Sunday, March 5, 2023

06.03.2023 BANGLA MURLI

                                                  06.03.2023 BANGLA MURLI

 


"মিষ্টি বাচ্চারা - বাবা তোমাদের নতুন দুনিয়ার জন্য নতুন জ্ঞান দিয়ে থাকেন, যার ফলে সূর্যবংশী ঘরানা স্থাপিত হয়, তোমরা এখন সেই ঘরানার মালিক হতে চলেছো"

*প্রশ্নঃ - কোন্ কথায় নিশ্চয় পাক্কা হলে তখন সহজেই অবিনাশী উত্তরাধিকারের অধিকারী হতে পারা যায় ?

*উত্তরঃ -    সর্বপ্রথমে এই নিশ্চয় যদি হয়ে যায় যে অসীম জগতের সেই বাবা স্বর্গ রচনা করতে এসেছেন। কাজকারবার করতে-করতেও এ'কথা যেন স্মরণে থাকে যে আমরা হলাম সেই বাবার সন্তান, আমরা স্বর্গের মালিক হয়ে যাবো, তখন অপার খুশি থাকবে আর সহজেই অবিনাশী উত্তরাধিকারের অধিকারী হয়ে যাবো। পাক্কা নিশ্চয়বুদ্ধি-সম্পন্নদের অপার খুশির পারদ ঊর্ধ্বমুখী থাকে। যদি খুশি না থাকে তাহলে বোঝা উচিত যে আমার পাই-পয়সারও নিশ্চয় নেই।

*গীতঃ- যেদিন থেকে মিলিত হয়েছি তুমি আমি....

ওম্ শান্তি । এই মহিমা কার উদ্দেশ্যে করা হয়েছে ? পরমপিতা পরমাত্মার। ওঁনাকে বলাই হয়ে থাকে পরমধামে বসবাসকারী পরমপ্রিয় পরমপিতা পরমাত্মা। তোমরা হলে অনুভাবী সন্তান, যাদের পরমপিতা পরমাত্মা আপন করে নিয়েছেন আর বাচ্চারা তোমরাও পরমপিতা পরমাত্মাকে আপন করে নিয়েছো। পরম অর্থাৎ উপরের থেকেও উপরে। এখন আত্মার বুদ্ধিতে আসে যে আমরা বাস্তবে পরমধামে পরমপিতা পরমাত্মার সাথে বসবাস করি। দুনিয়ায় আর কারোর এই নলেজ নেই। ওরা তো নিজেকেই পরমাত্মার রূপ মনে করে নেয়, তাহলে কোন নলেজই থাকল না। সেই পরমপিতা পরমাত্মা এসে যখন মিলিত হন তখন নতুন দুনিয়ার জন্য নতুন কথা শোনান। নতুন দুনিয়ায় হলো নতুন দিন নতুন রাত। পুরানো দুনিয়ায় রয়েছে পুরানো দিন পুরানো রাত আর রয়েছে অনেক প্রকারের প্রচুর দুঃখ। মেজোরিটিই দুঃখী। রাতে কাম কাটারি চালায় আর দিনেও পাপ করতে থাকে। নতুন দুনিয়ায় সর্বদাই সুখই সুখ থাকে। এ তো অবশ্যই বুদ্ধিতে থাকবে। নতুন দুনিয়ায় সূর্যবংশীয় লক্ষী-নারায়ণের রাজধানী রয়েছে। এমন বলা হয় না যে প্রিন্স-প্রিন্সেসের রাজধানী রয়েছে। রাজা-রানীরই রাজধানী বলা হয়ে থাকে। অবশ্যই সত্যযুগে লক্ষী-নারায়ণের ঘরানা রয়েছে। স্বর্গ হওয়ার কারণে অত্যন্ত সুখ রয়েছে। সেই সুখের জন্যই তোমরা পুরুষার্থ করছো, 'টা হলো পবিত্র রাজধানী। বাবা তোমাদের ওই দুনিয়ার মালিক বানিয়ে দেন। ওইসময় বিশ্বে আর কোনো ঘরানা বা ধর্ম থাকে না। যখন কাউকে বোঝাও তখন লিখিয়ে নাও যে হ্যাঁ, এ হলো যথার্থ কথা। প্রতিমুহূর্তে রিভাইজ করলে নিশ্চয় হবে -- নতুন পবিত্র দুনিয়ায় অবশ্যই যথা রাজারানী তথা প্রজা, পবিত্রই হয়ে থাকে। সদা সুখী থাকে। এখন তো সর্বদাই দুঃখী। সঙ্গম যুগে তুলনা করা হয়ে থাকে -- কলিযুগের অন্তে কি হবে আর সত্যযুগের আদিতে কি হবে? আজ কেমন? কাল কেমন হবে? এখন অসীমের রাত সম্পূর্ণ হতে চলেছে। তারপর কাল অর্থাৎ দিনে রাজত্ব করবে। আজ হলো অপবিত্র দুনিয়া, কাল পবিত্র দুনিয়া হবে। সাধু-সন্তাদিরা সকলেই গায় পতিত পাবন সীতারাম...। যখন দেখো এ'রকম গায়, তখন তাদের জিজ্ঞাসা করা উচিত যে তোমরা পতিত-পাবন কাকে মনে করে স্মরণ করো? পতিত কে? পবিত্রকারী কে? পতিত দুনিয়া আর পবিত্র দুনিয়া কেমন? অবশ্যই পতিতদের পবিত্র করেন যিনি, তিনি আসবেন তখন পবিত্র বানিয়ে অবশ্যই পবিত্র দুনিয়াতেই নিয়ে যাবেন। কলিযুগের অন্ত হলো পতিত দুনিয়া, সত্যযুগের আদিকে পবিত্র দুনিয়া বলা হয়। তাকেই সকলে স্মরণ করে। পবিত্র দুনিয়া হলোই স্বর্গ। তাহলে অবশ্যই স্বর্গ স্থাপনকারী হলেন নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মাই। পবিত্র দুনিয়া, স্বর্গের রচয়িতা হলেনই পরমপিতা পরমাত্মা। নরকের রচয়িতার (রাবণ) মহিমা হয় না। তাকে জ্বালাতেই থাকে। মানুষ জানে না, নাম রেখে দিয়েছে রাবণ। এর মতন কোনো মানুষ হতেই পারেনা। মানুষ তো পুনর্জন্ম নেয়। নাম-রূপ পরিবর্তন হতে থাকে। রাবণের নাম রূপ কখনো বদলায় না। সেই দশ মাথাই চলে আসছে। দিন দিন আধ ফুট আধ ফুট করে লম্বা বড় বানাতেই থাকে, কারণ রাবণ এখন বড় (অতি বিকার) হয়ে যাচ্ছে। তমোপ্রধান হয়ে গেছে আর তাকে জ্বালাতেই থাকে। এখন তোমরা বোঝো যে পতিত কে বানায়? এই ৫ বিকারকেই রাবণ বলা হয়ে থাকে। এ-ই দুঃখ দেয়, পতিত বানায়। তাহলে এই বিকারগুলিকে ত্যাগ করা উচিৎ, তাই না ! সাধু-সন্তাদিরা এইসমস্ত বিকারগুলিকে দান হিসেবে গ্রহণ করে থাকেন। বলে থাকেন -- আচ্ছা, মিথ্যা বলা আমাকে দিয়ে দাও। অধিকতর ক্ষেত্রে কাম-বিকারের উদ্দেশ্যে বলে থাকে যে মাসে এক-দুইবার যাও। কিন্তু এখানে তো ৫ বিকারেরই কথা। কেবল একজন চোরকে ধরলে তখন আবার অন্য চোরেরা চুরি করতে থাকবে। তো এ'কথা অন্য কাউকে বোঝানোও অতি সহজ। অপবিত্র আত্মা, মহান আত্মা বলা হয়ে থাকে। অপবিত্র পরমাত্মা, মহান পরমাত্মা বলবে না। তাহলে পবিত্র কে বানাবে? অবশ্যই ভগবানের দিকেই ইশারা করবে। উপরেই নজর যাবে। তাহলে তিনি কবে আসবেন? ওঁনার নাম কি? ভারতে তো শিবজয়ন্তী প্রসিদ্ধ। ওঁনার নামই হলো শিব, আর কোনো নাম দেওয়া হয় না। বুদ্ধিতে লিঙ্গাকৃতিই আসবে। সোমনাথ বললেও বুদ্ধিতে লিঙ্গই আসবে।

 

এখন তোমরা আত্মারা জানো যে পরমাত্মা হলেন আমাদেরই মতন স্টার। এই যে নক্ষত্ররা রয়েছে, তাদের নক্ষত্র দেবতা বলা হয়ে থাকে। নক্ষত্র ভগবান নয়। তোমরাও নক্ষত্র সদৃশ্য। তোমাদেরকে ভগবান বলা হবে না, পরমাত্মা হলেন বিন্দু স্বরূপ। কিন্তু পূজা করবে কীভাবে? সেইজন্য ভক্তিমার্গে লোকেরা লিঙ্গরূপ নির্মাণ করেছে। এত বড় জিনিস নয়। আত্মা তো ছোট বড় হয় না। সেইজন্য তাকে বড় বানানোও রং(ভুল) হয়ে যায়। কোনো মানুষের কাছে পরমাত্মার যথার্থ জ্ঞান নেই। এ হলো অতি সূক্ষ্ম কথা। বলেও থাকে যে সম্পূর্ণ বিন্দুস্বরূপ, তাকে স্মরণ কীভাবে করবো? আরে, আত্মার তো নিজের বাবাকে স্মরণ করা অতি সহজ। কেবল বাবার মহিমাই আলাদা। আত্মা তো একইরকমের হয়। আত্মাতেই ভালো বা মন্দ, উচ্চ-নিচ সংস্কার থাকে। আত্মাতেই নলেজ রয়েছে। আত্মা কতো ছোট ! মানুষ গরিব বা ধনী হয় সেও আত্মার সংস্কার অনুসারে। বাচ্চারা, এখন তোমাদের বুদ্ধিতে সমস্ত এই জ্ঞান রয়েছে। মানুষ পরমাত্মাকে জানে না, সেই কারণে আত্মারও জ্ঞান নেই। উল্টে ঈশ্বরকে সর্বব্যাপী মনে করে নিয়েছে। আত্মাই এই সবকিছু ধারণ করে। আত্মাই এক শরীর ত্যাগ করে দ্বিতীয় ধারণ করে সংস্কার অনুসারে। এই আত্মাই কথা বলে। মানুষ নিজেকে মানুষ(জীবাত্মা) মনে করে কথা বলে থাকে। এখানে নিজেকে আত্মা মনে করার প্র্যাকটিস করতে হয়। আমাদের অর্থাৎ আত্মাদের পরমপিতা পরমাত্মা পড়িয়ে থাকেন। মানুষ তো বলে দেয় যে আত্মা অলিপ্ত। যদি অলিপ্ত হয় তাহলে সংস্কার কিসে ভরে। অত্যন্ত বিভ্রান্ত হয়ে রয়েছে। নতুন দুনিয়ার জন্য নতুন জ্ঞান বাবাকেই দিতে হবে। পুরানো দুনিয়ায় বসবাসকারী মানুষ দিতে পারেনা। তাহলে বাবাকে জানা উচিত, তাই না ! ভক্তদের ভগবানের থেকে উত্তরাধিকার নিতে হবে। ভক্তিও চলে আসছে। পাথর-মাটির টুকরো মধ্যে পরমাত্মাকে খুঁজতে থাকে। মনে করে সবই পরমাত্মার রূপ। বাস্তবে সকলেই হলো ভাই-ভাই। লক্ষ্মীনারায়ণ থেকে নিয়ে যত মনুষ্য মাত্র রয়েছে সকলেই হলো ভাই-ভাই বা ভাই-বোন কারণ তারা হলো প্রজাপিতা ব্রহ্মার সন্তান। যদি শিবের সন্তান বলা হয় তাহলে তারা হলো নিরাকার আত্মারা। ব্রহ্মার সন্তান ভাই-বোন শরীরের হয়ে যায়। কিন্তু আবার গৃহস্থ জীবনে চলে এলে ভাই-বোন বোধ ভুলে যায়। যদি সেই জ্ঞান থাকে তাহলে তো বিকারেও যাবে না। এখন পুনরায় বাবা বুঝিয়ে থাকেন যে তোমরা বিকারে যেও না। তোমরা এক পিতার সন্তান ভাই-বোন হও। এখন ব্রহ্মা সামনে বসে রয়েছেন। তোমরা ওঁনার বাচ্চারা হলে বি.কে.। এই যুক্তি হলো গৃহস্থী জীবনে থেকে পবিত্র হওয়ার। জনকের উদাহরণও রয়েছে, তাই না ! প্রথমে কেবল এক একটি কথায় নিশ্চয় হয়ে যাক যে বাবা এসেছেন স্বর্গ রচনা করতে। ব্যস, এই তীর লেগে গেলে তখন তৎক্ষণাৎ বাবার হয়ে যাবে।

 

বাবা বলেন, তোমরা আমার হয়ে যাও তাহলে আমি তোমাদের স্বর্গের মালিক বানিয়ে দেবো। নিশ্চয় রয়েছে ইনি হলেন সেই অসীম জগতের পিতা। আমরা অবশ্যই উত্তরাধিকার নেবো। মন্মনাভব, মধ্যাজীভব, কত সহজ কথা। কাজকাবার করতে করতেও বুদ্ধিতে যেন এই স্মৃতি থাকে যে আমরা হলাম বাবার সন্তান। আমরা স্বর্গের মালিক হয়ে যাব তাই এই খুশি থাকবে। এ হলো ৮৪ জন্মের চক্র। ৮৪ জন্ম কেবল সূর্যবংশী দেবী-দেবতাদেরই হয়। তোমরা জানো যে আমরা হলাম স্বদর্শন চক্রধারী। কেবল চক্র বললে জন্ম প্রমাণিত হয় না সেই জন্য বলতে হয় যে আমরা হলাম ৮৪ জন্মকে জানা স্বদর্শন চক্রধারী। তাহলে বাবাও স্মরণে আসবে, পাঁচ যুগও স্মরণ আসবে। এখন পুনরায় যাই স্বর্গে। আমাদের ৮৪ জন্ম সম্পূর্ণ হয়েছে। বুদ্ধিতে চক্র আবর্তিত হতে থাকুক আর শরীর নির্বাহের জন্য কর্মও করতে থাকুক। বাবা বলেছেন - স্বদর্শন-চক্রের জ্ঞান আমার ভক্তদের দাও। তাদের বোঝালে তৎক্ষণাৎ এই নিশ্চয় অবশ্যই হবে যে আমরা ৮৪ জন্ম নিয়ে থাকি। ৮৪ জন্ম যারা নেবে না, তখন তাদের এই ধারনাই হবে না। ৮৪ জন্মের অর্থই হলো সর্বপ্রথমে আমরা সূর্যবংশীতে আসবো। যদি কেউ সামান্য কিছুও শুনে যায় তবুও স্বর্গে অবশ্যই আসবে। কিন্তু ৮৪ জন্ম নেবে না, দেরিতেও আসতে পারে। তাদের আবার ৮৪ জন্ম হবে নাকি? না তা হবে না। এ হলো জ্ঞানের কত সূক্ষ্ম কথা। কত হিসেব-নিকাশ রয়েছে! তবুও বাবা বলে থাকেন -- আচ্ছা, এত গুপ্ত রহস্য যদি বুঝতে না পারো তাহলে বাবার হয়ে উত্তরাধিকার তো নাও ! আমরা হলাম শিববাবার সন্তান। তিনি হলেন স্বর্গের রচয়িতা। এই নেশা থাকা উচিত কিন্তু মায়া স্থির হতে দেয় না। কেউ বলে বাবা আর উত্তরাধিকার কে স্মরণ করো - এ কোনো বড় কথা নয়। মায়া আমাদের কি করবে? অবশ্যই আমরা উত্তরাধিকার পাবো। কত সহজ কথা। কারোর যদি তীর লেগে যায় তখন বাবা আর উত্তরাধিকারকে স্মরণ করে অত্যন্ত খুশিতে থাকে। যতক্ষণ না পর্যন্ত খুশি আসবে ততক্ষণ বাবা বলবেন পাই-পয়সার নিশ্চয় রয়েছে (নিশ্চয় কানাকড়ির)। পাক্কা নিশ্চয়-সম্পন্নদের খুশির পারদ অতিমাত্রায় চড়ে থাকে। কোনো এক রাজার সন্তান ছিল না, রাজা ঘোষণা করলেন যে, কেল্লার মধ্যে সবার প্রথমে যে আসবে তাকেই দত্তক নেব তখন ক্যু (লাইন) পড়ে যায়। ম্যাচেও পড়ে। দুধের বোতলের জন্যও লাইন পড়ে। প্রথম নম্বরে যাওয়ার জন্য ভোরে উঠে গিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ে। না হলে মনে করে দাঁড়িয়ে থাকতে হবে। সেই রকম এখানেও বাবার গলার হার হওয়ার জন্য লাইন পড়ে। পুরুষার্থের উপরেই সবকিছু নির্ভর করে। বাবাকে স্মরণ করা, এ হলো বুদ্ধির দৌড়। এছাড়া কাজকর্মাদি অবশ্যই করতে থাকো। আত্মার স্থিতি এমন "হৃদয় প্রিয়কে (বাবা) দিয়ে দাও, হাতে কাজকর্মাদি করে যাও.... প্রেমিক-প্রেমিকা এক জায়গায় থোড়াই বসে থাকে। কাজকর্মাদি সবকিছু করেও বুদ্ধি তার দিকে থাকে। তাহলে এখানেও বুদ্ধি এক এর প্রতি থাকা উচিত, যিনি আমাদের স্বর্গের মালিক বানিয়ে দেন। যখনই সময় পাবে তখনই পুরুষার্থ করো। গৃহস্থ জীবনেও থাকতে হবে। এ কোনো কর্ম সন্ন্যাস নয়। শরীর নির্বাহ তো করতেই হবে।

 

বাবা এখন ব্রহ্মার শরীরে এসে বলেন -- আমি হলাম তোমাদের বাবা, আমি তোমাদের স্বর্গের মালিক বানিয়ে দিই। তোমরা আমায় আপন করে নেবে না ? আমার হয়ে গেছো তাহলে আমার সঙ্গে যোগ লাগাও আর আমার হয়ে গিয়ে তারপর তোমরা পবিত্র হয়ে না থাকলে, বদনাম করালে তখন সাজা খেতে হবে। সদ্গুরুর নিন্দুক স্বর্গের দ্বারে যেতে পারে না। আচ্ছা! বাপদাদা মাতা-পিতা, যাঁদের থেকে স্বর্গের সদা সুখের উত্তরাধিকার নিয়ে থাকো, স্বদর্শন চক্রধারী হয়ে রাজ্য-ভাগ্য নিয়ে থাকো, এমন বাপদাদার হারানিধি বাচ্চাদেরকে স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

 

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

 

১ ) বাবার গলার মালা হওয়ার জন্য বুদ্ধির দৌড় লাগাতে হবে। স্মরণের যাত্রায় রেস করতে হবে।

 

২ ) শরীর নির্বাহের জন্য কর্ম করেও স্বদর্শন-চক্র ঘোরাতে হবে। কখনো সদ্গুরুর নিন্দুক হওয়া উচিত নয়। সুনাম বদনামে পরিণত হয় এমন কাজ করা উচিত নয়।

 

বরদানঃ- নিজের অবশিষ্ট তন-মন-ধনকে ঈশ্বরীয় কার্যে ব্যবহার করে সঞ্চয় করে নেওয়া সদা সহযোগী ভব

স্মৃতি-স্মারকে যে গোবর্ধন পর্বত ওঠানোর জন্য প্রত্যেকের আঙ্গুল দেখানো হয়েছে -- তা হলো তোমাদের সহযোগের নিদর্শন। চিত্রে যেমন বাবার সঙ্গ দেখানো হয় তেমনই সেবাও দেখানো হয়ে থাকে। এখন তোমরা বাচ্চারা বাপদাদার সহযোগী হয়েছো, সেইজন্যই স্মৃতি-স্মারক তৈরি হয়েছে। ভক্তিতে তো তন-মন-ধন যা কিছুই অর্পণ করেছো, তার ৯৯ পার্সেন্ট নষ্ট করে ফেলেছো। বাকি যে ১ পার্সেন্ট বেঁচে রয়েছে, তা এখন সততার সাথে হৃদয় দিয়ে ঈশ্বরীয় কার্যে ব্যবহার করো তবেই পুনরায় পদমগুণ জমা হয়ে যাবে।

স্লোগানঃ- যে নির্মান হয়, সে স্বতঃই সকলের মান প্রাপ্ত করে।

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...