04.03.2023 BANGLA MURLI
“মিষ্টি বাচ্চারা
- তোমরা আত্মিক (রূহানী) যাত্রায় রয়েছো, তোমাদেরকে দেহের বোধ আর পুরানো দুনিয়াকে ভুলে ঘরে (পরমধাম) ফিরে যেতে হবে,
একমাত্র বাবার স্মরণে
থাকতে হবে”
*প্রশ্নঃ - সাক্ষী হয়ে প্রত্যেককে কোন্ কথাটি নিজেকে
জিজ্ঞাসা করতে হবে?
*উত্তরঃ - যেমন বাবা সাক্ষী হয়ে প্রত্যেক বাচ্চার অবস্থা
বা স্থিতি দেখেন যে এদের অবস্থা কেমন? বাবাকে পেয়ে অতীন্দ্রিয় সুখের অনুভব করে, নাকি করে না? এমন নিজেকে জিজ্ঞাসা করতে হবে যে আমরা নিজেকে
কতখানি সৌভাগ্য শালী মনে করি? কতখানি খুশীতে
থাকি? বাবার কাছে সম্পূর্ণ
বর্সা প্রাপ্ত করেছি? উত্তরাধিকারী
তৈরি করেছি? যোগবলের দ্বারা
পাপ ভস্ম করে পুণ্য আত্মায় পরিণত হয়েছি?
*গীতঃ- রাতের পথিক ক্লান্ত হয়ো না....
ওম্ শান্তি । এই
কথাটি বাচ্চাদের বোঝানো হয়েছে যে, যেমন আত্মা হল
শান্ত স্বরূপ তেমনই পরম পিতা পরমাত্মাও হলেন শান্ত স্বরূপ। ওম্ এর অর্থও বোঝানো
হয়েছে যে ওম্ অর্থাৎ অহম আত্মা, মম মায়া।
সন্ন্যাসীরা বলে অহম্ ব্রহ্মস্মি। তারা ব্রহ্মকে ঈশ্বর মনে করে। রচনাকে মায়া বলে
দেয়। অহম্ ব্রহ্মস্মির এই অর্থ বলে দেয়। কিন্তু সবই হল ভুল। মানুষ যা করে সব
মানুষের মুখে শোনা । যে যা বুঝিয়ে দেয়, যে রীতি রেওয়াজ প্রচলন করে দেওয়া হয়েছে, সেই অনুসারে তাদের চলতে হয় । (যে প্রচলন করল)
তার নাম হয়ে যায়। এই সব কিছুও ড্রামায় পূর্ব নির্ধারিত । এখন বাবা বলেন হে পথিক...
কোথাকার পথিক? পরমধামের পথিক। এ'হল আত্মিক যাত্রা আত্মাদের জন্য। আত্মাদের ফিরে
যাওয়ার যাত্রা। গাইড তো অবশ্যই চাই। বিদেশ থেকেও কেউ এলে তারাও গাইড পায়, মুখ্য স্থান গুলি দেখানোর জন্য। পরম পিতা
পরমাত্মাকেও গাইড বলা হয়, পাণ্ডাদেরও গাইড
বলা হয়। অতএব বাবা বলেন - বাচ্চারা, এখন আমি এসেছি, বাচ্চারা তোমাদের
ফিরিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। কত ফার্স্টক্লাস এই যাত্রা। যার জন্য ভক্তরা অর্ধেক কল্প
ধরে ভক্তি করে এসেছে। তারা বলে - এসো, আমাদেরকে নিজ পরমধামে নিয়ে চলো। ওইসব হলো দৈহিক জগতের বিভিন্ন রকমের যাত্রা। দেহ
জগতের ভিন্ন ভিন্ন পান্ডা! আত্মিক পান্ডা একজনই। তারা আবার পান্ডব সেনা, শক্তি সেনা দেখিয়েছে। যুদ্ধের কোনো কথাই নেই।
বাবা বসে বোঝান - হে মিষ্টি বাচ্চারা। প্রথমে তো এই নিশ্চয় থাকা উচিত যে অবশ্যই
উনি হলেন পিতা। তোমাদের বুদ্ধিযোগ পিতার প্রতি থাকা উচিত। বাবা এসেছেন আমাদের
ফিরিয়ে নিয়ে যেতে। এখানে এ'হল দুঃখ ধাম,
পতিত দুনিয়া হল নরক। হেল
নাম তো আছে, তাইনা। গানও করে
লেফ্ট ফর হেভেনলি অবোড... অবশ্যই কোনও নতুন কিছু। মানুষ জানেনা শুধু বলে দেয়। রীতি
রেওয়াজ যা চলে আসছে সেই অনুসারে বলে দেয়, অমুক জ্যোতি জ্যোতিতে বিলীন হয়েছে অর্থাৎ আত্মা, পরমাত্মা হয়েছে। এই কথা জানেনা যে এ'হল ড্রামা। আত্মা হল ইম্মার্টাল (অবিনাশী)। সেই
অবিনাশী আত্মায় ৮৪ জন্মের পার্ট ভরা আছে। পরম আত্মার মধ্যেও পার্ট ভরা আছে। একেই
বলা হয় ড্রামার প্রকৃতি। পরমাত্মার চেয়েও তোমরা পার্টধারীদের বিশেষ এবং বেশিরভাগ
পার্ট রয়েছে। উনি তো হলেন ক্রিয়েটর, ডাইরেক্টর। তোমরা যারা দেবী-দেবতা হও তাদের পার্ট সবচেয়ে বেশি। আদি থেকে অন্ত
পর্যন্ত তোমাদের পার্ট আছে। সত্যযুগ ত্রেতায়ও (শিব) বাবার পার্ট নেই। সেখানে
বাবাকে কিছু করতে হয় না। এই সময় আমি অনেক সার্ভিস করি। বাচ্চারা, তোমাদেরও এবং ভক্তদেরও খুশী (রাজি) করতে হয়।
ভক্তদের সাক্ষাৎকার হয় তখন তারা বোঝে আমরা ঈশ্বরকে পেয়েছি। ভক্তদেরও তো কতো নাম।
ওটা হল ভক্ত মালা আর এ'হল রুদ্র মালা।
জ্ঞানের মালাতে ভক্তি নেই। তারা তো জ্ঞানের সাগরের কাছ থেকে জ্ঞান ধারণ করে
ভক্তদের উদ্ধার করে। তখন তাদের রুদ্র মালা তৈরি হয়।
এখন তোমরা
বাচ্চারা বুঝেছো আমরা রূহানী যাত্রায় আছি। গৃহস্থ ব্যবহারে থেকে স্মরণ বাড়াতে হবে।
বাবা হলেন কতো সুইট । বাবা রচয়িতাও, বাচ্চাদের ক্রিয়েট করেন। ব্রহ্মা মুখবংশী বানান। তোমরা সবাই বলো যে, আমরা হলাম শিববাবার সন্তান । তখন তখন মুখ্য
ডাইরেকশন দেন যে, মন্মনাভব। আমি
এসেছি তোমাদের পড়াতে। হুবহু ৫ হাজার বছর পূর্বে আমি এই রাজযোগ শিখিয়েছিলাম। আমি
নিরাকার আত্মাদের সাথে কথা বলি। তোমরা নিজেদের কর্মেন্দ্রিয়ের আধার নাও। আমি এনার
(ব্রহ্মার দেহের) কর্মেন্দ্রিয়ের আধার নিয়ে থাকি। এখন তোমাদের ফিরে যেতে হবে তাই
পুরানো দুনিয়াকে ভুলে যেতে হবে, একেই সন্ন্যাস
বলা হয়। সর্ব প্রথমে তো নিশ্চয় করতে হবে - আমি আত্মা, দেহ নই। এই দেহের বোধ ভুলে যেতে হবে। পুরানো
দুনিয়াকে পরিত্যাগ করতে হবে। এখন আমি ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছি তাই আমার শ্রীমৎ
অনুসরণ করে চলো। দেহ সহ দেহের সব সম্বন্ধ ইত্যাদি ভুলে যাও। একমাত্র বাবাকে স্মরণ
করতে হবে। পরিশ্রম ব্যতীত কোনও বাদশাহী প্রাপ্ত হয় না। বিশ্বের মালিক হতে হবে। যে
নলেজ আমার মধ্যে ছিল সেসব এখন তোমাদের বুদ্ধিতে এসে গেছে। তোমাদেরকে সংক্ষেপে এবং
ডিটেলেও বোঝানো হয়। বীজ থেকে এমন বিশাল বৃক্ষ উৎপন্ন হয়। তারপরে বৃক্ষের ডিটেল
দেখলে তো অনেক বিস্তার আছে। বাবা বলেন এখন এই পুরানো বৃক্ষকে ভুলে যাও। এখন শুধু
আমাকে স্মরণ করো। ভগবানুবাচ - আমি তোমাদের রাজযোগ এবং রচনার নলেজ প্রদান করি। এই
রচনা কীভাবে করি, কীভাবে বৃদ্ধি
পায়। এ'হল ড্রামাকে বুঝতে পারা।
সে জ্ঞান তো মানুষই জানবে। ভগবান পড়াবেনও মানুষদের। মুখ্য হল গীতা। গীতার নাম আছে।
গীতায় আছে ভগবানুবাচ। এমন নয় ব্যাস ভগবানুবাচ... বলা হয় শ্রীকৃষ্ণ ভগবান গীতা
শুনিয়েছেন, ব্যাস (দেব)
লিখেছেন। তা তো পরে লিখেছে তাইনা। এই সময় লিখলে তো সবই বিনাশ হয়ে যাবে। তোমরা এইসব
দুই চার হাজার বানাবে। ওই গীতা তো সংখ্যায় লক্ষ কোটিতে আছে। তবুও এই পুরানো
শাস্ত্র বের হয় যার থেকে কপি করে, যা ওই গীতায়
রয়েছে সেসব অক্ষর বাই অক্ষর একইরকম বেরোবে। ড্রামায় এমনটাই নির্দিষ্ট আছে। যে সময়
শাস্ত্র লেখা হয়েছে সেই সময়েই লেখা হবে, অবশ্যই। লক্ষ্মী-নারায়ণ তারাই হতে চলেছেন। সেইরকম মহল ইত্যাদি তৈরি হবে।
এই সময় বাবা কল্প
বৃক্ষের এবং ড্রামার জ্ঞান দিয়েছেন। তিনি বলেন তোমরা এখন মিলিত হয়েছো, কল্প-কল্প এমনভাবেই মিলিত হবে। ভগবানুবাচও লেখা
আছে, আমি তোমাদের রাজযোগ
শেখাই। ভগবান নতুন সৃষ্টি রচনা করেন নিশ্চয়ই তাদের রাজা বানাবেন। দ্বাপরের তো
বানাবেন না, তাইনা। উনি বলেন
কল্প-কল্প আমি সঙ্গমেই আসি। গাইড তো শেষ পর্যন্ত সাথে থাকবে। দুনিয়ায় জাগতিক গুরুর
মৃত্যু হয় তারপরে তাদের সিংহাসন (গদি) চলতে থাকে। বাবা বলেন আমাকে তো তোমাদের
সবাইকে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে হবে। আমি আমার যথার্থ সময়ে আসি। এই কথা গুলি অন্য কেউ
বোঝাতে পারে না। মন্মনাভব শব্দটি গীতায়ও আদি এবং অন্তে আছে। এই কথাই বলেন আমাকে
স্মরণ করো। আমি তোমাকে বিশ্বের মালিক এই লক্ষ্মী-নারায়ণ সম বানিয়ে দেব। রাজার রাজা
বানাবো। সেই সূর্য বংশী চন্দ্র বংশী কুলে তোমরা পুনর্জন্ম নেবে। এখন তোমরা কলিযুগে
আছো, কলিযুগ থেকে তোমাদেরকে
সত্যযুগে নিয়ে যাচ্ছি।
আমি কল্প-কল্প
এসে স্থাপনা করি। এই সময়েই আসবো। আমিও ড্রামার বন্ধনে আবদ্ধ। সাক্ষী হয়ে
প্রত্যেকের অবস্থা দেখি যে এর অবস্থা কেমন আছে? অসীম জগতের পিতাকে পেয়ে অতীন্দ্রিয় সুখ পেয়েছে
কি না? প্রত্যেকে নিজের মনকে
জিজ্ঞাসা করো - আমরা নিজেদের কতখানি সৌভাগ্যশালী ভাবি? বাবার সন্তান হয়ে বাবার কাছে সম্পূর্ণ
উত্তরাধিকার নিয়েছি? এমন নয় বাবা
সবাইকে লক্ষ্মী-নারায়ণ বানাবেন। এ'হল পড়াশোনা,
যে যত পুরুষার্থ করবে।
স্কুলে যখন পড়াশোনা করা হয় তখন মুখ্য লক্ষ্য তো থাকে, তাইনা। তোমরা জানো আমাদের ৫ হাজার বছর পূর্বের
মতন হুবহু বাবা এসে রাজযোগের শিক্ষা প্রদান করছেন। ভগবানুবাচ - আমি তোমাদেরকে পতিত
থেকে পবিত্র দেবতা বানাই। গড পড়াচ্ছেন তো অবশ্যই গড-গডেজ বানাবেন, তাইনা। যেমন ব্যারিস্টার, ব্যারিস্টার বানান। ভক্তিমার্গে ভগবতী ভগবান
বলে কিন্তু তারা হলেন দেবী-দেবতা। আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম বলা হয়।
তোমরা জানো
কীভাবে বাবা এসে আমাদেরকে পড়ান। মুখ্য এইম অবজেক্টও বুদ্ধিতে আছে। চক্র তো
বুদ্ধিতে ঘোরাতে হবে। গৃহস্থে থেকে পবিত্র থাকতে হবে। পবিত্র না থাকলে পবিত্র
দুনিয়ার মালিক হবে কীভাবে? ড্রামার এই রহস্য
অন্য কেউ বুঝতে পারে না। এই চিত্র ইত্যাদিও বাবা বানিয়েছেন। বাবা তো আর্টিস্ট
ছিলেন না। এমন জিনিস অন্য কেউ তৈরি করতে পারবে না। এই হল ম্যাপ। এ'হল বৃক্ষ, বীজ উপরে আছে। কল্প বৃক্ষের তলায় জগদম্বা বসে
আছেন, উনি সকলের সুখের কামনা
পূর্ণ করেন। সত্যযুগে দুঃখের নাম থাকে না। তোমরা বলবে আমরা নতুন দুনিয়ার মালিক হতে
চলেছি। মানুষ থেকে দেবতায় পরিণত করতে যুদ্ধের প্রয়োজন নেই... শিখ ধর্মের মানুষ এমন
স্তুতি গান করে তাঁরই মহিমা করে। দেবী-দেবতা ই স্বর্গের মালিক ছিলেন। তারা এখন
অন্য ধর্মে কনভার্ট হয়ে গেছে পরে বেরিয়ে আসবে। আমরাও পূর্বে লিখতাম হিন্দু ধর্ম।
এখন আমরা বলি ব্রাহ্মণ ধর্মের আমরা। যদিও আমরা ব্রাহ্মণ ধর্ম লিখি তারা তবুও
হিন্দু ধর্মই ভাবে কারণ তাদের কাছে ব্রাহ্মণ ধর্মের বিষয়ে কোনও নলেজই নেই। আমরা
দেবী-দেবতা বলবো তাও বদল করে হিন্দু লিখে দেবে কারণ ব্রাহ্মণ অথবা দেবী-দেবতা
ধর্মের নামই লুপ্ত প্রায়। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো আমরা সেই দেবী-দেবতা হওয়ার জন্য
পুরুষার্থ করছি। সেখানে যথা রাজা-রানী তথা প্রজা সকলেরই ড্রেস লক্ষ্মী-নারায়ণের
মতনই থাকে। পীতাম্বর অর্থাৎ হলুদ বস্ত্রধারী - এ'হল সত্যযুগী সূর্যবংশীর ড্রেস। ত্রেতায় রাম
রাজ্যে হয় অন্য ড্রেস। রীতি রেওয়াজ সব আলাদা থাকে। শ্রীকৃষ্ণকে সবসময়
পীতাম্বরধারী বলে।
তো এখন নিশ্চয়
করতে হবে যে, বাবা আমাদের
স্বর্গের উত্তরাধিকার প্রদান করেন। এই মৃত্যুলোক শেষ হবে। যখন তোমরা নিরন্তর
বাবাকে স্মরণ করতে থাকবে তখন সম্পূর্ণ নির্বিকারী হবে। সেই যোগবলের দ্বারা পাপ
কেটে যাবে, পুণ্য আত্মায়
পরিণত হয়ে যাবে। তোমরা বাবার কাছে স্যারেন্ডার হও, অর্থাৎ পুণ্য কর। তখন স্মরণের দ্বারা আত্মা
পবিত্র হতে থাকে। কাউকে বোঝানো খুব সহজ। ভগবানুবাচ কখনও শুনেছো? স্বর্গের স্থাপনা করেন উনি, ফাদার বা পিতা। পিতা এবং বর্সাকে (স্বর্গের
অধিকার) স্মরণ করতে হবে। মহারাজা হতে চাও তো বলো তোমরা কতজন প্রজা বানিয়েছো ?
এমন অনেকেই লেখে যে অমুক
আত্মা আমাকে দৃষ্টি দিয়েছে, জ্ঞান বাণ
লেগেছে। প্রজা বানানোর, উত্তরাধিকারী
বানানোর জন্য পরিশ্রম করতে হয়। প্রজা তো খুব সহজে তৈরি হয়, কিন্তু সিংহাসনে কে বসবে? তাকে তো পরিশ্রম করে বানাতে হবে। মায়াজিত,
জগৎজিত হতে হবে। মায়ার
কাছে পরাজয় স্বীকার করাই হলো পরাজিত হওয়া। বাবার কাছে শক্তি অর্জন করতে হবে। এই
পরিশ্রম বাচ্চারা, তোমাদের করতে
হবে। কোনও কথায় কনফিউজ থাকলে বাবাকে জিজ্ঞাসা করতে থাকো। বাবা পড়ান তাই এতে কোনও
সংশয় আসা উচিত নয়, তাইনা। অনেক
রকমের সংকল্পের ঝড় আসবে। বুদ্ধিযোগ বিচ্ছিন্ন করার চেষ্টা করবে। ঝড় উঠবে, মায়া খুব হয়রানি করবে। তখন বলবে এই মাথা তো
একেবারে খারাপ হয়ে গেছে। যে অসুখ ইত্যাদি কখনও হয়নি সেসব হতে থাকবে। বিঘ্ন অনেক
আসবে, এতে দুর্বল হবে না।
আচ্ছা!
বাপদাদা মিষ্টি -
মিষ্টি মাম্মার হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত ।
আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) বাবা যে
ফার্স্টক্লাস যাত্রা শিখিয়েছেন, সেই আত্মিক
যাত্রায় থাকতে হবে। শ্রীমৎ অনুসারে দেহ সহ সব কিছু ভুলতে হবে।
২ ) কখনও মায়ার
ঝড় ঝঞ্ঝায় দুর্বল বা সংশয় বুদ্ধি হবে না। কোনও কথায় কনফিউজ হবে না।
*বরদানঃ-* সদা ভরপুরতার অনুভূতির দ্বারা বাঁকা পথকে সোজা
করতে সক্ষম শক্তি অবতার ভব
সদা শক্তির,
গুণের, জ্ঞানের, খুশীর খাজানায় ভরপুর থাকো তো ভরপুরতার নেশায়
বাঁকা পথও সোজা হয়ে যাবে। যদি খালি থাকবে তো গর্ত তৈরি হয়ে যাবে এবং সেই গর্তে পড়ে
গেলে আঘাত লাগবে। যারা দুর্বল এবং খালি হয় তাদের সঙ্কল্পের দ্বারা আঘাত লাগে।
শক্তি অবতার অর্থাৎ বাঁকাকে সোজা করার কন্ট্র্যাক্ট নেয় যারা। এমন কন্ট্র্যাক্ট
যারা নেয় তারা কখনও এমন বলে না যে পথটি বাঁকা। যদি কেউ পড়ে যায় তার অর্থ হল
অ্যাটেনশন কম আছে বা বুদ্ধি ভরপুর নয়।
*স্লোগানঃ-* যে রুহাবকে ধারণ করে, সে-ই হল রুহানী গোলাপ।
No comments:
Post a Comment