25.01.2023 BANGLA MURLI
“মিষ্টি বাচ্চারা
- বাবাকে স্মরণ করার খুশীতে মেহনত করো, কেননা তোমাদেরকে সত্যিকারের সোনা হতে হবে"
প্রশ্নঃ -ভালো
পুরুষার্থীদের লক্ষণ কেমন হবে?
উত্তরঃ -যারা
ভালো পুরুষার্থী হবে, তারা প্রতিটি কদম শ্রীমৎ অনুসারে চলবে। সর্বদা শ্রীমৎ অনুসারে
যারা চলে তারাই উঁচু পদ পেয়ে থাকে। বাবা বাচ্চাদেরকে শ্রীমৎ অনুসারে চলতে কেন বলেন?
কারণ তিনিই হলেন একমাত্র সত্যিকারের প্রিয়তম। বাকি সকলে হলো তাঁর প্রিয়তমা।
ওম্ শান্তি
। ওম্ শান্তি'র অর্থ তো নতুন এবং পুরানো দুনিয়ার বাচ্চারা বুঝেছে। তোমরা বাচ্চারা জেনে
গেছো যে আমরা সব আত্মারা হলাম পরমাত্মার সন্তান । পরমাত্মা হলেন উচ্চ থেকেও উচ্চ আর
অত্যন্ত প্রিয় থেকেও প্রিয় সকলের প্রিয়তম । বাচ্চাদেরকে জ্ঞান আর ভক্তির রহস্য তো
বোঝানো হয়েছে। জ্ঞান মানে হলো দিন, সত্যযুগ-ত্রেতা, ভক্তি মানে রাত, দ্বাপর আর কলিযুগ।
ভারতেরই কথা। অন্য ধর্ম গুলির সাথে তোমাদের বেশী কানেকশন নেই, ৮৪ জন্ম তোমরাই ভোগ করো।
সবার প্রথমে তোমরা ভারতবাসীরাই এসেছো। ৮৪ জন্মের চক্র হলো তোমাদের অর্থাৎ ভারতবাসীদের
জন্য। এই রকম কেউ বলবে না যে - ইসলামী, বৌদ্ধ ইত্যাদিরা ৮৪ জন্ম নেয়, ভারতবাসীই নেয়।
ভারতই হলো অবিনাশী খন্ড, এর কখনো বিনাশ হবে না, অন্য সব খন্ড গুলির বিনাশ হয়ে যায়
। ভারতই হলো সবথেকে উচ্চ থেকেও উচ্চ । ভারত খন্ডই স্বর্গ হয়ে ওঠে আর অন্য কোনো খন্ড
হয় না। বাচ্চাদেরকে বোঝানো হয়েছে যে - নতুন দুনিয়া সত্যযুগে ভারতই থাকবে। ভারতকে
স্বর্গ বলা হয়। ভারতবাসীই আবার ৮৪ জন্ম নেয়। অবশেষে নরকবাসী হয়ে যায়। তারপর ভারতবাসীই
আবার স্বর্গবাসী হবে। এই সময় সবাই হলো নরকবাসী। এরপর আর অন্য সব খন্ডের বিনাশ হয়ে
যাবে, বাকি ভারতই থাকবে। ভারত খণ্ডের মহিমা হলো অপরমঅপার। এমনিতে পরমপিতা পরমাত্মার
মহিমা আর গীতার মহিমা হলো অপরমঅপার, কিন্তু অবশ্যই সত্যিকারের গীতার। এখন বাবা তোমাদেরকে
রাজযোগ শেখান। এটা হলো গীতার পুরুষোত্তম সঙ্গমযুগ। ভারতই এরপর পুরুষোত্তম হবে। এখন
সেই আদি সনাতন দেবী-দেবতা ধর্ম নেই। সেই রাজ্যও নেই। তাই সেই যুগও নেই। বাবা-ই বুঝিয়েছেন
যে - এই ভুলও ড্রামাতেই রয়েছে। গীতাতে তারা শ্রীকৃষ্ণের নাম রেখে দিয়েছে। যখন ভক্তি
মার্গ শুরু হবে তখন সবার প্রথমে গীতাই থাকবে। এখন এই গীতা ইত্যাদি সব শাস্ত্র বিনষ্ট
হয়ে যায় । বাকি কেবল দেবী-দেবতা ধর্মই থাকবে। তবে এমন নয় যে তার সাথে গীতা ভাগবত
ইত্যাদিও থাকবে। না। প্রালব্ধ পাওয়া হয়ে গেলো, সদ্গতি হয়ে গেলো, তাহলে তখন শাস্ত্র
ইত্যাদির তো আর দরকার নেই। সত্যযুগে কোনো গুরুও থাকবে না, কোনো শাস্ত্রও থাকবে না।
এই সময় তো অনেক গুরু রয়েছে ভক্তি শেখানোর জন্য। সদ্গতি প্রদানকারী হলেন একমাত্র রুহানী
বাবা, যার মহিমা হলো অপরমঅপার। ওঁনাকেই অলমাইটি অথরিটি বলা হয় । ভারতবাসী সবচেয়ে বেশি
ভুল যেটা করে, তা হলো বলে থাকে যে তিনি হলেন অন্তর্যামী। সকলের মনের কথা জানতে পারেন।
বাবা বলেন বাচ্চারা আমি কারো মনের কথা জানি না। আমার কাজ হলো পতিতদেরকে পবিত্র বানানো।
এছাড়া আমি অন্তর্যামী নই। এ'সব হলো ভক্তি মার্গের উল্টো মহিমা। আমাকে আহ্বানই করে পতিত
দুনিয়াতে। আর আমি একবারই আসি, যখন পুরানো দুনিয়াকে নতুন বানাতে হবে। মানুষের এটা জানা
নেই যে, এই যে পুরানো দুনিয়া, সেটা নতুন থেকে পুরানো কখন হয়ে যায় পুরানো থেকে নতুন
কখন তৈরী হয়। প্রতিটি জিনিস সতঃ, রজঃ, তমঃ-তে অবশ্যই আসবে। মানুষের ক্ষেত্রেও তাই।
বালক প্রথমে সতোপ্রধান, তারপর যুবা, বৃদ্ধ হয় অর্থাৎ রজঃ, তমঃ-তে আসে। শরীর বৃদ্ধ
হলে তারপর শরীর ত্যাগ করে ছোট বাচ্চা হয়ে জন্মায়। দুনিয়াও নতুন থেকে পুরানো হয়।
তোমরা বাচ্চারা জানো যে, নতুন দুনিয়াতে ভারত কত সুমহান (উচ্চ) ছিল। ভারতের মহিমা হলো
অপরমঅপার। এত ধনবান, সুখী, পবিত্র আর কোনো খন্ড নেই। এখন সতোপ্রধান দুনিয়া স্থাপন হচ্ছে।
ত্রিমূর্তিতেও ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শংকরকে দেখানো হয়েছে। তার অর্থ কেউই বোঝে না। বাস্তবে
বলা উচিত ত্রিমূর্তি শিব, ত্রিমূর্তি ব্রহ্মা নয়। ব্রহ্মা, বিষ্ণু, শংকরকে ক্রিয়েট
কে করেছে... উচ্চ থেকেও উচ্চ শিব বাবা। বলা হয় ব্রহ্মা দেবতায় নমঃ, বিষ্ণু দেবতায়
নমঃ, শংকর দেবতায় নমঃ, শিব পরমাত্মায় নমঃ। তবে তো তিনি উচ্চ থেকেও উচ্চ হলেন। তিনি
হলেন রচয়িতা। মানুষ গেয়েও থাকে পরমপিতা পরমাত্মা ব্রহ্মার দ্বারা ব্রাহ্মণদের স্থাপনা
করেন, তারপর পরমাত্মা বাবার দ্বারা অবিনাশী ঐশ্বর্যের উত্তরাধিকার প্রাপ্ত হয় । তারপর
তিনি নিজে বসে ব্রাহ্মণদেরকে পড়ান, কেননা তিনি বাবাও, সুপ্রিম টিচারও। ওয়ার্ল্ডের
হিস্ট্রি - জিওগ্রাফি কীভাবে আবর্তিত হয় সে'সব বসে তিনি বোঝান। তিনিই হলেন নলেজফুল।
এছাড়া এমন নয় যে, তিনি জানিজাননহার। সেটাও হলো ভুল। ভক্তি মার্গে কেউই তাঁর বায়োগ্রাফি,
তাঁর অক্যুপেশনকে জানে না। তাহলে তো সেটা যেন পুতুল খেলাই হয়ে যায়। কলকাতায় কতো
কতো পুতুল পূজা হয়ে থাকে। তারপর সে' গুলোর পূজা করে খাইয়ে-দাইয়ে সমুদ্রে ডুবিয়ে
দেয়। শিব বাবা হলেন মোস্ট বিলাভেড। বাবা বলেন আমার মাটির লিঙ্গ বানিয়ে পূজা ইত্যাদি
করে তারপর ভেঙেচূরে দেয়। সকালে বানায় আর রাতে ভেঙে ফেলে। এ'সব হলো ভক্তি মার্গ, অন্ধ
শ্রদ্ধার পূজা। মানুষ গেয়েও থাকে, তুমিই পূজ্য, তুমিই পূজারী। বাবা বলেন, আমি হলাম
সর্বদা পূজ্য । আমি এসে কেবল পতিতদেরকে পবিত্র বানাই। ২১ জন্মের জন্য রাজ্য ভাগ্য প্রদান
করি। ভক্তি মার্গে হলো অল্প কালের সুখ, যাকে সন্ন্যাসীরা কাক বিষ্ঠা সমান সুখ বলে থাকে।
সন্ন্যাসীরা ঘর পরিবারকে ত্যাগ করে দেয়। সেটা হলো সীমিত গন্ডীর সন্ন্যাস। হঠযোগী তারা।
ভগবানকে তো তারা জানেই না। তারা ব্রহ্মকে স্মরণ করে। ব্রহ্ম তো ভগবান নয়। ভগবান হলেন
এক, যিনি হলেন সকল আত্মাদের পিতা। ব্রহ্ম হলো আমাদের অর্থাৎ আত্মাদের থাকার স্থান।
সেটা হলো ব্রহ্মান্ড, সুইট হোম। সেখান থেকে আমরা আত্মারা এখানে পার্ট প্লে করতে আসি।
আত্মা বলে আমি এক শরীর ত্যাগ করে অন্য শরীর ধারণ করি। ৮৪ জন্মও ভারতবাসীদেরই। যারা
অনেক ভক্তি করেছে, তারাই আবার জ্ঞানও বেশী গ্রহণ করবে। বাবা বলেন বাচ্চারা, গৃহস্থ
ব্যবহারে থাকো, কিন্তু শ্রীমৎ অনুসারে চলো। তোমরা সব আত্মারা হলে প্রিয়তমা, এক পরমাত্মা
প্রিয়তমের। দ্বাপর থেকে শুরু করে তোমরা আমাকে স্মরণ করে আসছো। দুঃখের সময় আত্মা বাবাকে
স্মরণ করে। এটা হলোই দুঃখধাম। আত্মারা আসলে হলো প্রকৃত শান্তিধামের নিবাসী। পরে আসে
সুখধামে। তারপর আমরা ৮৪ জন্ম নিই। "আমরাই সে, তারাই আমরা", এর অর্থও তোমাদেরকে
বুঝিয়েছি। তারা বলে দেয় আত্মাই পরমাত্মা পরমাত্মাই আত্মা। এখন বাবা বোঝান যে, আত্মাই
পরমাত্মা কীকরে হতে পারে? পরমাত্মা তো হলেন এক। ওঁনার সন্তান হলো সকলে। সাধু সন্ত ইত্যাদিরা
'হম সো' (আমরাই সেই) এর রং অর্থ বলে দেয় । এখন বাবা এর অর্থ বুঝিয়েছেন যে, 'হম সো'
এর অর্থই হলো - আমরা আত্মারা সত্যযুগে সেই দেবী দেবতা ছিলাম, আবার(হম সো) আমরাই সেই
ক্ষত্রিয়, আমরাই সেই বৈশ্য, আমরাই সেই শূদ্র হই। এখন আবার আমরাই সেই ব্রাহ্মণ হয়েছি,
আমরাই সেই দেবতা হওয়ার জন্য। এটাই হলো যথার্থ অর্থ । ওই অর্থ হলো সম্পূর্ণ রং
। বাবা বলেন
মানুষ রাবণের মতে চলে কতো মিথ্যুক হয়ে গেছে। সেইজন্য বলা হয়ে থাকে - "মিথ্যা
মায়া মিথ্যা এ কায়া..." সত্যযুগে এই রকম বলবে না। সেটা হলো সত্য খন্ড। সেখানে
মিথ্যার নামটুকুও থাকে না। এখানে আবার সত্যের নামটুকুও নেই। ওই আটাতে যতটুকু নুন দেওয়া
হয় ততটুকুই। সত্যযুগে হলো দৈবী গুণ সম্পন্ন মানব। তাদের হলো দেবতা ধর্ম। পরে আরও অনেক
অনেক ধর্মের উৎপত্তি হয়। তাহলে দ্বৈত হলে গেল না? দ্বাপর থেকে আসুরিক রাবণ রাজ্য শুরু
হয়ে যায়। সত্যযুগে তো রাবণ রাজ্যই নেই, তাই বিকারও থাকতে পারে না। তারা হলো সম্পূর্ণ
নির্বিকারী । রাম সীতাকে ১৪ কলা সম্পন্ন বলা যায়। রামের হাতে বাণ কেন দেওয়া হয়েছে?
এটাও কেউ জানে না। হিংসার তো কোনো ব্যাপারই নেই । তোমরা হলে গডলী স্টুডেন্ট, তাহলে
তিনি ফাদারও হলেন। স্টুডেন্ট থাকলে তিনি তাহলে টিচার। তারপর তিনি বাচ্চাদেরকে অর্থাৎ
তোমাদেরকে সদ্গতি প্রদান করে স্বর্গে নিয়ে যান, তাহলে তিনি সদ্গুরু। বাবা, টিচার,
গুরু তিন প্রকারই হয়ে গেলেন। তোমরা তাঁর বাচ্চা হয়েছো, তাহলে তোমাদের কতখানি খুশী
হওয়া উচিত । বাচ্চারা তোমরা জানো যে এখন হলো রাবণ রাজ্য । রাবণ ভারতের সবথেকে বড়
শত্রু। এই নলেজও বাচ্চারা তোমাদেরকে নলেজফুল বাবার থেকে প্রাপ্ত হয়েছে । সেই বাবাই
হলেন জ্ঞানের সাগর, আনন্দের সাগর। জ্ঞান সাগরের কাছ থেকে তোমরা বাদল ভরে নিয়ে গিয়ে
বর্ষা করে থাকো। জ্ঞান গঙ্গা হলে তোমরা, তোমাদেরই মহিমা রয়েছে । বাকি জলের গঙ্গাতে
স্নান করার ফলে পবিত্র তো কেউই হতে পারে না। নোংরা অপরিচ্ছন্ন জলে স্নান করেও মনে করে
আমরা পবিত্র হয়ে যাবো। ঝর্ণার জলকেও তারা অনেক মহত্ত্ব দিয়ে থাকে। এই সবই হলো ভক্তি
মার্গ । সত্যযুগ ত্রেতাতে ভক্তি হয় না । সে'সব হলো নির্বিকারী দুনিয়া ।
বাবা বলেন,
বাচ্চারা আমি তোমাদেরকে এখন পবিত্র বানাতে এসেছি। এই এক জন্ম আমাকে স্মরণ করো আর পবিত্র
হও, তবে তোমরা সতোপ্রধান হয়ে যাবে । আমিই হলাম পতিত-পাবন। যত বেশি সম্ভব স্মরণের যাত্রাকে
বাড়াতে থাকো। মুখে শিব বাবা শিব বাবা বলার প্রয়োজন নেই। প্রিয়তমা যেমন প্রীতমকে
স্মরণ করে, একবার দেখলো, বুদ্ধিতে তার কথাই স্মরণ থাকবে। ভক্তিতে যে যাকে স্মরণ করে,
যার পূজা করে তার সাক্ষাৎকার হয়ে যায় । কিন্তু সে'সব হলো অল্প কালের জন্য। ভক্তির
থেকে নীচেই নেমে এসেছে। এখন তো মৃত্যু সামনে উপস্থিত। হায়-হায় এর পরেই জয়জয়কার
হবে। ভারতেই রক্তের নদী বইবে। এখন সবাই তমোপ্রধান হয়ে গেছে, এরপর সবাইকে সতোপ্রধান
হতে হবে। কিন্তু হবে তারাই যারা কল্প পূর্বে দেবতা হয়েছিল। তারাই এসে বাবার থেকে সম্পদের
সম্পূর্ণ উত্তরাধিকার নেবে। ভক্তি যদি কম করে থাকে, তবে জ্ঞানও পুরোপুরি গ্রহণ করতে
পারবে না। তারপর প্রজাতে নম্বর ক্রমানুসারে পদ পাবে। ভালো পুরুষার্থী প্রতিটি কদম শ্রীমৎ
অনুসারে চলে ভালো পদ পাবে। ম্যানার্সও ভালো হওয়া চাই।দৈবী গুণও ধারণ করতে হবে। সেটাই
তারপর ২১ জন্ম চলবে। এখন হলো সকলের আসুরিক গুণ, কারণ এটা তো হলো পুরানো দুনিয়া। বাচ্চারা
তোমাদেরকে ওয়ার্ল্ডের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফিও বোঝানো হয়েছে। এই সময় বাবা বলেন বাচ্চারা
স্মরণের অনেক পরিশ্রম যদি করো, তবে তোমরা সত্যিকারের সোনা হয়ে যাবে। সত্যযুগ হলো গোল্ডেন
এজ, সত্যিকারের সোনা। তারপর ত্রেতাতে রূপোর এলয় (খাদ) পড়ে, ফলে কলা কম হয়ে যাবে।
এখন তো কোনো কলাই নেই। যখন এই রকম অবস্থা হয়ে যায়, তখন বাবা আসেন। এও ড্রামাতে নির্ধারিত
রয়েছে। তোমরা তো হলে অ্যাক্টর্স। তোমরা জানো যে, আমরা এখানে পার্ট প্লে করতে এসেছি।
পার্টধারী যদি ড্রামার আদি-মধ্য-অন্তে না জানে, তবে তাকে নির্বুদ্ধিতা বলা হবে। অসীম
জগতের বাবা বলেন, সকলে কতখানি নির্বোধ হয়ে গেছে। এখন তো তোমাদেরকে সুবুদ্ধিসম্পন্ন
হীরের মতো হতে হবে। তারপর রাবণ এসে কড়ি তুল্য বানিয়ে দেবে। এখন এই পুরানো দুনিয়ার
বিনাশ হতে হবে । সবাইকে মশার ঝাঁকের মতো নিয়ে যাই। তোমাদের এইম অব্জেক্ট সামনে রয়েছে।
এই রকম হলে তখন তোমরা স্বর্গবাসী হবে। তোমরা বি. কে. রা এই পুরুষার্থ করছো। কিন্তু
মানুষের বুদ্ধি তমোপ্রধান হওয়ার কারণে এও বোঝে না যে এত সব বি. কে. যখন রয়েছে, তবে
তো নিশ্চয়ই প্রজাপিতা ব্রহ্মাও থাকবেন। ব্রাহ্মণ হলো শীর্ষ (শিখা)। ব্রাহ্মণ তারপর
দেবতা। চিত্রতে ব্রাহ্মণকে, শিবকে সরিয়ে দিয়েছে। ব্রাহ্মণ এখন ভারতকে স্বর্গ বানিয়ে
তুলছে। আচ্ছা।
মিষ্টি-মিষ্টি
হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদের
পিতা ওঁনার আত্মা রূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।
ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-
১ ) জ্ঞান সাগরের থেকে বাদল ভরে জ্ঞান বর্ষা করতে হবে। যতবেশী সম্ভব স্মরণের যাত্রাকে বাড়াতে হবে। স্মরণের দ্বারাই সত্যিকারের সোনা হতে হবে।
২ ) শ্রীমৎ অনুসারে চলে ভালো ম্যানার্স আর দৈবী গুণ ধারণ করতে হবে। সত্যখন্ডে যাওয়ার জন্য অত্যন্ত সৎ হতে হবে।
বরদানঃ-বিশেষত্বকে দেখার চশমা প'রে সম্বন্ধ-সম্পর্কে আসা বিশ্ব পরিবর্তক ভব
একে অপরের সাথে সম্বন্ধ সম্পর্কে আসার সময় পরস্পরের বিশেষত্বকে দেখো। বিশেষত্ব দেখারই দৃষ্টি ধারণ করো। আজকাল যেমন চশমা পরার ফ্যাশনও যেমন আবার প্রয়োজনও, তেমনি বিশেষত্বকে দেখার চশমা প'রো। অন্য কিছু আর চোখে পড়বে না। যেমন লাল চশমা পরলে সবুজও লালই দেখায়, তো বিশেষত্বের চশমার দ্বারা আবর্জনাকে না দেখে কমলকে দেখলে বিশ্ব পরিবর্তনের বিশেষ কার্যের নিমিত্ত হয়ে যাবে।
স্লোগানঃ-পরচিন্তন আর প্রদর্শন এর ধূলোর থেকে সর্বদা দূরে থাকো, তবে দাগহীন অমূল্য হীরা হয়ে যাবে।
No comments:
Post a Comment