को धारण किया हैशान्ति हमारा स्वधर्म है ना। अपने को अशरीरी आत्मा समझना हैदेखना है मेरे में कोई विकार तो नहीं हैंअगर कोई विकार होगा तो नापास हो जायेंगे। ऐसे-ऐसे अपने से बातें करनी पड़ती हैं। यह है विचार सागर मंथन कर अपने को परफेक्ट बनानाश्रीमत से। बाकी सब आसुरी मत से अन-परफेक्ट बनते जाते हैं। हम भी कितने अन-परफेक्ट थे। कोई गुण नहीं था। गाते हैं ना मैं निर्गुण हारे में कोई गुण नाही। अक्षर कितने अच्छे हैं। महिमा सारी परमपिता परमात्मा की ही है। गुरूनानक भी उनकी महिमा करते थे। तो मनुष्यों को भी समझाना है।

 

यह भी बच्चे जानते हैं - कल्प पहले जिनका सैपलिंग लगा है वही आयेंगे और धारणा करेंगे। नहीं तो जैसे वायरे-मुआफिक (मूंझा हुआ) आया और गया। यहाँ तो तुम जानते हो हमको नॉलेजफुल फादर ने जो नॉलेज दी हैवह कोई में भी नहीं है। हम गुप्तवेष में हैं। फिर हम भविष्य में स्वर्ग के मालिक बनेंगे। कर्म तो सब कर रहे हैं। परन्तु मनुष्यों के कर्म सब विकर्म होते हैं क्योंकि रावण की मत पर करते हैं। हम श्रीमत पर कर्म करते हैंश्रीमत देने वाला है बाबा।

 

बाबा ने समझाया है तुम हो सैलवेशन आर्मी। सैलवेशन आर्मी उनको कहा जाता है जो किसके डूबे हुए बेड़े को (नांव को) पार लगाते हैं। दु:खी को सुखी बनाते हैं। अभी तुम श्रीमत पर सबका बेड़ा पार कर रहे हो। बलिहारी तो शिवबाबा की है ना। हम तो मूर्ख थे। बाप की मत मिलने से फिर औरों को भी मत देते हैं। बाप सम्मुख आकर श्रीमत देते हैं। रावण तो कोई चीज़ नहीं जो आये। माया विकारों में घसीट लेती है। यहाँ तो बाप मत देते हैं। जैसे स्कूल में टीचर पढ़ाते हैं। रावण तो कोई चीज़ नहीं जो उल्टा पढ़ाये। बाप तो है ज्ञान का सागर। रावण को सागर या नॉलेजफुल नहीं कहेंगे। तुम अब श्रीमत पर चल रहे हो। तुम ब्राह्मण बन यज्ञ की सेवा करते हो। तुमको राजयोग और ज्ञान सिखलाना है। वह जब यज्ञ रचते हैं तो शास्त्र भी रखते हैं ना। रूद्र यज्ञ रचते हैं परन्तु रूद्र है कहाँ। यहाँ तो रूद्र शिवबाबा प्रैक्टिकल में है। प्रेजन्ट में रूद्र ज्ञान यज्ञ रचा हुआ है। जो पास्ट था वह अब प्रेजन्ट है। मनुष्य पास्ट को ही याद करते रहते हैं तो तुम अब प्रैक्टिकल वर्सा ले रहे हो। पास्ट सो अब प्रेजन्ट है फिर पास्ट हो जायेगा। ऐसे होता ही रहता है। कलियुग भी पास्ट हो फिर सतयुग आना चाहिए। अब संगमयुग प्रेजन्ट है। पास्ट जो हुआ उसका यादगार हैजिसका जड़ यादगार है वह अब प्रेजन्ट चैतन्य में है। जो ऊंच पद पाते हैंमाला भी उन्हों की बनी है। रूद्र माला है ना। यह सभी हैं जड़ चित्र। जरूर कुछ करके गये हैं तब तो रूद्र माला कहते हैं ना। तुम चैतन्य में शिवबाबा की माला नम्बरवार बन रहे हो। जितना योग लगायेंगे उतना नजदीक जाकर रूद्र के गले का हार बनेंगे। अभी हम संगम पर है। ऐसे-ऐसे अपने से बातें करनी चाहिए। तुमको तो ज्ञान है। तुम्हारे अन्दर यह चलता रहता है हम असुल शिवबाबा के बच्चे हैं। हम विश्व के मालिक बनेंगेफिर चक्र में आयेंगे। इसको स्वदर्शन चक्र कहा जाता है। कई मनुष्य कहते हैं तुम औरों की निंदा क्यों करते हो। बोलोभगवानुवाच लिखा हुआ है बाकी हम किसी की निंदा नहीं करते हैं। अच्छा!

 

मीठे-मीठे सिकीलधे बच्चों प्रति मात-पिता बापदादा का यादप्यार और गुडमार्निग। रूहानी बाप की रूहानी बच्चों को नमस्ते।

 

धारणा के लिए मुख्य सार:-

 

1) श्रीमत पर हर कर्म श्रेष्ठ करना है। सबके डूबे हुए बेड़े को श्रीमत पर पार लगाना है। दु:खियों को सुख देना है।

 

2) अन्दर स्वदर्शन चक्र फिराते रूद्र माला में नजदीक आने के लिए याद में रहना है। ज्ञान का मंथन करना हैअपने आपसे बातें जरूर करनी है।

 

वरदान:- ब्राह्मण जीवन में सदा आनंद वा मनोरंजन का अनुभव करने वाले खुशनसीब भव

खुशनसीब बच्चे सदा खुशी के झूले में झूलते ब्राह्मण जीवन में आनंद वा मनोरंजन का अनुभव करते हैं। यह खुशी का झूला सदा एकरस तब रहेगा जब याद और सेवा की दोनों रस्सियां टाइट हों। एक भी रस्सी ढीली होगी तो झूला हिलेगा और झूलने वाला गिरेगा इसलिए दोनों रस्सियां मजबूत हो तो मनोरंजन का अनुभव करते रहेंगे। सर्वशक्तिमान का साथ हो और खुशियों का झूला हो तो इस जैसी खुशनसीबी और क्या होगी।

स्लोगन:-     सबके प्रति दया भाव और कृपा दृष्टि रखने वाले ही महान आत्मा हैं।

इस मास की सभी मुरलियाँ (ईश्वरीय महावाक्य) निराकार परमात्मा शिव ने ब्रह्मा मुखकमल से अपने ब्रह्मावत्सों अर्थात् ब्रह्माकुमार एवं ब्रह्माकुमारियों के सम्मुख 18-1-1969 से पहले उच्चारण की थी। यह केवल ब्रह्माकुमारीज़ की अधिकृत टीचर बहनों द्वारा नियमित बीके विद्यार्थियों को सुनाने के लिए हैं।


Monday, February 27, 2023

28.02.2023 BANGLA MURLI

                                       28.02.2023 BANGLA MURLI



"মিষ্টি বাচ্চারা - এ হলো বাবার জ্ঞানের চমৎকারিত্ব যে তোমরা এই জ্ঞান এবং যোগবলের দ্বারা সম্পূর্ণ পবিত্র হয়ে যাও, বাবা এসেছেন তোমাদেরকে জ্ঞানের দ্বারা জ্ঞানপরী বানাতে"

*প্রশ্নঃ - বাবার চমৎকারের জন্য বাচ্চারা বাবাকে ইন-অ্যাডভান্স কোন্ পুরস্কার দিয়ে থাকে?

*উত্তরঃ -    বাবার কাছে সমর্পিত হয়ে যাওয়াই হলো তাঁকে ইন-অ্যাডভান্স পুরস্কার দেওয়া। এমন নয় যে বাবা প্রথমে সুন্দর বানাবেন তারপর সমর্পিত হয়ে যাবে। এখনই সম্পূর্ণ বলিপ্রদত্ত হতে হবে। শরীর নির্বাহ করে, সন্তানসন্ততি প্রতিপালন করেও শ্রীমতে চলাই হলো সমর্পিত হয়ে যাওয়া। এই পুরানো দুনিয়ায় তো কেবল নুড়ি পাথর রয়েছে। এর থেকে বুদ্ধি যোগ বের করে বাবা আর নতুন দুনিয়াকে স্মরণ করতে হবে।

*গীতঃ- তুমি প্রেমের সাগর....

ওম শান্তি ।‌ বাচ্চারা জানে যে বাবা সম্মুখে বসে রয়েছেন আর যারা দূরে রয়েছে, সকলের উদ্দেশ্যে বলে থাকেন, শুনতে তো তাদেরকেও হবে। বাচ্চারা জানে যে বাবা হলেন জ্ঞানের সাগর, তাহলে অবশ্যই ওঁনার মধ্যে জ্ঞান থাকবে, তাই না ! যেমন সন্ন্যাসীরা বিদ্বান হয় তখন তারা মনে করে যে আমরা হলাম বিদ্বান। বাচ্চারা জানে পরমপিতা পরমাত্মা, মাতা-পিতা সম্মুখে বসে রয়েছেন। তিনি হলেন জ্ঞানের সাগর। জ্ঞানের দ্বারা সদ্গতি প্রাপ্ত হয়। সেই জ্ঞানসাগর থেকে যেন ঘটি ভরে নিয়ে থাকে। সাগর তো সর্বদাই পরিপূর্ণ, তাইনা ! সাগরের থেকে কত জল সমগ্র দুনিয়ায় প্রাপ্ত হতে থাকে। কখনো অভাব হয় না, অথৈ জল। তাহলে বাবাও হলেন জ্ঞানের সাগর, বাচ্চারা যতদিন পর্যন্ত জীবিত থাকে ওঁনার থেকে জ্ঞান শুনতেই থাকে। তিনি হলেন সদা সম্পন্ন (ভরপুর)। সামান্য জ্ঞান রত্ন দিয়ে দেন তাতেই সমগ্র সৃষ্টি সদগতি পায়। তিনি হলেন জ্ঞানের সাগর, শান্তির সাগর, সুখের সাগর, ওঁনার সঙ্গের দ্বারা অপবিত্রও পবিত্র হয়ে যায়। তোমরা হলে জ্ঞান গঙ্গা, মানস-সরোবর রয়েছে, তাই না ! সরোবর হলো একটি বড় জলাশয়। সেও কৈলাস পর্বতে দেখানো হয়ে থাকে। মনে করে বড় সাগর, সেখানে ডুব দিলে মানুষ পরী হয়ে যায়। পরীদের অর্থ তো কেউ বুঝতে পারে না। পরীরা অত্যন্ত শোভনীয় হয়। বাচ্চারা, এখন তোমরা জানো যে বাবা আমাদের এই জ্ঞান স্নান করিয়ে এইরকম সুন্দর সুশোভিত জ্ঞান পরীতে পরিণত করছেন। ওখানে তো ন্যাচারাল বিউটি থাকে। এখানে কাজল, ক্রীম ইত্যাদি লাগিয়ে শৃঙ্গার করতে হয়। এ হলো আর্টিফিশিয়াল বিউটি। তত্ত্বই তমোপ্রধান হয়ে গেছে। ওখানে তত্ত্বও সতোপ্রধান হয়ে থাকে। দেবতাদের মতো সৌন্দর্যময় কেউ হতে পারে না। এখানকার বিউটির সাথে হেল্থ তো থাকে না। ওখানে তোমাদের হেল্থও ভালো থাকে আর বিউটিও থাকে। বাচ্চারাও মনে করে বাবা তো চমৎকার ঘটিয়ে থাকেন। মানুষ বড় বড় মার্বেলের মূর্তি তৈরি করে অথবা সুন্দর সুন্দর আর্টের দ্বারা চিত্রাঙ্কন করে থাকে তখন তারা অনেক পুরস্কার লাভ করে। এখন বিচার করে দেখো যে, বাবা জ্ঞান এবং যোগবলের দ্বারা আমাদের কি থেকে কি বানিয়ে দেন। এ তো বাবা চমৎকার (কামাল) করে দেন। জ্ঞান আর যোগের কত বড় চমৎকারিত্ব। কামাল হলো, বাবার জ্ঞানের বলের দ্বারা আত্মা সম্পূর্ণরূপে পবিত্র হয়ে যায়। ৫ তত্ত্বও পবিত্র হয়ে যায়, যার ফলে ন্যাচারাল বিউটিও থাকে। নতুন দুনিয়া আর পুরোনো দুনিয়ার মধ্যে তফাৎ রয়েছে, তাই না ! প্রতিটি জিনিস সতোপ্রধান, সতঃ, রজঃ, তমঃ হয়ে থাকে। দুনিয়াও এইরকম হয়ে থাকে। যেমন যেমন মানুষ তেমনই আবার তাদের জন্য বৈভবও (প্রাচুর্য) থাকে। ধনবান দের কাছে বৈভবও কম থাকে না ! গরিবদের কাছে থাকে নুড়ি পাথর । তাই এই পুরানো দুনিয়াতেও রয়েছে নুড়ি পাথর । নতুন দুনিয়ায় সবকিছু নতুন থাকবে। তাহলে কতখানি মোস্ট বিলাভেড হলেন বাবা, ওঁনারই আমরা মহিমা করবো। বাবা নিজে তো বলবেন না - আমি কত প্রিয়। বাচ্চারা বাবার মহিমা করে থাকে। বাবা বলেন - আমি তোমাদেরকে জ্ঞান, যোগের দ্বারা কী বানিয়ে দিই। তখন বাবার কি পুরস্কার প্রাপ্য হয় ! ইন-অ্যাডভান্স বাবাকে পুরস্কার দেওয়া হয় অর্থাৎ ওঁনার কাছে বলিপ্রদত্ত হয়ে যায়। গায়নও করে থাকে যে তোমার কাছে বলিপ্রদত্ত হয়ে যাব, তাহলে অবশ্যই ইন-অ্যাডভান্স বলিপ্রদত্ত হয়ে যাবে, তাই না ! এইরকম থোড়াই হবে যে প্রথমে বাবা বিউটিফুল বানাবেন তারপর পরে তোমরা বলিপ্রদত্ত হবে। সমর্পণও সম্পূর্ণরূপে হওয়া চাই। সেই রহস্যও বুঝিয়েছেন। এইরকম নয় যে সব বাবার কাছে নিয়ে এসে বসে পড়তে হবে। তোমাদের শ্রীমতানুসারে চলতে হবে। উনি হলেন সকল আত্মাদের পিতা। ওঁনাকে আত্মাদের রচয়িতা বলা হবে না। রচয়িতা অথবা স্বর্গের রচয়িতা বলা হবে। এছাড়া আত্মা আর এই খেলা তো হলো অনাদি। কিন্তু এই সময় পুরানো দুনিয়াকে নতুন করে দেন। চেঞ্জ করেন। শরীর হলো বিনাশী। বাবা এখন আমাদের আয়ু কত বাড়িয়ে দেন। অসীম জগতের আয়ু হয়ে যায়। ওখানে গড় আয়ু ১৫০ বছর থাকে। এখানে তো কারোর এক বছরও আয়ু হয়ে থাকে, কারোর আবার একমাসও থাকে না। জন্মালো আর মৃত্যু। ওখানে এইরকম হয়না, সকলের আয়ু দীর্ঘ থাকে। নিয়ম অনুসারে তাড়াতাড়ি বাসন ভেঙ্গে যেতে পারে না। তাই বাবা বুঝিয়ে থাকেন এখন প্রচুর পরিশ্রম করতে হবে। তোমরা শিবশক্তি সেনারা হলে বাবার সহযোগী। তোমরা বোঝো যে এই সময় হলো রাবণ রাজ্য। সকলেই হলো বিকারী। ওই বিকারীদের থেকে সন্ন্যাসীরা দূরে সরে যায় তারপর আর তাদের দ্বারা সৃষ্টি রচিত হয় না। সন্ন্যাসীরা সন্ন্যাস সৃষ্টি রচনা করবে অর্থাৎ মুখের দ্বারা নিজেদের সমান সন্ন্যাসী বানাবে, তাকে বংশবলী বলা হবে না। বংশাবলী গৃহস্থ আশ্রমে থাকে। সত্যযুগে বংশাবলী ফুলের মতন হয়। সন্ন্যাসীদের বংশাবলী হতে পারেনা। লিমিটেড হয়। এ তো আনলিমিটেড হয়, তাই না ! একে গৃহস্থ আশ্রম বলা হয়ে থাকে। বাস্তবে আশ্রম তো হলো অনেক উচ্চ। আশ্রম পবিত্র হয়। বিকারী গৃহস্থকে আশ্রম বলতে পারো না। বাবা পবিত্র গৃহস্থ আশ্রম-ধর্মীয় বানান। মায়া-রাবণ অধর্মীয় বানিয়ে দেয়। মানুষ অধর্মীয় হয়ে গেছে। ধর্মীয়, অধর্মীয় মানুষকেই বলা হবে। জানোয়ারকে থোড়াই বলা হবে। তাহলে বাবা এসে ধর্মীয় বানান। মায়া অধর্মীয় বানিয়ে দেয়। কিন্তু মানুষ তাঁকে জানেই না। যেমন ঈশ্বরকে জানে না, তেমন মায়াকেও জানে না। পরমাত্মার উদ্দেশ্যে বলে দেয়, তিনি সর্বব্যাপী। কিন্তু সর্বব্যাপী তো হলো ৫ বিকার। এই সময় ভক্তরা সকলেই বাবাকে স্মরণ করে অর্থাৎ সকলের মধ্যেই ভগবানের স্মরণ রয়েছে। এইরকম নয় যে তিনি সর্বব্যাপী। ৫ বিকারই দুঃখ দিয়ে থাকে। অত্যন্ত দুঃখী হয়ে পড়েছে মানুষ, সেইজন্য ভক্ত ভগবানকে স্মরণ করে থাকে।তারপর বলে দেয় দুঃখ সুখ ভগবানই দিয়ে থাকেন। রাবণের নামই ভুলে যায় আর সম্পত্তিকে মায়া মনে করে নেয়। সম্পত্তি তো ধন-দৌলতকে বলা হয়ে থাকে। এই সময়ে সকল মানুষই মায়া রাবণের দাস। তোমরা এসে ঈশ্বরের দাস হয়েছো। ওরা রাবণের দুঃখের উত্তরাধিকার নিয়ে থাকে। তোমরা বাবার থেকে সুখের উত্তরাধিকার নিয়ে থাকো। বাবা এসে মাতাদের গুরুপদ দিয়ে থাকেন। এখানে বলা হয় যে স্বামী হলো স্ত্রী-র গুরু। কিন্তু সে তো আরোই অপবিত্র বানিয়ে দেয়। দ্রৌপদীও বলেছিল না -- আমার সম্ভ্রম রক্ষা করো! এখন বাবা বলেন, এই কন্যাদের দ্বারাই উদ্ধার করবো। কন্যাদের গায়ন রয়েছে। কুমারী সে-ই যে পিতা এবং শ্বশুরকুলকে ২১ জন্মের জন্য উদ্ধার করে। এই সময় তোমরা কন্যা হয়ে যাও, তাইনা ! মাতারাও কুমারী হয়ে যায়। ব্রহ্মাকুমারী হও, তাই না ! সেইজন্য এই সময়ে তোমাদের মহিমা কীর্তন চলে আসছে। কুমারীরা কামাল করে দিয়েছে। বাবা-ই কুমারীদের আপন করে নিয়েছেন। তাহলে নাম সুপ্রসিদ্ধ করতে হবে। মাতারাও ঈশ্বরীয় কোলে এসে কুমারী হয়ে যায়। কন্যাদের মহিমা এমনিতে কেবল গায়ন মাত্রেই রয়েছে। এখন আবার প্র্যাকটিক্যালে তোমাদের বাবা জাগ্রত করেন। বাবা কুমারীদের আপন করে নিয়েছেন। সিঁড়ি চড়ে তারপর নামা মুশকিল হয়ে যায়। এখনও দেখো না বলে, বিয়ে না করলে ভালো করতাম। তারপর বাচ্চার জন্ম হলে মোহের তার জুড়ে যায়। সেইজন্য বাবা বুঝিয়ে থাকেন অর্ধেক-কল্প কন্যাকে বিবাহ করিয়ে বিকারী বানানো হয়েছে। এখন বাবা এসেছেন বলেন পবিত্র হও। তোমরা দেখেছোও যে পবিত্রতায় সুখও রয়েছে, তো সম্মানও রয়েছে। সন্ন্যাসীদের কত সম্মান। বন্ধনমুক্ত হয়ে যায়। ওটা হলো পবিত্রতার বল, ওটা কোনো যোগের বল নয়। যোগবল কেবল তোমাদের কাছেই রয়েছে। ওদের হলো তত্ত্বের সাথে যোগ, যেখানে বসবাস করে। যেমন পঞ্চতত্ব রয়েছে তেমনি ওটা আবার হলো ষষ্ঠ তত্ত্ব, তাকেই ব্রহ্ম ঈশ্বর বলে দেয়‌, সেইজন্য ওদের যোগ হলো আর্টিফিশিয়াল। সেই যোগের দ্বারা বিকর্ম বিনাশ হয় না, সেইজন্য গঙ্গাস্নান করতে যায়। যদি নিশ্চয় হতো যে যোগের দ্বারা পবিত্র হওয়া যায় তাহলে গঙ্গাস্নান করতো না। এর দ্বারা প্রমাণিত হয় যে তাদের যোগ নিয়মের বিরুদ্ধে। যেমন হিন্দু কোনো ধর্ম নয় তেমনই ব্রহ্মও ঈশ্বর নয়।বসবাসের স্থানকে ঈশ্বর মনে করে নিয়েছে। একথা বাবা এসে বুঝিয়ে থাকেন। তাহলে কুমারীরাও বোঝাতে পারে। আমরা বি.কে-রা এই ভারতকে স্বর্গে পরিণত করি। ওয়ার্ল্ড অলমাইটি অথরিটি রাজ্য নির্মাণ করে থাকি। বাবা বলেন -- মাতাদের নাম অত্যন্ত সুপ্রসিদ্ধ করতে হবে। পুরুষদের এতে সহায়তা করা উচিত। এরা পবিত্র থাকতে চায় তো পবিত্র থাকতে দাও। সে'জন্য বাবা এসে প্রথমে মাতাদের এবং কুমারীদের জ্ঞান প্রদান করে আপন করে নেন। সকলেই তো হলো শিববংশীয়, তারপরে ব্রহ্মাকুমার এবং কুমারী হয়। কিন্তু কুমারও রয়েছে অল্পসংখ্যক। কুমারীরা বেশি। তোমাদের স্মৃতি-স্মারক মন্দিরও এখানে অ্যাকিউরেট রয়েছে। মানুষ মনে করে বিকার ব্যতীত বিশ্বে সৃষ্টি (জন্ম) হবে কীভাবে? বাবা বলেন এখন এই দুঃখ প্রদানকারী পতিত সৃষ্টি চাই না। সেইজন্য অবশ্যই পবিত্র থাকতে হবে। গভর্নমেন্টও বলে জন্ম কম হোক কারণ মনে করে এত অন্ন (খাদ্য) কোথা থেকে আসবে! তারা পবিত্রতার কথা বোঝে না। তোমরা জানো এখন শিবালয় স্থাপিত হয়। অসীমের দুনিয়া শিবালয় হয়ে যায়। ওরা তো একটি মন্দিরের নাম রেখে দিয়েছে শিবালয়। সে তো হয়ে গেল জাগতিক শিবালয়। এ হলো অসীম জগতের শিবালয়। সমগ্র স্বর্গকেই শিবালয় বলা হবে। শিব দেবী-দেবতাদের রচনা করেছেন। ওঁনার মন্দির নির্মিত রয়েছে। ও'টা (স্বর্গ) হলো চৈতন্য শিবালয়। তারপর এটা বেশ্যালয় হয়ে যায়। চৈতন্য দেবতাদের আবার জড় মন্দির নির্মাণ করে তাদের আবার বিকারী লোকেরা পূজা করে। শিবালয় শিববাবা রচনা করেন। সহযোগী হলো শিবশক্তি পান্ডবসেনা। মেজরিটি শক্তিরা হওয়ার কারণে তাদের নাম প্রসিদ্ধ হয়। কন্যারা হলো সংখ্যায় অধিক। শিববাবা তোমাদের আপন করে নেয়। শ্রীকৃষ্ণ হলো ছোট প্রিন্স, সে কিভাবে আপন করে নেবে। সে তো স্বয়ং-ই স্বয়ংবর করে মহারাজা হয়। তাই এখানে শিববাবা তোমাদের কংসপুরী থেকে বের করে শ্রীকৃষ্ণপুরী, সত্যযুগে নিয়ে চলেন। এ হলো কংসপুরী। এখন সমগ্র দুনিয়া হলো একদিকে আর তোমরা কন্যারা হলে অন্যদিকে। অর্ধেক-কল্প ধরে মানুষ উল্টো বুঝিয়েছে। বাবা এসে সঠিক বুঝিয়েছেন। পূর্বে কন্ট্রাস্টের (তুলনা করে বোঝানোর) অত্যন্ত ভালো বই ছিল। এখন তো পয়েন্টস্ও আরো আরো ভালো বেরোচ্ছে। বাবা বলেন, প্রতিদিন তোমাদের অনেক গুপ্ত কথা শুনিয়ে থাকি। সমস্ত জ্ঞান একসাথেই তো দেবো না! প্রথমে হাল্কা করে শোনাতাম। দিনে দিনে রহস্যপূর্ণ হয়ে যেতে থাকে। সমস্ত রহস্যপূর্ণ কথা একসময়ে কীভাবে শোনাবো। যা কিছু বোঝাচ্ছি সেগুলোই কল্পপূর্বেও বুঝিয়েছিলাম। এর মাঝে সংশয়ের কোনো কথা নেই। এইরকম নয় যে পূর্বে তো বাবা এ'রকম বলতেন। এখন আবার এইরকম বলেন।

 

আরে পূর্বে তো প্রথম ক্লাস ছিল। এখন অনেক পয়েন্টস্ রয়েছে যা আরো বেরিয়ে আসতে থাকবে। যতদিন পর্যন্ত বাঁচবে, বাবা শোনাতে থাকবেন। বাবা কিছু গুপ্ত রহস্য শুনিয়েছেন যা পুনরায় বলবেন। এখন আমরা অধ্যয়ন করছি। ওই শাস্ত্রজ্ঞদেরও শাস্ত্র কণ্ঠস্থ থাকে। তবে ১৮ অধ্যায় তো নেই না। ইনি তো হলেন জ্ঞানসাগর। শোনাতেই থাকেন। ওই বাবা-ই হলেন জ্ঞানের সাগর, আনন্দের সাগর, শান্তির সাগর। এই দুনিয়ায় তো কিছুই নেই। না ভালোবাসা আছে, না সার আছে। তারা তো সবাই হলো কথার সাগরই সাগর।

 

মানুষ বলে যে তিনি সর্বব্যাপী। আমরাও তাই, কিন্তু ওঁনার মহিমা তো অতি মহান। সকল ভক্ত, সাধু ইত্যাদিগণ ওঁনাকে স্মরণ করে থাকে। দুঃখী হয়ে গেছে তাই তো বলে থাকে পুনরায় নির্বাণধামে যাবো। সে তো যখন নির্বাণধামের মালিক আসবেন তখনই নিয়ে যাবেন। বাচ্চাদের জন্য স্বর্গের উপহার বাবা-ই নিয়ে আসেন। স্বয়ং স্বর্গের মালিক হন না। বাবা দিয়ে থাকেন স্বর্গের উপহার। পুনরায় রাবণ এসে দুঃখ দিয়ে থাকে। দুঃখকে উপহার বলা যাবে না। স্বর্গের সওগাতের চাবি দিয়েছেন কন্যাদেরকে। কন্যারা ভারতকে স্বর্গ বানিয়ে থাকে। কন্যারা নিজেদের মিত্র-পরিজনেদেরকেও বোঝাতে পারে - আমরা পারলৌকিক মাতা-পিতার কোলে গিয়েছি (দত্তক নিয়েছেন)। আচ্ছা !

 

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

 

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

 

১ ) গৃহস্থকে আশ্রম অর্থাৎ পবিত্র বানাতে হবে। পবিত্রতাতেই বল রয়েছে, পবিত্রতাতেই মান, সে'জন্য যোগবল আর পবিত্রতার বল জমা করতে হবে।

 

২ ) মোস্ট বিলাভেড (সর্বপেক্ষা প্রিয়তম) হলেন একমাত্র বাবা, ওঁনার উপর সম্পূর্ণরূপে বলিপ্রদত্ত হয়ে পুরানো দুনিয়ার থেকে বুদ্ধি বের করে দিতে হবে।

 

বরদানঃ-রুহানী আকর্ষণের দ্বারা সেবা আর সেবাকেন্দ্রকে উত্তরণ কলায় এগিয়ে নিয়ে চলা যোগী তু আত্মা ভব

যে যোগী তু আত্মারা আত্মিকতায় থাকে, তাদের রুহানী আকর্ষণ স্বতঃই সেবা এবং সেবাকেন্দ্রকে উত্তরণ (চড়তি) কলায় নিয়ে যায়। যোগযুক্ত হয়ে আত্মিকতার সঙ্গে আত্মাদের আহ্বান করলে জিজ্ঞাসু স্বতঃই বৃদ্ধি পায়। তারজন্য মনকে সদা হাল্কা রাখো, কোনো প্রকারের বোঝা যেন না থাকে। হৃদয়কে স্বচ্ছ রেখে ইচ্ছে গুলো পূর্ণ করতে থাকো, তবেই প্রাপ্তিগুলি তোমাদের সামনে স্বততঃই চলে আসবে। তোমাদেরই অধিকার রয়েছে।

স্লোগানঃ-পরমাত্ম জ্ঞানী সে-ই, যে সর্ববন্ধন এবং আকর্ষণ থেকে মুক্ত।

28.02.2023 HINDI MURLI

                                     28.02.2023 HINDI MURLI

“मीठे बच्चे - बाप के ज्ञान की कमाल है जो तुम इस ज्ञान और योगबल से बिल्कुल पवित्र बन जाते हो, बाप आये हैं तुम्हें ज्ञान से ज्ञान परी बनाने''

प्रश्नः- बाप की कमाल पर बच्चे बाप को इनएडवान्स कौन सा इनाम देते हैं?

उत्तर:- बाप पर बलि चढ़ना ही उन्हें इन-एडवांस इनाम देना है। ऐसे नहीं बाबा पहले ब्युटीफुल बनाये फिर बलिहार जायेंगे। अभी पूरा बलि चढ़ना है। शरीर निर्वाह करते, बाल-बच्चों को सम्भालते श्रीमत पर चलना ही बलिहार जाना है। इस पुरानी दुनिया में तो ठिक्कर-ठोबर हैं इनसे बुद्धियोग निकाल बाप और नई दुनिया को याद करना है।

गीत:- तू प्यार का सागर है...

ओम् शान्ति। बच्चे जानते हैं कि बाप सम्मुख बैठे हैं और जो दूर बैठे हैं, सभी के प्रति कहते हैं, सुनना तो उन्हों को भी है। बच्चे जानते हैं कि बाप ज्ञान का सागर है, तो जरूर उनमें ज्ञान होगा ना। जैसे संन्यासी विद्वान हैं तो वह समझते हैं हम विद्वान हैं। बच्चे जानते हैं परमपिता परमात्मा, मात-पिता के सम्मुख बैठे हैं। वह ज्ञान सागर है। ज्ञान से सद्गति होती है। उस ज्ञान सागर से जैसेकि लोटा भर लेते हैं। सागर तो सदैव भरपूर है ना। सागर से कितना पानी सारी दुनिया को मिलता रहता है। कभी खुटता नहीं, अथाह पानी है। तो बाप भी है ज्ञान का सागर, जब तक जीते हैं उनसे ज्ञान सुनते ही रहते हैं। वह सदा भरपूर है। थोड़े से ज्ञान रत्न दे देते हैं, जिससे सारी सृष्टि सद्गति को पाती है। वह है ज्ञान का सागर, शान्ति का सागर, सुख का सागर, उनके संग से पतित से पावन बनते हैं। तुम हो ज्ञान गंगायें, मानसरोवर होता है ना। सरोवर एक बड़ा तालाब है। वह भी कैलाश पर्वत पर दिखाते हैं। समझते हैं बड़ा सागर है, जिसमें डुबका मारने से मनुष्य परी बन जाते हैं। परियों का अर्थ तो समझ नहीं सकते। परियां बहुत शोभनिक होती हैं। अब तुम बच्चे जानते हो बाप हमको यह ज्ञान स्नान कराए ऐसा सुन्दर शोभनिक ज्ञान परी बनाते हैं। वहाँ तो नेचुरल ब्युटी होती है। यहाँ काजल क्रीम आदि लगाए श्रृंगार करते हैं। यह है आर्टीफिशल ब्युटी। तत्व ही तमोप्रधान हैं। वहाँ तत्व भी सतोप्रधान होते हैं। देवताओं जैसे शोभनिक कोई हो नहीं सकते। यहाँ की ब्युटी में हेल्थ तो नहीं रहती। वहाँ तुम्हारी हेल्थ भी अच्छी और ब्युटी भी रहती है। बच्चे समझते हैं बाबा तो कमाल कर देते हैं। मनुष्य बड़े-बड़े मार्बल की मूर्तियां बनाते हैं अथवा अच्छे आर्ट से चित्र बनाते हैं तो उनको बहुत इनाम मिलता है। अब विचार करो बाप ज्ञान और योगबल से हमको क्या से क्या बना देते हैं। यह तो बाप कमाल करते हैं। ज्ञान और योग की कितनी बड़ी बलिहारी है। कमाल है बाबा के ज्ञान बल से आत्मा बिल्कुल ही पवित्र हो जाती है। 5 तत्व भी प्योर हो जाते हैं, जिससे नैचुरल ब्युटी रहती है। नई दुनिया और पुरानी दुनिया में फ़र्क तो रहता है ना। हर एक चीज़ सतोप्रधान, सतो रजो तमो होती है। दुनिया भी ऐसे होती है। जैसे-जैसे मनुष्य ऐसे फिर उनके लिए वैभव रहते हैं। साहूकार के लिए वैभव भी अच्छे होते हैं ना। गरीब के पास ठिक्कर-ठोबर होते हैं। तो इस पुरानी दुनिया में भी ठिक्कर ठोबर हैं। नई दुनिया में सब कुछ नया होगा। तो कितना मोस्ट बील्वेड बाबा है, उनकी हम महिमा करेंगे। बाबा खुद तो नहीं कहेंगे - मैं कितना मोस्ट बील्वेड हूँ। बच्चे बाबा की महिमा करते हैं। बाप कहते हैं मैं तुमको ज्ञान योग से क्या बनाता हूँ। बाबा को फिर क्या इनाम मिलता है। इनएडवान्स ही बाबा को इनाम देते हैं अर्थात् उन पर बलि चढ़ते हैं। गाते भी हैं तुम पर बलिहार जाऊं, तो जरूर इनएडवांस बलिहार जायेंगे ना। ऐसे थोड़ेही पहले बाबा ब्युटीफुल बनावे फिर बाद में तुम बलिहार जायेंगे। बलिहारी भी पूरी चाहिए। वह भी राज़ समझाया है। ऐसे नहीं कि सभी बाबा के पास ले आकर बैठ जाना है। तुमको श्रीमत पर चलना है। वह है सर्व आत्माओं का बाप। उनको आत्माओं का रचयिता नहीं कहेंगे। सृष्टि का रचयिता वा स्वर्ग का रचयिता कहेंगे। बाकी आत्मा और यह खेल तो अनादि है। परन्तु इस समय पुरानी दुनिया को नया बनाते हैं। चेन्ज करते हैं। शरीर तो विनाशी है। बाबा अब हमारी कितनी आयु बढ़ाते हैं। बेहद की आयु बन जाती है। वहाँ एवरेज 150 वर्ष आयु रहती है। यहाँ तो कोई की एक वर्ष भी आयु रहती है। कोई की एक मास भी नहीं चलती। जन्मा और मरा। वहाँ ऐसे नहीं होता। सबकी आयु बड़ी रहती है। कायदे-अनुसार जल्दी से बर्तन टूट नहीं सकता। तो बाप समझाते हैं अब बहुत मेहनत करनी है। तुम शिव शक्ति सेना बाप के मददगार हो। तुम समझते हो इस समय रावण राज्य है, सब विकारी हैं। उन विकारियों से संन्यासी अलग हो जाते हैं फिर सृष्टि रची नहीं जाती। संन्यासी संन्यास सृष्टि ही रचेंगे अर्थात् मुख से आप समान संन्यासी बनायेंगे। उनको वंशावली नहीं कहेंगे। वंशावली गृहस्थ आश्रम में रहते हैं। सतयुग में वंशावली फूल जैसी होती है। संन्यासियों की वंशावली नहीं हो सकती। लिमिटेड हैं। यह तो अनलिमिटेड हैं ना। गृहस्थ आश्रम कहते हैं। वास्तव में आश्रम तो बहुत ऊंचा ठहरा। आश्रम पवित्र होता है। विकारी गृहस्थ को आश्रम नहीं कह सकते। बाप पवित्र गृहस्थ आश्रम धर्मी बनाते हैं, माया रावण अधर्मी बना देती है। मनुष्य अधर्मी बन पड़े हैं। धर्मी, अधर्मी मनुष्य को ही कहेंगे। जानवर को थोड़ेही कहेंगे। तो बाप आकर धर्मी बनाते हैं, माया अधर्मी बना देती है। परन्तु उनको जानते नहीं हैं। जैसे ईश्वर को नहीं जानते वैसे माया को भी नहीं जानते। परमात्मा के लिए कह देते सर्वव्यापी है। परन्तु सर्वव्यापी तो 5 विकार हैं। इस समय भक्त सब बाप को याद करते हैं अर्थात् सब में भगवान की याद है। ऐसे नहीं कि वह सर्वव्यापी है। 5 विकार ही दु:ख देते हैं। तो भक्त भगवान को याद करते हैं, बहुत दु:खी हैं। फिर कह देते हैं दु:ख सुख भगवान ही देते हैं। रावण का नाम ही भूल जाते हैं और माया फिर सम्पत्ति को समझ लेते हैं। सम्पत्ति तो धन को कहा जाता है। इस समय सभी मनुष्य माया रावण के मुरीद हैं। तुम आकर ईश्वर के मुरीद बने हो। वह रावण के दु:ख का वर्सा लेते हैं। तुम बाप से सुख का वर्सा लेते हो। बाप आकरके माताओं को गुरू पद देते हैं। यहाँ कहते हैं पति स्त्री का गुरू है, परन्तु वह तो और ही पतित बना देते हैं। द्रोपदी ने भी कहा ना हमारी लाज रखो। अब बाप कहते हैं इन कन्याओं द्वारा ही उद्धार करूँगा। कन्या का गायन है, कुमारी वह जो पियर और ससुरघर का 21 जन्मों के लिए उद्धार करे। इस समय तुम कन्यायें बनती हो ना। मातायें भी कुमारी बन जाती हैं। ब्रह्माकुमारियां हो ना। तो इस समय की तुम्हारी महिमा चली आती है। कुमारियों ने कमाल की है। बाप ने ही कुमारियों को अपना बनाया है। तो नाम बाला करना है। मातायें भी ईश्वरीय गोद ले कुमारी बन जाती हैं। तो कन्याओं की महिमा वैसे तो सिर्फ गायन-मात्र है। अब फिर प्रैक्टिकल में तुमको बाप जगाते हैं। बाप ने कुमारियों को अपना बनाया है। सीढ़ी चढ़ फिर उतरना मुश्किलात हो जाती है। अभी भी देखते हैं तो कहते हैं ना - नाहेक शादी की। फिर बच्चे पैदा होने से मोह की रग जुट जाती है। तो बाप समझाते हैं आधाकल्प कन्या को शादी कराए विकारी बनाया है। अभी बाप आया हुआ है कहते हैं पवित्र बनो। देखते हो पवित्रता में सुख भी है तो मान भी है। संन्यासियों का कितना मान है। बन्धनमुक्त हो जाते हैं। वह है पवित्रता का बल, वह कोई योग का बल नहीं है। योगबल सिर्फ तुम्हारे पास है। उन्हों का तो है तत्व से योग, जहाँ रहते हैं। जैसे 5 तत्व हैं वैसे वह फिर छठा तत्व है, उनको ब्रह्म ईश्वर कह देते हैं इसलिए उनका योग आर्टीफिशल है। उस योग से विकर्म विनाश नहीं होते, इसलिए गंगा स्नान करने जाते हैं। अगर निश्चय होता कि योग से पावन बनते हैं तो फिर गंगा स्नान नहीं करते। इससे सिद्ध होता है कि उन्हों का योग कायदे के विरुद्ध है। जैसे हिन्दू कोई धर्म नहीं वैसे ब्रह्म भी ईश्वर नहीं। रहने के स्थान को ईश्वर समझ लेते हैं। यह बाप आकर समझाते हैं। तो कुमारियां समझा सकती हैं। हम बी.के. इस भारत को स्वर्ग बनाते हैं, वर्ल्ड आलमाइटी अथॉरिटी राज्य बनाते हैं। बाप कहते हैं माताओं का नाम बहुत बाला करना है। पुरुषों को इसमें मदद करनी चाहिए। यह पवित्र रहना चाहती हैं तो पवित्र रहने दो। तो बाप आकर पहले माताओं और कुमारियों को ज्ञान देकर अपना बनाते हैं। शिव वंशी तो सब हैं ही, फिर ब्रह्माकुमार और कुमारियां बनते हैं। कुमार भी हैं परन्तु थोड़े। कुमारियां जास्ती हैं। तुम्हारे यादगार का मन्दिर भी यहाँ एक्यूरेट है। मनुष्य समझते हैं विकार बिगर सृष्टि कैसे पैदा होगी। बाप कहते हैं अभी यह दु:खदाई पतित सृष्टि नहीं चाहिए। तो जरूर पवित्र रहना पड़े। गवर्मेन्ट भी कहती है पैदाइस कम हो क्योंकि वह समझते हैं इतना अन्न कहाँ से आयेगा। वह पवित्रता की बात नहीं समझते। तुम जानते हो अभी शिवालय स्थापन होता है। बेहद की दुनिया शिवालय बन जाती है। उन्होंने तो एक मन्दिर का नाम रख दिया है शिवालय। वह हो गया हद का शिवालय। यह बनता है बेहद का शिवालय। सारा स्वर्ग शिवालय कहेंगे। शिव ने देवी-देवताओं की रचना की है। उनके मन्दिर बने हुए हैं। वह है चैतन्य शिवालय। फिर यह वेश्यालय बनता है। चैतन्य देवताओं के जड़ मन्दिर बनाकर उन्हों को फिर विकारी लोग पूजते हैं। शिवालय शिवबाबा बनाते हैं। मददगार हैं शिव शक्ति पाण्डव सेना। मैजारिटी शक्तियों की होने कारण उन्हों का नाम बाला हुआ है। कन्यायें जास्ती हैं। शिवबाबा तुम्हें अपना बनाते हैं। श्रीकृष्ण तो छोटा प्रिन्स था वह कैसे अपना बनायेगा। वह तो खुद ही स्वयंवर कर महाराजा बनते हैं। तो यहाँ शिवबाबा कंसपुरी से निकाल तुमको श्रीकृष्णपुरी सतयुग में ले चलते हैं। यह है कंसपुरी। अब सारी दुनिया है एक तरफ और तुम थोड़ी बच्चियां हो दूसरे तरफ। आधाकल्प मनुष्यों ने उल्टा समझाया है। बाप ने आकर सुल्टा समझाया है। आगे कान्ट्रास्ट का बहुत अच्छा किताब था। अभी तो प्वाइंट भी और-और अच्छी निकल रही हैं। बाप कहते हैं दिन-प्रतिदिन तुमको बहुत गुह्य बातें सुनाता हूँ। सब ज्ञान इकट्ठा तो नहीं देंगे। पहले हल्का सुनाते थे। दिन-प्रतिदिन गुह्य होता जाता है। सब गुह्य बातें एक समय कैसे सुनाऊंगा। जो कुछ समझाते वही कल्प पहले भी समझाया था, इसमें कोई संशय की बात नहीं। ऐसे नहीं कि आगे तो बाबा ऐसे कहते थे। अभी फिर ऐसे कहते हैं। अरे पहले तो पहला क्लास था। अजुन बहुत प्वाइंट्स हैं जो और निकलती रहेंगी। जब तक जियेंगे, बाबा सुनाते रहेंगे। बाबा ने कुछ गुह्य राज़ सुनाया तो फिर बतायेंगे। अभी हम पढ़ रहे हैं। उन शास्त्रवादियों को भी शास्त्र कण्ठ रहते हैं। अब 18 अध्याय तो हैं नहीं। यह तो ज्ञान सागर है। सुनाते ही रहते हैं। वह बाप ही ज्ञान का सागर, आनन्द का सागर, शान्ति का सागर है। इस दुनिया में तो कुछ भी नहीं है। न प्यार है, न सार है। वह तो सब बातों का सागर ही सागर है।


मनुष्य कहते हैं वह सर्वव्यापी है। हम भी वही हैं लेकिन उनकी तो महिमा बड़ी जबरदस्त है। सभी भक्त साधू आदि उनको याद करते हैं। दु:खी हैं तब तो कहते हैं वापिस निर्वाणधाम में जायें। सो तो जब निर्वाणधाम का मालिक आये तब ही ले जाये। स्वर्ग की सौगात बच्चों के लिए बाप ले आते हैं। खुद स्वर्ग का मालिक नहीं बनते हैं। बाप देते हैं स्वर्ग की सौगात। फिर रावण आकर दु:ख देते हैं। दु:ख को सौगात नहीं कहेंगे। स्वर्ग के सौगात की चाबी दी है कन्याओं को। कन्यायें भारत को स्वर्ग बनाती हैं। कन्यायें अपने मित्र-सम्बन्धियों को भी समझा सकती हैं - हमने पारलौकिक मात-पिता की गोद ली है। अच्छा!


मीठे-मीठे सिकीलधे बच्चों प्रति मात-पिता बापदादा का यादप्यार और गुडमार्निंग। रूहानी बाप की रूहानी बच्चों को नमस्ते।


धारणा के लिए मुख्य सार:-


1) गृहस्थ को आश्रम अर्थात् पवित्र बनाना है। पवित्रता में ही बल है, पवित्रता का ही मान है इसलिए योगबल और पवित्रता का बल जमा करना है।


2) मोस्ट बील्वेड एक बाबा है, उस पर पूरा-पूरा बलि चढ़ पुरानी दुनिया से बुद्धि निकाल देनी है।


वरदान:- रूहानी आकर्षण द्वारा सेवा और सेवाकेन्द्र को चढ़ती कला में ले जाने वाले योगी तू आत्मा भव

जो योगी तू आत्मायें रूहानियत में रहती हैं, उनकी रूहानी आकर्षण सेवा और सेवाकेन्द्र को स्वत: चढ़ती कला में ले जाती है। योगयुक्त हो रूहानियत से आत्माओं का आह्वान करने से जिज्ञासु स्वत: बढ़ते हैं। इसके लिए मन सदा हल्का रखो, किसी भी प्रकार का बोझ नहीं रहे। दिल साफ मुराद हांसिल करते रहो, तो प्राप्तियां आपके सामने स्वत: आयेंगी। अधिकार ही आप लोगों का है।

स्लोगन:- परमात्म ज्ञानी वह है जो सर्व बन्धनों एवं आकर्षणों से मुक्त है।


Sunday, February 26, 2023

27.02.2023 BANGLA MURLI

                                               27.02.2023 BANGLA MURLI



"মিষ্টি বাচ্চারা ‐ বাবা এসেছেন অসীম সৃষ্টির সেবাতে, নরককে স্বর্গ করে তোলা - এই সেবা কল্পে-কল্পে বাবাই করে থাকেন"

*প্রশ্নঃ - সঙ্গম যুগের কোন্ রীতি সম্পূর্ণ কল্পের থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন?

*উত্তরঃ - সম্পূর্ণ কল্প বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করে, কিন্তু সঙ্গম যুগে বাবা বাচ্চাদের নমস্কার করেন। বাবা বলেন তোমরা আমার হারিয়ে যাওয়া বাচ্চারা যাদের সেবা করার জন্য উপস্থিত হয়েছি সুতরাং তোমরা বাচ্চারা বড়, সেটাই দাঁড়াল তাইনা। বাবা কল্পের শেষে বাচ্চাদের কাছে আসেন সম্পূর্ণ সৃষ্টি থেকে আবর্জনা পরিষ্কার করে নরককে স্বর্গ করে তুলতে। বাবার মতো নিরাকার, নিরহঙ্কারী আর কেউই হতে পারে না। বাবা তাঁর ক্লান্ত হয়ে পড়া বাচ্চাদের পা মালিশ করেন।

ওম্ শান্তি । বাবা এলে প্রথমে বাচ্চাদের নমস্কার করবেন নাকি বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করবে? (বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করবে) না, প্রথমে বাবাকে নমস্কার করতে হয়। সঙ্গম যুগের রীতি-নিয়ম সবচাইতে ভিন্ন। বাবা স্বয়ং বলেন আমি তোমাদের সবার পিতা তোমাদের সার্ভিস করতে উপস্থিত হয়েছি। সুতরাং বাচ্চারা বড়ো, এটাই দাঁড়াল তাই না ! দুনিয়াতে বাচ্চারা বাবাকে নমস্কার করে। এখানে বাবা বাচ্চাদের নমস্কার করেন। গাওয়াও হয়ে থাকে তিনি নিরাকারী, নিরহঙ্কারী সুতরাং সেটা তো দেখাতেও হবে তাই না । ওরা তো সন্ন্যাসীদের চরণে মাথা নত করে । চরণ চুম্বন করে। কিছুই জানে না। বাবা আসেনই বাচ্চাদের সাথে মিলিত হতে - কল্প শেষে। অসংখ্য হারানিধি বাচ্চা, সেইজন্যই বলেন - মিষ্টি বাচ্চারা ক্লান্ত হয়ে পড়েছো। দ্রৌপদীরও পা মালিশ করেছিল না ! সুতরাং তিনি সার্ভেন্ট তাইনা। বন্দে মাতরম্ কে উচ্চারণ করেছিল? বাবা করেছিলেন। বাচ্চারা জানে যে বাবা এসেছেন সম্পূর্ণ সৃষ্টিতে অসীম জগতের সেবাতে। সৃষ্টিতে কত নোংরা। এটা হলোই নরক সুতরাং বাবাকে আসতেই হয়, নরককে স্বর্গ করে তুলতে - অনেক উৎসাহ আর ভালোবাসার সাথে আসেন। তিনি জানেন আমাকে বাচ্চাদের সেবার জন্য আসতে হবে। কল্পে-কল্পে সেবার জন্য উপস্থিত হতে হবে। যখন তিনি স্বয়ং আসেন বাচ্চারাও বোঝে যে বাবা আমাদের সেবার জন্য উপস্থিত হয়েছেন। এখানে বসেই সবার সেবা হয়ে যায়। এমন নয় যে সবার কাছে যেতে হবে। সর্বব্যাপীর অর্থও ওরা জানে না। সম্পূর্ণ সৃষ্টির কল্যাণকারী দাতা তো একজনই তাইনা। তাঁর তুল্য সেবা কোনো মানুষই করতে পারবে না। ওঁনার হলো অসীম জগতের সেবা।


গীত : - জাগো সজনীরা জাগো.....


ওম্ শান্তি । দেখো কত সুন্দর গান। নব যুগ আর পুরানো যুগ.... যুগের উপরেও বোঝান উচিত। যুগ হলো ভারতবাসীদের জন্যই। ভারতবাসীদের থেকেই ওরা শোনে যে সত্যযুগ, ত্রেতা পার হয়ে গেছে, কেননা তারা তো আসেই দ্বাপরে। তাই অন্যদের কাছ থেকে শোনে যে প্রাচীন খন্ড ভারত ছিল, সেখানে দেবী-দেবতারা রাজ্যত্ব করতো। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল, এখন নেই। গাওয়াও হয় ব্রহ্মার দ্বারা স্থাপনা, বিষ্ণুর দ্বারা পালনা করান। তারা করে না, তাদের দিয়ে করানো হয়। তো এ হলো ওঁনার মহিমা। বাস্তবে ওঁনাকে প্রথমে রচনা করতে হয় সূক্ষ্মলোকের, কেননা তিনি হলেন ক্রিয়েটার। গীতাকে সবাই বলে সর্বশাস্ত্রের শিরোমণি শ্রীমদ্ভগবত গীতা। কিন্তু ভগবানের নাম জানে না, কোন্ ভগবান? ব্যাস (দেব) ইত্যাদি যারা শাস্ত্র তৈরি করেছে তারা শ্রীকৃষ্ণের নাম দিয়ে দিয়েছে। গীতা তো দেবী-দেবতা ধর্মের মাতা-পিতা। বাকি সব কিছু পরে এসেছে। সুতরাং এই গীতাই হলো প্রাচীন। আচ্ছা ভগবান গীতা কবে শুনিয়েছিলেন? নিশ্চয়ই সেই সময় সব ধর্ম থাকা উচিত। সব ধর্মের জন্য বাস্তবে এক গীতাই হলো মুখ্য। সব ধর্মাবলম্বীদের এটা মানা উচিত। কিন্তু মানে কোথায়। মুসলমান, খ্রিস্টান ইত্যাদি ধর্মাবলম্বীরা হলো খুব কট্টর। তারা নিজেদের ধর্ম শাস্ত্রকেই মানে। যখন জানতে পারে যে গীতা প্রাচীন শাস্ত্র তখন চেয়ে পাঠায়। কিন্তু এটা তো জানে না যে ভগবান গীতা কবে শুনিয়েছিলেন? চিন্ময়ানন্দ বলেন ৩৫০০ বছর বিফোর ক্রাইস্ট, গীতার ভগবান গীতা শুনিয়েছিলেন। ৩৫০০ বছর আগে এই ধর্ম গুলো তো ছিলই না। তবে কীভাবে এটা সব ধর্মের শাস্ত্র হতে পারে। সব ধর্ম তো এই সময়েই আছে। সব ধর্মকে গীতা দ্বারা সদ্গতি দেওয়ার জন্যই বাবা এসেছেন। বাবার উচ্চারিত মহাবাক্য এই গীতা। বাবার পরিবর্তে বাচ্চার নাম দিয়েই মুশকিল করে ফেলেছে । এই শাস্ত্র কখন শিবরাত্রি পালন করতে হবে তা বলে না। শিব জয়ন্তী আর কৃষ্ণ জয়ন্তী প্রায় একই সময়ে উদযাপন করা হয়। শিব জয়ন্তী শেষ হলে কৃষ্ণের জন্ম হয়।


কখনও শ্রী কৃষ্ণ জ্ঞান যজ্ঞ গাওয়া হয় না। রুদ্র জ্ঞান যজ্ঞ গাওয়া হয়, এই যজ্ঞের দ্বারাই বিনাশের অগ্নি প্রজ্জ্বলিত হয়। সেটাও প্রকৃতপক্ষে দেখছো তোমরা । আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম পুনরায় স্থাপিত হচ্ছে। এরপর অন্য কোনো ধর্ম থাকবে না। কৃষ্ণও তখনই আসবে যখন সব ধর্ম থাকবে না। এটাও বোঝার বিষয় তাইনা। সত্যযুগে সূর্য বংশীয় দেবী-দেবতাদের রাজ্য ছিল নিশ্চয়ই তখন অল্প সংখ্যক মানুষ ছিল। বাদবাকি আত্মারা তখন মুক্তিধামে থাকে। ভগবানের সাথে তো সবাইকেই মিলিত হতে হবে তাই না! বাবাকে সলাম তো করবে তাইনা। বাবাও তারপর এসে সলাম করেন বাচ্চাদেরকে। বাচ্চারাও এরপর বাবাকে করে। এই সময় বাবা চৈতন্যতে এসেছেন। তারপর ওখানে (মুক্তিধাম) সব আত্মারা বাবার সাথে অবশ্যই মিলিত হবে। কোথায় মিলিত হবে? এখানে তো মিলিত হতে পারবে না। কেননা কোটিতে কেউ, তার মধ্যেও কেউ মিলিত হবে। সুতরাং সব ভক্তরা কবে আর কোথায় মিলিত হবে? যেখানে ভগবানের কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল, সেখানে গিয়েই মিলিত হবে। ভগবানের নিবাস স্থান হলো পরমধাম। বাবা বলেন আমি সব বাচ্চাদের পরমধামে নিয়ে যাই - দুঃখ থেকে মুক্তি দিয়ে। এই কাজ একমাত্র ওঁনার। এখন অসংখ্য ভাষা আছে। যদি সংস্কৃত ভাষা দিয়ে শুরু করি সবাই কিভাবে বুঝবে। আজকাল গীতাও সংস্কৃত ভাষায় কন্ঠস্থ করে ফেলে। অনেকেই সংস্কৃতে খুব ভালো গীতা গান করে। এখন অহল্যা, কুব্জা, অবলা যারা আছে... তারা সংস্কৃত কেউ-ই জানে না। হিন্দি খুব কমন ভাষা। হিন্দি ভাষার প্রচারও বেশি। ভগবানও হিন্দিতে শুনিয়ে থাকেন। ওরা তো গীতার অধ্যায় বলে থাকে, এর অধ্যায় কীভাবে তৈরি করবে। এ তো শুরু থেকেই মুরলী চলতেই থাকছে । বাবাকে আসতেই হয় পতিত সৃষ্টিকে পবিত্র করে তোলার জন্য। হেভনলি গডফাদার নিশ্চয়ই স্বর্গই ক্রিয়েট করবেন। তিনি থোড়াই নরক রচনা করবেন, নরকের স্থাপনা তো রাবণ করে থাকে।স্বর্গের স্থাপনা বাবা করেন, ওঁনার নাম শিব। শিব অর্থাৎ বিন্দু। আত্মাও বিন্দু তাইনা। স্টার কীরকম? কতটা ছোট? থোড়াই এমন হবে যে আত্মারা উপরে গেলে বড় হয়ে যাবে। ভ্রুকুটির মাঝখানে একে চিহ্ন দেখানো হয়। বলাও হয় ভ্রুকুটির মাঝখানে জ্বলজ্বল করে এক আজব নক্ষত্র । এতো ছোট আত্মা ভ্রুকুটির মধ্যেই থাকতে পারবে। সুতরাং যেমন আত্মা তেমনই পরমাত্মা। কিন্তু এটাই আশ্চর্যের যে প্রতিটি এতো ছোট্ট আত্মার মধ্যে সমস্ত জন্মের পার্ট সঞ্চিত হয়ে আছে। যা কখনোই মোছে না, চিরদিনের জন্য চলতেই থাকে। কত গুহ্য বিষয় এটা। বাবা আগে কখনো এসব কথা কি শুনিয়েছেন? প্রথমে তো বলতেন আত্মার লিঙ্গ রূপ, অঙ্গুষ্ঠাকার। প্রথমেই যদি এটা বলতেন তোমরা বুঝতে পারতে না। এখন তোমাদের বুদ্ধিতে বসেছে। স্টার তো সবাই বলবে। স্টারের সাক্ষাৎকারও হয়। তোমাদের কোন্ জিনিসের সাক্ষাৎকার চাই ? নতুন দুনিয়ার। নতুন দুনিয়া হলো স্বর্গ যা বাবা রচনা করেন। সেখানেই সবাইকে পাঠিয়ে দেবেন। তিনি স্বয়ং একবারই আসেন। মানুষ এখন শান্তি চায় কেননা সবাই শান্তিতেই যেতে চায়। বলে থাকে (ক্ষণিকের) সুখ হলো কাক বিষ্ঠার সমান। গীতাতে আছে রাজযোগ....যার মাধ্যমে রাজাদের রাজা হওয়া যায়। সন্ন্যাসীরা গীতাকে গ্রহণ করতে পারে না। বাবা বলেন দুই প্রকারের সন্ন্যাস আছে। সন্ন্যাসীদের মধ্যেও অনেক রকমের আছে। এখানে একই প্রকার সন্ন্যাস। তোমরা বাচ্চারা পুরানো দুনিয়া থেকে সন্ন্যাস নিয়ে থাকো। তোমাদের গৃহস্থ পরিবারে থেকেও, কমল পুষ্পের মতো থাকতে হয়। কিভাবে থাকা যায়, সে'কথা এদেরকে জিজ্ঞাসা করো। অনেকেই আছে যারা এভাবে (পবিত্র) থাকে। এই কাজ সন্ন্যাসীদের জন্য নয়। তা না হলে কেন ঘর পরিবার ছেড়ে চলে যায়। চ্যারিটি বিগনস্ অ্যাট হোম (ঘর থেকেই প্রথম শুরু করা)। প্রথম তো স্ত্রীকে শেখাতে হয়। শিববাবাও বলেন আমি তো প্রথমে নিজের স্ত্রীকেই (সাকার ব্রহ্মা) বোঝাই তাইনা। শিববাবার এটা চৈতন্য হোম। সবার প্রথমে তো এই স্ত্রী শেখে তারপর তার অ্যাডপ্ট করা বাচ্চারা নম্বর ক্রমানুসারে শিখছে। বড় গুহ্য এই বিষয়। সমস্ত শাস্ত্রের মধ্যে প্রধান হলো গীতা। কিন্তু গীতা শাস্ত্র থেকে কেউ অনুপ্রেরণা নেয় না। তিনি তো এখানে আসেন, তাঁর স্মৃতিচিহ্নও রয়েছে। শিবের অনেক মন্দির আছে। তিনি স্বয়ং বলেন আমি সাধারণ ব্রহ্মা শরীরে আসি। সে নিজের জন্ম সম্পর্কেও জানে না। এটা শুধু একজনের কথা নয়। সব ব্রহ্মা মুখ বংশাবলীরা বসে আছে। শুধু একজনকে বাবা বোঝাবেন, তা নয়। ব্রহ্মা মুখ দ্বারা তোমরা ব্রাহ্মণরা রচিত হয়েছো, সুতরাং বাবা ব্রাহ্মণদেরই বোঝান। যজ্ঞ সবসময় ব্রাহ্মণদের দ্বারাই চলে। যারা গীতা শোনায় তাদের কাছে ব্রাহ্মণ থাকে না, সেইজন্যই সেটাকে যজ্ঞ বলা যায় না। এই যজ্ঞ অনেক বড়। অসীম জগতের পিতার দ্বারা অসীমের যজ্ঞ এটা। সেই কবে থেকে যজ্ঞ কুন্ড জ্বলে আসছে। এখনও পর্যন্ত ভান্ডারা চলতেই থাকছে। সমাপ্ত কবে হবে? যখন সম্পূর্ণ রাজধানী স্থাপন হয়ে যাবে। বাবা বলেন আমি তোমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যাব। তারপর নম্বরানুসারে পার্ট প্লে করার জন্য পাঠিয়ে দেবো। এমন কথা আর কেউ-ই বলতে পারবে না যে আমি তোমাদের পান্ডা, তোমাদের নিয়ে যাব। যত পতিত মানুষ আছে, সবাইকে পবিত্র করে নিয়ে যান। তারপর নিজ-নিজ সময়ানুসারে ধর্ম স্থাপনা করার জন্য পবিত্র আত্মারা আসতে শুরু করে। এখন অনেক ধর্ম আছে। একটাই ধর্ম এখন আর নেই, তারপর অর্ধেক কল্প কোনো শাস্ত্র থাকে না। সুতরাং গীতা সব ধর্মের, সব শাস্ত্রের শিরোমণি। কেননা এর দ্বারাই সবার গতি সদ্গতি হয়। সুতরাং বোঝানো উচিত - সদ্গতি হয় ভারতবাসীদের, বাকিদের গতি হয়। ভারতবাসীদের মধ্যে জ্ঞান তারাই নেবে যারা প্রথমে পরমাত্মার থেকে আলাদা হয়েছে, তারাই প্রথমে জ্ঞান অর্জন করবে। তারাই আবার প্রথমে যেতে শুরু করবে। নম্বরের ক্রমানুসারে তারপর সবাইকে আসতে হবে। সতোঃ, রজোঃ এবং তমোঃ-র মধ্য দিয়ে সবাইকেই পার হতে হবে। এখন কল্পের আয়ু সম্পূর্ণ হয়েছে। সমস্ত আত্মারা উপস্থিত আছে। বাবাও এসেছেন। প্রত্যেককেই নিজ-নিজ ভূমিকা পালন করতে হবে। নাটকে সব অ্যাক্টর্স একত্রে তো আসে না, নিজের-নিজের সময় অনুসারে আসে। বাবাও বুঝিয়েছেন নম্বরানুসারে কীভাবে আসে। বর্ণের রহস্যও বুঝিয়েছেন। কেশশিখা হলো ব্রাহ্মণদের। কিন্তু ব্রাহ্মণদের কে রচনা করেছেন? শূদ্র তো রচনা করবে না। চোটির উপরে তারপর হলো ব্রাহ্মণদের পিতা ব্রহ্মা। ব্রহ্মার পিতা হলেন শিববাবা। সুতরাং তোমরা হলে শিব বংশী ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী । তোমরা ব্রাহ্মণ তারপর দেবতা হবে। বর্ণের হিসেব বোঝাতেও হবে। বাচ্চাদেরকে রায়ও দেওয়া হয়। এটা তো জানা আছে যে সবাই একইরকম হুঁশিয়ার নয়। একজন বিদ্বান বা পন্ডিত যদি একজন নতুন আসা কারো সাথে ডিবেট করে সে তো বোঝাতে পারবে না। সুতরাং বলা উচিত যে আমি নতুন। আপনি অমুক সময় আসুন আমার সিনিয়র আপনাকে বুঝিয়ে বলবেন, আমার থেকেও তীক্ষ্ম অন্যরা রয়েছেন ।


ক্লাসেও নম্বরানুসারে আছে না ! দেহ-অভিমানে আসা উচিত নয়। না হলে সম্মান হানি হয়। বলে থাকে বি.কে তো ভালো করে বোঝাতে পারে না, সেইজন্যই দেহ-অভিমান ত্যাগ করে অন্য কারো কাছে পাঠিয়ে দেওয়া উচিত। বাবাও বলে থাকেন না যে আমি উপর থেকে জিজ্ঞাসা করব। পন্ডিত লোকেরা মাথা খারাপ করে দেবে। সুতরাং তাদের বলা উচিত - আমি এখন শিখছি, আমাকে ক্ষমা করবেন। আপনি আগামী কাল আসবেন আমাদের বড় ভাই-বোন আপনাকে বোঝাবে। মহারথী, ঘোড়সওয়ার, পদাতিক তো আছে তাইনা। কেউ আবার সিংহবাহিনীও । সিংহ সবচেয়ে তীক্ষ্ম (হিংস্র) । জঙ্গলে একাই থাকে। হাতি সবসময় দলবদ্ধ হয়ে থাকে। একলা থাকলে কেউ মারতেও পারে। শক্তিদেরও সিংহের উপর অধিষ্ঠিত দেখানো হয়েছে।


তোমাদের মিশনকেও বাইরে (বিদেশে) নিয়ে যাওয়া দরকার । কিন্তু বাবা দেখেন কে এ বড় মহত্ত্বপূর্ণ উদ্যোগ নেবে। প্রাচীন দেবতা ধর্ম কে স্থাপন করেছিল - সেটা প্রমাণ করে ব্যাখ্যা করতে হবে। অনেকেই গড গডেসের কথাও বলে। তারা মনে করে গড গডেস আলাদা, ঈশ্বর আলাদা। তারা লক্ষ্মী-নারায়ণকে ভগবান ভগবতী বলে থাকে। কিন্তু এটা হলো ল' এর বিরুদ্ধ। ওরা হলো দেবী-দেবতা। যদি লক্ষ্মী-নারায়ণকে ভগবান ভগবতী বলে থাকে তবে তো ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করকেও দেবতা বলতে হবে। বোঝার মতো বুদ্ধি চাই । আচ্ছা!


মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।


*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*


১ ) দেহ-অভিমানকে ছেড়ে নিজের থেকে বড়দের সামনে এগিয়ে দিতে হবে । বাবার মতো নিরহঙ্কারী হতে হবে।


২ ) চ্যারিটি বিগন্স অ্যাট হোম.....আগে নিজের গৃহস্থ পরিবারে থেকে কমল ফুলের মতো হতে হবে। ঘর পরিবারে থেকেও বুদ্ধি থেকে পুরানো দুনিয়ার থেকে সন্ন্যাস নিতে হবে।


*বরদানঃ-* ‐ সম্বন্ধে সন্তুষ্টতা রূপী স্বচ্ছতাকে ধারণ করে সদা হাল্কা আর খুশিতে থাকা সত্যিকারের পুরুষার্থী ভব

সারাদিন ভ্যারাইটি আত্মাদের সাথে সম্পর্কে আসতে হয়। এখন চেক করো সারাদিন নিজের সন্তুষ্টতা এবং সম্বন্ধে আসা অন্য আত্মাদের সন্তুষ্টতার পারসেন্টেজ কতটা থাকে? সন্তুষ্টতার লক্ষণ হলো নিজেও মন থেকে হাল্কা আর খুশি থাকবে আর অন্যান্যরাও খুশিতে থাকবে। সম্বন্ধে স্বচ্ছতা অর্থাৎ সন্তুষ্টতা এটাই হলো সম্বন্ধের সত্যতা এবং পরিচ্ছন্নতা। সেইজন্যই বলা হয় যেখানে সত্য থাকে সেখানে মন খুশিতে নাচে। সত্যিকারের পুরুষার্থী সবসময় খুশিতে নাচতে থাকবে।

*স্লোগানঃ-* যার কোনো বিষয়েই কোনো রকম দুঃখ (গম) নেই, সেই বেগমপুরের বাদশাহ।


27.02.2023 HIND MURLI

                                                    27.02.2023 HIND MURLI

मीठे बच्चे - बाप आया है बेहद सृष्टि की सेवा पर, नर्क को स्वर्ग बनाना - यह सेवा कल्प-कल्प बाप ही करते हैं''

प्रश्नः- संगम की कौन सी रसम सारे कल्प से न्यारी है?

उत्तर:- सारे कल्प में बच्चे बाप को नमस्ते करते हैं, लेकिन संगम पर बाप बच्चों को नमस्ते करते हैं। बाप कहते हैं मैं तुम सिकीलधे बच्चों की सेवा पर उपस्थित हुआ हूँ तो तुम बच्चे बड़े ठहरे ना। बाप कल्प के बाद बच्चों के पास आते हैं, सारी सृष्टि के किचड़े को साफ कर नर्क को स्वर्ग बनाने। बाप जैसा निराकारी, निरहंकारी और कोई हो नहीं सकता। बाप अपने थके हुए बच्चों के पांव दबाते हैं।

ओम् शान्ति। बाप आने से ही पहले-पहले बच्चों को नमस्ते करे या बच्चे बाप को नमस्ते करें? (बच्चे बाप को नमस्ते करें) नहीं, पहले बाप को नमस्ते करना पड़े। संगमयुग की रसम-रिवाज ही सबसे न्यारी है। बाप खुद कहते हैं मैं तुम सबका बाप तुम्हारी सर्विस में आकर उपस्थित हुआ हूँ। तो जरूर बच्चे बड़े ठहरे ना। दुनिया में तो बच्चे बाप को नमस्ते करते हैं। यहाँ बाप नमस्ते करते हैं बच्चों को। गाया भी हुआ है निराकारी, निरहंकारी तो वह भी दिखलाना पड़े ना। वह तो संन्यासियों के चरणों में झुकते हैं। चरणों को चूमते हैं। समझते कुछ भी नहीं। बाप आते ही हैं बच्चों से मिलने - कल्प के बाद। बहुत सिकीलधे बच्चे हैं, इसलिए कहते हैं - मीठे बच्चे थके हो। द्रोपदी के भी पांव दबाये हैं ना। तो सर्वेन्ट हुआ ना। वन्दे मातरम् किसने उच्चारा है? बाप ने। बच्चे समझते हैं बाप आया हुआ है सारी सृष्टि की बेहद सेवा पर। सृष्टि पर कितना किचड़ा है। यह है ही नर्क तो बाप को आना पड़ता है, नर्क को स्वर्ग बनाने - बहुत उकीर (प्यार-उमंग) से आते हैं। जानते हैं मुझे बच्चों की सेवा में आना है। कल्प-कल्प सेवा पर उपस्थित होना है। जब वह खुद आते हैं तब बच्चे समझते हैं बाप हमारी सेवा में उपस्थित हुए हैं। यहाँ बैठे सभी की सेवा हो जाती है। ऐसे नहीं सबके पास जाता होगा। सर्वव्यापी का अर्थ भी नहीं जानते। सारी सृष्टि का कल्याणकारी दाता तो एक है ना। उनकी भेंट में मनुष्य कोई सेवा कर न सकें। उनकी है बेहद की सेवा।


गीत:- जाग सजनियां जाग...


ओम् शान्ति। देखो कितना अच्छा गीत है। नव युग और पुराना युग.... युगों पर भी समझाना चाहिए। युग भारतवासियों के लिए ही हैं। भारतवासियों से वह सुनते हैं कि सतयुग, त्रेता होकर गये हैं क्योंकि वह तो आते हैं द्वापर में। तो औरों से सुनते हैं प्राचीन खण्ड भारत था, उसमें देवी-देवतायें राज्य करते थे। आदि सनातन देवी-देवता धर्म था, अभी नहीं है। गाया जाता है ब्रह्मा द्वारा स्थापना, विष्णु द्वारा पालना कराते हैं। करते नहीं हैं, कराते हैं। तो यह है उनकी महिमा। वास्तव में उनको पहले रचना रचनी है सूक्ष्मवतन की क्योंकि क्रियेटर है। गीता के लिए तो सब कहते हैं सर्व शास्त्रमई शिरोमणी श्रीमद् भगवत गीता। परन्तु भगवान का नाम नहीं जानते, कौन सा भगवान? व्यास आदि शास्त्र बनाने वालों ने श्रीकृष्ण का नाम डाल दिया है। गीता तो देवी-देवता धर्म की माई बाप है। बाकी सब बाद में आये। तो यह हुई प्राचीन। अच्छा भगवान ने गीता कब सुनाई? जरूर सभी धर्म होने चाहिए। सभी धर्मों के लिए वास्तव में एक गीता है मुख्य। सब धर्म वालों को मानना चाहिए। परन्तु मानते कहाँ हैं। मुसलमान, क्रिश्चियन आदि बड़े कट्टर हैं। वह अपने धर्म शास्त्र को ही मानते हैं। जब मालूम पड़ता है कि गीता प्राचीन है तब मंगाते हैं। परन्तु यह तो जानते नहीं कि भगवान ने गीता कब सुनाई? चिन्मयानंद कहते हैं 3500 वर्ष बिफोर क्राइस्ट, गीता के भगवान ने गीता सुनाई। अब 3500 वर्ष पहले तो यह धर्म थे ही नहीं। फिर सभी धर्मों का वह शास्त्र कैसे हो सकता। इस समय तो सभी धर्म हैं। सभी धर्मों की गीता द्वारा सद्गति करने बाप आया हुआ है। गीता बाप की उच्चारी हुई है। उसमें बाप के बदले बच्चे का नाम डाल मुश्किलात कर दी है। इससे सिद्ध नहीं होता कि शिवरात्रि कब मनाये? शिव जयन्ती और कृष्ण जयन्ती लगभग हो जाती। शिव जयन्ती समाप्त होती और कृष्ण का जन्म हो जाता। कभी भी श्रीकृष्ण ज्ञान यज्ञ नहीं गाया जाता। रूद्र ज्ञान यज्ञ गाया जाता है, उनसे ही विनाश ज्वाला प्रज्जवलित हुई। सो तो बरोबर देख रहे हो। आदि सनातन देवी-देवता धर्म की फिर से स्थापना हो रही है। फिर और धर्म रहेंगे नहीं। कृष्ण भी तब आये जबकि सभी धर्म न हो। यह भी समझ की बात है ना। सतयुग में सूर्यवंशी देवी-देवताओं का राज्य था तो जरूर थोड़े मनुष्य होंगे। बाकी सब आत्मायें मुक्तिधाम में रहती हैं। भगवान से तो सबको मिलना होता है ना। बाप को सलाम तो करेंगे ना। बाप भी फिर से आकर सलाम करते हैं बच्चों को। बच्चे फिर बाप को करते हैं। इस समय बाप चैतन्य में आया हुआ है। फिर वहाँ सभी आत्मायें बाप से मिलेगी जरूर। सबको भगवान से मिलना जरूर है। कहाँ मिले? यहाँ तो मिल न सकें क्योंकि कोटों में कोई, कोई में भी कोई ही आयेंगे। तो सब भक्त कब और कहाँ मिलेंगे? जहाँ से भगवान से बिछुड़े हैं, वहाँ ही जाकर मिलेंगे। भगवान का निवास स्थान है ही परमधाम। बाप कहते हैं मैं सभी बच्चों को परमधाम ले जाता हूँ - दु:ख से लिबरेट कर। यह काम उनका ही है। अभी तो देखो अनेक भाषायें हैं। अगर संस्कृत भाषा शुरू करें तो इतने यह सब कैसे समझें। आजकल गीता संस्कृत में कण्ठ करा देते हैं। बहुत अच्छी गीता गाते हैं संस्कृत में। अब अहिल्यायें, कुब्जायें, अबलायें... संस्कृत कहाँ जानती। हिन्दी भाषा तो कॉमन है। हिन्दी का प्रचार जास्ती है। भगवान भी हिन्दी में सुना रहे हैं। वह तो गीता के अध्याय बतलाते हैं, इनके अध्याय कैसे बना सकेंगे। यह तो शुरू से लेकर मुरली चलती रहती है। बाप को आना ही है पतित सृष्टि को पावन बनाने। हेविनली गॉड फादर तो जरूर स्वर्ग ही क्रियेट करेगा। नर्क थोड़ेही रचेगा, नर्क की स्थापना रावण करते हैं। स्वर्ग की स्थापना बाप करते, उनका राइट नाम शिव ही है। शिव अर्थात् बिन्दी। आत्मा ही बिन्दी है ना। स्टार क्या है? कितना छोटा है? ऐसे थोड़ेही आत्मायें ऊपर जायेंगी तो बड़ी हो जायेंगी। यह तो भ्रकुटी के बीच में निशानी दिखाते हैं। कहते भी हैं भ्रकुटी के बीच में चमकता है अजब सितारा। तो जरूर भ्रकुटी में इतनी छोटी आत्मा ही रह सकेगी। तो जैसे आत्मा है वैसे परमात्मा। परन्तु वन्डर यह है जो हर एक इतनी छोटी आत्मा में सभी जन्मों का पार्ट भरा हुआ है। जो कभी घिसता नहीं है, फार एवर चलता रहेगा। कितनी गुह्य बातें हैं। आगे कब यह बातें सुनाई थी क्या? आगे तो कहते थे लिंग रूप है, अंगुष्ठाकार है। पहले ही अगर यह बातें सुनाते तो तुम समझ नहीं सकते। अभी बुद्धि में बैठता है। स्टार तो सब कहेंगे। साक्षात्कार भी स्टार का होता है। तुमको साक्षात्कार किस चीज़ का चाहिए? नई दुनिया का। नई दुनिया स्वर्ग रचते हैं बाप। वही सबको भेज देंगे। खुद एक ही बार आते हैं। अब मनुष्य मांगते हैं शान्ति क्योंकि सभी शान्ति में ही जाने वाले हैं। कहते हैं सुख काग विष्टा समान है। गीता में तो है राजयोग.... जिससे राजाओं का राजा बनते हैं। जो कहते हैं सुख काग विष्टा समान है तो उनको राजाई कैसे मिले। यह तो प्रवृत्ति मार्ग की बात है। संन्यासी तो गीता को भी उठा न सके। बाप कहते हैं संन्यास दो प्रकार के हैं। यूँ तो संन्यासियों में भी बहुत प्रकार के हैं। यहाँ तो एक ही प्रकार का संन्यास है। तुम बच्चे पुरानी दुनिया का संन्यास करते हो। गृहस्थ व्यवहार में रहते, कमल फूल समान रहना है। कैसे रहते हैं, सो इन्हों से पूछो। बहुत हैं जो ऐसे रहते हैं। संन्यासियों का यह काम नहीं है। नहीं तो खुद क्यों घरबार छोड़ते। चैरिटी बिगन्स एट होम। पहले-पहले तो स्त्री को सिखलायें। शिवबाबा भी कहते हैं पहले-पहले मैं अपनी स्त्री (साकार ब्रह्मा) को समझाता हूँ ना। चैरिटी बिगन्स एट होम। शिवबाबा का यह चैतन्य होम है। पहले-पहले यह स्त्री सीखती फिर उनसे एडाप्टेड चिल्ड्रेन नम्बरवार सीख रहे हैं। यह बड़ी गुह्य बातें हैं। सभी शास्त्रों में मुख्य शास्त्र है गीता। परन्तु गीता शास्त्र से कोई प्रेरणा नहीं करते हैं। वह तो यहाँ आते हैं, यादगार भी हैं। शिव के अनेक मन्दिर हैं। खुद कहते हैं मैं साधारण ब्रह्मा तन में आता हूँ। यह अपने जन्मों को नहीं जानते। एक की बात तो है नहीं। सभी ब्रह्मा मुख वंशावली बैठे हैं। सिर्फ इस एक को ही बाप समझाये, परन्तु नहीं। ब्रह्मा मुख द्वारा तुम ब्राह्मण रचे गये सो तो ब्राह्मणों को ही समझाते हैं। यज्ञ हमेशा ब्राह्मणों द्वारा ही चलता है। उन गीता सुनाने वालों के पास ब्राह्मण हैं नहीं, इसलिए वह यज्ञ भी नहीं ठहरा। यह तो बड़ा भारी यज्ञ है। बेहद के बाप का बेहद का यज्ञ है। कब से डेगियां चढ़ती आई हैं। अभी तक भण्डारा चलता ही रहता है। समाप्त कब होगा? जब सारी राजधानी स्थापन हो जायेगी। बाप कहते हैं तुमको वापिस ले जायेंगे। फिर नम्बरवार पार्ट बजाने भेज देंगे। ऐसे और तो कोई कह न सके कि हम तुम्हारा पण्डा हूँ, तुमको ले जाऊंगा। जो भी पतित मनुष्य हैं, सबको पावन बनाकर ले जाते हैं। फिर अपने-अपने धर्म स्थापन करने समय पावन आत्मायें आना शुरू करती हैं। अनेक धर्म अभी हैं। बाकी एक धर्म नहीं है, फिर आधाकल्प कोई शास्त्र नहीं रहता। तो गीता सब धर्मो की, सब शास्त्रों की शिरोमणी है क्योंकि इससे ही सबकी गति सद्गति होती है। तो समझाना चाहिए - सद्गति है भारतवासियों की, बाकी गति तो सबकी होती है। भारतवासियों में भी ज्ञान वह लेते हैं जो पहले-पहले परमात्मा से अलग हुए हैं, वही पहले ज्ञान लेंगे। वही फिर पहले-पहले जाना शुरू करेंगे। नम्बर-वार फिर सबको आना है। सतो रजो तमो से तो सबको पार करना है। अभी कल्प की आयु पूरी हुई है। सभी आत्मायें हाजिर हैं। बाप भी आ गया है। हरेक को अपना पार्ट बजाना है। नाटक में सभी एक्टर्स इकट्ठे तो नहीं आते, अपने-अपने टाइम पर आते हैं। बाप ने समझाया है नम्बरवार कैसे आते हैं। वर्णों का राज़ भी समझाया है। चोटी तो ब्राह्मणों की है। परन्तु ब्राह्मणों को भी रचने वाला कौन है? शूद्र तो नहीं रचेंगे। चोटी के ऊपर फिर ब्राह्मणों का बाप ब्रह्मा। ब्रह्मा का बाप फिर है शिवबाबा। तो तुम हो शिव वंशी ब्रह्मा मुख वंशावली। तुम ब्राह्मण फिर सो देवता बनेंगे। वर्णों का हिसाब समझाना है। बच्चों को राय भी दी जाती है। यह तो जानते हैं सब एक जैसे होशियार तो नहीं हैं। कोई नये के आगे विद्वान पण्डित आदि डिबेट करेंगे तो वह समझा नहीं सकेंगे। तो कह देना चाहिए कि मैं नई हूँ। आप फलाने टाइम पर आना फिर हमारे से बड़े आपको आकर समझायेंगे, मेरे से तीखे और हैं। क्लास में नम्बरवार होते हैं ना। देह-अभिमान में नहीं आना चाहिए। नहीं तो आबरू (इज्जत) चली जाती है। कहते हैं बी.के. तो पूरा समझा नहीं सकते, इसलिए देह-अभिमान छोड़ रेफर करना चाहिए और तरफ। बाबा भी कहते हैं ना हम ऊपर से पूछेंगे। पण्डित लोग तो बड़ा माथा खराब करेंगे। तो उनको कहना चाहिए - मैं सीख रही हूँ, माफ करिये। आप कल आना तो हमारे बड़े भाई-बहिनें आपको समझायेंगे। महारथी, घोड़ेसवार, प्यादे तो हैं ना। किन्हों की शेर पर सवारी भी है। शेर सबसे तीखा होता है। जंगल में अकेला रहता है। हाथी हमेशा झुण्ड में रहता है। अकेला होगा तो कोई मार भी दे। शेर तीखा होता है। शक्तियों की भी शेर पर सवारी है।


तुम्हारी मिशन भी बाहर निकलनी है। परन्तु बाबा देखते हैं पान का बीड़ा उठाने वाला कौन है? प्राचीन देवता धर्म किसने स्थापन किया - वह सिद्ध कर बताना है। बहुत तो गॉड गॉडेज भी कहते हैं। वह समझते हैं गॉड-गॉडेज अलग हैं, ईश्वर अलग है। लक्ष्मी-नारायण को भगवान भगवती कहते हैं। परन्तु लॉ के विरुद्ध है। वह तो हैं देवी-देवतायें। अगर लक्ष्मी-नारायण को भगवान भगवती कहते तो ब्रह्मा विष्णु शंकर को पहले भगवान कहना पड़े। समझ भी चाहिए। अच्छा!


मीठे-मीठे सिकीलधे बच्चों प्रति मात-पिता बापदादा का यादप्यार और गुडमार्निंग। रूहानी बाप की रूहानी बच्चों को नमस्ते।


धारणा के लिए मुख्य सार:-


1) देह-अभिमान छोड़ अपने से बड़ों को आगे करना है। बाप समान निरहंकारी बनना है।


2) चैरिटी बिगेन्स एट होम... पहले अपने गृहस्थ व्यवहार को कमल फूल समान बनाना है। घर में रहते हुए बुद्धि से पुरानी दुनिया का संन्यास करना है।


वरदान:- सम्बन्ध में सन्तुष्टता रूपी स्वच्छता को धारण कर सदा हल्के और खुश रहने वाले सच्चे पुरुषार्थी भव

सारे दिन में वैरायटी आत्माओं से संबंध होता है। उसमें चेक करो कि सारे दिन में स्वयं की सन्तुष्टता और सम्बन्ध में आने वाली दूसरी आत्माओं की सन्तुष्टता की परसेन्टेज कितनी रही? सन्तुष्टता की निशानी स्वयं भी मन से हल्के और खुश रहेंगे और दूसरे भी खुश रहेंगे। संबंध की स्वच्छता अर्थात् सन्तुष्टता यही सम्बन्ध की सच्चाई और सफाई है, इसलिए कहते हैं सच तो बिठो नच। सच्चा पुरुषार्थी खुशी में सदा नाचता रहेगा।

स्लोगन:- जिन्हें किसी भी बात का गम नहीं, वही बेगमपुर के बेफिक्र बादशाह हैं।


https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...