Saturday, January 28, 2023

28.01.2023 BANGLA MURLI

                                            28.01.2023 BANGLA MURLI


ওম্ শান্তি । আত্মাদের বাবা বসে আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে বোঝাচ্ছেন। বোঝাতে তাদের হয়, যার বোধ কম থাকে। তোমরা এখন অত্যন্ত সুবুদ্ধি সম্পন্ন হয়েছো , তোমরা বুঝেছো যে, উনি হলেন আমাদের অসীম জগতের বাবা, অসীম জগতের শিক্ষাও প্রদান করেন। সৃষ্টির আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য বোঝান। স্টুডেন্টদের বুদ্ধিতে নলেজ থাকা উচিত যে এরপর বাবা আমাদেরকে সঙ্গে করে নিয়েও যাবেন। কারণ বাবা জানেন যে এ'হল পুরানো অপবিত্র ছিঃ ছিঃ দুনিয়া। এই পুরানো দুনিয়া থেকে আমি বাচ্চাদেরকে পরমধাম ঘরে ফিরিয়ে নিয়ে যেতে এসেছি। বাবা বোঝান এখানে বসে বাচ্চাদের বুদ্ধিতে এই চিন্তন অবশ্যই চলে - অহো! উনি হলেন আমাদের অসীম জগতের বাবা, আমাদের উঁচু শিক্ষা প্রদান করেন। সম্পূর্ণ রচনার আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য বুঝিয়ে দেন। এই সব স্মরণ করাও হল মন্মনাভব। এসব তোমাদের চার্টে আসতে পারে। এ কথা তো খুব সহজ। অন্য কিছু যদি নাও করো, কিন্তু উঠতে বসতে, চলতে ফিরতে বুদ্ধিতে এই কথা স্মরণে থাকা উচিত। ওয়ান্ডারফুল জিনিসকে স্মরণ করা হয়ে থাকে । তোমরা বুঝেছো বাবাকে স্মরণ করলে, পড়াশোনা করলে আমরা পুনরায় বিশ্বের মালিক হয়ে যাই। এই কথা বুদ্ধির দ্বারা স্মরণ করা উচিত। যেখানেই বসে থাকো বাসে কিম্বা ট্রেনে, বুদ্ধিতে যেন স্মরণ থাকে। সর্বপ্রথমে তো বাচ্চাদের বাবা চাই। তোমরা জানো আমরা আত্মা, আমাদের আত্মিক পিতা হলেন অসীম জগতের পিতা। সহজ স্মৃতির জন্য বাবা যুক্তি বলে দেন। মামেকম্ স্মরণ করো, তবে অর্ধেক কল্পের তোমাদের যে বিকর্ম আছে, সেসব যোগের অগ্নির দ্বারা ভস্ম হয়ে যাবে। জন্ম জন্মান্তর অনেক যজ্ঞ তপ ইত্যাদি করেছো। ভক্তিমার্গের মানুষ জানেনা যে এইসব কেন করে। এর দ্বারা প্রাপ্তি কি হবে। মন্দিরে যায়, কত ভক্তি করে, তাদের ধারণা পরম্পরা ধরে চলে আসছে। শাস্ত্রের উদ্দেশ্যেও বলবে পরম্পরা ধরে চলে আসছে। কিন্তু মানুষ জানেনা যে, স্বর্গে তো শাস্ত্র থাকে না। তারা ভাবে সৃষ্টির শুরু থেকে এইসব চলে আসছে। তারা না কাউকে বলতে পারে যে অসীম জগতের বাবা কে। এখানে দৈহিক পিতা বা দৈহিক টিচার তো নেই। দেহের জগতে টিচারের কাছে তো তোমরা পড়েছো। সেই পড়াশোনা করেই চাকরী বাকরী ইত্যাদি করে, উপার্জন করে। তোমরা বাচ্চারা জানো শিববাবা হলেন আমাদের অসীম জগতের বাবা, তাঁর কেউ পিতা নেই এবং উনি হলেন অসীম জগতের টিচার। তাঁর কেউ টিচার নেই। এই দেবতাদের কে পড়িয়েছে, অবশ্যই স্মরণে আসা উচিত তাইনা ! এ'হল মন্মনাভব। এই পড়াশোনা তো কোথাও পড়ানো হয় না। বাবা হলেন স্বয়ং নলেজফুল। তাঁকে কি কেউ পড়িয়েছে ? উনি হলেন মনুষ্য সৃষ্টির বীজ রূপ এবং চৈতন্য স্বরূপ, জ্ঞানের সাগর। চৈতন্য হওয়ার কারণে মনুষ্য সৃষ্টি রূপী বৃক্ষের আদি থেকে অন্ত পর্যন্ত রহস্য বলে দেন। অন্তের সময়ে এসে আদি কালের জ্ঞান বলে দেন এবং বলেন হে বাচ্চারা যে দেহে আমি বিরাজিত, তার দ্বারা আমি আদি থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত সব কিছু শোনাই। অন্তের সময়ের কথা পরে বুঝিয়ে দেব। তোমরা ভবিষ্যতে বুঝবে যে, এখন হলো অন্তের সময়, কারণ সেই সময় তোমরা কর্মাতীত অবস্থায় পৌঁছে যাবে এবং এমন সীন দেখবে যে পুরানো দুনিয়া বিনাশ তো হবেই। এই কথা নতুন নয়। অনেক বার দেখা এবং দেখতেই থাকবে। কল্প পূর্বে রাজত্ব নিয়েছিলে পরে হারিয়েছো এখন পুনরায় প্রাপ্ত করছো। বাবা আমাদের পড়ান। তোমরা বুঝতে পেরেছো আমরাই বিশ্বের মালিক ছিলাম, পরে ৮৪ জন্ম নিয়েছি, পুনরায় বাবা বিশ্বের মালিক বানানোর জন্য সেই জ্ঞান দিচ্ছেন। তোমরা বুদ্ধির দ্বারা বুঝতে পারো যে, টিচারও হলেন এই বাবাই। যদি বাবা স্মরণে না আসেন তবে টিচারকে স্মরণ করো। টিচারকে কখনও ভুলবে কি? টিচারের কাছে তো পড়া পড়তেই থাকো। যদিও মায়া অমনোযোগী বানিয়ে দেয় যে তোমরা বুঝতে পারো না। মায়া চোখে ধুলো দিয়ে দেয়। আমাদের ভগবান পড়াচ্ছেন, সে কথা একেবারে ভুলে যাও তখন । বাবা প্রতিটি কথা বুঝিয়ে দেন। এ'হল অসীম জগতের বাবার বোঝানো জ্ঞান। ও'সব হলো জাগতিক বিষয়। বাচ্চারা, এই অসীম জগতের নলেজ বাবা কল্প কল্প তোমাদের প্রদান করেন। যদি বেশি পড়তে না পারো তবে বাবা রূপে তাঁকে স্মরণ করো। তাঁর কেউ পিতা নেই, উনি হলেন সকলের পিতা। কিন্তু সবাই তাঁর সন্তান। কেউ বলতে পারবে কি শিববাবা কার সন্তান ? উনি হলেন অসীম জগতের পিতা। বাচ্চারা বোঝে আমরা অসীম জগতের বাবার আপন হয়েছি। আমাদের এই পড়াশোনাও ওয়ান্ডারফুল এবং আমরা ব্রাহ্মনরাই পড়া করি। দেবতা বা ক্ষত্রিয়, বৈশ্য, শূদ্ররা এই পড়া করতে পারে না। বাবার এই নলেজ একেবারে পৃথক। তোমরা ব্যতীত কেউ বুঝবে না। বাচ্চারা তোমাদের খুশীর পারদ ঊর্ধ্বে থাকে যে, আমরা তমোপ্রধান থেকে সতোপ্রধান হই। এখন উঁচু পদ প্রাপ্তির জন্য খুব পুরুষার্থ করতে হবে। এমন নয় স্বর্গে তো সবাই আসবে। যদি জ্ঞান ও যোগের ধারণা না হয় তবে উঁচু পদ প্রাপ্ত হবে না।

বাবা বলেন ১৬ কলা সম্পূর্ণ হতে স্মরণের পরিশ্রম করতে হবে। দেখতে হবে কাউকে দুঃখ দিই না তো ? আমরা হলাম সুখদাতার সন্তান। সবাইকে সুখ প্রদান করতে হবে। মন, বাণী, কর্মে কাউকে দুঃখ দেবে না। এই সময় তোমরা যে পড়াশোনা করছো, তার দ্বারা ফুলে পরিণত হচ্ছো। এই উপার্জন তোমাদের সঙ্গে যাবে, এর জন্য কোনও বই ইত্যাদি পড়ার দরকার নেই। জাগতিক পড়াশোনায় অনেক বই ইত্যাদি পড়তে হয়। বাবার এই নলেজ সবচেয়ে পৃথক এবং খুব সহজও। কিন্তু সবই হল গুপ্ত। তোমরা ব্যতীত কেউ বুঝবে না যে, এরা কি পড়াশোনা করে। এ হলো ওয়ান্ডারফুল পড়াশোনা। বাবা বলেন কখনও অ্যাবসেন্ট হবে না। পড়াশোনা কখনও ত্যাগ করবে না। বাবার কাছে সকলের রেজিস্টার আসে। তা দেখেই বাবা বুঝতে পারেন কে ১০ মাস অ্যাবসেন্ট ছিল, কে ৬ মাস অ্যাবসেন্ট ছিল। কেউ আবার চলতে চলতে পড়াশোনা ত্যাগ করে দেয়। এ'হলো খুবই ওয়ান্ডারফুল বিষয়। এমন ওয়ান্ডারফুল বিষয় আর কিছু হয় না। কল্প কল্প বাচ্চারা তোমাদের সাথে এমন বাবা এসে মিলিত হন। তোমরা বাচ্চারা জানো সাকার বাবা তো পুনর্জন্মে আসেন। ইনি (ব্রহ্মা বাবা) ৮৪-র চক্র পরিক্রমা করেন ততত্বম্ (তোমরাও তাই), এ হল খেলা, তাইনা। খেলা কখনও ভুলতে নেই। খেলা সদা স্মরণে থাকে।

বাবা বোঝান এক তো এই দুনিয়া হলো নরক এবং তার চেয়েও বিশেষ ভাবে এই বায়োস্কোপ (সিনেমা) হলো নরক। সেখানে গেলে বৃত্তি খারাপ হয়ে যায়। খবরের কাগজে কোনও সুন্দর চিত্র ইত্যাদি দেখলে সেই দিকেই বুদ্ধি যায় - খুব সুন্দর চিত্র, পুরস্কার পাওয়া উচিত, এমন চিন্তন চলে। এমন চিত্র দেখবে কেন ! বুদ্ধিতে বোধ আছে যে, সম্পূর্ণ দুনিয়া শেষ হয়ে যাবে। তোমরা শুধু আমাকে স্মরণ করো। এমন কিছু দেখবে না, তা নিয়ে চিন্তনও করবে না। এ তো পুরানো দুনিয়ার অপবিত্র শরীর, সেসব দেখে কি হবে। একমাত্র বাবাকে দেখতে হবে। বাবা বলেন মিষ্টি-মিষ্টি বাচ্চারা লক্ষ্য খুবই উচ্চ। মায়া কোনো অংশে কম নয়। মায়ার কতো জৌলুস দেখো। ওই দিকে সায়েন্স আর এই দিকে তোমাদের সাইলেন্স। তারা চায় মুক্তি প্রাপ্ত হোক। এখানে তোমাদের মুখ্য লক্ষ্য হলো জীবনমুক্তি প্রাপ্ত করা। জীবনমুক্তি পাওয়ার পথ কেউ বলে দিতে পারে না। সন্ন্যাসী ইত্যাদি কেউ এই নলেজ প্রদান করতে পারে না। কাউকে বোঝাতে পারে না যে, গৃহস্থে থেকে পবিত্র হতে হবে। এ'কথা একমাত্র বাবা এসে বোঝান। ভক্তি মার্গে সময় নষ্ট হয়েছে। কত ভুল হয়েছে। ভুল করতে করতে ভোলা অর্থাৎ বিস্মৃত হয়েছে। এই লাস্ট জন্ম হল ১০০ শতাংশ ভুল করার। বুদ্ধি একটুও কাজ করে না। এখন বাবা তোমাদেরকে বোঝান, তখন তোমরা বুঝতে পারো। এখন তোমরা সব বুঝেছো তাই অন্যদেরও বোঝাও। খুশীর পারদ ঊর্ধ্বে থাকে তোমাদের। এ'হল ওয়ান্ডার - শিব বাবার কোনো বাবা নেই, কোনো টিচার নেই। শিখলেন কোথায় ! মানুষ ওয়ান্ডার অনুভব করবে। অনেকে বোঝে নিশ্চয়ই এনার (ব্রহ্মা বাবার) কেউ গুরু আছে । যদি ইনিও গুরুর কাছে শিক্ষা গ্রহণ করে থাকতেন তবে গুরুর আরও অনেক শিষ্য থাকা উচিত। শুধুমাত্র একটি শিষ্য কেন থাকবে। গুরুর অনেক শিষ্য থাকে। আগা খানের অনেক শিষ্য। গুরুর প্রতি তাদের কতখানি রিগার্ড আছে। তাকে হীরে দিয়ে ওজন করে। তোমরা কি দিয়ে ওজন করবে? বাবা তো হলেন সবচেয়ে সুপ্রিম। তাঁর কত ওজন হবে? তোমরা কি করবে ! ওজন করলে কত হবে? কোনও জিনিসের দ্বারা হবে কি ? শিববাবা তো হলেন বিন্দু। আজকাল অনেকে ওজন করে। কেউ স্বর্ণ দিয়ে, কেউ রৌপ্য দিয়ে, প্ল্যাটিনাম দিয়েও করে। সোনার চেয়েও বেশি দামি। এখন বাবা বোঝান দৈহিক গুরু তো তোমাদের সদগতি দেন না। সদগতি প্রদান করেন একমাত্র বাবা, তাঁকে কি দিয়ে ওজন করবে? মানুষ তো শুধুমাত্র ভগবান ভগবান বলেই থাকে। কিন্তু এ'কথা জানে না যে তিনি হলেন বাবা এবং টিচারও । কত সাধারণ ভাবে বসে আছেন। বাচ্চাদের মুখ দেখার জন্য একটু উঁচুতে বসেন। সহযোগী বাচ্চাদের ছাড়া বাবা স্থাপনা করবেন কীভাবে। যে বেশি সহযোগিতা করবে তাকে অবশ্যই বাবা ভালোবাসবেন। লৌকিকেও এক সন্তান ২ হাজার উপার্জন করে, অন্যজন ১ হাজার, তো বাবার স্নেহ কার প্রতি থাকবে? কিন্তু আজকালকার বাচ্চারা বাবার খবর রাখে কোথায়? অসীম জগতের বাবাও দেখেন অমুক অমুক বাচ্চারা খুব ভালো সহযোগিতা করে। বাচ্চাদেরকে দেখে বাবা খুশী হন। আত্মা খুশী হয়। কল্প-কল্প আমি আসি এবং বাচ্চাদের দেখে খুশী হই। জানি কল্প-কল্প তারা ই আমার সহযোগী। বাবার স্নেহ এভাবেই কল্প-কল্পের জন্য ফিক্স হয়ে যায়। যেখানেই বসে থাকো বুদ্ধিতে এই স্মৃতি রাখো যে, বাবা হলেন আমাদের পিতা, টিচার এবং গুরু। এক বাবা আমাদের সব কিছু। তবেই তো সবাই তাঁকে স্মরণ করে। সত্য যুগে কেউ স্মরণ করবে না কারণ ২১ জন্মের জন্য বাবা ভব সাগর পার করিয়ে দেন। এমন ভাবে স্মরণ করে বাচ্চাদের খুশীতে থাকা উচিত। খুশীর অনুভব হওয়া উচিত যে আমরা এমন বাবার সার্ভিস করি। সবাইকে বাবার পরিচয় দিয়ে থাকি। উনি হলেন অসীম জগতের বাবা। একমাত্র বাবা স্বর্গের স্থাপনা করেন। বাবা আমাদের সবাইকে সঙ্গে নিয়েও যান। এমন ভাবে বুঝিয়ে দিতে হবে যাতে সর্বব্যাপী বলতে পারবে না। বাবা বলেছেন বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি বিনশন্তি। তারা শেষ হয়ে যাবে, তোমরা বিজয় লাভ করবে। তোমরা রাজধানী স্থাপন করছো। আত্মাদের পিতা বসে আত্মাদেরকে বোঝাচ্ছেন। অতএব এমন ওয়ান্ডারফুল কথা সবাইকে বলা উচিত। আচ্ছা!

মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

*ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-*

১ ) সুখদাতার সন্তান আমরা, সবাইকে আমাদের সুখ দিতে হবে। মন-বাণী-কর্মে কাউকেই দুঃখ দেবে না।

২ ) পড়াশোনা এবং টিচার দুইই হলো ওয়ান্ডারফুল। এমন ওয়ান্ডারফুল পড়াশোনা কখনও মিস করবে না। অ্যাবসেন্ট হবে না।\

বরদানঃ-প্রতিদিন সর্বদা স্ব উৎসাহে থেকে এবং সর্বজনকে উৎসাহ প্রদান করে এমন রূহানী সেবাধারী ভব

বাপদাদা সব রূহানী সেবাধারী বাচ্চাদেরকে স্নেহের এই উপহার প্রদান করেন যে "বাচ্চারা প্রতিদিন স্ব উৎসাহে থাকো এবং সর্বজনকে উৎসাহ প্রদান করার উৎসব পালন করো।" এতে সংস্কার মিলনের, সংস্কার পরিবর্তনের যা পরিশ্রম করতে হয় তার থেকে মুক্ত হয়ে যাবে। এই উৎসব সদা উদযাপন করো তো সমস্ত সমস্যা গুলির অবসান হয়ে যাবে। তখন সময়ও দিতে হবে না, শক্তিও ব্যবহার করতে হবে না। খুশীতে নাচতে থাকা, উড়তে থাকা ফরিস্তা হয়ে যাবে।

*স্লোগানঃ-*      যে ড্রামার রহস্য বুঝে নাথিং নিউ এর পাঠ পাকা করে সে-ই হল নিশ্চিন্ত সম্রাট (বেফিকর বাদশাহ)।

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...