Tuesday, December 27, 2022

27.12.2022 BENGALI MURLI


 
27.12.2022 BENGALI MURLI RAJYOG PATHSHALA

মিষ্টি বাচ্চারা - এখন তোমরা জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র পেয়েছো, তোমরা জানো যে প্রতি ৫ হাজার বছর অন্তর ভোলানাথ বাবার দ্বারা আমরা এই জ্ঞান শুনে মানুষ থেকে দেবতায় পরিণত হয়ে যাই"

প্রশ্নঃ -জ্ঞানের ধারণা না হওয়ার মুখ্য কারণ কি?

উত্তরঃ বুদ্ধি এদিকে-ওদিকে ঘুরতে থাকে,একের সঙ্গে যোগ সম্পূর্ণরূপে থাকে না।দেহী-অভিমানী হয় না, সেই জন্য ধারণাও হয় না।বাবা বলেন - বাচ্চারা,ফ্যামিলিয়ারিটিতে (ঘনিষ্ঠতায়) যেও না।একে-অপরের নাম রূপকে স্মরণ ক'রো না।একমাত্র বাবা, দ্বিতীয় কেউ নয় এই পাঠকে পাক্কা করে নাও,অন্যের পিছনে পড়ো না।বাবার থেকে রায় নিতে থাকো।এতে তোমরা দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।ধারণাও ভালো হবে।

*গীতঃ- ভোলানাথের মতো অনুপম আর কেউ নেই.....

ওম্ শান্তি । ভোলানাথ হলেন দাতা। ভোলানাথ শিব বাবাকেই বলা হয়ে থাকে। ভোলানাথ এসে চলে গিয়েছেন আর বিগড়ে(নষ্ট) যাওয়া ভাগ্যকে তৈরী করে গেছেন। আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য বলে দিয়ে গেছেন, সেইজন্য ভক্তরা গায়ন করে থাকে। বাচ্চারা, তোমরা জানো, যে ভোলানাথের গায়ন করা হয়ে থাকে, যিনি বিগড়ে যাওয়া ভাগ্যকে তৈরী করে থাকেন, তিনি আমাদের সম্মুখে বসে রয়েছেন। ভক্ত ভগবানকে স্মরণ করে, তাঁর মহিমা কীর্তন করে আর বাবা নিজের ভূমিকা পালন করছেন। বাবা-ই এসে বাচ্চাদেরকে নিজের পরিচয় দিয়েছেন। বাচ্চাদের বুদ্ধিতে বসেছে যে বাবা যা বোঝান, অবশ্যই তা প্রতিকল্পেই বুঝিয়ে থাকেন। প্রতি কল্পে এসে পতিত দুনিয়াকে পবিত্র করে তোলেন। এখন তৈরী করছেন। অনেকেই এখন জানতে পেরেছে। অনেকেই রয়েছেন যাদের জানা নেই -- যারা উত্তরাধিকার নেবে তারা কল্প-পূর্বের মতোই এসে উত্তরাধিকার নেবে। তোমাদেরও কি আগে এ'কথা জানা ছিল যে বাবা এসে উত্তরাধিকার দেবেন। এখন জানতে পেরেছো। অবশ্যই তিনি হলেন ভক্তদের রক্ষক। আদি-মধ্য-অন্তের জ্ঞান শুনিয়ে থাকেন। ওঁনাকে জ্ঞানের সাগর বলা হয়ে থাকে। হৃদয়ে অনুভূত হয় যে অবশ্যই ইনি হলেন সে-ই, যিনি ভারতে এসে জন্ম নেন। এঁনার অলৌকিক জন্মের গায়ন রয়েছে। তিনি এসে ভারতবাসীদের পতিত থেকে পবিত্র করেন। পতিত মানুষেরা যে আহ্বান করে থাকে, তারা অবশ্যই বোঝে যে আমরা পবিত্র ছিলাম, এখন পতিত হয়েছি, পুনরায় পবিত্র হতে হবে। এখন বাবার দ্বারা তৃতীয় নয়ন পাওয়ায় তোমরা এ সবকিছু বুঝেছো। বাচ্চারা, সারাদিন তোমাদের বিচার সাগর মন্থন চলতেই থাকবে। সত্যযুগের কারা ছিলেন ? অবশ্যই দেবী-দেবতারাই ছিলেন। সেইসময় আর কোনো ধর্ম ছিল না। দেবতাদের চিত্রও রয়েছে আর কোনো নাম নেবে না। এরকম বলবে না যে চিত্র আছে। শ্রী লক্ষ্মীদেবী, শ্রী নারায়ণ হলেন দেবতা। এখন তারা নেই। যখন তারা ছিলেন তখন আর কোনো ধর্ম ছিল না। বাচ্চারা তোমাদের বুদ্ধিতে রয়েছে যে বাবা আমাদের সত্য কথা শুনিয়ে থাকেন। তখন লোকেরা বলে এই জ্ঞান তো আমরা শুনিনি কারণ তাদের তো ড্রামার রহস্যের কথা জানা নেই। তোমরা বলবে যে এ তো প্রতিকল্পে তোমরা শুনে এসেছো। ৫ হাজার বছর পূর্বেও কি শুনিয়েছিলাম না ? তারপরেও এটা কেন বলো যে আগে কখনো শুনিনি। কল্প-পূর্বেও যিনি শুনিয়েছিলেন তাঁর দ্বারা তোমরা এখনো শুনছো। ভালোভাবে বোঝানো উচিত। তোমরা তো ৫ হাজার বছর পূর্বেও এই জ্ঞান শুনেছিলে। দেবতাদের ৫ হাজার বছর হয়ে গেছে। তাদেরকে মানব থেকে দেবতায় কে পরিণত করেছেন? এখনো সেই বাবা-ই পুনরায় তৈরি করবেন। পাঁচ হাজার বছর পরেও পুনরায় বাবাকে আসতে হয়। রাবণের দ্বারা পতিত হয়ে যাওয়াকে পবিত্র করতে। হিস্ট্রি জিওগ্রাফি অবশ্যই রিপিট হয়। এও বুঝতে পারা যায় যে হিস্ট্রি অবশ্যই রিপিট হবে। সত্যযুগের পর ত্রেতা.....চক্র ঘুরতে থাকে। এখন হলো কলিযুগের শেষ। একদিকে বিনাশের অগ্নিশিখা (জ্বালা) প্রজ্বলিত হয়েছে অন্যদিকে বাবা এখানে এসেছেন, নতুন দুনিয়া স্থাপন করার জন্য।। এ হলো সে-ই মহাভারতের লড়াই। মনে করে থাকে যে এর দ্বারা মানুষের দুনিয়ার বিনাশ হয়ে যাবে। এটা সকলেরই বুদ্ধিতে আসে। পুরানো দুনিয়ার বিনাশ দেখতে পাওয়া যায়। এই ভীষণ মহাভারতের লড়াই পাঁচ হাজার বছর পূর্বেও হয়েছিল। এ কোনো লক্ষ লক্ষ বছরের কথা নয়। এই ভারতই স্বর্গ ছিল। এই দেবতাদের রাজ্য ছিল। ওঁনারা সত্যযুগের মালিক ছিলেন। চিত্রের উপরেও ভালোভাবে বোঝাতে হয়। সেইজন্য এই লক্ষ্মী-নারায়ণ প্রভৃতিদের চিত্র তৈরি করা হয়েছে। এমনিতে তো ভারতে লক্ষ্মী-নারায়ণের চিত্র প্রচুর রয়েছে, তারপরেও আমরা তৈরি করে থাকি, কেন? আমরা তা অর্থ-সহ বলছি। এর মধ্যে সম্পূর্ণ জ্ঞান রয়েছে। মানুষ তো বিভ্রান্ত হয়ে রয়েছে সেইজন্য বোঝানো হয়ে থাকে -- সত্যযুগে এদের রাজ্য ছিল। অতি অল্পসংখ্যক মানুষ ছিলেন, যারা চলে গেছেন, তারাই পুনরায় পুনর্জন্ম নিয়ে পবিত্র থেকে পতিত হয়ে যাবেন। এই দুনিয়াই হলো তমোপ্রধান, একে পুনরায় পবিত্র হতে হবে। বোঝানো তো অত্যন্ত সহজ। বাবা বলেন -- আমি তোমাদের ৫ হাজার বছর আগের গল্প শোনাচ্ছি। অনেক অনেক পূর্বে..... এখানে এই লক্ষ্মীনারায়ণের রাজ্য ছিল অথবা খ্রাইস্টের ৩ হাজার বছর পূর্বে এখানে সত্যযুগ ছিল। হেভেনলী (স্বর্গের) গডফাদার হেভেন (স্বর্গ) স্থাপন করেছিলেন। ভারতকে বলাও হয়ে থাকে প্রাচীন দেশ, এখানে গড-গডেসরা(দেবী-দেবতা) রাজ্য করতেন। গড কৃষ্ণ, গডেস রাধা বলা হয়ে থাকে। রাধা-কৃষ্ণ, লক্ষ্মী-নারায়ণেরা সত্যযুগে ছিলেন, তারপর রাম-সীতা ত্রেতায়, পাঁচ হাজার বছরের হিসেব-নিকাশ ক্লিয়ার হয়। যখন তাদের রাজ্য ছিল, তখন বাকি সব আত্মারা মুক্তিধামে ছিল। আত্মা হলো অবিনাশী। আত্মার কখনো বিনাশ হয় না। ড্রামাও হলো অবিনাশী। আত্মার ৮৪ জন্মের অবিনাশী পার্ট প্রাপ্ত হয়েছে। এত ক্ষুদ্র আত্মায় সমস্ত পার্ট ভরা রয়েছে। এ হল কত আশ্চর্যজনক কথা, একেই প্রকৃতি বলা হয়ে থাকে। এতটুকু ছোট বিন্দুতে ৮৪ জন্মের কত পার্ট রয়েছে, পাঁচ হাজার বছরের পার্ট এর মধ্যে ভরা রয়েছে। সেও(ড্রামা) হলো অবিনাশী, যাকে অবশ্যই রিপিট করতে হবে। এ হলো বড়-র থেকেও বড় প্রকৃতি। পরমাত্মাও হলেন বিন্দু, আত্মারাও বিন্দু। কিন্তু পরমাত্মা হলেন সুপ্রীম। আত্মারা সব একইরকমের হয় না। নম্বরের ক্রমানুসারে হয়ে থাকে। প্রথমে সুপ্রীম হলেন শিববাবা, তারপর বলবে লক্ষ্মী-নারায়ণ। ব্রহ্মা- সরস্বতীকে সুপ্রিম বলা যাবে না। সম্পূর্ণ হলেন লক্ষ্মী নারায়ণ তারপর নম্বরের ক্রমানুসারে একে অপরের পড়ে আসতে থাকে। মুখ্যতঃ গায়ন করা হয়ে থাকে দেবতাদের। সবথেকে সুপ্রীম আত্মা হল শিববাবার তারপর সূক্ষ্মলোকে ব্রহ্মা-বিষ্ণু-শঙ্কর তারপর লক্ষ্মী-নারায়ণ, রাম-সীতা, সবই হল নম্বরের ক্রমানুসারে । নাটকেও অ্যাক্টররা নম্বরের ক্রমানুসারেই হয়ে থাকে। সকলেই একইরকমের হয় না। বলে থাকে এর আত্মা সুপ্রীম অ্যাক্টর, এ হলো পাই-পয়সার (সাধারণ) অ্যাক্টর। সবচেয়ে ফার্স্ট ক্লাস ক্রিয়েটার, ডায়রেক্টর কে? করণকরাবনহার (সর্বময়কর্তা) হলেন একমাত্র পরমপিতা পরমাত্মা। এখন তোমরা সমগ্র ড্রামাকে জেনেছো। এ হলো অসীম জগতের ড্রামা, নাটশেলে (সংক্ষেপিত সারে) তোমাদের বোঝানো বলা হয়ে থাকে। এই দেবী-দেবতা ধর্ম হলো বৃক্ষের ফাউন্ডেশন। তারপর এর থেকে শাখা-প্রশাখা ইসলাম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান বেরিয়েছে। এটি ফ্লাওয়ার ভাস (ফুলদানি) এর মতন হবে। বৃক্ষ তো শোভনীয়, তাই না ! এছাড়া এক একটি ধর্মের পাতা বসে গুনতে থাকো, কত হবে। ইসলাম, বৌদ্ধ সকলেরই মঠ-পন্থ গোনা হয়ে থাকে। শিব ভোলানাথ এই জ্ঞান শুনিয়ে থাকেন। এছাড়া ডুগডুগি ইত্যাদি বাজানোর কোনো কথা নেই। শাস্ত্রতে তো যা মনে এসেছে তাই লিখে দিয়েছে। বাস্তবে হলো জ্ঞানের ডুগডুগি, একে শঙ্খধ্বনিও বলা হয়ে থাকে। শঙ্খধ্বনি মুখে বাজানো হয়ে থাকে। এ হলো জ্ঞানের মুরলী। ড্রামার আদি-মধ্য-অন্তের রহস্য বসে শুনিয়ে থাকেন। আত্মা হলো বিন্দুর মতন, যার মধ্যে সম্পূর্ণ পার্ট নির্ধারিত করা রয়েছে। উনি হলেন ক্রিয়েটর। উনি অ্যাক্টও(ভূমিকা পালন) করে থাকেন। ভালো(সঠিক) ভূমিকা উনিই পালন করে থাকেন। নম্বরের অনুক্রমেই হয়ে থাকে, তাই না! ইনি হলেন একমাত্র পিতা, যিনি ক্রিয়েটর। আর সকলেই পুনর্জন্মে আসবে। ইনি কখনো পুনর্জন্ম নেন না, এঁনার জন্ম হলো অলৌকিক। তোমরা জানো, কিভাবে এসে প্রবেশ করেছেন। অন্য আত্মারাও প্রবেশ করে থাকে, তাই না ! মনে করো, কারোর স্ত্রী'র আত্মা আসে। বলতেও পারবে যে আমি সুখী। কিন্তু তার শরীরকে আলিঙ্গন করতে পারবে না কারণ শরীর তো অন্য, তাই না! ভাবনায় রয়েছে যে এ হলো আমার স্ত্রী'র আত্মা, একে আহ্বান করা হয়েছে। এইরকম অনেককেই আহ্বান করা হয়ে থাকে। এখন তমোগুণী হয়ে গেছে, সেইজন্য অ্যাকুরেট (সত্যি) বলে না। আত্মা কি জিনিস, কিভাবে আসে-যায়। তা ড্রামায় প্রথম থেকেই নির্ধারিত হয়ে রয়েছে। এমন নয় যে আত্মা বেরিয়ে এখানে আসে। সে মরে যায়, না। বাবা বলেন -- মনোকামনা পূর্ণ করার জন্য এই সাক্ষাৎকার করিয়ে থাকি, যা ড্রামায় নির্ধারিত হয়ে রয়েছে, সেটাই হয়ে থাকে। সেকেন্ড অতিক্রান্ত হয়েছে, ড্রামায় নির্ধারিত হয়ে গেছে। এ হলো অসীম জগতের নাটক। বাবা হলেন বিন্দু। বিন্দুকে ভোলানাথ বলা হয়ে থাকে। কতো আশ্চর্যের। বাবাও বলেন, বিন্দুরূপী আমার মধ্যে কতো পার্ট রয়েছে। এই কথা নতুন কারোর বুদ্ধিতে বসতে পারেনা। পুরোনোদের মধ্যেও কতজনের বোধশক্তিও আসে না। সেইজন্য কাউকে বোঝাতে গেলে বিভ্রান্ত হয়ে যায়। যেমন রেডিও-তে কেউ কথা বলতে গেলে নার্ভাস হয়ে পড়ে। এখানে অত্যন্ত উৎসাহের সাথে মুরলী পড়া বা শোনানো উচিত। যারা পড়ছে সেটার সাথে যাতে তারা রিলেট (সম্পর্ক জুড়তে পারা) করতে পারে । এটা ওরালী (মৌখিক) হয়ে থাকে । বাবাও সবকিছু মৌখিকই শুনিয়ে থাকেন। তোমাদের বুদ্ধিতে ধারণা হচ্ছে। কল্প-পূর্বেও তোমরা ধারণ করে অনেককে শুনিয়েছো। তারপর সেই জ্ঞান সমাপ্ত হয়ে গেছে। এখন আবার রিপীট হবে। কোনো সাধু-সন্তের বুদ্ধিতে এই জ্ঞান নেই। তারা পরমাত্মাকে জানে না। ওরা বলে দেয় -- আত্মা পরমাত্মায় মিলে (বিলীন) যাবে। কিভাবে মিলবে ? এখন তোমাদের আত্মা জানে যে আমাদের বাবা এসেছেন। আমাদের নলেজ দিচ্ছেন। তারপর আমরা বাবার সাথে ঘরে যাব। বাচ্চারা, তোমাদের এই রুহানী নেশা রয়েছে। এই হলো তোমাদের প্রবৃত্তি মার্গ। অনেকেই তোমাদের বলে যে তোমরা হলে কুমার অথবা কুমারী। তোমাদের বিকারের অনুভবই নেই। আমরা তো বিকারী গৃহস্থে থাকি। তোমরা আমাদের এই জ্ঞান কিভাবে দিতে পারো ? আমরা হলাম যুগল, আমাদের ব্যাচেলর (অবিবাহিত) কিভাবে বোঝাতে পারবে ? আমাদের যুগলরা বোঝাক, যারা হলো অনুভবী ? যারা বিকারে গেছে, তারাই আমাদের বোঝাতে পারবে যে এ'ভাবে আমরা বিজয়লাভ করেছি। বাবার কাছে এমন-এমন পত্র আসে। কথা তো ঠিকই আছে, এ'রকম অনুভবীর থেকে পত্র লিখিয়ে নেওয়া উচিত, যে বিয়ে তো করেছে কিন্তু পবিত্র রয়েছে। কারোর বাচ্চাকাচ্চা ছিল, তারপর পবিত্র হয়েছে। এমন-এমনরা আমাদের বোঝাক। জ্ঞান তো অত্যন্ত ভালো। কিন্তু বোঝানোর মতন তীক্ষ্ণ কেউ না থাকায় তখন আমি বিভ্রান্ত হয়ে যাই। অনেক কথা সামনে আসে। সেইজন্য যে বোঝাবে সে যেন অনুভবী হয়। এখন পত্রের দ্বারা তো কাউকে এতখানি বোঝাতে পারবে না। সামনে এসে সাক্ষাৎ করলে তখন বাবাও বুঝিয়ে দেবেন। এইরকম এইরকম অনেক যুগল রয়েছে যারা অনুভব শোনাতে পারে যে আমরা এইরকমভাবে প্রবৃত্তিতে থেকে সম্পূর্ণরূপে শ্রীমৎ পালন করে চলেছি। খাওয়া-দাওয়ার উপরেও সম্পূর্ণরূপে সংযম রেখে থাকি। বোঝানোর মতন সঠিক কেউ না থাকলে তখন বিভ্রান্ত হয়ে যায়। সার্ভিসের জন্য বুদ্ধি চলতে থাকা উচিত। দেহী-অভিমানীও হতে হবে। কোনো ফ্যামিলিয়ারিটিতে (ঘনিষ্টতায়) আসা উচিত নয়। এরজন্য পরিশ্রম করতে হয়। মায়া প্রতি মুহূর্তে ফাঁসিয়ে দেয়। কর্মাতীত অবস্থা এখন হতে পারে না। অনেকেই একে-অপরের নাম রূপে আঁটকে পড়ে। ‌তারপর বাবাকে লেখেও না যে বাবা এই এইরকমের ঝড় এসেছে। সত্য বলে না। বাবাকে লিখলে তখন বাবাও যুক্তি বলে দেবেন। কেউ কেউ সত্য লেখে। শিববাবা তো সবকিছুই জানেন। বুঝিয়ে থাকেন যে যদি কারোর এরকম চালচলন থাকে তাহলে ধর্মরাজের দ্বারা প্রচুর দণ্ড ভোগ করতে হবে। সারাদিন তোমাদের মনে এই সব চিন্তন চলতে থাকে। কেউ কেউ সেন্টারে আসে, বলে যে অমুকে খুব ভালো বোঝায়। কিন্তু ভালো ভালো বললেও ভিতরে ভিতরে শয়তানী ভাবনা চিন্তা চলতে থাকে । এখানে তো এক এর সাথে যোগযুক্ত থাকা উচিত। বাবা ব্যতীত দ্বিতীয় আর কেউ নয়। অন্যের পিছনে পড়বো নাকি! ধারণা নাহলে তখন বুদ্ধি কোথায় কোথায় এদিকে ওদিকে বিচরণ করতে থাকে, তারপরে রায়ও নেয় না। ভয় পায়। বাবা বলেন -- মামেকম্ স্মরণ করো। এই স্মরণের দ্বারাই তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। দুঃখ থেকে তোমরা মুক্ত হয়ে যাবে। মুক্তি তো সকলেই চায়। মুক্ত হয়ে পুনরায় দুঃখ থেকে সুখে আসবে। জীবন মুক্তি সকলের জন্য। কিন্তু প্রথমে মুক্তিতে গিয়ে তারপর জীবন মুক্তিতে আসতে হবে। আচ্ছা!

মিষ্টি মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত। আত্মাদেরকে পিতা তাঁর আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার।

 ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

 ১ ) বাবার মতন জ্ঞানের শঙ্খধ্বনি করতে হবে। কেবল পড়ে শোনাবে না। ধারণ করে তারপরে বোঝাতে হবে।

 ২ ) খাওয়া-দাওয়ার প্রতি অত্যন্ত সংযম রাখতে হবে। শ্রীমৎ পালন করে প্রবৃত্তিতে থেকে কিভাবে পবিত্র থাকতে হবে, সেই অনুভব অন্যদেরকে শোনাতে হবে।

 বরদানঃ-*  সাধন বা স্যালভেশনের (সাহায্য) প্রভাবে আসার পরিবর্তে প্রকৃতিকে দাসীতে পরিনণতকারী বিজয়ী ভব

কখনো যোগী-পুরুষ বা পুরুষোত্তম আত্মারা প্রকৃতির প্রভাবে আসতে পারে না। তোমরা ব্রাহ্মণ আত্মারা হলে পুরুষোত্তম এবং যোগী আত্মা। প্রকৃতি হলো তোমাদের অর্থাৎ মালিকের দাসী, সেইজন্য প্রকৃতির কোনও সাধন বা সহায়তা যেন তোমাদের নিজের প্রভাবে প্রভাবিত করে না ফেলে। সাধন যেন সাধনার আধার (ভিত) না হয়, বরং সাধনাকে সাধনের আধার বানাও, তবেই বলা হবে প্রকৃতিজিৎ, বিজয়ী আত্মা।

*স্লোগানঃ-* এভার-রেডি সে-ই, যে প্রতিটি মুহূর্তকে অন্তিম মুহূর্ত মনে করে চলে।

স্বমান :-আমি বিজয়ী আত্মা | ওম শান্তি 

No comments:

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...