18.03.2023 BANGLA MURLI
“মিষ্টি বাচ্চারা
- বাবা সম দয়ালু হৃদয়বান হয়ে সকলকে জীবন দান দিতে হবে, এমন ব্যবস্থা করতে হবে যাতে অনেক মানুষের
সৌভাগ্য নির্মাণ হয়”
*প্রশ্নঃ - এই সময় দুনিয়াতে প্রতিটি মানুষ গরিব, তাই তাদের জন্য কেমন সুবিধা দিতে হবে তোমাদের?
*উত্তরঃ - তোমাদের কাছে যারাই অবিনাশী জ্ঞান রত্ন রূপী
রুটি অর্থাৎ ভোজন নেওয়ার জন্য আসে তাদের ঝুলি খুব ভালোবাসার সাথে তোমাদের ভরে দিতে
হবে, সবাইকে সুখ প্রদান করতে
হবে। প্রত্যেককে ভালোবাসা দিয়ে পরিচালিত করতে হবে, কেউ যেন অসন্তুষ্ট না হয়ে যায়। তোমাদের কাছে
অনেক মানুষ আসে নিজের জন্য জীবন দান নিতে, তাই ভান্ডারা খুলতে থাকো। তাদের সৌভাগ্যবান বানানোর জন্য তোমাদের দ্বার সদা
খোলা রাখা উচিত। যদি জীবনদান করার পরিবর্তে দূর দূর করে দাও তবে তা হল বিশাল বড়
পাপ।
*গীতঃ- শৈশবের দিন গুলি ভুলে যেও না...
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চারা গীত শুনলো। অসীম জগতের পিতা পরমাত্মা শিব, ব্রহ্মার দেহে বসে বোঝান যে বাচ্চারা তোমরা
মাতা-পিতার আপন হয়েছো, শৈশবের এই দিন
গুলি ভুলে যেও না। ওই লৌকিক শৈশবের কথা তো কেউ ভুলে যায় না। ঘরে মাতা পিতার সাথে
সন্তানরাও থাকে। মাতা-পিতাকে চিনতে চিনতে বড় হতে থাকে। মাতা পিতার অক্যুপেশান
ইত্যাদির বিষয়েও তাদের জানা হয়ে যায়। এখন এখানে তোমরা সন্তান হয়েছো নিরাকার পিতার
সন্তান। বাবা হলেন ভাণ্ডারী, অবিনাশী জ্ঞান
রত্নের দান করতে থাকেন। তোমরা অবিনাশী জ্ঞান রত্নে নিজের ঝুলি ভরপুর করো ভবিষ্যতের
২১ জন্মের জন্য। যদি মাতা-পিতাকে ভুলে যাও তাহলে ঝুলি পুনরায় খালি হয়ে যাবে। তোমরা
বাচ্চারা এখানে নিজের উঁচু জীবন নির্মাণ করছো। বিশাল অধিকার প্রাপ্ত করছো। এখানে
তোমরা বাবার কাছে আসো মালামাল অর্থাৎ ভরপুর হতে। গরিব থেকে বিত্তবান হতে। গরিব তো
সবাই। গরিব মানুষ আসে, নিজের আজীবিকা
বানাতে বা ২১ জন্মের জন্য নিজের অধিকার অর্থাৎ বর্সা নিতে। তাই তাদের অবিনাশী
জ্ঞানের খাজানা প্রাপ্তি যাতে সুগম হয় বাচ্চারা, তোমাদের তার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। কারণ এই
খাজানা অন্য কোথাও প্রাপ্ত হবে না। সবাইকে সুখ প্রদান করতে হবে। প্রত্যেককে
ভালোবাসার সাথে পরিচালিত করতে হবে, যাতে কেউ
অসন্তুষ্ট না হয় এবং অবিনাশী জ্ঞান রত্ন রূপী রুটি অর্থাৎ ভোজন নিতে আসে তো তাদের
ঝুলি ভরে দিতে হবে। দূর দূর করে তাড়িয়ে দেবে না। বাবার কাছে বাচ্চারা আসে
ভান্ডারা ভরপুর করতে। গরিব মানুষ দান পেলে অত্যন্ত খুশী হয়। অনেক দুর্ভাগাও থাকে, যারা গরিবদের দূর
করে দেয়। যারা ধর্মাত্মা, দয়ালু হয়,
তারা ডেকে এনেও কিছু দান
করে। তোমরা বাচ্চারা জানো এই সময় দুনিয়ায় সবাই গরিব। যদিও স্থূল ধন আছে কিন্তু
তারাও সবাই কাঙাল হয়ে যাবে। টাকা পয়সা সবার মাটিতে মিশে যাবে। সেই ধনের নেশার দরুন
এই জ্ঞান রত্নের খাজানা নেওয়া তাদের জন্য খুবই কঠিন । বাবা তো হলেন দীননাথ। যারা
সন্তান রূপে আসে তারাও আপন অথবা সৎ হয়ে আসে - বাবার কাছে নিজের উঁচু জীবন তৈরি
করতে, ২১ জন্মের জন্য গরিব থেকে
ধনী হওয়ার জন্য। সত্যযুগে তো সবাই বিত্তবান হয়। যদিও নম্বর অনুসারে গরিবও হয়,
কিন্তু এমন গরিব নয় যে
কুঁড়ে ঘরে থাকবে। এখানে তো কতো কর্দমে থাকে । সেখানে এই সব ব্যাপার নেই ।
তো যেখানে
তোমাদের সেন্টার গুলি আছে, ব্রহ্মাকুমার
কুমারীরা আছে, তাদের কাছে অনেক
মানুষ আসে - নিজের জীবনদান নিতে। তোমরা বাচ্চারা ভান্ডারা খুলতে থাকো, জীবনদান প্রদান করার জন্য। এইভাবে কত পুণ্য হয়।
যদি ভান্ডারা খুলে পুনরায় বন্ধ করে দাও তো বলো এতজনের অবস্থা কি হবে! দুঃখী হবে।
আমরা জানি তারা দীন হীন দুঃখী কাঙাল। এখানে এসে সৌভাগ্যবান হয়। তাদের জন্য সর্বদা
দ্বার খোলা থাকা উচিত। ভবিষ্যৎ ২১ জন্মের অধিকার প্রাপ্ত হয়। সদা সুখী হওয়া যায় তো
কতখানি দান করা উচিত। শিববাবা, যিনি তোমাদের
অবিনাশী জ্ঞান রত্ন প্রদান করেন সেসব অন্যদেরকে বিলিয়ে দিতে হবে। রাজধানী স্থাপন
হচ্ছে তাইনা। লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজত্ব ছিল, এখন নেই, পরে হিস্ট্রি জিওগ্রাফি রিপিট হবে। তাই শিববাবা
রাজযোগের শিক্ষা প্রদান করেন। অন্যদেরকে শেখাতে হবে তোমাদের । এমন ব্যবস্থা করা
উচিত - যেখানে অনেক মানুষ এসে নিজের সৌভাগ্য বানাতে পারে। সবাইকে জীবনদান করতে
হবে। যদি জীবন দান করার পরিবর্তে তাদের দূর দুর করে দাও তবে অনেক পাপ হবে। অত্যন্ত
ভালোবাসার সাথে বোঝাতে হবে। মায়া এমন যে একদম জ্ঞানশূন্য করে দেয়। ট্রেটর হয়ে গেলে
আগের চেয়েও খারাপ অবস্থা হয়ে যায়। সব সেনা বাহিনীতেই কেউ না কেউ ট্রেটর হয়ে যায়
। কত রকম ভাবে গুপ্তচর বৃত্তি করে। আমাদের লড়াই তো হলই মায়ার সাথে। যারা বাবার
বাচ্চা হয়েও মায়ার দিকে চলে যায় তারা ট্রেটর হয়ে যায়। অনেককে দুঃখী করে। অনেক অবলা,
কন্যারা বন্ধনে আবদ্ধ হয়ে
যায়। আমাদের জ্ঞান হলো সর্বশ্রেষ্ঠ। শারীরিক মাতা পিতার উত্তরাধিকার বিষ পান করা ও
করানো সবই বন্ধ হয়ে যায়। এ'হল খুব খারাপ কাজ,
তাই যা পাস্ট হয়ে গেছে তা
হয়ে গেছে। অর্ধেক কল্প তো সবাই পতিত হয়েই এসেছি, এখন বাবা বলছেন বাচ্চারা, এর দ্বারাই তোমাদের দুর্গতি হয়েছে। এখন এই কর্ম
তোমরা বন্ধ করো, এ'হল পতিত দুনিয়া যাকে কোনো মতেই ১৬ কলা সম্পূর্ণ,
সম্পূর্ণ নির্বিকারী তো
বলা হবে না। সম্পূর্ণ নির্বিকারী ছিল সূর্য বংশী। রাম সীতাকেও চন্দ্রবংশী, ক্ষত্রিয় বলা হবে। মানুষ তো তাদেরকেও ভগবান বলে
মনে করে। তোমরা বাচ্চারা জানো সূর্য বংশী এবং চন্দ্রবংশীতে রাত দিনের তফাৎ আছে।
তারা হলেন ১৬ কলা সম্পূর্ণ নতুন দুনিয়ার মালিক এবং ওনারা হলেন ১৪ কলা সম্পূর্ণ,
দুই কলা কম হয়ে যায়।
দুনিয়া একটু পুরানোও হয়ে যায়। সূর্য বংশীদের নাম সুবিখ্যাত। বাচ্চারা বলেও থাকে
বাবা আমরা সূর্য বংশী হবো। দুই কলা কম কেন থাকবে। স্কুলে যদি কেউ ফেল হয় তো মাতা
পিতার নাম বদনাম করে দেয়। পাশ করলে খুশী হয়। ফেল করলে ভয় হয়। কেউ তো ডুবে মরে ।
যারা ফুল পাস করে তারা সূর্য বংশী লক্ষ্মী-নারায়ণের কুলে স্থান পায়। কল্প পূর্বেও
এমনটাই হয়েছিল। অবশ্যই এই সময় বাবা এসে প্রথমে ব্রাহ্মণ কুল স্থাপনা করে তাদেরকে
বসে পড়ান, তারা পরে সূর্য
বংশী, চন্দ্রবংশী হয়, এতে পড়াশোনা করা এবং করানো হয়। না করলে
শিক্ষিতদের সামনে মাথা নত করতে হবে। এখানে তোমাদের সামনে এইম অবজেক্ট আছে। এখানে
অন্ধশ্রদ্ধা থাকতে পারে না। বোঝানো হয় আমরা পাঠশালায় পড়ি মানুষ থেকে দেবতা হতে।
সাক্ষাৎকারও করি তবেই তো বলি যে আমরা লক্ষ্মী নারায়ণ হবো। তা এমনিই তো আর হবো না।
বাবা ব্যতীত কেউ বানাতে পারে না। যারা গীতা পাঠ করে শোনায় তারাও এমন কথা বলতে পারে
না যে আমরা রাজার রাজা বানাবো। মন্মনাভব, আমার সন্তান হও। এমন কথা তো প্রজাপিতা ব্রহ্মা এবং জগদম্বাই বলতে পারেন।
নিজেকে কেউ প্রজাপিতা ব্রহ্মাও বলতে পারে না। যতই মিথ্যা বেশ ধারণ করুক কিন্তু এই
কথা গুলি বোঝাতে পারবে না। এই কথা তো কেবল শিববাবাই বুঝিয়ে বলেন। মানুষ থোড়াই বলবে
মন্মনাভব, তারা চক্রের
রহস্য থোড়াই বোঝাবে যে কল্পের আয়ু এত বছরের হয়। চক্র কীভাবে আবর্তিত হয়। সে কথা
কেউ জানেনা। তোমরা বাচ্চারা অনেক নলেজ প্রাপ্ত করেছো। স্থূল বুদ্ধির অধিকারী এত
পড়াশোনা করতে পারে না। পরীক্ষা হল খুবই কঠিন। আই. সী. এস. পরীক্ষায় অনেক কম জনই
সাহস রাখে। গভর্নমেন্টও ভাবে পরীক্ষা কঠিন থাকলে কম পাশ করবে। এখানেও লিমিট আছে। ৮
জন নম্বর ওয়ানে যায় তারপরে ১০৮ । এই সময়ে কোটি কোটি ভারতবাসীরা আছে। তার মধ্যেও
যারা দেবী-দেবতা ধর্মের হবে তারা বেরোবে। ৩৩ কোটি দেবতাদের গায়ন আছে। তাতে ৮-জন
নম্বরওয়ান সূর্যবংশী হয়। প্রিন্স-প্রিন্সেসও অনেক হবে তাইনা। পরীক্ষা খুবই কঠিন।
৮-জন বিজয় মালার মুক্তো দানা হয়। এতে এক হলেন মাম্মা কুমারী আর অন্য জন হলেন বৃদ্ধ।
মাম্মার বয়স কম। ভালো পড়াশোনা করে পদ প্রাপ্ত করে। ইনিও বৃদ্ধ শরীরে পড়াশোনা করে
পরীক্ষা পাশ করেন, তাইনা। বাবার
কাছে বর্সা প্রাপ্ত করাই হল পরিশ্রমের কথা। বাচ্চারা, তোমাদের ভগবান পড়াচ্ছেন, এ তো খুবই সৌভাগ্যের কথা, যার দ্বারা ভগবানের সন্তান হয়ে তাঁর সার্ভিসে
যুক্ত হই। সিন্ধ্ এ তোমরা অনেকে এসেছিলে তার মধ্যেও অনেকে ছেড়ে চলে গেছে । বাকি
যারা তীক্ষ্ণ ছিল তারা তো অসম্ভবকে সম্ভব করেছে। কতো কতো জনকে নিজ সম গড়ে তুলছে।
তাই ধন্যবাদ তো দিতে হয় তাইনা। ভাট্টি থেকে ৩০০ জন বেরিয়েছে নম্বর ক্রমে। এখন তো
হাজার হাজার হয়েছে। নতুন নতুন সেন্টার খুলতেই থাকে। কত মানুষ এসে নিজের জীবন হীরে
সম করে নিচ্ছে। নিজের পরিবর্তন করে অন্যদেরও বানানো উচিত। নিস্তেজ হয়ে গেছে যারা
তাদেরকে সুরজিৎ করতে হবে। অত্যন্ত ভালোবাসার সাথে এক একজনকে হাত করতে হয় ।
বেচারাদের পা যেন কোথাও পিছলে না যায়। যত বেশি সেন্টার থাকবে ততই বেশি মানুষ এসে
জীবন দান পাবে। পবিত্র হীরে তুল্য জীবন তৈরি করবে। এখন পতিত কড়ি তুল্য জীবন রয়েছে।
তাই বাবা বলেন পুরুষার্থ করে সূর্যবংশে এসো। বাবাকে স্মরণ করো। এমন বলেন না যে
ব্রহ্মা-বিষ্ণু-শঙ্করকে স্মরণ করো। অনেক মানুষ জিজ্ঞাসা করে শঙ্করের পার্ট কি?
প্রেরণার সাহায্যে বিনাশ
কীভাবে করেন? বলো, এইসব তো গায়ন আছে, চিত্রে আছে। এই পয়েন্টে বোঝানো হয় বাস্তবে এইসব
কথার সঙ্গে তোমাদের কোনও কানেকশন নেই। প্রথমে তো বুঝে নাও বাবার কাছে আমাদের বর্সা
প্রাপ্ত করতে হবে। মন্মনাভব হয়ে যাও। শঙ্কর কি করেন, অমুকে কি করে, এই সবের মধ্যে যাওয়ার কি দরকার আছে। তোমরা শুধু
দুটি শব্দ বুদ্ধিতে ধারণ করো বাবা আর অবিনাশী উত্তরাধিকার, তাহলেই রাজধানী প্রাপ্ত হবে। এছাড়া শঙ্করের
গলায় সাপ দেখানো হয়েছে কেন, যোগে এমনভাবে কেন
বসা হয়... এইসব কথার কোনো কানেকশন নেই। মুখ্য কথা হলই বাবাকে স্মরণ করা। যদিও এমন
এমন অসংখ্য প্রশ্ন উঠবে, তাতে তোমাদের লাভ
কি হবে। তোমরা সব কথা ভুলে যাও।
বাবা বলেন আমাকে
স্মরণ করো তবে বিকর্ম বিনাশ হবে। আমরা বাবার বার্তা প্রদান করি। স্মরণ না করলে
বিকর্মজিত হবে না, তখন জ্ঞানের
ধারণা হবে কীভাবে। অনর্থক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করলে বলো প্রথমে নলেজ তো বুঝে নাও।
নিজেকে আত্মা নিশ্চয় করে বাবাকে স্মরণ করো। বাকি সব কথা ছাড়ো। ভবিষ্যতে সব বুঝতে
পারবে। উত্তরাধিকার প্রাপ্ত করার সাহস দেখাও। আমরা বাবার সন্দেশ প্রদান করি তারপরে
গ্রহণ করো বা না করো তোমাদের ইচ্ছে। বাবার কাছে পবিত্র হয়ে যাবে তখন নতুন পবিত্র
দুনিয়ায় উঁচু পদ প্রাপ্ত হবে। স্বদর্শন চক্র ঘোরাও। শুধু ৮৪ জন্মের চক্রকে স্মরণ করো।
যে যতখানি স্মরণ করবে তারাই বিজয় মালায় স্থান অর্জন করবে। এছাড়া কোনও জপ তপ
ইত্যাদি করতে হবে না। এসবের থেকে মুক্ত করে দেন। দ্বাপর থেকে জাগতিক উত্তরাধিকার
তো নিয়েই এসেছি। এখন অসীম জগতের বাবার কাছ থেকে অসীমিত উত্তরাধিকার নিতে হবে। এখন
তোমরা যে বর্সা প্রাপ্ত করো তা ২১ জন্মের জন্য অবিনাশী হয়ে যায়। সেখানে এই কথাটি
তোমরা জানতে পারো না যে আমরা এই অধিকার কীভাবে প্রাপ্ত করেছি বা এ'হল অবিনাশী বর্সা। এই কথা তোমরা এখন জানো যে
আমরা ২১ জন্ম রাজ্য-ভাগ্য ভোগ করবো। সেখানে তো সুখের আনন্দ থাকে। মানুষ বুঝবে
বর্সা তো প্রত্যেককে বাবার কাছ থেকেই প্রাপ্ত করতে হবে। কিন্তু সেখানে থাকে
তোমাদের বর্তমানের পুরুষার্থের প্রালব্ধ, যা ২১ জন্ম চলে। এমন নয় সেইসময় কেউ সু কর্ম করে। এখানে এমন শ্রেষ্ঠ কর্ম করার
শিক্ষা অর্জন করো, যার ফলে জন্ম
জন্মান্তর তোমরা রাজত্বে আসবে। বাবা আদেশ করেন এক তো পবিত্র হও এবং আমাকে স্মরণ
করো। কিন্তু মায়া ভুলিয়ে দেয়। সৃষ্টির চক্র কীভাবে আবর্তিত হয় সেসব স্মরণ করলে
আমরা চক্রবর্তী রাজা রানী হই। কত সহজ কথা। কন্যাদের জন্য সবচেয়ে সহজ। অধর
কুমারীদের (বিবাহিত) তো সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসার পরিশ্রমও করতে হয়। সব স্থান থেকে
কুমারীরাই বেশি বেরিয়ে আসবে। এই সময় বিবাহ ইত্যাদি করা হল সম্পূর্ণ অধঃপতন। এখানে
শিব সজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে পূর্ণ উত্তরণ, স্বর্গে। তোমরা এখন গড ফাদারলী সার্ভিসে আছো,
এতে কি পুরস্কার লাভ হবে?
তোমরা বিশ্বের মালিক হবে।
এ'হল প্রকৃত সত্য উপার্জন।
তোমরা ব্রাহ্মণরা ভরা হাতে ফিরবে। এ হলো তোমাদের সত্যিকারের উপার্জন। বাকি সকলের
হল মিথ্যা অর্জন, তাই খালি হাতেই
ফিরবে। আচ্ছা!
মিষ্টি - মিষ্টি
হারানিধি... দেখো হারানিধি শব্দের অর্থ কত সুন্দর। এমন কথা কেউ আর বলতে পারে না।
কতো আন্তরিক ভাবে মিলিত হয়। আত্মা পরমাত্মা দূরে থেকেছে বহুকাল..... তোমরা ৫ হাজার
বছর পরে পুনরায় এসে মিলিত হও, একেই বলে অসীম
জগতের হারানিধি সন্তান। অবশ্যই এখন কল্পের সঙ্গমে বাবার সাথে এসে মিলিত হয়েছো।
তারপর ভিন্ন নাম রূপে মিলিত হবে। যারা কল্প পূর্বে এই পাঠ পড়েছিল তাদেরকেই বাবা
পড়াবেন তারপরে কল্প-কল্প পড়তে থাকবে। আচ্ছা!
মিষ্টি - মিষ্টি
হারানিধি স্বদর্শন চক্রধারী বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত ।
আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) নিস্তেজকে
সতেজ বা সুরজিত বানাতে হবে। ভালোবাসার সাথে প্রত্যেকের দেখাশোনা করতে হবে। কোনও
কারণের বশে কারো যেন পা পিছলে না যায় - তার প্রতি সজাগ থাকতে হবে।
২ ) পবিত্র
দুনিয়ায় উঁচু পদ প্রাপ্তির জন্য অন্য সব প্রশ্ন গুলিকে ছেড়ে দিয়ে বাবা আর
অবিনাশী উত্তরাধিকারকে স্মরণ করতে হবে। স্বদর্শন চক্র ঘোরাতে হবে। অনেককে জীবন দান
করার সেবা করতে হবে।
*বরদানঃ-* বিন্দুর মাত্রার গুরুত্বকে জেনে যা হয়ে গেছে
তাকে বিন্দু লাগিয়ে সহজ যোগী ভব
সবচেয়ে সরল
মাত্রা হলো বিন্দু। বাপদাদা কেবলমাত্র বিন্দুর হিসেব বলে দেন। নিজেও বিন্দু
স্বরূপে স্থিত হও, স্মরণও করো
বিন্দুকে আর ড্রামার প্রতিটি দৃশ্যে জানার পরে বিন্দুর মাত্রা লাগিয়ে দাও। এই
বিন্দুর মাত্রার গুরুত্বকে জেনে যা ঘটে গেছে তাতে বিন্দু লাগিয়ে দাও, বিন্দু হয়ে যাও, তবে সহজ যোগী হয়ে যাবে। যদিও এখন বিন্দু হয়েই
ঘরে ফিরে যেতে হবে। ঘরে (পরম ধামে) সবাই বিন্দু রূপেই থাকে, যেখানে সঙ্কল্প, কর্ম, সংস্কার সব মার্জ থাকে।
*স্লোগানঃ-* কর্মযোগী হয়ে কর্ম করেও উপরাম স্থিতিতে থাকা
অর্থাৎ উড়ন্ত বিহঙ্গ হওয়া।
No comments:
Post a Comment