21.03.2023 BANGLA MURLI
*প্রশ্নঃ - তোমরা বাচ্চারা কোন্ স্মৃতিতে থাকলে অন্তরে খুশির
ঢোল-করতাল বাজতে থাকবে?
*উত্তরঃ - সবসময় এই স্মৃতি যেন থাকে যে অতি প্রিয় বাবা
এসেছেন আমাদের বিশ্বের মালিক, রাজারও রাজা করে
তুলতে। আমরা এখন সূর্য বংশী রাজা রাণী হতে চলেছি। বাবা আমাদের ২১ জন্মের জন্য এভার
হেল্দী, ওয়েল্দি বানাচ্ছেন।
আমাদের সত্যযুগী রাজ্যে সব জিনিসই ফার্স্টক্লাস হবে। তত্ত্বও সতোপ্রধান হবে। আত্মা
এবং শরীর দুই-ই সুন্দর ফুলের মতো হবে। এই স্মৃতিতেই অন্তরে খুশির ঢোল-করতাল বাজতে
থাকবে।
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চারা জানে যে বাবা হলেন পরমধাম নিবাসী। বাবা স্বয়ং বাচ্চাদের বলেন যে এখন
তোমরা ভক্ত নও। এখন তোমরা ভগবানের সন্তান হয়েছো। ভক্ত, ভগবানকে খুঁজতেই থাকে। ভক্তকে ভগবান বলতে পারো
না। ভক্ত অনেক, ভগবান এক। ভক্তরা
যখন মানুষ তখন ভগবানকেও নিশ্চয়ই মানুষের রূপে আসতে হবে। কথিত আছে যে ঘরে বসে আসেন।
কার ঘরে আসেন? মানুষের ঘরে।
ভগবানকে নিশ্চয়ই মনুষ্য রূপ গ্রহণ করতে হবে। নিরাকার পরমপিতা পরমাত্মা হলেন
অদ্বিতীয়, ভক্ত অনেক। সমস্ত
মানুষ এই সময় ভক্ত, ভগবানকে স্মরণ
করে। ওরা মনে করে কোনো সময় ভগবানকে অবশ্যই আসতে হবে। তিনি হলেন স্বর্গের রচয়িতা
নিশ্চয়ই একজনই হবেন, তাই না ! অনেক তো
হতে পারে না। ভগবান এসে মনুষ্য রূপে ভক্তদের বোঝান। অর্ধেক কল্প তো আমাকে স্মরণ
করো। ড্রামা অনুসারে ভক্তি মার্গে অবশ্যই স্মরণ করতে হবে। তারপর আমি ভগবান মানুষের
রূপ ধারণ করে ভক্তদের কাছে আসি। ভক্তরা মানুষ সুতরাং আমাকেও মানুষের সাথে মিলিত
হতে হবে। অবশ্যই মানুষের রূপ ধারণ করতে হবে, কোনো কচ্ছ মচ্ছ নয়। বাবা বলেন আমি এসে
বাচ্চাদের কাছে নিজের পরিচয় দিই। কেউ-ই আমার পার কেউই পায় না। সেইজন্যই আমি নিজে
এসে তোমাদের আমার পরিচয় দিয়ে বলি যে আমি এসেছি। তোমরা বাচ্চারা জানো বাবা মনুষ্য
শরীর নিয়ে আসেন (মনুষ্য শরীরে প্রবেশ করেন)। তিনি সেটাও বুঝিয়ে বলেন যে আমি কোনো
ভক্তের শরীরে প্রবেশ করি। এই ব্রহ্মা হলেন সবচেয়ে বড় ভক্ত। একজন ভক্ত নয়। যত
পুরানো ভক্ত আছে তাদের হিসেব তিনি তোমাদের কাছে বলেন। প্রাচীন দেবী-দেবতা যারা
সত্যযুগের আদিতে ছিল, তারাই ভক্তি
মার্গে যখন আসে তখন ভক্তি শুরু করে দেয়। সুতরাং ওরাই হলো সবচেয়ে পুরানো ভক্ত। ওরাই
সম্পূর্ণ রূপে ভক্তি করেছে। তারাই আবার এসেছে ভগবানের সাথে মিলিত হয়ে দেবী-দেবতা
পদ প্রাপ্ত করার জন্য। তারপর তারা সামনে এসে মিলিত হয়। তোমরা জানো আমরা ভক্ত ছিলাম,
এখন সম্পূর্ণ দুনিয়া
ভক্ত। ভগবান এসেছেন ভক্তদের রক্ষা করতে, কেননা ভক্তরা খুব দুঃখী। ভক্তদের জানা নেই যে শান্তি আর সুখ কোথায় থাকে?
ভগবান এসে বোঝান আমি যখন
আসি বাচ্চাদের জন্য উপহার নিয়ে আসি। অসীম জগতের পিতা নিশ্চয়ই অসীমিত উপহার নিয়ে
আসবেন। এখন তোমরা বুঝেছো যে আমরা ভক্ত নই। ভগবান এসে তাঁর উত্তরাধিকারী করেছেন।
ভক্তরা উত্তরাধিকারী হয় না। ওরা এমন মনে করে না যে আমরা ভগবানের সন্তান। বাবার কাছ
থেকে উত্তরাধিকার নিতে হবে। ওরা তো সর্বব্যাপী বলে থাকে, সুতরাং ভগবান কোথা থেকে আসবেন। এখন তোমাদের
উত্তরাধিকার অবশ্যই চাই আর সেইজন্য আমাকে স্মরণ করে থাকো। উত্তরাধিকারও
ফার্স্টক্লাস চাই। সেকেন্ড, থার্ড ক্লাস নয়।
সব ভক্তরা ভগবানকে স্মরণ করে ওঁনার সাথে মিলিত হওয়ার জন্য। কিন্তু জানে না যে
কীভাবে ওঁনার কাছে পৌঁছাবে। তাই ভগবানকেই আসতে হয়। তিনি শিক্ষাও প্রদান করেন,
তোমরা জানো ভগবান এসেছেন
সকলের ভক্তির ফল প্রদান করতে বা সুখী করতে। ভগবানকে এই সময়েই আসতে হয়। তিনি হলেন
রূহানী পান্ডা। বাস্তবে মানুষের সত্যিকারের তীর্থ হলো মুক্তি আর জীবনমুক্তি ধাম।
স্বর্গ নিবাসী দেবী-দেবতাদের জড় চিত্র এখানে আছে। ঐ জড় চিত্রদের কাছে মানুষ যায়
তীর্থযাত্রা করতে, ওটা হলো শারীরিক
যাত্রা। দিলওয়ারা মন্দিরে বা জগৎ অম্বার কাছে যাত্রা করতে যায়, ওটা হলো ভক্তি। ভগবান এসে এসব যাত্রার ধাক্কা
থেকে মুক্ত করেন। ভক্ত ভগবানের সাথে মিলিত হলে ভগবানও ভক্তির দুঃখ থেকে মুক্তি
দিয়ে সঠিক গন্তব্যে পৌছে দেন। বাবা বলেন সব ধর্মের সমস্ত মানুষদের সঠিক গন্তব্য
দেখাতে এসেছি। প্রকৃত ঠিকানা হলৈ মুক্তি জীবনমুক্তি ধাম। সবাইকে নিজের ধাম বা
স্বর্গ ধামে নিয়ে যান। বাচ্চারা, তোমাদের বুদ্ধিতে
আছে যে বাবা পরমধাম থেকে এসেছেন। আত্মা চায় ভগবানের কাছে যেতে। স্মরণ কে করে?
আত্মা স্মরণ করে এই
অরগ্যান্স দিয়ে। বাবা বলেন এখন তোমাদের দেহী-অভিমানী হতে হবে। তোমাদের বুদ্ধিতে
জ্ঞান প্রবাহ হতেই থাকে। পূর্বের মতোই ড্রামা অনুসারে বাবা এসেছেন। বাচ্চাদের
রাবণের দুঃখ থেকে মুক্ত করে নিজের সাথে নিয়ে যাবেন। তিনি গাইড হয়ে এসেছেন। তোমাদের
রূহানী তীর্থ যাত্রায় যেখানে যেতে হবে, সেখান থেকে ফিরে আসতে হবে না। এখানে তো অল্প সময়ের জন্য শারীরিক তীর্থ যাত্রা
করে থাকে। এই জড় তীর্থ যাত্রা বন্ধ হয়ে যায়। তারপর তোমরা সবাই তীর্থে যাও। প্রকৃত
তীর্থ একটিই, তা হলো মুক্তিধাম,
দ্বিতীয় হলো জীবনমুক্তি
ধাম। জাগতিক তীর্থে যাওয়ার জন্য ভক্তরা শারীরিক তীর্থ করতেই থাকে। পূর্বের মতোই
শারীরিক তীর্থ জন্ম-জন্মান্তর ধরে করার পর পুনরায় সেটা ছেড়ে দিয়ে আমরা রূহানী
তীর্থ করতে চলে যাব, তারপর এই
মৃত্যুলোকে আসতেই হবে না। মুক্তিধামে গিয়ে বসবো, তখন আসা - যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে। তারপর স্বর্গে
চলে গেলে ওখানে আসা-যাওয়া চলতে থাকবে। আমরা স্বর্গবাসী হয়ে যাব। তোমরা জানো যে
বাবা আমাদের স্বর্গ বাসী বানাচ্ছেন। আমরা স্বর্গে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছি। দুনিয়াতে
তো কারো জানাই নেই, সম্পূর্ণ বুদ্ধু
(বোকা)। শাস্ত্র ইত্যাদি পড়ে কোনো লাভ হয় না। এখনকার সময়ের সাথে তুলনা করে তো এটাই
বলবেন। অল্প সময়ের জন্য সুখকে সাময়িকই বলা হবে। বেশি মিষ্টি আর অল্প মিষ্টির মধ্যে
পার্থক্য তো হবেই তাইনা।
এখন তোমরা বুঝেছো
যে, আমরা সূর্য বংশী রাজা
রাণী হচ্ছি। মানুষ আশা করে অনেক ধনবান হওয়ার । সম্পত্তি তো অবশ্যই প্রয়োজন তবেই তো
সুখ অনুভব হবে। সম্পত্তির সাথে হেল্থও প্রয়োজন। হেল্থ, ওয়েল্থ দুটো থাকলে তবেই অনেক সুখ থাকে। এই
দুনিয়াতে হেল্থ, ওয়েল্থ দুটো
পাওয়া যাবে না। এক জন্মের জন্য একজন মানুষের কাছে এই দুটোই একসাথে থাকতে পারে না।
ওখানে তোমরা ২১ জন্মের জন্য হেল্দী, ওয়েল্দি থাকো। ওখানে প্রতিটি জিনিসই খুব সস্তা হবে। পয়সার কোনো দরকার নেই।
পয়সার পরিবর্তে স্বর্ণমুদ্রা ব্যবহার করবে এবং জিনিসও ফার্স্টক্লাস হবে। তত্ত্বও
সেখানে সতোপ্রধান হয়ে উঠবে এবং সেই তত্ত্ব থেকে উৎপাদিত সবকিছুই ভালো হবে। খেতেও
খুব মজা হবে। তোমাদের অন্তরে এখন ঢোল-করতাল বাজা উচিত। মোস্ট বিলভেড (অতি প্রিয়)
বাবা এসেছেন। তিনি বলেন আমি তোমাদের অতি প্রিয় বাবা। ৬৩ জন্ম ধরে তোমরা আমাকে
স্মরণ করেছো। নিশ্চয়ই আমি বিলাভেড, তবেই তো আমাকে
স্মরণ করতে তাইনা। মানুষের তো কিছুই জানা নেই। বাবা আমাদের রাজার রাজা, স্বর্গের মালিক, বিশ্বের মালিক করে তোলেন। দেবী-দেবতারা বিশ্বের
মালিক, তাই না ! কিন্তু তাদের
উপরেও মিথ্যা কলঙ্ক ছোটবেলা থেকেই লাগানো হয়েছে। কত মিথ্যা কথা আরোপ করা হয়েছে।
মায়া ১০০% অবিবেচক বুদ্ধি করে তোলে। এটাও ড্রামার খেলা। সুতরাং এখন মোস্ট বিলভেড
বাবা বলছেন সম্পূর্ণ রূপে আমাকে স্মরণ করো তবেই তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। সুন্দর
সুন্দর ফুল হয়ে ওঠো। আত্মা গুলগুল হলে শরীরও তেমনই সুন্দর পাবে। ত্বমেব মাতাশ্চ
পিতা... এটা কার মহিমা করা হয়? কুকুর বিড়াল
সবকিছুর মধ্যেই যদি ঈশ্বর থাকে তবে কি ওদের বলবে মাতা-পিতা? মানুষের বুদ্ধি কি হয়ে গেছে! ওরা কত জাঁকজমক
দেখায়। একে বলে মায়ার জৌলুস (পাম্প) । রাবণ রাজ্যে মানুষের কত নেশা । জানে না
কিছুই। তোমাদের মধ্যেও যে খুব ভালো জ্ঞান ধারণ করে, তারই নেশা (ঈশ্বরীয়) বৃদ্ধি পায়। জ্ঞানের ধারণা
না থাকলে চেহারা যদিও মানুষের মতো কিন্তু আচরণ বাঁদরের মতো। তোমরা বাচ্চারা এখন
বুঝতে পেরেছ আমরা শ্রীমতে চলে ভারতের মানুষকে শ্রেষ্ঠ দৈবীগুণ ধারণকারী করে তুলি
অর্থাৎ আমরা ভারতকে শ্রেষ্ঠ দৈবী রাজস্থান গড়ে তুলি। যার মধ্যে এই নেশা থাকবে সেই
এমন বলবে। কোথাও ভাষণ দিলে বলো আমরা শ্রী অর্থাৎ শ্রেষ্ঠ মতে চলি। ভগবান হলেন
জ্ঞানের সাগর, আনন্দের সাগর,
আমরা ওঁনার মতে চলছি।
যাদব আর কৌরব চলে রাবণের মতে আর আমরা পান্ডব ভগবানের শ্রীমতে চলি। জয়ও আমাদের হয়।
শ্রী কৃষ্ণ কোনো স্বর্গ স্থাপন করে না। ভগবান বাবাই স্থাপন করেন। আমরা ভারতকে
শ্রেষ্ঠ করে তুলি আর কেউই এমন বলতে পারে না যে আমরা ঈশ্বরীয় মতে চলি। তবে হ্যাঁ
ওরা বলবে ঈশ্বরের প্রেরণাতে করছি। বাবা বলেন আমি এই শরীরে এসে মত দিই। এতে
প্রেরণার কোনো বিষয় নেই। সুতরাং প্রথমে নিরাকারের মহিমা করা উচিত। তিনি হলেন
মনুষ্য সৃষ্টির বীজরূপ, জ্ঞানের সাগর,
সুখের সাগর। ওঁনার মতে
আমরা চলি। তিনি আমাদের পিতা, পরমধামে থাকেন।
তিনি স্বর্গের রচয়িতা, যে জানবে সেই
তাঁর মহিমা করবে। সম্পূর্ণ সৃষ্টিকে পবিত্র করার জন্য তো একজনই প্রয়োজন। থোড়াই
অনেক প্রয়োজন। সুতরাং আমরা ছাড়া বাকি সবাই রাবণের মতে চলে। আমরা শ্রীমতের দ্বারা
ভারতকে পুনরায় দৈবী রাজস্থান করে তুলছি। এই অনেক ধর্ম সব বিনাশ হয়ে যাবে। আমরা
যারা বি.কে. আমরা সবাই এটা প্র্যাকটিক্যাল অনুভব করেছি। আমরা প্রজাপিতা ব্রহ্মার
সন্তান। তোমরাও সন্তান, কিন্তু আমরা
প্র্যাকটিক্যালি এখন আছি। এরপর ভক্তি মার্গে গাওয়া হবে – পরমপিতা পরমাত্মা
ব্রহ্মার দ্বারা মনুষ্য সৃষ্টি রচনা করেছিলেন। ওরা মনে করে হয়তো হঠাৎ করে দেবতা
হয়ে গেছে। কিন্তু না, ব্রহ্মার দ্বারা
প্রথমে ব্রাহ্মণ রচনা করা হয় তারপর বর্ণে নিয়ে আসেন। কাহিনী শুনিয়ে বা নাটক করে
কোনো লাভ নেই। শুধুমাত্র বাবার শিক্ষা সম্পর্কেই বলা উচিত। বাবা আমাদের কি বলেন?
হে মিষ্টি বাচ্চারা,
হে আত্মারা.... প্রতিটি
সভায় বলা উচিত, আমরা শ্রীমতে
চলছি – দেবতা হওয়ার জন্য। তিনি আমাদের রাজযোগ শেখান। গীতার ভগবানও তিনি যিনি
নিরাকার। তিনি সাকারে আসেন,প্রজাপিতা
ব্রহ্মার মুখ থেকে ব্রাহ্মণ ব্রাহ্মণীরা বেরিয়ে আসে। আমরা হলাম বি.কে. । পরমপিতা
পরমাত্মা আমাদের ব্রহ্মা মুখ দ্বারা রচনা করেছেন। আমরা হলাম শিববাবার পৌত্র।
বি.কে.দের পরিচয় দেওয়া উচিত। তোমরাও সব আত্মারা শিবের পৌত্র এবং প্রজাপিতা
ব্রহ্মার সন্তান। এখন পুনরায় এই নতুন রচনা হচ্ছে। এইভাবে বোঝাতে হবে। যাতে তারা বুঝতে
পারে যে আমরাই শিবের পৌত্র ব্রহ্মার সন্তান। আমরা ওঁনার হয়েছি সেইজন্যই আমাদের নাম
ব্রহ্মাকুমার ব্রহ্মাকুমারী। কল্প পূর্বেও এরা ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা, তারপর ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্র হয়েছিল। এখন আবারও ব্রাহ্মণ হয়েছে। এভাবেই যথার্থ রীতিতে চক্রের রহস্য
বুদ্ধিতে বসানো উচিত। প্রথমে তো বাবার সম্পূর্ণ পরিচয় দেওয়া উচিত। বাবা আমাদের
শুনিয়েছেন, আমরা এরপর
তোমাদের শোনাচ্ছি। এই ড্রামার চক্র কীভাবে ঘুরছে, চক্রবর্তী রাজা কীভাবে হতে হবে - এটাই হলো
নলেজ। এর মধ্যে কোনো অস্ত্রশস্ত্র বা পাওয়ার নেই। ওয়ার্ল্ডের
হিস্ট্রি-জিওগ্রাফীকে তো অবশ্যই মানুষ জানবে তাইনা। মনুষ্য সৃষ্টির চক্র কীভাবে
ঘুরছে এটা অবশ্যই জানা উচিত। আমরা বাবার কাছ থেকে শুনে চক্রবর্তী রাজা হই।
তোমাদেরও অসীম জগতের পিতার কাছ থেকে সুখ পেতে হলে পুরুষার্থ করো। অসীম জগতের পিতাই
হলেন স্বর্গের রচয়িতা। ওঁনার কাছে অনন্ত সুখ পাওয়া যায়, তবে মানুষ অসীম জগতের পিতাকে স্মরণ করবে না কেন
। লৌকিক পিতার উত্তরাধিকারে ওরা সন্তুষ্ট নয়। আমরা অসীম জগতের পিতার কাছ থেকে ২১
জন্মের জন্য সুখ পেয়ে থাকি। বাদবাকি সবই ভক্তি মার্গের সামগ্রী। তোমরা বলে থাকো
শাস্ত্র ইত্যাদি হলো অনাদি। কিন্তু এতসব থেকেও তো এখন কলিযুগ এসেছে। দুনিয়া পতিত
হয়েই চলেছে। লাভ তো কিছুই হয়নি। এখন বাবা স্বয়ং এসেছেন, আমরা ওঁনার পৌত্র ব্রহ্মার সন্তান ব্রাহ্মণ।
বাস্তবে তিনিও (ব্রহ্মা) তোমাদের পিতা। এইভাবে ভালো করে বোঝালে তারাও গলে যাবে।
আচ্ছা!
মিষ্টি-মিষ্টি
হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত।
আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) আত্মিক
যাত্রায় তৎপর থেকে, স্মরণের দ্বারা
আত্মা এবং শরীর দুই-ই গুলগুল (ফুলের মতো) করে তুলতে হবে। বিকর্ম বিনাশ করতে হবে।
২ ) আমরা
ডাইরেক্ট ঈশ্বরীয় মতে ভারতকে শ্রেষ্ঠ, মানব মাত্রকেই দৈবীগুণধারী করে তোলার সেবায় নিমিত্ত রয়েছি – এই স্মৃতিতে থাকতে
হবে।
*বরদানঃ-* সূর্যমুখী ফুলের মতো জ্ঞান সূর্যের প্রকাশে
আলোকোজ্জ্বল হয়ে সদা সম্মুখ আর সমীপ ভব
সূর্যমুখী ফুল
যেমন সূর্যের সকাশে সবসময় ঘিরে থাকে। এর মুখ সূর্যের দিকে থাকে, পাপড়ি গুলোও সূর্যের কিরণের মতো বৃত্তাকারে
থাকে। তেমনই যে বাচ্চা সবসময় জ্ঞান সূর্যের সমীপ আর সম্মুখে থাকে, কখনও দূর হয় না ‐ সে সূর্যমুখী ফুলের মতো জ্ঞান সূর্যের প্রকাশে নিজেও উজ্জ্বল হয় এবং অন্যদেরও উজ্জ্বল করে তোলে।
*স্লোগানঃ-* ‐ সদা সাহসী হও আর সবাইকে সাহস দিতে থাকলে পরমাত্মার সাহায্য প্রাপ্ত হতেই থাকবে।
No comments:
Post a Comment