24-03-2023 প্রাতঃ মুরলি ওম্ শান্তি" বাপদাদা" মধুবন
“মিষ্টি বাচ্চারা
- তোমরা হলে রূহানী সোশ্যাল ওয়ার্কার, তোমাদেরকে এই দুনিয়াকে সুখ-শান্তি আর পবিত্রতার দ্বারা সম্পন্ন বানানোর জন্য
নিজের তন-মন-ধন সফল করতে হবে”
প্রশ্নঃ - মায়ার উপরে জয় লাভ করার জন্য বাচ্চারা তোমাদের
কাছে কোন্ হাতিয়ার রয়েছে? সেই অস্ত্রটি
ব্যবহার করার বিধি কি?
উত্তরঃ - মায়ার উপরে জয় লাভ করার জন্য তোমাদের কাছে আছে
"স্ব দর্শন চক্র"। এ'কোনও স্থূল
অস্ত্র নয়, বরং মনে মনে
মন্মনাভব হয়ে যাও। আমরা সেই - সে-ই আমরা (হম সো, সো হম) এই মন্ত্রকে স্মরণ করো, তো এই বিধির দ্বারা মায়ার মাথা কাটা পড়বে।
তোমরা মায়াজিত হয়ে চক্রবর্তী রাজা হয়ে যাবে।
গীতঃ- এই পাপের দুনিয়া থেকে অন্য কোথাও নিয়ে চলো...
ওম্ শান্তি ।
তোমরা ব্রহ্মা মুখবংশী ব্রাহ্মণরাই জানো যে এ'হল কলিযুগী পাপের দুনিয়া এবং সত্যযুগ অবশ্যই হল
পূণ্যের দুনিয়া । বাচ্চাদের বোঝানো হয়েছে, যে মানুষেরা পূণ্য আত্মা হয় তাদের ভালো জন্ম প্রাপ্ত হয়। পাপ আত্মাদের খারাপ
জন্ম হয়। এখন এই দুনিয়া তো হলোই পাপ আত্মাদের দুনিয়া। এই জ্ঞান বাচ্চারা তোমাদের
বুদ্ধিতে আছে। শান্তিধামকেই পরমধাম বলা হয়। এ'হল দুঃখধাম। ভারত সত্যযুগে সুখ ধাম ছিল। এখন
আমাদের শান্তিধামে ফিরে যেতে হবে, তারপরে সুখধামে
আসতে হবে। সুখধামে পবিত্রতা, সুখ, শান্তি তিনটিই আছে। এই দুঃখ ধামে আছে অপবিত্রতা,
দুঃখ, অশান্তি। এই তিনটি কথা বুঝে নেওয়া উচিত। যখন
ভারতে এই তিনটি জিনিস বিদ্যমান থাকে তখন সুখ ধাম বলা হয়। এখন তোমরা তন-মন-ধন সব
কিছু বাবার কাছে অর্পণ করো। তন-মন-ধনের দ্বারা তোমরা ভারতের সেবা করে থাকো । তন
দ্বারাও সেবা তো করা হয় তাইনা। সোশ্যাল ওয়ার্কার দেহের সেবাই করে। কেউ ধনের দ্বারা
সেবা করে। বাকি মনের সেবা করা এই দুনিয়ায় কেউ জানেনা। মন্মনাভবের অর্থই বাবা এসে
বোঝান। আমি পরমপিতা পরমাত্মা, আমাকে স্মরণ করো
যাঁর কাছ থেকে তোমাদেরকে সুখের বর্সা নেওয়ার আছে। মন্মনাভব অর্থাৎ সকলের বুদ্ধি
যেন বাবার সাথে যুক্ত থাকে। এমন কথা কোনো মানুষ বলতে পারে না। সুতরাং অন্যরা তন ও
ধনের দ্বারা সেবা করে, কিন্তু মনের সেবা
কেউ করতে পারে না। মানুষ বলে মন শান্ত হবে কীভাবে? এখন মন ও বুদ্ধি হল আত্মার অর্গ্যান্স এবং
কর্মেন্দ্রিয় গুলি হলো দেহের অর্গ্যান্স। তো বাবা বসে বোঝান স্বদর্শন চক্রকে স্মরণ
করো। নিজের পিতা এবং সুখ ধামকে স্মরণ করো, এই দুঃখ ধামকে ভুলে যাও। এ'হল মনের সেবা,
যারা করবে তারাই মায়ার
উপরে বিজয় লাভ করবে। মায়ার শির কাটা যাবে। এমন নয়, স্বদর্শন চক্রের দ্বারা কোনও মানুষের মাথা কাটা
হয়। দেবতাদের অলঙ্কার এমন না যার দ্বারা পাপ হবে।
মানুষ ভাবে
শ্রীকৃষ্ণ তো স্বদর্শন চক্রের দ্বারা গলা কেটেছিল। এ'তো পাপ কর্ম হয়ে গেল। দেবতারা এমন কর্ম করতে
পারে না। স্বদর্শন চক্র কারো মাথা কাটার জন্য নয়। এ'হল মায়ার উপরে বিজয় লাভ করার জন্য। স্বদর্শন
চক্র ঘোরালে আমরা দেবতায় পরিণত হই। মায়ার উপরে বিজয় প্রাপ্ত করি। এই স্বদর্শন
চক্রের দ্বারাই তোমরা মায়ার উপরে জয় লাভ করো। এ হল তোমাদের হাতিয়ার। শঙ্খ হল
ধ্বনিত করার জন্য। নলেজ তো প্রাপ্ত হয়েছে তাইনা। তোমাদের শেখানো হয় যে স্ব দর্শন
চক্র কীভাবে ঘোরাবে। তাহলে পুনরায় তোমরা চক্রবর্তী রাজা হয়ে যাবে। এখন আমরা
শান্তিধামে যাচ্ছি পরে সুখধামে আসবো। এ'তো বাবা শিখিয়েছেন। স্বদর্শন চক্রধারী বাবা ব্যতীত কেউ বানাতে পারে না। এখন
তোমরা হলে ঈশ্বরীয় বংশের পরে হবে বিষ্ণুর বংশধর। স্বদর্শন চক্রের অলংকারও বিষ্ণুকে
প্রদান করা হয়েছে। তোমরা হলে পুরুষার্থী। তোমরা জানো স্বদর্শন চক্র ঘোরালে আমরা
দেবতায় পরিণত হই। এই স্বদর্শন চক্রের দ্বারাই তোমরা মায়াজিত হও। এ হল তোমাদের
অস্ত্রশস্ত্র। শঙ্খ হলো বাজানোর জন্য। নলেজ তো প্রাপ্ত করেছো তাইনা। শেখানো হয়
স্বদর্শন চক্র ঘোরালেই তোমরা চক্রবর্তী রাজা হয়ে যাবে। এখন আমরা শান্তি ধামে
যাচ্ছি পরে সুখধামে আসবো। এইসব বাবা শিখিয়েছেন। স্বদর্শন চক্রধারী বাবা ব্যতীত কেউ
বানাতে পারে না। এখন তোমরা হলে ঈশ্বরীয় বংশের পরে হবে বিষ্ণুর বংশধর। স্বদর্শন
চক্র ঘোরালে আমরা বিষ্ণুর কুলে যাবো। এই কথা তো খুব সহজ কাউকে বোঝানোর জন্য।
শান্তিধামকে স্মরণ করো, শান্তিধাম হল
পিতার আলয়, যেখান থেকে
আত্মারা আসে। বর্তমানে তো হল নরক, এখন ফিরে যেতে
হবে স্বর্গে। বাবাকে স্মরণ করলে সব বিকর্ম বিনাশ হবে। কিন্তু বাবার সঙ্গে পূর্ণ
যোগ না থাকলে ধারণাও হয় না তখন কাউকে বোঝাতেও পারে না।
তোমরা হলে
ব্রহ্মা মুখ বংশী ব্রহ্মাকুমার কুমারী। যারা পবিত্র থাকে তারাই হল বি.কে.। যারা
পবিত্র থাকতে পারে না তাদেরকে ব্রহ্মা মুখ বংশী শিববাবার পৌত্র বলা যাবে না। ক্রোধ,
লোভ ইত্যাদির কথা আলাদা।
কিন্তু পবিত্র না থাকলে তো তাদেরকে ব্রাহ্মণ বলাই রং হবে। সে ব্রাহ্মণ কুলেরই নয়,
যার মধ্যে বিকার আছে
কিম্বা যে বিকারে যায়। তোমরা বোঝাতে পারো আমরা তো পবিত্র থাকি কিন্তু কেউ বিকার
গ্রস্ত হয়ে খারাপ হয়ে গেলে তার ব্রাহ্মণ রূপে পরিচয়ের অধিকার নেই। বিকারে যাওয়া
অর্থাৎ পতিত হওয়া। এমন পতিতরা এখানে আসতে পারে না। কিন্তু কারণে অকারণে তাদেরকে
আসতে দিতে হয়। এবারে দেখো যারা গৃহ নির্মাণের কার্যে নিযুক্ত তারা তো সবাই পতিত
তাইনা। কিন্তু ব্রাহ্মণরা তো এই কাজ করবে না। তাই তাদের দিয়ে কাজ করাতে হয়। কেউ
সহযোগী হলে তাদেরকে থাকতে দেওয়া হয়। বাস্তবে কোনও পতিত থাকতেই পারেনা। এ'হল পবিত্র হওয়ার স্থান, পতিতরা আসবে তো
নিশ্চয়ই। ভারত পবিত্র ছিল, স্ত্রী-পুরুষ দু'জনেই পবিত্র থাকতো। লক্ষ্মী-নারায়ণ
স্ত্রী-পুরুষ দুইই সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিলেন তাইনা। আমি নিজেই তাদের মহিমা করি।
তোমরা হলে এখন সঙ্গম যুগী। সঙ্গমে বাবা এসে পতিত থেকে পবিত্র বানান। বিষয় বিকারে
গমনকারীদের পতিত বলা হয়। সন্ন্যাসীরা বিষকে ত্যাগ করে তাই পতিত মানুষ তাদের পায়ে
মাথা নত করে। বিকার শব্দটি খুবই খারাপ। নির্বিকারী অর্থাৎ ভাইসলেস। বিকারীকে বলা
হয় ভিসস। এ'হল বেশ্যালয়।
বাবা বলেন আমি কল্প-কল্প সঙ্গমে আসি পতিত থেকে পবিত্র বানাই, সুযোগ্য করি। পবিত্র দুনিয়ার মালিক বানিয়ে দেন।
স্বর্গের মালিক তো স্বর্গের রচয়িতাই বানাবেন তাইনা।
বাবাকে বোঝাতে হয়
দেবতারা ছিলেন সনাথ। এখন তো সবাই অনাথ । এ'হল দুঃখদায়ী দুনিয়া। সবাই একে অপরকে দুঃখ দিতেই থাকে। নম্বর ওয়ান দুঃখ হল কাম
কাটারী চালানো, যার দ্বারা
আদি-মধ্য-অন্ত দুঃখ প্রাপ্ত হয়। এই দুঃখ ধামে শান্তি প্রাপ্ত করা অসম্ভব কথা কারণ
সম্পূর্ণ দুনিয়ার কোশ্চেন তো হলো এটাই তাইনা। এত এত সন্ন্যাসীরা পবিত্র থাকে তবুও
ভারত তমোপ্রধান হয়ে গেছে তাইনা। শুধু তারা পবিত্র হয় তাই পতিত মানুষ তাদের সেবা
করে। খাবার দান করে, মহল ইত্যাদি
বানিয়ে দেয়। সুতরাং যে পবিত্র হয় তার নাম সুখ্যাত হয়। বাবাও এই বিকারগুলিকে পরাজিত
করিয়ে দেন। আমরা সেই পূজ্য দেবতা ছিলাম - সেসব বিস্মৃত হয়েছে। নির্বিকারী
দেবী-দেবতাদের ডিনায়েস্টি চলে। অনেকে জিজ্ঞাসা করে সেখানে জন্ম হবে কীভাবে?
সে তো সেখানকার নিয়ম
অনুসারে হবে। প্রথমে তোমরা বাবার কাছে রাজযোগ শিখে রাজ্য-ভাগ্যের বর্সা তো প্রাপ্ত
করো। এটা জিজ্ঞাসা করার মতো প্রশ্ন যে - সন্তান কীভাবে জন্মাবে? ডিনায়েস্টি তো চলে। ওই সন্ন্যাস হল রজোপ্রধান।
দেবতাদের সন্ন্যাস হল সতোপ্রধান। সন্ন্যাসীরা তো বিকার থেকে জন্ম নিয়ে নির্বিকারী
হওয়ার পুরুষার্থ করে। ওটা হলো নির্বিকারী দুনিয়া, এ'হল বিকারী দুনিয়া। বিকারী মানুষের এই চিন্তা থাকে যে বিকার ব্যতীত দুনিয়া চলবে
কীভাবে! যেমন তাদের দৃষ্টি, সৃষ্টিও তদনুরূপই
হয়।
বাবা শ্রেষ্ঠ রূপ
প্রদান করেন। লক্ষ্য তো বুদ্ধিতে থাকে, তাইনা। ভগবান আমাদের নিজ সম ভগবান ভগবতী বানিয়ে দেন। সুতরাং আমরা হলাম মাস্টার
ভগবান, পরে দেবতা হবো। মাস্টার
ভগবান হয়ে বাবার ঘরে (পরম ধামে) যেতে হবে। যেমন উনি হলেন পবিত্র তোমরাও স্মরণ করতে
করতে পবিত্র হয়ে যাবে। পরে পবিত্র দুনিয়ায় আসবে। সেখানে দুঃখের নামটুকুও থাকে না।
মানুষ এমন হয়ে যায় যে পবিত্র হওয়ার জন্য তাদেরকে গুরুর আশ্রয় নিতে হয়। আজকাল
বিকারী পতিতকেও গুরু বানিয়ে নেয়। গৃহস্থ পতিত গুরু কীভাবে পবিত্র বানাবে? একটুও বোধ নেই। বাবাকে জানেই না। এ'হল অনাথদের দুনিয়া। সত্য যুগ হল নাথের দুনিয়া
কারণ দেবী-দেবতা ধর্ম তো নাথ অর্থাৎ বাবা স্থাপন করেছেন। যখন নাথের অর্থাৎ বাবার
সন্তান হবে তখন সনাথ হবে। এখন তোমরা হলে গডলি স্টুডেন্ট। ভগবানুবাচ এক অর্জুনের
জন্য তো ছিল না, সঞ্জয়ও ছিল। অতএব
এখন তোমাদেরকে বাবার শ্রীমৎ অনুসারে চলতে হবে। বাবা বলেন শ্রেষ্ঠ হও। এই ড্রামার
রহস্যও বুঝতে হবে। ক্রিয়েটর, ডায়রেক্টর হলেন
পরম পিতা পরমাত্মা শিব। উনি ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শঙ্করকেও ক্রিয়েট
করেন পরে তাদেরকে ডায়রেক্শন দেন তারপরে ব্রহ্মার মালা বদলে গিয়ে রুদ্র মালায়,
পরে বিষ্ণুর মালা হবে।
বাবা বলেন আমি হলাম বাবা, শুধুমাত্র আমাকে
স্মরণ করো এবং স্বর্গকে স্মরণ করো তো এমন লক্ষ্মী-নারায়ণ হয়ে যাবে। এ হল সত্য
উপার্জন। মানুষের জন্ম হয় কর্ম অনুসারে। এখন বাবা এমন শ্রেষ্ঠ কর্ম শেখাচ্ছেন,
এখানে হল শ্রীমৎ অনুসরণ
করে চলে শ্রেষ্ঠ হওয়ার উপার্জন জমা করা। বাকি সবই তো মাটিতে মিশে যাবে।
দেহ-অভিমানও ত্যাগ করতে হবে। আমরা বাবার আপন হয়েছি, ফিরে যাই বাবার কাছে। এই কথা আত্মা বলে - বাবা
আমরা তোমার স্মরণে থেকে বিকর্ম গুলিকে কাটিয়েই নেব। তারপরে তুমি আমাদেরকে স্বর্গে
পাঠিয়ে দেবে তাইনা! নরকের বিনাশ, স্বর্গের স্থাপনা
তো হয়েই থাকে তাইনা। মহাভারী লড়াই সামনে রয়েছে। এর দ্বারাও মুক্তি-জীবনমুক্তির গেট
খুলবে। এখানে তো দেখো বসে বসে অসুখ করে। সেখানে তো সদা আরামই আরাম থাকে। এ'হল দুঃখ ধাম, তাই পুরুষার্থ করতে হয় সুখধামের জন্য। সেখানে
মায়া নেই। দেহ-অভিমান থাকেই না। এই বোধ থাকে যে আমি হলাম আত্মা, এই দেহটি বৃদ্ধ হয়েছে, অন্যটি ধারণ করতে হবে। সেখানে এই জ্ঞান থাকে না
যে আমরা বাবার কাছে যাই। এই জ্ঞান তোমাদের এখন রয়েছে। আমাদের ফিরে যেতে হবে বাবার
কাছে পরে বাবা স্বর্গে পাঠিয়ে দেবেন। শরীর নির্বাহের জন্য কর্মও করতে থাকো।
তোমরা যত
আজ্ঞাকারী, সৎ হয়ে থাকবে ততই
উন্নতি হবে। শ্রীমতের দ্বারা শ্রেষ্ঠ হতে হবে। সুসন্তানদের কর্তব্য হল বাবার কাছে
সম্পূর্ণ বর্সা (স্বর্গের অধিকার) প্রাপ্ত করা। এখন নেবে তো কল্প-কল্পান্তর নিতেই
থাকবে। এখন না নিলে কল্প-কল্পান্তর বর্সা প্রাপ্ত হবে না। বাচ্চারা, তোমাদের সামনে সম্পূর্ণ জগৎ হলো কাঙাল। সব
মাটিতে মিশে যাবে। দেউলিয়া হয়ে যাবে। তোমরা সত্য উপার্জন করছো সত্য খণ্ডের জন্য।
বাবা বলেন তোমাদেরকে আমার ধামে (পরম ধামে) আসতে হবে তাই নিজের ধামকে স্মরণ করো।
গৃহের মালিকই একমাত্র বলে দেন তোমরা আমার গৃহের মালিক ছিলে। এখন পুনরায় নিজ ধামকে
স্মরণ করো। ড্রামা পূর্ণ হচ্ছে, কতখানি সহজ কথা।
আচ্ছা!
মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সরঃ-*
১ ) আজ্ঞাকারী,
সৎ এবং সুসন্তান হয়ে
বাবার কাছ থেকে সম্পূর্ণ বর্সা (অবিনাশী উত্তরাধিকার) নিতে হবে। শ্রীমৎ অনুসারে
শ্রেষ্ঠ কর্ম করে প্রকৃত সত্য উপার্জন জমা করতে হবে।
২ ) সম্পূর্ণ
নির্বিকারী হয়ে সত্য ব্রাহ্মণ হতে হবে। পবিত্র হয়ে নিজেকে পবিত্র দুনিয়ার উপযুক্ত
বানাতে হবে।
*বরদানঃ-* এক বাবাকে নিজের সংসার বানিয়ে সর্বদা হাসতে,
গাইতে আর উড়তে পারা
প্রসন্নচিত্ত ভব
বলা হয় দৃষ্টি
দ্বারা সৃষ্টির পরিবর্তন হয় তো তোমাদের রূহানী দৃষ্টির দ্বারা সৃষ্টি পরিবর্তন হয়ে
গেছে, এখন তোমাদের জন্য একমাত্র
বাবা হলেন সংসার। আগের সংসার আর বর্তমানের সংস্কারে তফাৎ হয়ে গেছে। আগে সংসারে
বুদ্ধি বিভ্রান্ত হতো, এখন বাবা হলেন
একমাত্র সংসার তো বুদ্ধির বিচরণ বন্ধ হয়ে গেছে। অসীম জগতের প্রাপ্তি করিয়ে দেন
বাবা, তাঁকে কাছে পাওয়ার পরে আর
কি চাই তাই হেসে, গেয়ে, উড়তে থেকে সদা প্রসন্নচিত্ত থাকো। মায়া যদি
কাঁদায় তবুও কাঁদবে না।
*স্লোগানঃ-* হৃদয় স্বচ্ছ হলেই মনস্কামনা পূরণ হতে থাকবে,
সকল প্রাপ্তি গুলি
স্বতঃতই তোমাদের সামনে চলে আসবে।
No comments:
Post a Comment