Thursday, December 29, 2022

30.12.2022 BANGLA MURLI



 “মিষ্টি বাচ্চারা - দূর দেশ থেকে বাবা এসেছেন ধর্ম এবং রাজ্য দুটিই স্থাপন করার জন্য, যখন দেবতা ধর্ম থাকে তখন দেবতাদের রাজত্ব থাকে, দ্বিতীয় ধর্ম বা রাজত্ব থাকে না”

প্রশ্নঃ -সত্যযুগে সব পুণ্য আত্মারা থাকে, কোনও পাপ আত্মা থাকে না, তার নিদর্শন কি ?

উত্তরঃ -সেখানে কোনও কর্ম ভোগ বা রোগ ইত্যাদি হয় না। এখানে রোগ ভোগ অসুখ বিসুখ ইত্যাদির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আত্মারা পাপের সাজা কর্ম ভোগের রূপে ভোগ করছে, যাকে পাস্টের হিসেব-নিকাশ বলা হয়।

প্রশ্নঃ -বাবার কোন্ ইঙ্গিত দূরদর্শী বাচ্চারাই বুঝতে পারবে ?

উত্তরঃ -বাবা ইঙ্গিত করেন - বাচ্চারা, তোমরা বুদ্ধি যোগের রেস করো। এখানে বসে বাবাকে স্মরণ করো। ভালোবেসে স্মরণ করবে তো তোমরা বাবার গলার হার হয়ে যাবে। তোমাদের প্রেম সিক্ত অশ্রু মালার মুক্তোর দানা হয়ে যায়।

গীতঃ- অবশেষে সেই দিন এলো আজ....

ওম্ শান্তি । বাচ্চারা গান শুনলো। গানের অর্থ বুঝলো। ভারত হল বিশাল। সম্পূর্ণ ভারতকে পড়ানো সম্ভব নয়। এ'তো হল পড়াশোনা - কলেজ খুলতে থাকবে। এ হল অসীম জগতের পিতার ইউনিভার্সিটি। একেই বলা হয় - পাণ্ডব গভর্নমেন্ট। গভর্নমেন্ট বলা হয় সভেরিনিটিকে। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো - সভেরিনিটি (সার্বভৌমত্ব বা রাজত্ব) স্থাপন হচ্ছে। ধর্ম প্লাস সভেরিনিটি। রিলিজো পলিটিক্যাল .... দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা হচ্ছে, আর অন্য কোনও ধর্মের মানুষ রাজত্ব স্থাপন করে না। তারা শুধু ধর্ম স্থাপন করে। বাবা বলেন আমি আদি সনাতন ধর্ম এবং রাজত্ব স্থাপন করি, তাই রিলিজো পলিটিক্যাল বলা হয়। বাচ্চাদের খুব দূরদর্শী বুদ্ধিমত্তা থাকা উচিত। বাবা দুরদেশ থেকে এসেছেন। যদিও দুরদেশ থেকে সব আত্মারাই আসে। তোমরাও দূর দেশ থেকে এসেছো। নতুন ধর্ম যারা স্থাপন করতে আসে - তাদের আত্মারাও দূর থেকেই আসে। তারা ধর্ম স্থাপক আর একে বলা হয় ধর্ম এবং সভেরিনিটি স্থাপক। ভারতে সভেরিনিটি ছিল। মহারাজা-মহারানী ছিল। মহারাজা শ্রী নারায়ণ, মহারানী শ্রী লক্ষ্মী। তো এখন তোমরা বাচ্চারা বলবে আমরা শ্রীমৎ অনুসারে চলছি। বাবা, যাঁকে আমরা সব ভারতবাসীরা আহবান করেছি যে এসো - এসে পুরানো দুনিয়াকে পরিবর্তন করে নতুন সুখের দুনিয়া স্থাপন করো। পুরানো গৃহ এবং নতুন গৃহে পার্থক্য তো থাকে তাইনা। বুদ্ধিতে নতুন গৃহের কথাই স্মরণে থাকে। আজকাল তো বাড়ি ঘর ইত্যাদি ফ্যাশনেবল বানায়। ভাবে - এমন এমন করে বাড়ি তৈরি হবে। তোমরা জানো আমরা নিজের ধর্ম এবং রাজত্ব স্থাপন করছি। স্বর্গে আমরা হীরে-জহরতের মহল বানাবো। অন্য ধর্মের মানুষ এমন ভাবে না। যেমন ক্রাইষ্ট খ্রিস্টান ধর্ম স্থাপন করতে এসেছিলেন, এই কথা তারা তখন বুঝতে পারেনি, যখন বৃদ্ধি হয়েছে তখন নাম রাখে খ্রিস্টান ধর্ম। ইসলাম ইত্যাদি ধর্মের কোনও নাম চিহ্নটুকুও থাকে না। তোমাদের চিহ্ন শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত চলছে। লক্ষ্মী-নারায়ণের চিত্র আছে - তোমরা এ'কথাও জানো তাঁদের রাজত্ব সত্য যুগে ছিল। সেখানে তোমাদের এই জ্ঞান থাকবে না যে, পাস্টে কাদের রাজধানী ছিল, ফিউচারে কাদের রাজধানী থাকবে। শুধু প্রেজেন্ট অর্থাৎ বর্তমানকে জানবে। এখন তোমরা পাস্ট, প্রেজেন্ট, ফিউচারকে জানো। সর্বপ্রথমে আমাদের ধর্ম ছিল, পরে অন্য ধর্ম গুলি এসেছে। সঙ্গমেই বাবা বসে বোঝান। এখন তোমরা ত্রিকালদর্শী হয়েছো। সত্য যুগে ত্রিকালদর্শী হবে না। সেখানে তো রাজত্ব করবে, অন্য ধর্মের নাম চিহ্ন কিছুই থাকবে না। নিজের আনন্দে রাজত্ব করবে।

এখন তোমরা সম্পূর্ণ চক্রের কথা জেনেছো। মানুষ এই কথা তো জানেনা যে, অবশ্যই দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল। কিন্তু সেই ধর্ম কীভাবে স্থাপন হলো , কত সময় চলেছে - সে কথা জানেনা। তোমরা জানো সত্য যুগে এত গুলি জন্ম রাজত্ব করেছি তারপরে ত্রেতায় এত গুলি জন্ম হয়েছে। এদেরও জানতে হবে। বাচ্চারা জানে অবশ্যই অসীম জগতের পিতা আমাদের পড়ান। তোমরা জানো কৃষ্ণের আত্মার এ'হল অনেক জন্মের অন্তের জন্ম, এনার মধ্যেই এসে প্রবেশ করেছেন। এনার নাম ব্রহ্মা নিশ্চয়ই চাই। ব্রহ্মা থেকে বিষ্ণু, বিষ্ণু থেকে ব্রহ্মা। এই ত্রিমূর্তির নলেজ খুব সিম্পল। ইনি হলেন নিরাকার শিব পিতা, তাঁর কাছ থেকে বর্সা প্রাপ্ত হয়। নিরাকারের কাছ থেকে বর্সা কীভাবে প্রাপ্ত হয়? প্রজাপিতা ব্রহ্মার দ্বারা আমরা ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা হতে চলেছি। সেই দেবতারাই ৮৪ জন্মের পরে ব্রাহ্মণ হয়। এই চক্রটি বুদ্ধিতে থাকা উচিত। আমরাই ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মার সন্তানরাই রুদ্রের সন্তান হয়। আমরা আত্মারা নিরাকারী সন্তান, আমরা বাবাকে স্মরণ করি। এই চিত্রের বিষয়ে বোঝানো খুব সহজ। তপস্যা করছে পরে সত্য যুগে আসবে। তোমাদের বুদ্ধিতে থাকা উচিত - আমরা মানুষ থেকে দেবতায় পরিণত হচ্ছি। পরে দেবতা ধর্মের বাদশাহ হয়ে রাজত্ব করবো। যোগের দ্বারাই তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। যদি এখনও পাপ করতে থাকবে তো কি তৈরী হবে? মানুষ যখন তীর্থ যাত্রায় যায় তখন পাপ কর্ম করে না। পবিত্রও অবশ্যই থাকে। তারা বোঝে যে, দেবতাদের কাছে যাচ্ছি । মন্দিরেও সব সময় স্নান করে যায়। স্নান কেন করে ? প্রথমতঃ বিকারগ্রস্ত থাকে বলে, দ্বিতীয়তঃ প্রাকৃতিক কৃত্য করে বলে স্নান করতে হয় । তারপর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে দেবতাদের দর্শন করতে যায়। তীর্থযাত্রায় গিয়ে কখনও পতিত হয় না। চার ধামের পরিক্রমা করে পবিত্র হয়ে। অর্থাৎ পবিত্রতাই হল মুখ্য। দেবতারাও যদি পতিত হয় তবে পার্থক্য কি রইল। দেবতারা পবিত্র থাকে, আমরা পতিত হই। তোমরা জানো বাবা আমাদের ব্রহ্মার দ্বারা অ্যাডপ্ট করেছেন। যদিও তোমরা সব আত্মারাই হলে আমার সন্তান, কিন্তু তোমাদের পড়াবো কীভাবে ? রাজযোগ শেখাবো কীভাবে ? তোমরা মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদেরকে স্বর্গের মালিক বানাবো কীভাবে ? তোমরা জানো বাবা নতুন দুনিয়া স্থাপন করেন। সুতরাং ভগবান অবশ্যই বাচ্চাদেরকে উপযুক্ত বানিয়ে বর্সা প্রদান করবেন। কোথায় উপযুক্ত বানাবেন ? সঙ্গমযুগে। বাবা বলেন, আমি সঙ্গমে আসি। এই মাঝখানের ব্রাহ্মণ ধর্মই হলো একেবারে আলাদা। কলিযুগে হল শূদ্র ধর্ম। সত্য যুগে হলো দেবতা ধর্ম। এ'হল ব্রাহ্মণ ধর্ম। তোমরা হলে ব্রাহ্মণ ধর্মের। এই সঙ্গম যুগ হলো খুবই ছোট। এখন তোমরা সম্পূর্ণ চক্রের বিষয়ে জানো। দূরদর্শী হয়ে গেছো।

তোমরা জানো ইনি হলেন বাবার রথ, এনাকে নন্দীগণও বলা হয়। সারাদিন তো রথে বসে যাত্রা করেন না। আত্মা, দেহ রূপী রথে বসে সারাদিন যাত্রা করে। আলাদা হয়ে গেলে তো দেহ থাকবে না। শিববাবা তো আসতে যেতে পারেন কারণ আত্মা হলো তাঁর নিজের। তাই আমি সর্বদা সওয়ার থাকি না, সেকেন্ডে আসা যাওয়া করতে পারি। আমার সমান তীক্ষ্ণ রকেট দ্বিতীয়টি নেই। আজকাল রকেট, বিমান ইত্যাদি কত রকমের যানবাহন তৈরি হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে তীক্ষ্ণ হল আত্মা। তোমরা বাবাকে স্মরণ করো - আর বাবা এসে গেলেন। আত্মাকে হিসেব-নিকেশ অনুসারে লন্ডনে জন্ম নিতে হবে তো সেকেন্ডে সেখানে গিয়ে গর্ভে প্রবেশ করবে। সুতরাং সবচেয়ে তীব্র বেগে গমন করে আত্মা। এখন আত্মা নিজ গৃহে অর্থাৎ পরমধাম যেতে পারে না কারণ তার শক্তি নেই। দুর্বল হয়ে পড়েছে, উড়তে পারে না। আত্মার উপরে পাপের বোঝা অনেক রয়েছে, শরীরের উপরে যদি বোঝা থাকতো তবে তো আগুনের দ্বারাই পবিত্র হয়ে যেতো, কিন্তু আত্মার মধ্যেই খাদ পড়ে। তাই আত্মা-ই সঙ্গে করে হিসেব-পত্র নিয়ে যায়। তাই জন্য বলা হয় - পাস্টের কর্ম ভোগ। আত্মা তো সংস্কার সঙ্গে করে নিয়ে যায়। জন্ম থেকেই কারো পা অকেজো হলে বলা হয় পাস্টে এমন কর্ম করেছে। জন্ম-জন্মান্তরের কর্ম, যা ভোগ করতে হয়। সত্যযুগে হল-ই পুণ্য আত্মা। সেখানে এইসব কথা থাকে না। এখানে সবাই পাপ আত্মা। সন্ন্যাসীদেরও প্যারালাইসিস হলে বলা হবে কর্ম ভোগ। আরে মহাত্মা শ্রী শ্রী ১০৮ জগৎ গুরু হয়েও এমন রোগ কেন হয় ? বলবে কর্ম ভোগ। দেবতাদের উদ্যেশ্যে এমন বলবে না। গুরুর মৃত্যু হলে শিষ্যদের অবশ্যই অনুশোচনা হবে। বাবার প্রতি খুব ভালোবাসা থাকলেও কান্নাকাটি করে। স্ত্রীর ভালোবাসা স্বামীর প্রতি থাকলে অবশ্যই কান্নাকাটি করবে। স্বামী দুঃখ প্রদানকারী হলে কাঁদবে না। মোহ না থাকলে বুঝবে ভবিতব্য। তোমাদেরও বাবার সাথে অনেক ভালোবাসা আছে। শেষ সময়ে বাবা চলে যাবেন - তোমরা বলবে ওহো! বাবা চলে গেলেন, উনি এত সুখ প্রদান করেছিলেন! শেষে পিছনে অনেকে পড়ে থাকবে। বাবার সাথে অনেক ভালোবাসা থাকে। তোমরা বলবে বাবা আমাদের রাজত্ব প্রদান করে চলে গেলেন। ভালোবাসার অশ্রু ঝরে পড়বে, দুঃখের নয়। এখানেও আত্মারূপী বাচ্চারা বহুকাল পরে শিব পিতার সাথে এসে মিলিত হয় তো প্রেম সিক্ত অশ্রু ঝরে পড়ে। এই প্রেমের অশ্রুই মালার মুক্তো দানা হয়ে যাবে। আমাদের পুরুষার্থই হল যে আমরা বাবার গলার হার হতে পারি, তাই বাবাকে স্মরণ করতে থাকি।

বাবার আদেশ হল - স্মরণের যাত্রা করতে থাকো। যেমন রেস করানো হয় অমুক স্থানটিকে ছুঁয়ে এসো, তারপরে হয় ক্রম অনুসারে। এখানেও বাবাকে যত স্মরণ করবে, যে প্রথমে রেস করে এগিয়ে যাবে সে-ই প্রথমে স্বর্গে এসে রাজত্ব করবে। তোমরা সব আত্মারা বুদ্ধির দ্বারা যোগে রেস করছো। এখানে বসে ওইখানে রেস করছো। আমরা শিববাবার সন্তান। বাবা ইঙ্গিত করেন - আমাকে স্মরণ করো, দূরদর্শী হও। তোমরা দুরদেশ থেকে এসেছো। এখন এই পরের দেশ বিনাশ হয়ে যাবে। এই সময় তোমরা রাবণের দেশে আছো, এই ধরিত্রী হল রাবণের। পরে তোমরা অসীম জগতের পিতার ধরিত্রীতে আসবে। সেখানে হল রামরাজ্য। রামরাজ্য, শিববাবা স্থাপন করেন। পরে অর্ধেক কল্পে রাবণের রাজ্য, ড্রামা অনুসারে এটাই নির্ধারিত আছে। এই সব কথা তোমরা বাচ্চারাই জানো তাই তোমরা প্রশ্ন করো, যার উত্তর তারা কেউই দিতে পারে না। যদি বলা হয় আত্মার পিতা হলেন গড ফাদার। আচ্ছা - তাঁর কাছ থেকে তোমাদের কি বর্সা প্রাপ্ত হওয়া উচিত ? এ'হল পতিত দুনিয়া। বাবা তো পতিত দুনিয়া রচনা করেননি তাইনা। কাউকে বোঝানো খুব সহজ। চিত্র দেখাতে হবে। ত্রিমূর্তির চিত্র কতো সুন্দর । এমন নিয়ম মেনে ত্রিমূর্তির চিত্র কোথাও নেই। ব্রহ্মার মুখমন্ডলে দাড়ি ইত্যাদি দেখানো হয়। বিষ্ণু আর শঙ্করের দেখানো হয় না। তাঁদের দেবতা রূপে গণ্য করে। ব্রহ্মা তো হলেন প্রজাপিতা। অনেকে অনেকরকম ভাবে বানিয়েছে। বাচ্চারা, এখন এইসব কথা তোমাদের বুদ্ধিতে আছে, অন্য কারো বুদ্ধিতে নেই। তারা যেন বুঝতেই চায় না। রাবণকে দহন কেন করা হয় - সে কথা কেউ জানেনা। রাবণ কে ? কবে এসেছিল? বলে দেয় অনাদি কাল থেকে দহন করা হচ্ছে। তোমরা বুঝেছো - রাবণ হল অর্ধেক কল্পের শত্রু। দুনিয়ায় নানান মত রয়েছে, যে যেমন বুঝিয়েছে সেইরকম নাম রেখে দিয়েছে। কেউ মহাবীর নাম দিয়েছে। মহাবীর তো হনুমানকে দেখানো হয়। এখানে আদি দেব মহাবীর নাম কেন রেখেছে ? মন্দিরে মহাবীর, মহাবীরাঙ্গনা আর তোমরা বাচ্চারা বসে আছো। তারা মায়ার উপরে বিজয় লাভ করেছে তাই মহাবীর বলা হয়। তোমরাও অনায়াসেই নিজেদের স্থানে এসে বসেছো। ওটা হল তোমাদের স্মরণিক। সে'সব হলো জড রূপে। তবুও চিত্র অবশ্যই লাগাতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত চৈতন্য স্বরূপের কাছে এসে জ্ঞান অর্জন করে। দিলওয়ারা মন্দিরের রহস্য খুব ভালো ভাবে বোঝাতে পারো। এরা পড়াশোনা করে গেছে তবে ভক্তিমার্গে এই স্মরণিক তৈরি হয়েছে। তোমাদের রাজধানী স্থাপন করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কটু কথাও শুনতে হয় কারণ কলঙ্গী ধর অর্থাৎ ময়ূর পঙ্খধারী হতে হবে। এখন তোমরা সবাই কটু কথা শোনো। সবচেয়ে বেশি গ্লানি হয় আমার। পরে প্রজাপিতা ব্রহ্মাকেও কটু কথা শুনতে হয়। আত্মীয় পরিজন ইত্যাদি সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে থাকে। বিষ্ণু বা শঙ্করকে কেউ কটু কথা বলবে না। বাবা বলেন - কটু বচন আমি শুনি। তোমরা সন্তান বলে তোমাদেরও তা ভাগ নিতে হয়। তা নাহলে, ইনি (ব্রহ্মা বাবা) তো নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন, কটু কথা শোনার কোনও কথাই ছিল না। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ গালি আমাকেই শুনতে হয়। নিজেদের ধর্ম-কর্মকে মানুষ ভুলে গেছে। কত বোঝানো হয়। আচ্ছা!


মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) দূরদর্শী হতে হবে। স্মরণের যাত্রার দ্বারা বিকর্ম গুলির বিনাশ করতে হবে। (রূহানী) যাত্রায় কোনও পাপ কর্ম করবে না।

 

২ ) মহাবীর হয়ে মায়ার উপরে বিজয় লাভ করতে হবে। গ্লানি থেকে ভয়ভীত হবে না, কলঙ্গীধর অর্থাৎ ময়ূরপঙ্খধারী হতে হবে।

 

*বরদানঃ-সর্ব শক্তি গুলির অনুভব করে সময় মতো সিদ্ধি প্রাপ্তকারী নিশ্চিন্ত বিজয়ী ভব

সর্ব শক্তিতে সম্পন্ন নিশ্চয় বুদ্ধি বাচ্চাদের বিজয় নিশ্চিত। যেমন কারো কাছে ধনের, বুদ্ধির বা সম্বন্ধ-সম্পর্কের শক্তি থাকে তো তার দৃঢ় নিশ্চয় থাকে যে এ' কি এমন বড় কথা। তোমাদের কাছে তো সব শক্তি আছে। সবচেয়ে বড় ধন অবিনাশী ধন সদা সাথেই আছে অর্থাৎ ধনের শক্তিও আছে, বুদ্ধি এবং পজিশনের শক্তিও আছে, সেগুলির শুধু ইঊজ করো, স্ব এর প্রতি কাজে লাগাও তাহলেই সময় মতো বিধি দ্বারা সিদ্ধি লাভ হবে।

*স্লোগানঃ-* ব্যর্থ দেখার বা ব্যর্থ শোনার বোঝাকে সমাপ্ত করাই হলো ডবল লাইট হওয়া।

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...