07.03.2023 BANGLA MURLI
"মিষ্টি বাচ্চারা
- বিজয়ী রত্ন হওয়ার জন্য জীবিতাবস্থাতেই মরে গিয়ে দেহী-অভিমানী হয়ে বাবার গলার হার
হওয়ার জন্য পুরুষার্থ করো"
*প্রশ্নঃ - স্বদর্শন চক্রের রহস্য স্পষ্ট হওয়ার পরেও
বাচ্চাদের মধ্যে ধারণা নম্বরানুসারে হয়ে থাকে - কেন?
*উত্তরঃ - কেননা এই ড্রামাও অত্যন্ত নিয়মানুযায়ী তৈরী
হয়েছে। ব্রাহ্মণরাই ৮৪ জন্মকে বুঝে স্মরণ করতে পারে কিন্তু মায়া ব্রাহ্মণদেরই
স্মরণে বিঘ্ন সৃষ্টি করে, ক্ষণে-ক্ষণেই যোগ
ছিন্ন করে দেয়। যদি সবারই একই রকমভাবে ধারণা হয়ে যায় আর সবাই সহজেই উত্তীর্ণ হয়ে
যায় তবে লক্ষাধিক মালা তৈরী হয়ে যাবে। সেইজন্যই রাজধানী স্থাপন হওয়ার কারণে
নম্বরানুসারে ধারণা হয়ে থাকে।
*গীতঃ- তোমার গলিতেই মরণ....
ওম্ শান্তি ।
বাচ্চারা গান শুনেছে। এই জন্ম হলো তোমাদের মরজীবা (লৌকিক দুনিয়াতে মরে গিয়েও বেঁচে
থাকা) জন্ম। মানুষ যখন শরীর ছাড়ে তখন তার কাছে এই দুনিয়াও শেষ হয়ে যায়, আত্মা শরীর থেকে আলাদা হয়ে যায়, তখন না মামা, না চাচা কিছুই থাকে না। বলা হয় - এ মরে গেছে
অর্থাৎ আত্মা পরমাত্মার সাথে মিলিত হয়েছে। বাস্তবে কেউ যায় না। কিন্তু মানুষ মনে
করে আত্মা ফিরে গিয়ে জ্যোতিতে লীন হয়ে গেছে। এখন বাবা বসে বোঝান - বাচ্চারা জানে
যে আত্মাকে পুনর্জন্ম নিতেই হবে। পুনর্জন্মকেই জন্ম-মৃত্যু বলা হয়। শেষে যে
আত্মারা আসে, হতে পারে একটাই
জন্ম নিতে হয়। ব্যস্, শরীর ছেড়ে তারপর
ফিরে যাবে। পুনর্জন্ম নেওয়ার বিষয়েও অনেক বড় হিসেব- নিকেশ থাকে। কোটি কোটি মানুষ
সুতরাং প্রত্যেকেরই তো এক-এক করে বিস্তারে বলা সম্ভব নয়। এখন তোমরা বাচ্চারা বলে
থাকো - বাবা, আমাদের দেহের যত
সম্পর্ক আছে সব ত্যাগ করে এখন আমরা তোমার গলার হার হতে এসেছি অর্থাৎ বেঁচে থাকতেই
তোমার হয়েছি। পুরুষার্থ তো শরীরের সাথে করতে হবে। একলা আত্মা তো পুরুষার্থ করতে
পারবে না। বাবা বসে বোঝান - যখন রুদ্র যজ্ঞ রচনা করে তখন সেখানে বড় শিবের চিত্র
তৈরি করে মাটি দিয়ে, আর সেইসঙ্গে অনেক
শালগ্রামের চিত্রও মাটি দিয়ে তৈরি করে। এখন সেগুলো কোন্ শালগ্রাম, যেগুলো গড়ে তারপর তাদের পূজা করে? শিবকে মনে করে যে তিনি পরমপিতা পরমাত্মা। শিবকে
মুখ্য রূপে রাখে। আত্মা তো অসংখ্য। সুতরাং তারা অনেক শালগ্রাম তৈরি করে। ১০ হাজার
অথবা ১ লক্ষ শালগ্রাম তৈরি করে। প্রতিদিন তৈরি করে তারপর ভেঙে ফেলে তারপর আবার
বানায়। এতে কতো পরিশ্রম করতে হয়। না পূজারি, না যারা যজ্ঞ রচনা করেছে তারা কেউ-ই জানে না যে
এই শালগ্রামগুলো কার প্রতিনিধিত্ব করে। এতো আত্মা কি পূজার যোগ্য? না। আচ্ছা, মনে করো ভারতবাসীদের ৩৩ কোটি শালগ্রামও যদি
তৈরি করে তাও সেটা সম্ভব নয়, কেননা সবাই
বাবাকে সাহায্য করে না। বড় গুহ্য এই বিষয় বোঝার জন্য।
চার পাঁচ লক্ষ
টাকা খরচ করে থাকে রুদ্র যজ্ঞ রচনা করার জন্য। আচ্ছা, শিব তো পরমপিতা পরমাত্মা ঠিক আছে কিন্তু এতো
শালগ্রাম বাচ্চা তারা কে, যাদের পূজা করা
হয়। এই সময় তোমরা বাচ্চারাই বাবাকে জেনে থাকো আর তাঁর সাহায্যকারী হয়ে ওঠো।
প্রজারাও তো সাহায্য করে তাইনা। শিববাবাকে যে স্মরণ করবে, সেই স্বর্গে চলে যাবে। সে যদি কাউকে জ্ঞান নাও
দিয়ে থাকে তাও স্বর্গে যাবে। এইরকম অসংখ্য হবে। কিন্তু মুখ্য হলো ১০৮ রত্ন।
মাম্মাকেও দেখো কতো মূল্যবান রত্ন। তাঁর কতো পূজা হয়ে থাকে । এখন তোমরা বাচ্চাদের
দেহী-অভিমানী অবশ্যই হতে হবে। জন্ম-জন্মান্তর ধরে তোমরা দেহ-অভিমানে রয়েছো। কোনো
মানুষ এমন বলবে না যে আমি আত্মা পরমপিতা পরমাত্মার সন্তান। যে সন্তান হবে তার
পরমাত্মার বায়োগ্রাফি সম্পর্কে জানা উচিত। পারলৌকিক বাবার বায়োগ্রাফি অসাধারণ।
সুতরাং বাচ্চারা এখন বলে এখন জীবিত থেকেও মরে গিয়ে বাবা আমরা তোমার গলার হার
অবশ্যই হবো। আত্মাদেরও বড়-বড় মালা আছে। তেমনই মনুষ্য সৃষ্টিতেও সবচেয়ে বড় মালা
আছে। প্রজাপিতা ব্রহ্মা হলেন মুখ্য। এনাকে আদম, আদি দেব, মহাবীরও বলা হয়। এ'সবই হলো বড়ই গুহ্য বিষয়।
তোমরা বুঝেছো যে,
আমরা সব আত্মারা এক
নিরাকার পিতার সন্তান আর মনুষ্য সৃষ্টির সম্পূর্ণ বংশবৃক্ষ। যাকে জিনোলজিক্যাল
ট্রিও (বংশলতিকা) বলা হয়। যেমন সারনেম (উপাধি) হয় না - আগরওয়াল, তার পরিবারের বাচ্চারা, নাতি সবাই আগরওয়ালই হবে। বংশতালিকা তৈরি করা হয়
তাইনা। এক থেকে বৃদ্ধি পেতে-পেতে অনেক বড় ঝাড় হয়ে যায়। যে আত্মারাই আছে সবাই
শিববাবার গলার হার। সবাই অবিনাশী। প্রজাপিতা ব্রহ্মাও আছেন। নতুন দুনিয়া কিভাবে
রচনা করা হয়, প্রলয় হয় কি ?
হয়না। দুনিয়ার তো
স্থায়িত্ব থাকে শুধু বাবা এসে একে নতুন করে তোলেন যখন এই দুনিয়া পুরানো হয়ে যায়।
এখন তোমরা বুঝেছ আমরা সবার মধ্যে নতুন ছিলাম। আমাদের আত্মা নতুন এবং পবিত্র ছিল।
পিওর সোনা ছিল, আর সেইজন্যই আমরা
আত্মারা সোনার গয়নাও (কাঞ্চন শরীর) পেয়েছিলাম, যাকে কায়া কল্পতরু বলা হয়। এখানে তো মানুষের
গড়পড়তা আয়ু ৪০-৫০ বছরের হয়। কারো-কারো ১০০ বছর হয়ে থাকে। ওখানে তোমাদের আয়ু এভারেজ
১২৫ বছরের কম হয়না। তোমাদের আয়ু কল্প বৃক্ষের সমান বানানো হয়। কখনও অকাল মৃত্যু
হবে না। তোমরা আত্মারা শিববাবার বাচ্চা, ব্রহ্মা দ্বারা অবশ্যই ব্রাহ্মণ জন্ম হবে, তার মধ্যেই প্রজাদের রচনা করা হয়। সর্বপ্রথম
তোমরা ব্রহ্মা মুখ বংশাবলী ব্রাহ্মণ হও। শিববাবা তো একজন তবে মাতা কোথায়? এটাও বড় গুহ্য বিষয়। আমি এর দ্বারা তোমরা
বাচ্চাদের অ্যাডপ্ট করি। সুতরাং তোমরা পুরানো দুনিয়া থেকে বেঁচে থেকেও মরে যাও।
ওরা যারা অ্যাডপ্ট করে ধন-সম্পত্তি দেওয়ার জন্য। বাবা অ্যাডপ্ট করেন স্বর্গের
উত্তরাধিকার দেওয়ার জন্য, তার জন্য তোমাদের
যোগ্য করে তোলেন। সঙ্গে করে নিয়ে যাবেন সেইজন্যই এই পুরানো দুনিয়াতে জীবিত থেকেও
মরে যেতে হবে। গৃহস্থ ব্যবহারে থেকেও পবিত্র হয়ে বাবার হতে হবে। আমরা পরমধাম
নিবাসী তারপর সত্যযুগে গিয়ে সুখের পার্ট প্লে করব। এ'সব বিষয়ে বাবাই বসে বোঝান। এসব কথা শাস্ত্রে
নেই। এখন বাবা বসে তোমরা আত্মাদের পবিত্র করে তুলছেন। আত্মার মধ্যে জমে থাকা ময়লা
পরিষ্কার করছেন। তোমরা জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র পেয়েছো। ওরা তারপর তিজরির (তৃতীয়
নেত্রের কাহিনী) কথা বসে শুনিয়েছে। বাস্তবে এই কথা এখনকার জন্য। ব্রহ্মান্ড থেকে
শুরু করে সম্পূর্ণ সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের সব খবর তোমরা পেয়ে থাকো। বাবা একবারই
এসে বুঝিয়ে থাকেন। সন্ন্যাসীরা তো পুনর্জন্ম নিতেই থাকে। ইনি আসেন এবং বাচ্চাদের
পড়ান। ব্যস্। এটা তো একেবারেই নতুন কথা। শাস্ত্রে তো এ কথা লেখা নেই। এটা অনেক বড়
একটা কলেজ। এখানে নিয়ম হচ্ছে এক সপ্তাহ খুব ভালো ভাবে বুঝতে হবে। ভাট্টিতে বসতে
হবে। গীতা পাঠ অথবা ভাগবত পাঠও এক সপ্তাহ ধরে চলে তাইনা, সুতরাং সাতদিন রোজ ভাট্টিতে বসতে হবে।
বিকারগ্রস্ত তো সবাই, যদিও সন্ন্যাসীরা
ঘর পরিবার ছেড়ে নির্বিকারী হয় তবুও বিকার দ্বারা জন্ম হওয়ার জন্য ওরা নির্বিকারী
হওয়ার জন্য সন্ন্যাস নিয়ে থাকে। কেউ কেউ পুনর্জন্মে বিশ্বাস করে কারণ তারা উদাহরণ
দেখে। কেউ অনেক বেদ-শাস্ত্র পড়তে-পড়তে শরীর ত্যাগ করে তারপর ঐ সংস্কার অনুসারে
পুনরায় জন্ম গ্রহণ করে, তাই তারা শৈশব
থেকেই শাস্ত্র অধ্যয়ন করতে পারে। জন্ম গ্রহণ করে নিজেকে যখন অপবিত্র মনে করে তখন
পবিত্র হওয়ার জন্য সন্ন্যাস নিয়ে থাকে। তোমরা তো একবারই পবিত্র হয়ে দেবতা হও।
তোমাদের এরপর সন্ন্যাস করার প্রয়োজন পড়ে না। সুতরাং ওদের সন্ন্যাস তো অসম্পূর্ণ
থেকে গেল তাইনা। এ'সব বিষয়ে ওরা
নিজেরাও কিছু বোঝাতে পারে না। বাবা বসে তোমাদের বোঝান। তিনি হলেন উত্তম থেকে উত্তম
পিতা, তোমরা যাঁর সন্তান হয়েছ।
এটা একটা স্কুল, প্রতিদিন যেখানে
নতুন-নতুন বিষয় বেরিয়ে আসে। তিনি বলেন আজ গুহ্য থেকে গুহ্য বিষয় শোনাচ্ছি। না
শুনলে ধারণা হবে কীভাবে? এখন বাবা বসে
বোঝান তোমরা বাচ্চারা আমার হয়েছো যখন, তখন এই শরীরের বোধ ত্যাগ কর, আমি গাইড হয়ে
এসেছি তোমাদের ফিরিয়ে নিয়ে যেতে।
তোমরা হলে পান্ডব
সম্প্রদায়। ওরা (লৌকিক) হলো শরীরধারী পান্ডা, তোমরা আত্মিক পান্ডা। ওরা শারীরিক যাত্রা করতে
নিয়ে যায়। তোমাদের হলো আত্মিক যাত্রা। ওরা পান্ডবদের হাতে অস্ত্র দিয়ে, যুদ্ধের ময়দানে ওদের দেখিয়েছে। এখন বাচ্চারা
তোমাদের মধ্যে শক্তি চাই। সংখ্যায় অনেক হলে তোমাদের শক্তিও বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এখন
বাবা বসে বোঝাচ্ছেন আমি তোমাদের এই ব্রহ্মা দ্বারা অ্যাডপ্ট করেছি সুতরাং একে
(ব্রহ্মা) মাতা-পিতা বলা যায়। এমনিতে তো সবাই বলে তুমি মাতা-পিতা আমরা তোমার বালক।
আচ্ছা, ওঁনাকে তো গডফাদার বলা
হয়। গডমাদার তো বলা হয় না। তবে মাদার কিভাবে বলবে? লোকেরা তারপর জগদম্বাকে মাদার বলে মনে করে।
কিন্তু না, তারও মাতা-পিতা
আছে, কিন্তু কে তার মাতা?
এগুলো খুবই গভীর বিষয়।
গায়ন তো আছে কিন্তু কে প্রমাণ করে বোঝাতে সক্ষম হবে? তোমরা জানো ইনি (ব্রহ্মা) মাতা-পিতা। প্রথমে
মাতা। তোমাদের এই ব্রহ্মা মাতার কাছেই প্রথমে আসতে হয়। এনার মধ্যে প্রবেশ করে
তোমাদের অ্যাডপ্ট করি, সেইজন্যই ইনি
মাতা-পিতা। এই কথা কোনো শাস্ত্রে নেই। এ'সবই বাবা বসে বোঝান - কীভাবে তোমরা মুখ বংশাবলী হও। আমি ব্রহ্মা মুখ দ্বারা
তোমাদের রচনা করি। যেমন কোনো রাজা, তিনি মুখ দ্বারা
বলবেন তুমি আমার। আত্মাই বলে থাকে। কিন্তু তবুও তাকে মাতা-পিতা বলা যায় না। বড়
চমৎকার এই বিষয়। তোমরা জানো আমরা শিববাবার হয়েছি সুতরাং এই দেহ বোধ ত্যাগ করতে
হবে। নিজেকে আত্মা অশরীরী মনে করা পরিশ্রমের কাজ। একে বলাই হয় রাজযোগ আর জ্ঞান।
দুটো শব্দ এখানে আসে। যখন কোনো মানুষ মারা যায় তখন তাকে বলা হয় রাম-রাম জপ করো
অথবা গুরু নিজের নাম বলে থাকে। কোনো গুরু মারা গেলে তার সন্তানকে গুরু করা হয়।
এখানে বাবার সাথে সবাইকে যেতে হবে। এই মৃত্যুলোকে এটা অন্তিম জন্ম। বাবা আমাদের
অমরলোকে নিয়ে যান, ভায়া মুক্তিধাম
যেতে হবে ।
এটাও বোঝানো
হয়েছে যখন বিনাশ হয় তখন এই কলিযুগের সম্পূর্ণ নিচে চলে যায়। সত্যযুগ উপরে উঠে আসে।
সমুদ্রের নিচে কিছু চলে যায় না। এখানে তোমরা বাচ্চারা সাগরের কাছে আসো রিফ্রেশ
হতে। এখানে তোমরা সামনে বসে জ্ঞানের ডান্স দেখো, দেখানো হয় যে গোপ-গোপিনীরা কৃষ্ণকে ডান্স
করিয়েছে, এই সব হলো এই
সময়েরই। চাতক (পাখি যারা বৃষ্টির ফোঁটার জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে) বাচ্চাদের
সামনে বাবার মুরলী চলে। বাচ্চাদেরও শিখতে হবে। তারপর যে যতটা শিখতে পারবে। তোমাদের
বোঝাতে হবে অসীম জগতের পিতার কাছ থেকে স্বর্গের উত্তরাধিকার নাও। তোমরা হে ভগবান
বলো, তিনি তো রচয়িতা, অবশ্যই স্বর্গ রচনা করবেন। এই একজনই পিতা যিনি
স্বর্গ রচনা করেন যা তারপর অর্ধেক কল্প ধরে চলে। বাবা তোমাদের কত রহস্য বুঝিয়ে
বলেন। বাচ্চাদের পরিশ্রম করে ধারণ করতে হবে। স্বদর্শন চক্রের রহস্যও বাবা কত
পরিষ্কার করে বুঝিয়েছেন। ৮৪ জন্মের চক্রকে ব্রাহ্মণরাই স্মরণ করতে পারে। এটা হলো
বুদ্ধির যোগ লাগিয়ে চক্রকে স্মরণ করা। কিন্তু মায়া ক্ষণে-ক্ষণে যোগ ছিন্ন করে দেয়,
বিঘ্ন সৃষ্টি করে। সহজ
হলে সবাই পাশ করত। লক্ষ মালা তৈরি হয়ে যেত। এই ড্রামা নিয়মানুযায়ী তৈরি হয়েছে।
প্রধান হলো ৮, এর মধ্যে কোনো
পার্থক্য হতে পারে না। ত্রেতার শেষে যত প্রিন্স-প্রিন্সেস থাকবে সবাই মিলে অবশ্যই
এখানে পড়াশোনা করবে। প্রজা হবে যারা তারাও পড়বে। এখানেই কিংডম স্থাপন হয়। বাবাই
কিংডম স্থাপন করেন, আর কোনো
প্রিসেপ্টর (গুরু) রাজধানী স্থাপন করে না। এটা বড়ই চমৎকার রহস্য। সত্যযুগে
লক্ষ্মী-নারায়ণের রাজ্য কোথা থেকে এসেছিল? কলিযুগে তো রাজত্বই নেই। এখন অনেক ধর্ম। ভারতবাসী এখন কাঙাল হয়ে গেছে।
কলিযুগের রাত শেষ হয়ে, দিন শুরু হয় এবং
রাজত্বও শুরু হয়। এখানে কি হলো? ওরা
আল্লাহ্-আলাদিনের খেলা দেখায় না, যেখান থেকে
কারুনের খাজানা (প্রচুর গুপ্তধন) বেরিয়ে আসে! তোমরা সেকেন্ডের মধ্যে দিব্য দৃষ্টি
দিয়ে বৈকুন্ঠ দেখে আসো । আচ্ছা!
মাতা-পিতা,
বাপদাদা, বাচ্চারা সম্পূর্ণ পরিবার একসাথে বসেছে।
মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ সুমন আর
সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
*ধারণার জন্যে
মুখ্য সারঃ-*
১ ) বাবার মতো
সবাইকে রিফ্রেশ করে তোলার সেবা করতে হবে। চাতক হয়ে জ্ঞানের ডান্স করতে হবে আর
করাতেও হবে।
২ ) এই শরীর
বোধকে ছেড়ে পুরানো দুনিয়া থেকে জীবিত থেকেও মরে যেতে হবে। অশরীরী হওয়ার অভ্যাস
করতে হবে। নিজেকে স্বর্গের উত্তরাধিকারের যোগ্যও করে তুলতে হবে।
*বরদানঃ-* হোলির অর্থ স্বরূপে স্থিত হয়ে সত্যিকারের হোলি
উদযাপনকারী হাইয়েস্ট হোলিয়েস্ট ভব
"হো লী"
অর্থাৎ যা কিছু ঘটেছে সেটা অতীত হয়ে গেছে । যে সীন হয়ে গেছে হো লী অর্থাৎ মিটে
গেছে। যা ইতিমধ্যেই ঘটে গেছে সেটা অতীত। অতীতকে অতীত হতে দেওয়ার জন্য সবসময়
ড্রামার ঢালকে ব্যবহার করতে হবে। হোলির রঙ তখনই পাক্কা হয় যখন প্রতি মুহূর্তে
স্মরণ থাকে যে, যা হয়ে গেছে,
হয়ে গেছে। সে কখনো
ড্রামার কোনো দৃশ্য দেখে কেন, কী কীভাবে
ইত্যাদি প্রশ্নে জড়ায় না। সবসময় জ্ঞান মন্থন করে নিজের হোলিয়েস্ট (পবিত্রতম) এবং
হাইয়েস্ট (সর্বোচ্চ) স্টেজ (স্থিতি) তৈরি করে থাকে।
*স্লোগানঃ-* সবচেয়ে বড় ধনবান সে যার কাছে পবিত্রতার
সর্বশ্রেষ্ঠ খাজানা (সম্পদ) আছে।
No comments:
Post a Comment