Saturday, December 31, 2022

01-01-2023 HAPPY NEW YEAR BANGLA MURLI

                        


"অব্যক্ত বর্ষে লক্ষ্য এবং লক্ষণকে সমান বানাও"

আজ নিরাকারী এবং আকারী বাপদাদা সর্বশ্রেষ্ঠ ব্রাহ্মণ আত্মাদের আকার রূপে এবং সাকার রূপে দেখছেন। সাকার রূপী তোমরা সব আত্মাও বাবার সমুখে আছ আর আকারী রূপধারী বাচ্চারাও সমুখে আছে। উভয়কে দেখে বাপদাদা উৎফুল্ল হচ্ছেন। সবার হৃদয়ে একই সঙ্কল্প থাকে, উৎসাহ থাকে - আমরা সবাই বাবা সমান সাকারী তথা আকারী এবং আকারী তথা নিরাকারী বাবা সমান হই। বাপদাদা সকলের এই লক্ষ্য আর লক্ষণ দেখছেন। কী দেখা গেছে? মেজরিটির লক্ষ্য খুব ভালো, দৃঢ় কিন্তু লক্ষণ কখনো দৃঢ়, কখনো সাধারণ থাকে। লক্ষ্য আর লক্ষণের মধ্যে সমতা আসা - এই নিদর্শন সমান হওয়ার। কিছু আছে যারা তাদের লক্ষ্যের শতকরা ৯৯ ভাগ ধারণ করেছে, বাকিরা নম্বরক্রমে। কিন্তু তোমরা কতটা পর্যন্ত তোমাদের ন্যাচারাল নেচারে সদা এবং সহজভাবে লক্ষণ ধারণ করেছ, তা'তে মাইনরিটি শতকরা ৯০ ভাগ পর্যন্ত রয়েছে, বাকি অন্যান্যরা নম্বরানুক্রমিক। তো লক্ষ্য আর লক্ষণে এবং সেই লক্ষণও তোমাদের ন্যাচারাল নেচার বানানোয় প্রভেদ কেন? সময়ানুসারে, সার্কমস্ট্যান্স অনুসারে, সমস্যা অনুসারে কিছু বাচ্চা তাদের পুরুষার্থ দ্বারা নিজের লক্ষ্য আর লক্ষণকে সমানও বানায়। কিন্তু সেটা ন্যাচারাল আর তোমাদের নেচার হয়ে যাবে, সেক্ষেত্রে আরও অ্যাটেনশন প্রয়োজন। এই বর্ষ অব্যক্ত ফরিস্তা স্থিতিতে স্থিত থাকার বর্ষ হিসেবে উদযাপন করছ। বাচ্চাদের ভালোবাসা আর পুরুষার্থ এই দু'টো দেখতে দেখতে বাপদাদা খুশি হন, তিনি গীতও গান, "বাঃ বাচ্চারা বাঃ।" সেইসঙ্গে তিনি এখন এবং ভবিষ্যতে সব বাচ্চার লক্ষ্য আর লক্ষণের মধ্যে সমতা দেখতে চান। তোমরা সবাই সেটাই দেখতে চাও তো না। বাবাও চান, তোমরাও চাও, তাহলে মাঝখানে বাকি কী আছে? সেটা তোমরা ভালোভাবেই জানো। নিজেদের মধ্যে ওয়ার্কশপ করো, করো তো না!

লক্ষ্য আর লক্ষণের মধ্যে প্রভেদ হওয়ার একটা বিষয়ই বাপদাদা দেখেছেন। তা' আকারী ফরিস্তা হোক বা নিরন্তর নিরাকারী, তার মূল আধার হলো ন্যাচারাল নেচার তৈরি করা এবং নিরহঙ্কারী হওয়া। অনেক রকম অহঙ্কার আছে। বলতে গেলে, সবচেয়ে বিশেষ যদিও একটা শব্দ 'দেহ-অভিমান, কিন্তু দেহ-অভিমানের বিস্তার অনেক। এক হয় স্থূলভাবে দেহ-অভিমান, যা অনেক বাচ্চার মধ্যে নেইও। হতে পারে তা' নিজের দেহ বা অন্যের দেহ, যদি অন্যদের দেহেরও আকর্ষণ থাকে, সেটাও দেহ-অভিমান। কিছু বাচ্চা এই স্থূল রূপে পাস হয়েছে, স্থূলভাবে দেহের আকারের প্রতি সম্বন্ধ কিংবা অভিমান নেই। তথাপি এর সাথে তাদের নিজেদের দেহ-সম্বন্ধের প্রতি নিজস্ব সংস্কার বিশেষ থাকে, বুদ্ধি বিশেষ, গুণ বিশেষ, কোনো প্রতিভা বিশেষ, কোনো শক্তি বিশেষ থাকে, এ'সবের অভিমান অর্থাৎ অহঙ্কার, নেশা, প্রতাপ - এ' হলো সূক্ষ্ম দেহ-অভিমান। এই সূক্ষ্ম অভিমানের কোনও অভিমান যদি থাকে তাহলে না আকারী ফরিস্তা ন্যাচারাল-নিরন্তর হতে পারে, না নিরাকারী হতে পারে। কারণ আকারী ফরিস্তাতেও দেহভাব থাকে না, তারা ডবল লাইট। দেহ-অহংকার নিরাকারী হতে দেবে না। সবাই এই বছর ভালো অ্যাটেনশন রেখেছে, উৎসাহ-উদ্দীপনাও আছে, আকাঙ্ক্ষাও খুব ভালো, তোমরা চাও তো বটেই, কিন্তু সামনের দিকে অ্যাটেনশন প্লিজ! চেক করো, "কোনো প্রকারের অভিমান কিংবা অহংকার ন্যাচারাল স্বরূপ থেকে পুরুষার্থী স্বরূপ বানিয়ে দেয় না তো? কোনো সূক্ষ্ম অভিমান অংশরূপেও থেকে যায়নি তো, যা সময় অনুসারে আর কোথাও সেবা অনুসারে ইমার্জ হয়ে যায়?" কারণ, অংশ মাত্রও সময়কালে বিভ্রান্ত করে দেয়, সেইজন্য বাপদাদা এটাই চান যে, এই বর্ষে সেবার যে লক্ষ্য রেখেছ, সেই লক্ষ্যে তোমাদের সম্পন্ন হতেই হবে।

চলতে চলতে, স্থূল রূপে কোনো দিন, কোনো সময় যদি বিশেষ কোনও ভুল না করো, তবুও কখনো কখনো এটা অনুভব করো তো না যে, "জানি না কী হয়েছে, যে খুশি থাকা উচিত ছিল আজ বা এখন সেরকম নেই, জানি না আজ একাকীত্ব, নিরাশা আর ব্যর্থ সঙ্কল্পের তুফান হঠাৎ কেন আসছে! অমৃতবেলাও করেছি, ক্লাসও করেছি, সেবাও, জবও (job) করেছি, তবুও এটা কেন হচ্ছে?" কারণ কী হয়, স্থূল রূপকে তো চেক করে নাও আর তা'তেই মনে করে নাও যে কোনো ভুল হয়নি। কিন্তু অভিমানের সূক্ষ্ম রূপের অংশ সূক্ষ্মভাবে প্রকট হয়ে যায়, সেইজন্য কোনও কাজে মন লাগবে না। বৈরাগ্য, উদাস-উদাস ফিল হবে, নয়তো ভাববে কোনও একান্ত স্থানে চলে যাই, অথবা ভাববে ঘুমিয়ে পড়ি, রেস্ট নিই, নতুবা কিছু সময়ের জন্য পরিবারের থেকে সরে যাই। এই সব স্থিতির কারণ হলো অংশের বিস্ময় উৎপন্ন হওয়া। বিস্ময় ব'লো না, অস্থিরতাই বলো। সুতরাং সম্পূর্ণ নিরহঙ্কারী হওয়া অর্থাৎ সহজে আকারী-নিরাকারী হওয়া। যেমন, কখনো কখনো মন চায় না, তোমরা ভাবো যে, সদা কী একইরকম দিনচর্যায় চলতে হবে? চেঞ্জ হওয়া প্রয়োজন তো না? না চাইলেও এই স্থিতি এসে যায়।

যখন তোমরা নিরহঙ্কারী হয়ে যাবে তখন আকারী আর নিরাকারী স্থিতি থেকে নিচে আসতে চাইবে না। তা'তেই লাভলীন অনুভব করবে, কারণ তোমাদের অরিজিনাল অনাদি স্টেজ নিরাকারী তো না। নিরাকার আত্মা এই শরীরে প্রবেশ করেছে। শরীর আত্মার মধ্যে প্রবেশ করেনি, আত্মা শরীরে প্রবেশ করেছে। তাহলে তোমাদের অনাদি অরিজিনাল স্বরূপ নিরাকারী, তাই তো না? নাকি শরীরধারী? শরীরের আধার নিয়েছ কিন্তু নিয়েছে কে? তুমি আত্মা, নিরাকার সাকার শরীরের আধার নিয়েছ। তাহলে অরিজিনাল কী হলো? আত্মা নাকি শরীর? আত্মা। এই ব্যাপারে তোমরা নিশ্চিত? তাহলে, অরিজিনাল স্থিতিতে স্থিত হওয়া সহজ নাকি আধার নেওয়া স্থিতিতে সহজ?

অহঙ্কার আসার দরজা হলো এক শব্দ, সেটা কী? 'আমি।' অতএব, এই অভ্যাস করো যখনই 'আমি' শব্দ আসবে তখনই অরিজিনাল স্বরূপ সামনে আনো, 'আমি' কে? আমি আত্মা নাকি অমুক-অমুক? অন্যদের জ্ঞান দাও তো না কীভাবে 'আমি' শব্দই উড়িয়ে নিয়ে যায়, আর কীভাবে 'আমি' শব্দই নিচে নামিয়ে আনে। যদি বলো 'আমি' তবে তোমাদের অরিজিনাল স্বরূপ যেন স্মরণে এসে যায়, এটা ন্যাচারাল হয়ে গেলে তখন প্রথম পাঠ সহজ হয়, তাই না? তো এটা চেক করো, অভ্যাস গড়ে তোলো 'আমি' ভাবা মাত্র নিরাকারী স্বরূপ স্মৃতিতে এসে গেল। কত বার 'আমি' শব্দ বলো! 'আমি' এই বলেছি, 'আমি' এটা করবো, 'আমি' এটা ভাবি... অনেকবার 'আমি' শব্দ ইউজ করো। সুতরাং এটা নিরাকারী বা আকারী হওয়ার সহজ বিধি, যখনই 'আমি' শব্দ ইউজ করবে তৎক্ষণাৎ নিজের নিরাকারী অরিজিনাল স্বরূপ যেন সামনে আসে। এটা কঠিন নাকি সহজ? আর তো তোমাদের লক্ষ্য আর লক্ষণ সমান হয়েই আছে। নিরহঙ্কারী হওয়ার সহজ উপায় এই যুক্তি শুধু ব্যবহার করে দেখ। দেহভাবের 'আমি' সমাপ্ত হয়ে যাবে। কেননা, 'আমি' শব্দই দেহবোধে নিয়ে আসে। আর যদি স্মৃতিতে নিয়ে আসো 'আমি' নিরাকারী আত্মাস্বরূপ, তাহলে এই 'আমি' শব্দই দেহবোধের ঊর্ধ্বে নিয়ে যাবে। ঠিক আছে তো না। সারাদিনে ২৫-৩০ বার তো অবশ্যই বলে থাকবে। হয়তো বলছ না কিন্তু ভাববে তো 'আমি' এটা করবো, আমাকে এটা করতে হবে...। যদি প্ল্যানও বানাও ভাবো তো না। সুতরাং এত বারের অভ্যাস, আত্মা স্বরূপের স্মৃতি কী বানিয়ে দেবে? নিরাকারী। নিরাকারী হয়ে, আকারী ফরিস্তা হয়ে তোমার কার্য করলে আর তখনই নিরাকারী! কর্ম-সম্বন্ধের স্বরূপে সম্বন্ধে আসো, সম্বন্ধকে বন্ধনে এনো না। দেহ-অভিমানে আসা অর্থাৎ কর্ম-বন্ধনে আসা। দেহ সম্বন্ধে আসা অর্থাৎ কর্ম-সম্বন্ধে আসা। দুইয়ের মধ্যে প্রভেদ আছে। প্রভেদ রয়েছে দেহের আধার নেওয়া আর দেহের বশ হওয়ার মধ্যেও। ফরিস্তা বা নিরাকারী আত্মা দেহের আধার নিয়ে দেহের বন্ধনে আসবে না, সম্বন্ধ রাখবে কিন্তু বন্ধনে আবদ্ধ হবে না। তো এই বর্ষে বাপদাদা রেজাল্টে দেখবেন যে, নিরহঙ্কারী, আকারী ফরিস্তা আর নিরাকারী স্থিতিতে লক্ষ্য আর লক্ষণ কতটা সমান হয়েছে!

মহত্ত্বের নিদর্শন নম্রতা (নির্মান)। যত নম্রতা ততই আপনা থেকে আত্মা মহান হবে সবার হৃদয়ে। বিনা নম্রতায় সকলের জন্য মাস্টার সুখদাতা হতে পারবে না। নম্রতা সহজে নিরহঙ্কারী বানায়। নম্রতার বীজ আপনা থেকেই মহত্ত্বের ফল প্রাপ্ত করায়। নম্রতা সবার হৃদয়ে আশীর্বাদ প্রাপ্ত করানোর সহজ উপায়। নম্রতা সবার মনে নিরহঙ্কারী আত্মার জন্য সহজে ভালোবাসার স্থান বানিয়ে দেয়। নম্রতা আপনা থেকেই মহিমা যোগ্য বানায়। সুতরাং নিরহঙ্কারী হওয়ার বিশেষ নিদর্শন - নম্রতা। বৃত্তিতেও নম্রতা, দৃষ্টিতেও নম্রতা, বাণীতেও নম্রতা, সম্বন্ধ-সম্পর্কেও নম্রতা। এ'রকম নয় যে, আমার বৃত্তিতে ছিল না কিন্তু বোল বেরিয়ে গেছে। না। তোমার যে বৃত্তি হবে, সেই অনুযায়ী তোমার দৃষ্টি হবে, যেমন দৃষ্টি হবে তেমনই বাণী হবে, যেমন বাণী হবে সেটাই সম্বন্ধ-সম্পর্কে আসবে। চারের মধ্যেই নম্রতা থাকতে হবে। একেই বলা হয়ে থাকে ফরিস্তা। যদি তিনের মধ্যে থাকে, একের মধ্যে নেই তাহলেও অহঙ্কার আসার মার্জিন থাকে। সুতরাং বুঝেছ, বাপদাদা কী চান আর তোমরা কী চাও? উভয়ের 'ইচ্ছা' এক, এখন 'ক্রিয়াকর্ম' একরকম হতে দাও। আচ্ছা!

ভবিষ্যতে সেবার জন্য কী কী নতুন প্ল্যান বানাবে? কিছু বানিয়েছ, কিছু বানাবে। হয় এই বছরের জন্য, না হয়, ভবিষ্যতের বছরগুলোর জন্য যেভাবে প্ল্যান ভাবো যে তোমরা ভাষণ দেবে, সম্বন্ধ-সম্পর্কও বাড়াবে, বড় প্রোগামও করবে, ছোট প্রোগ্রামও করবে; এ' তো তোমরা ভাবোই, কিন্তু বর্তমান সময়ের গতি অনুসারে এখন সেবারও ফাস্ট গতি প্রয়োজন। সেটা কীভাবে হবে? বাণী দ্বারা, সম্বন্ধ-সম্পর্ক দ্বারা তো সেবা করছই, মন্সা সেবাও করো, কিন্তু এখন অল্প সময়ে সেবার সফলতা বেশি হওয়া প্রয়োজন। সফলতা অর্থাৎ রেজাল্ট। তার বিধি হলো, বাণীর সাথে সাথে প্রথমে নিজের স্থিতি এবং স্থানের ভাইব্রেশন পাওয়ারফুল বানাও। যেমন, তোমাদের জড় চিত্র কী সেবা করছে? ভাইব্রেশন দ্বারা কত ভক্তকে প্রসন্ন করে! ডবল বিদেশিরা তাদের মন্দির দেখেছে? তোমাদেরই মন্দির তো না! নাকি শুধু যারা ভারতের

তাদের মন্দির আছে? তোমাদের চিত্র সেবা করছে তো না! সুতরাং বাণী দ্বারা অবশ্য করো, কিন্তু এখন এমন প্ল্যানিং করো, বাণীর সাথে সাথে ভাইব্রেশনের এমন বিধি বানাও যাতে বাণী আর ভাইব্রেশন ডবল কাজ করে। ভাইব্রেশন বহুকাল থাকে। বাণী দ্বারা শুনে কখনো কখনো অনেকে ভুলেও যায় কিন্তু ভাইব্রেশনের ছাপ বেশি সময় চলে। যেমন তোমরা নিজেদের জীবনে অনুভাবী হও যে, কারও উল্টো ভাইব্রেশন যদি তোমাদের মনে কিংবা বুদ্ধিতে বসে যায়, তাহলে সেই উল্টো ভাইব্রেশনের প্রভাব কত সময় ধরে চলে! ভাইব্রেশন তোমাদের ভিতরে বসে যায়, তাই না! আর বোল তো সেই সময়ই ভুলে যাবে কিন্তু ভাইব্রেশন রূপে মন আর বুদ্ধিতে ছাপ লেগে যায়। আর কত সময় সেই ভাইব্রেশনের বশ থাকো, সেই ব্যক্তির সঙ্গে ব্যবহারে আসো? ভাইব্রেশন ভুল হোক বা ঠিক হোক, তা' সরানো কঠিন হয়।

কিন্তু এই রূহানী ভাইব্রেশন ছড়ানোর জন্য প্রথমে নিজের মনে, বুদ্ধিতে ব্যর্থ ভাইব্রেশন সমাপ্ত করলে তবেই তুমি রূহানী ভাইব্রেশন ছড়াতে পারবে। যদি কারও প্রতি ব্যর্থ ভাইব্রেশন তুমি ধারণ করে আছ, তাহলে রূহানী ভাইব্রেশন ছড়াতে পারবে না। রূহানী ভাইব্রেশনের সামনে ব্যর্থ ভাইব্রেশন এক প্রাচীর হয়ে দাঁড়ায়। সূর্য যতই প্রকাশময় হোক না কেন, যদি সামনে দেওয়াল এসে যায়, মেঘ এসে যায় তাহলে সূর্যের প্রকাশকে প্রজ্জ্বলিত হতে দেয় না। যে ভাইব্রেশন পাকাপোক্ত তা' প্রাচীরের মতো আর হালকা ভাইব্রেশন হলো হাল্কা মেঘের মতো অথবা কালো মেঘ! রূহানী ভাইব্রেশনকে সেসব আত্মাদের কাছে পৌঁছাতে দেবে না। যেমন সাগরে কোনো জাল দিয়ে অনেক জিনিসকে একবারে একত্রিত করে দেয় অথবা কোথাও নিজেদের জাল ছড়িয়ে একটা সময় অনেককে নিজের বানিয়ে নেয়, তাইতো ভাইব্রেশনস্ একই সময়ে অনেক আত্মাকে আকর্ষণ করতে পারে। ভাইব্রেশন্স বায়ুমন্ডল তৈরি করে। অতএব, ভবিষ্যতে যখন সেবা করবে তখন একসাথে তোমাদের বৃত্তি দ্বারা রূহানী ভাইব্রেশন দ্বারা সেবা করো, তবেই ফাস্ট হবে। ভাইব্রেশন আর বায়ুমন্ডলের সাথে সাথে যদি বাণী দ্বারা সেবা করো তবে একই সময়ে অনেক আত্মার কল্যাণ করতে পারো।

বাকি সব প্রোগ্রামের জন্য প্রস্তুত স্টেজের প্রয়োগ আরও বেশি করো, তা' আরও বাড়াও। যারা তোমার সম্পর্কে আছে তাদের থেকে এই সহযোগ নিয়ে এই সেবার বৃদ্ধি প্রাপ্ত করতে পারো। সহযোগীদের সহযোগ যে কোনও বিধি দ্বারা বাড়িয়ে চলো তবে আপনা থেকেই সেবাতে সহযোগী হওয়ার কারণে সহজ যোগী হয়ে যাবে। এমন অনেক আত্মা আছে যারা সহজযোগী হবে না কিন্তু তাদের সহযোগ নিয়ে চলো, সহযোগী বানিয়ে চলো। তখন সহযোগ দিয়ে এগোতে এগোতে সহযোগ তাদেরকে যোগী বানিয়ে দেয়। সুতরাং সহযোগী আরও আত্মাদেরকে স্টেজে নিয়ে এসো, তাদের সহযোগ সময়োপযোগী করো। বুঝেছ, কী করতে হবে? কোনো এক আত্মাও যদি সহযোগী হয় তাহলে সেই আত্মা প্র্যাকটিক্যালি সহযোগ নিয়ে এবং দিয়ে, প্রত্যক্ষ আশীর্বাদে সহজে সামনে এগিয়ে যায় এবং অনেকের সেবার নিমিত্ত হয়।

সেইসঙ্গে বছরের মধ্যে থেকে কিছু মাস নিশ্চিত করো নিজেদের বিশেষ পুরুষার্থ বা শ্রেষ্ঠ শক্তি ধারণ করার অভ্যাসের জন্য, যাকে তোমরা তপস্যা, রিট্রিট অথবা ভাট্টি বলো। সব দেশ অনুসারে দু' মাস দু' মাস করে ফিক্স করো সীজন অনুযায়ী। দু'মাস তপস্যার, দু'মাস ছোট ছোট সেবার, দু' মাস বড় আকারের সেবার - এভাবে ফিক্স করো। এমন নয় যে, ১২ মাস সেবায় এতই বিজি হয়ে যাও যে নিজের প্রগতির জন্য টাইম কম পেলে। দেশ এবং সেই দেশের সীজন এমন হয় যে, অনেক সময় বাইরের বিশেষ সেবা করতে পারো না, সেই সময়টা বিশেষভাবে নিজেদের প্রগতির জন্য রাখো। সারা বছর সেবা করবে না এটাও হতে পারে না, সারা বছর শুধু তপস্যা করবে সেটাও হতে পারে না, সেইজন্য একসাথে দুটোই তোমাদের লক্ষ্য হিসেবে রেখে নিজের স্থান অনুযায়ী নিশ্চিত করো যাতে সেবা আর নিজের উন্নতি দুইই একসাথে চলে।

আচ্ছা। এই বর্ষের সীজনের সমাপ্তি। সমাপ্তিতে কী করা হয়ে থাকে? সমাপ্তিতে এক তো সমারোহ করা হয়ে থাকে আরেক হলো আধ্যাত্মিক বিষয়তে স্বাহা করা হয়ে থাকে। তাহলে এখন কী স্বাহা করবে? একটা বিশেষ জিনিস মন-বুদ্ধি থেকে স্বাহা করো, বাণী দ্বারা নয়, শুধু পড়ে নিয়েছ তা' নয়, মন-বুদ্ধি থেকে স্বাহা করো। তারপরে দেখ, স্ব আর সেবায় তীব্রগতি কীভাবে হয়! সুতরাং আজকের তরঙ্গ হলো কোনও আত্মার প্রতি ব্যর্থ ভাইব্রেশন স্বাহা করো। স্বাহা করতে পারো? নাকি অল্প অল্প থাকবে? এমন ভেবো না যে সে এরকমই, তাহলে ভাইব্রেশন থাকবে তো না! যেমনই হোক, তোমরা কিন্তু নেগেটিভ ভাইব্রেশনকে বদলে পজিটিভ ভাইব্রেশন রাখবে তাহলে সেই আত্মাও অবশ্যই নেগেটিভ থেকে পজিটিভে পরিবর্তন হয়েই যাবে, হতেই হবে। কারণ যতক্ষণ পর্যন্ত এই ব্যর্থ ভাইব্রেশন মন-বুদ্ধিতে থাকবে, ততক্ষণ ফাস্ট গতির সেবা হতেই পারে না।

বৃত্তি দ্বারা রূহানী ভাইব্রেশন ছড়িয়ে দিতে হবে। বৃত্তি হলো রকেট, যেটাতে এখানে বসে বসেই যেখানে চাও, যতটাই পাওয়ারফুল পরিবর্তন করতে চাও তা' করতে পারো। এটা রূহানী রকেট। তোমরা যতদূর পর্যন্ত, যত আত্মাকে তোমাদের পাওয়ারফুল বৃত্তি দ্বারা ভাইব্রেশন পৌঁছাতে চাও, ভাইব্রেশন দ্বারা ততটাই বায়ুমন্ডল তৈরি করতে পারো। হয়তো তা' বাস্তবে (রিয়েল) রংও হতে পারে কিন্তু তোমরা সেটার রং (ভুল) ধারণ ক'রো না। তোমরা রং কেন ধারণ করো? এটা কি শ্রীমৎ? বুঝতে পারা আলাদা জিনিস। যদিও তোমরা নলেজফুল, কিন্তু নলেজফুলের সাথে পাওয়ারফুল হয়ে সেটা সমাপ্ত করো। অর্থ বোঝা আলাদা জিনিস, সমাহিত হওয়া আলাদা জিনিস, আর সমাপ্ত করা আরও আলাদা জিনিস। যদি বা তোমরা বুঝতেও পারো এটা রং, এটা রাইট, এ' এরকম, কিন্তু ভিতরে সেটা সমাহিত ক'রো না। তোমরা জানো কীভাবে সমাহিত করতে হয়, কিন্তু সমাপ্ত করতে জানো না। জ্ঞান অর্থাৎ বোধ। কিন্তু বুঝদার তাকে বলা হয়ে থাকে যে অর্থ উদ্ধার করতে পারে আর মুছে ফেলতেও জানে, পরিবর্তন করতেও জানে।

এই বছরে মন আর বুদ্ধিকে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ থেকে ফ্রি করো। এটাই ফাস্ট গতিকে সাধারণ গতিতে নিয়ে আসে, সেইজন্য এই সমাপ্তি সমারোহ করো অর্থাৎ স্বাহা করো। সম্পূর্ণ ক্লীন। যে যেমনই হোক, কিন্তু তোমরা তাদেরকে ক্ষমা করো। শুভ ভাবনা আর শুভ কামনার বৃত্তি দ্বারা শুভ ভাইব্রেশন ধারণ করো, কারণ লাস্টে এগিয়ে চলার সাথে সাথে তোমাদের এই বৃত্তি-ভাইব্রেশন তোমাদের সেবা বৃদ্ধি করবে, তখন শিঘ্রাতিশীঘ্র কমপক্ষে ৯ লাখ বানাতে পারবে। বুঝেছ কী স্বাহা করতে হবে? ব্যর্থ বৃত্তি, ব্যর্থ ভাইব্রেশন স্বাহা! তারপরে দেখ, ন্যাচারাল যোগী আর নেচারে কীভাবে তোমরা ফরিস্তা হয়েই আছ। এই অনুভবের ভিত্তিতে রিট্রিট করো, ওয়ার্কশপ করো। "কীভাবে হবে সেই ব্যাপারে নয়", কিন্তু এভাবে হবে।"

সদা বারবার নিজের অরিজিনাল স্বরূপ "আমি নিরাকারী" - এইরকম নিশ্চয় আর নেশায় যারা ওড়ে, সদা নম্রতার দ্বারা মহত্ত্বের প্রাপ্তির অনুভাবী সেই আত্মাদের, তেমন নম্র, সদা মহান আর সদা আকারী নিরাকারী স্থিতিকে যারা নেচার আর ন্যাচারাল বানায় সেই সর্বশ্রেষ্ঠ আত্মাদের বাপদাদার অনেক-অনেক-অনেক স্মরণ-স্নেহ আর নমস্কার।

বরদানঃ-এই মরজীবা জীবনে সদা সন্তুষ্ট থেকে ইচ্ছা মাত্রম্ অবিদ্যা ভব

তোমরা বাচ্চারা মরজীবা হয়েছই সন্তুষ্ট থাকার জন্য। যেখানে সন্তুষ্টতা সেখানে সর্বগুণ আর সর্বশক্তি আছে, কারণ রচয়িতাকে আপন বানিয়ে নিয়েছ, বাবাকে পেয়েছ তো সবকিছু পেয়ে গেছ। এমনকি, তোমাদের সব ইচ্ছা একত্র করলেও তার থেকেও পদম্ গুণ বেশি প্রাপ্ত হয়েছে। এর তুলনায় ইচ্ছা এমনই যেন সূর্যের সামনে প্রদীপ। কোনো ইচ্ছা উৎপন্ন হওয়ার বিষয় তো বাদই দাও, এমনকি, ইচ্ছার মতো কোনো কিছু হওয়ার কোশ্চেনও উঠতে পারে না। তোমরা সর্ব প্রাপ্তি সম্পন্ন সেইজন্য তোমরা ইচ্ছা মাত্রম্ অবিদ্যা, সদা সন্তুষ্ট মণি।

স্লোগানঃ-যাদের সংস্কার ইজি তারা যে কোনো পরিস্থিতিতে নিজেকে মোল্ড করে নেবে।

01-01-2023 HAPPY NEW YEAR 2023 HINDI MURLI

                           01-01-2023 HINDI MURLI

              अव्यक्त वर्ष में लक्ष्य और लक्षण को समान बनाओ

आज निराकारी और आकारी बापदादा सर्वश्रेष्ठ ब्राह्मण आत्माओं को आकार रूप से और साकार रूप से देख रहे हैं। साकार रूप वाली आप सभी आत्मायें भी बाप के सम्मुख हो और आकारी रूपधारी बच्चे भी सम्मुख हैं। दोनों को बापदादा देख हर्षित हो रहे हैं। सभी के दिल में एक ही संकल्प है, उमंग है कि हम सभी बाप समान साकारी सो आकारी और आकारी सो निराकारी बाप समान बनें। बापदादा सभी के इस लक्ष्य और लक्षण को देख रहे हैं। क्या दिखाई दिया? मैजॉरिटी का लक्ष्य बहुत अच्छा दृढ़ है लेकिन लक्षण कभी दृढ़ हैं, कभी साधारण हैं। लक्ष्य और लक्षण में समानता आना, यह निशानी है समान बनने की। लक्ष्य धारण करने में 99 प्रतिशत भी कोई हैं, बाकी नम्बरवार हैं। लेकिन सदा, सहज और नेचुरल नेचर में लक्षण धारण करने में कहाँ तक हैं, इसमें मेनॉरिटी 90 प्रतिशत तक हैं, बाकी और नम्बरवार हैं। तो लक्ष्य और लक्षण में और लक्षण को भी नेचुरल और नेचर बनाने में अन्तर क्यों है? समय प्रमाण, सरकमस्टांश प्रमाण, समस्या प्रमाण कई बच्चे पुरुषार्थ द्वारा अपने लक्ष्य और लक्षण को समान भी बनाते हैं। लेकिन यह नेचुरल और नेचर हो जाये, उसमें अभी और अटेन्शन चाहिए। यह वर्ष अव्यक्त फरिश्ता स्थिति में स्थित रहने का मना रहे हो। यह देख बापदादा बच्चों के प्यार और पुरुषार्थ - दोनों को देख-देख खुश होते हैं, “वाह बच्चे, वाह'' का गीत भी गाते हैं। साथ-साथ अभी और आगे सर्व बच्चों के लक्ष्य और लक्षण में समानता देखना चाहते हैं। आप सब भी यही चाहते हो ना। बाप भी चाहते, आप भी चाहते, फिर बीच में बाकी क्या है? वह भी अच्छी तरह से जानते हो। आपस में वर्कशॉप करते हो ना!

बापदादा ने लक्ष्य और लक्षण में अन्तर होने की विशेष एक ही बात देखी। चाहे आकारी फरिश्ता, चाहे निराकारी निरन्तर, नेचुरल नेचर हो जाये - इसका मूल आधार है निरहंकारी बनना। अहंकार अनेक प्रकार का है। सबसे विशेष कहने में भल एक शब्द ‘देह-अभिमान' है लेकिन देह-अभिमान का विस्तार बहुत है। एक है मोटे रूप में देह-अभिमान, जो कई बच्चों में नहीं भी है। चाहे स्वयं की देह, चाहे औरों की देह, अगर औरों की देह का भी आकर्षण है, वो भी देह-अभिमान है। कई बच्चे इस मोटे रूप में पास हैं, मोटे रूप से देह के आकार में लगाव वा अभिमान नहीं है। परन्तु इसके साथ-साथ देह के सम्बन्ध से अपने संस्कार विशेष हैं, बुद्धि विशेष है, गुण विशेष हैं, कोई कलायें विशेष हैं, कोई शक्ति विशेष है उसका अभिमान अर्थात् अहंकार, नशा, रोब - ये सूक्ष्म देह-अभिमान है। अगर इन सूक्ष्म अभिमान में से कोई भी अभिमान है तो न आकारी फरिश्ता नेचुरल-निरन्तर बन सकते, न निराकारी बन सकते क्योंकि आकारी फरिश्ते में भी देहभान नहीं है, डबल लाइट है। देह-अहंकार निराकारी बनने नहीं देगा। सभी ने इस वर्ष अटेन्शन अच्छा रखा है, उमंग-उत्साह भी है, चाहना भी बहुत अच्छी है, चाहते भी हैं लेकिन आगे और अटेन्शन प्लीज! चेक करो “किसी भी प्रकार का अभिमान वा अहंकार नेचुरल स्वरूप से पुरुषार्थी स्वरूप तो नहीं बना देता है? कोई भी सूक्ष्म अभिमान अंश रूप में भी रहा हुआ तो नहीं है जो समय प्रमाण और कहाँ सेवा प्रमाण भी इमर्ज हो जाता है?'' क्योंकि अंश-मात्र ही समय पर धोखा देने वाला है इसलिए इस वर्ष में जो लक्ष्य रखा है, बापदादा यही चाहते हैं कि लक्ष्य सम्पन्न होना ही है।

चलते-चलते कोई विशेष स्थूल रूप में उस दिन, उस समय कोई भूल भी नहीं करते हो लेकिन कभी-कभी ये अनुभव करते हो ना कि “आज वा अभी नामालूम क्या है जो जैसी खुशी होनी चाहिए वैसी नहीं है, ना-मालूम आज अकेलापन वा निराशा वा व्यर्थ संकल्पों का अचानक तूफान क्यों आ रहा है! अमृतवेला भी किया, क्लास भी किया, सेवा भी, जॉब भी किया परन्तु ये क्यों हो रहा है?'' कारण क्या होता है? मोटे रूप को तो चेक कर लेते हो और उसमें समझते हो कि कोई गलती नहीं हुई। लेकिन सूक्ष्म अभिमान के स्वरूप का अंश सूक्ष्म में प्रकट होता है इसलिए कोई भी काम में दिल नहीं लगेगी, वैराग्य, उदास-उदास फील होगा। या तो सोचेंगे कोई एकान्त के स्थान पर चले जायें, या सोचेंगे सो जायें, रेस्ट में चले जायें या परिवार से किनारा कर लें थोड़े टाइम के लिए। इन सब स्थितियों का कारण अंश की कमाल होती है। कमाल नहीं कहो, धमाल ही कहो। तो सम्पूर्ण निरहंकारी बनना अर्थात् आकारी-निराकारी सहज बनना। जैसे कभी-कभी दिल नहीं होती कि क्या सदा एक ही दिनचर्या में चलना है, चेंज तो चाहिए ना? न चाहते भी यह स्थिति आ जाती है।

जब निरहंकारी बन जायेंगे तो आकारी और निराकारी स्थिति से नीचे आने की दिल नहीं होगी। उसी में ही लवलीन अनुभव करेंगे क्योंकि आपकी ओरीज़नल अनादि स्टेज तो निराकारी है ना। निराकार आत्मा ने इस शरीर में प्रवेश किया है। शरीर ने आत्मा में नहीं प्रवेश किया, आत्मा ने शरीर में प्रवेश किया। तो अनादि ओरीजनल स्वरूप तो निराकारी है ना कि शरीरधारी है? शरीर का आधार लिया लेकिन लिया किसने? आप आत्मा ने, निराकार ने साकार शरीर का आधार लिया। तो ओरीज़नल क्या हुआ, आत्मा या शरीर? आत्मा। ये पक्का है? तो ओरीजनल स्थिति में स्थित होना सहज या आधार लेने वाली स्थिति में सहज?

अहंकार आने का दरवाजा एक शब्द है, वो कौनसा? ‘मैं'। तो यह अभ्यास करो जब भी ‘मैं' शब्द आता है तो ओरीजनल स्वरूप सामने लाओ ‘मैं' कौन? मैं आत्मा या फलाना-फलानी? औरों को ज्ञान देते हो ना ‘मैं' शब्द ही उड़ाने वाला है, ‘मैं' शब्द ही नीचे ले आने वाला है। ‘मैं' कहने से ओरीजनल निराकार स्वरूप याद आ जाये, ये नेचुरल हो जाये तो यह पहला पाठ सहज है ना। तो इसी को चेक करो, आदत डालो ‘मैं' सोचा और निराकारी स्वरूप स्मृति में आ जाये। कितनी बार ‘मैं' शब्द कहते हो! मैंने यह कहा, ‘मैं' यह करूँगी, ‘मैं' यह सोचती हूँ... अनेक बार ‘मैं' शब्द यूज़ करते हो। तो सहज विधि यह है निराकारी वा आकारी बनने की जब भी ‘मैं' शब्द यूज़ करो, फौरन अपना निराकारी ओरीजनल स्वरूप सामने आये। ये मुश्किल है वा सहज है? फिर तो लक्ष्य और लक्षण समान हुआ ही पड़ा है। सिर्फ यह युक्ति निरहंकारी बनाने का सहज साधन अपनाकर के देखो। यह देहभान का ‘मैं' समाप्त हो जाये। क्योंकि ‘मैं' शब्द ही देह-अहंकार में लाता है और अगर ‘मैं' निराकारी आत्मा स्वरूप हूँ - यह स्मृति में लायेंगे तो यह ‘मैं' शब्द ही देह-भान से परे ले जायेगा। ठीक है ना। सारे दिन में 25-30 बार तो जरूर कहते होंगे। बोलते नहीं हों तो सोचते तो होंगे ‘मैं' यह करूँगी, मुझे यह करना है...। प्लैन भी बनाते हो तो सोचते हो ना। तो इतने बार का अभ्यास, आत्मा स्वरूप की स्मृति क्या बना देगी? निराकारी। निराकारी बन, आकारी फरिश्ता बन कार्य किया और फिर निराकारी! कर्म-सम्बन्ध के स्वरूप से सम्बन्ध में आओ, सम्बन्ध को बन्धन में नहीं लाओ। देह-अभिमान में आना अर्थात् कर्म-बन्धन में आना। देह सम्बन्ध में आना अर्थात् कर्म-सम्बन्ध में आना। दोनों में अंतर है। देह का आधार लेना और देह के वश होना दोनों में अन्तर है। फरिश्ता वा निराकारी आत्मा देह का आधार लेकर देह के बन्धन में नहीं आयेगी, सम्बन्ध रखेगी लेकिन बन्धन में नहीं आयेगी। तो बापदादा फिर इसी वर्ष में रिजल्ट देखेंगे कि निरहंकारी, आकारी फरिश्ते और निराकारी स्थिति में लक्ष्य और लक्षण कितने समान हुए?

महानता की निशानी है निर्मानता। जितना निर्मान उतना सबके दिल में महान् स्वत: ही बनेंगे। बिना निर्मानता के सर्व के मास्टर सुखदाता बन नहीं सकते। निर्मानता निरहंकारी सहज बनाती है। निर्मानता का बीज महानता का फल स्वत: ही प्राप्त कराता है। निर्मानता सबके दिल में दुआयें प्राप्त कराने का सहज साधन है। निर्मानता सबके मन में निर्मान आत्मा के प्रति सहज प्यार का स्थान बना देती है। निर्मानता महिमा योग्य स्वत: ही बनाती है। तो निरहंकारी बनने की विशेष निशानी है - निर्मानता। वृत्ति में भी निर्मानता, दृष्टि में भी निर्मानता, वाणी में भी निर्मानता, सम्बन्ध-सम्पर्क में भी निर्मानता। ऐसे नहीं कि मेरी वृत्ति में नहीं था लेकिन बोल निकल गया। नहीं। जो वृत्ति होगी वो दृष्टि होगी, जो दृष्टि होगी वो वाणी होगी, जो वाणी होगी वही सम्बन्ध-सम्पर्क में आयेगा। चारों में ही चाहिए। तीन में है, एक में नहीं है तो भी अहंकार आने की मार्जिन है। इसको कहा जाता है फरिश्ता। तो समझा, बापदादा क्या चाहते हैं और आप क्या चाहते हो? ‘चाहना' दोनों की एक है, अभी ‘करना' भी एक करो। अच्छा!

आगे सेवा के नये-नये प्लैन क्या बनायेंगे? कुछ बनाया है, कुछ बनायेंगे। चाहे यह वर्ष, चाहे आगे का वर्ष जैसे और प्लैन सोचते हो कि भाषण भी करेंगे, सम्बन्ध-सम्पर्क भी बढ़ायेंगे, बड़े प्रोग्राम भी करेंगे, छोटे प्रोग्राम भी करेंगे ये तो सोचते ही हो लेकिन वर्तमान समय के गति प्रमाण अभी सेवा की भी फास्ट गति चाहिए। वो कैसे होगी? वाणी द्वारा, सम्बन्ध-सम्पर्क द्वारा तो सेवा कर ही रहे हो, मन्सा-सेवा भी करते हो लेकिन अभी चाहिए थोड़े समय में सेवा की सफलता ज्यादा हो। सफलता अर्थात् रिजल्ट। उसकी विधि है कि वाणी के साथ-साथ पहले अपनी स्थिति और स्थान के वायब्रेशन्स पॉवरफुल बनाओ। जैसे आपके जड़ चित्र क्या सेवा कर रहे हैं? वायब्रेशन्स द्वारा कितने भक्तों को प्रसन्न करते हैं! डबल विदेशियों ने मन्दिर देखे हैं? आपके ही तो मन्दिर हैं ना! कि सिर्फ भारत वालों के मन्दिर हैं? आपके चित्र सेवा कर रहे हैं ना! तो वाणी द्वारा भल करो लेकिन अभी ऐसी प्लैनिंग करो, वाणी के साथ-साथ वायब्रेशन की ऐसी विधि बनाओ जो वाणी और वायब्रेशन डबल काम करे। वायब्रेशन बहुतकाल रहता है। वाणी से सुना हुआ कभी-कभी कइयों को भूल भी जाता है लेकिन वायब्रेशन की छाप ज्यादा समय चलती है। जैसे आप लोग अपने जीवन में अनुभवी हो कि कोई का उल्टा वायब्रेशन अगर आपके मन में या बुद्धि में बैठ जाता है, तो उल्टा कितना समय चलता है! वायब्रेशन अन्दर बैठ जाता है ना। और बोल तो उसी समय भूल जायेगा लेकिन वायब्रेशन के रूप में मन और बुद्धि में छाप लग जाती है। और कितना समय उसी वायब्रेशन के वश, उस व्यक्ति से व्यवहार में आते हो? चाहे उल्टा हो, चाहे सुल्टा हो लेकिन वायब्रेशन मुश्किल से मिटता है।

लेकिन यह रूहानी वायब्रेशन्स फैलाने के लिए पहले अपने मन में, बुद्धि में व्यर्थ वायब्रेशन्स समाप्त करेंगे तब रूहानी वायब्रेशन फैला सकेंगे। किसी के भी प्रति अगर व्यर्थ वायब्रेशन्स धारण किये हुए हैं तो रूहानी वायब्रेशन्स नहीं फैला सकते। व्यर्थ वायब्रेशन रूहानी वायब्रेशन के आगे एक दीवार बन जाती है। चाहे सूर्य कितना भी प्रकाशमय हो, अगर सामने दीवार आ गई, बादल आ गये तो सूर्य के प्रकाश को प्रज्ज्वलित होने नहीं देते। जो पक्का वायब्रेशन है वो है दीवार और जो हल्के वायब्रेशन हैं वो है हल्के बादल या काले बादल। वो रूहानी वायब्रेशन्स को आत्माओं तक पहुँचने नहीं देंगे। जैसे सागर में कोई जाल डालकर अनेक चीजों को एक ही बार इकट्ठा कर देते हैं या कहाँ भी अपनी जाल फैलाकर एक समय पर अनेकों को अपना बना लेते हैं, तो वायब्रेशन्स एक ही समय पर अनेक आत्माओं को आकर्षित कर सकते हैं। वायब्रेशन्स वायुमण्डल बनाते हैं। तो आगे की सेवा में वृत्ति द्वारा रूहानी वायब्रेशन से साथ-साथ सेवा करो, तभी फास्ट होगी। वायब्रेशन और वायुमण्डल के साथ-साथ वाणी की भी सेवा करेंगे तो एक ही समय पर अनेक आत्माओं का कल्याण कर सकते हो।

बाकी प्रोग्राम्स के लिए आगे भी बनी बनाई स्टेज का प्रयोग और ज्यादा करो, उसको और बढ़ाओ। सम्पर्क वालों द्वारा यह सहयोग लेकर इस सेवा की वृद्धि को प्राप्त कर सकते हैं। सहयोगियों का सहयोग किसी भी विधि से बढ़ाते चलो तो स्वत: ही सेवा में सहयोगी बनने से सहज योगी बन जायेंगे। कई ऐसी आत्मायें होती हैं जो सीधा सहजयोगी नहीं बनेंगी लेकिन सहयोग लेते जाओ, सहयोगी बनाते जाओ। तो सहयोग में आगे बढ़ते-बढ़ते सहयोग उन्हों को योगी बना देता है। तो सहयोगी आत्माओं को और स्टेज पर लाओ, उन्हों का सहयोग सफल करो। समझा, क्या करना है? कोई एक आत्मा भी सहयोगी बनती है तो वह आत्मा प्रैक्टिकल में सहयोग लेने से, देने से, प्रत्यक्ष दुआओं से सहज आगे बढ़ती है और अनेकों की सेवा के निमित्त बनती है।

साथ-साथ वर्ष में मास मुकरर करो कुछ मास विशेष स्वयं के पुरुषार्थ वा श्रेष्ठ शक्ति धारण करने के अभ्यास के, जिसको आप तपस्या, रिट्रीट या भट्ठियां कहते हो। हरेक देश के प्रमाण दो-दो मास फिक्स करो, जैसी सीज़न हो। दो मास तपस्या के, दो मास छोटी-छोटी सेवाओं के, दो मास बड़े रूप की सेवाओं के ऐसे फिक्स करो। ऐसे नहीं कि 12 मास सेवा में इतने बिजी हो जाओ जो स्व की प्रगति के लिए टाइम कम मिले। जैसा देश का सीज़न हो, कई समय ऐसे होते हैं जिसमें बाहर की विशेष सेवा नहीं कर सकते, वो समय अपने प्रगति के प्रति विशेष रूप से रखो। सारा साल सेवा नहीं करो यह भी नहीं हो सकता, सारा साल सिर्फ तपस्या करो यह भी नहीं हो सकता, इसलिये दोनों को साथ-साथ लक्ष्य में रखते हुए अपने स्थान के प्रमाण मुकरर करो जिसमें सेवा और स्व की प्रगति दोनों साथ-साथ चलें।

अच्छा। इस वर्ष की सीज़न की समाप्ति है। समाप्ति में क्या किया जाता है? समाप्ति में एक तो समारोह किया जाता है और दूसरा आध्यात्मिक बातों में स्वाहा किया जाता है। तो अभी स्वाहा क्या करेंगे? एक बात विशेष मन-बुद्धि से स्वाहा करो, वाणी से नहीं, सिर्फ पढ़ लिया वह नहीं, मन-बुद्धि से स्वाहा करो। फिर देखो, स्व और सेवा में तीव्र गति कैसे होती है! तो आज की लहर है किसी भी आत्मा के प्रति व्यर्थ वायब्रेशन को स्वाहा करो। स्वाहा कर सकते हो? कि थोड़ा-थोड़ा रहेगा? ऐसे नहीं समझो कि यह है ही ऐसा तो वायब्रेशन तो रहेगा ना! कैसा भी हो लेकिन आप निगेटिव वायब्रेशन को बदल पॉजिटिव वायब्रेशन रखेंगे तो वह आत्मा भी निगेटिव से पॉजिटिव में आ ही जायेगी, आनी ही है क्योंकि जब तक यह व्यर्थ वायब्रेशन मन-बुद्धि में है, तो फास्ट गति की सेवा हो ही नहीं सकती।

वृत्ति द्वारा रूहानी वायब्रेशन्स फैलाने हैं। वृत्ति है रॉकेट, जो यहाँ बैठे-बैठे जहाँ भी चाहो, जितना भी पॉवरफुल परिवर्तन करने चाहो वह कर सकते हो। यह रूहानी रॉकेट है। जहाँ तक जितनों को पहुँचाने चाहो, उतना पॉवरफुल वृत्ति से वायब्रेशन, वायब्रेशन से वायुमण्डल बना सकते हो। चाहे वो रीयल में रांग भी हो लेकिन आप उसका रांग धारण नहीं करो। रांग को आप क्यों धारण करते हो? ये श्रीमत है क्या? समझना अलग चीज़ है। नॉलेजफुल भले बनो लेकिन नॉलेजफुल के साथ पॉवरफुल बनकर के उसको समाप्त कर दो। समझना अलग चीज़ है, समाना अलग चीज़ है, समाप्त करना और अलग चीज़ है। भल समझते हो ये रांग है, ये राइट है, ये ऐसा है। लेकिन अन्दर वह समाओ नहीं। समाना आता है, समाप्त करना नहीं आता है। ज्ञान अर्थात् समझ। लेकिन समझदार उसको कहा जाता है जिसको समझना भी आता हो और मिटाना भी आता हो, परिवर्तन करना भी आता हो।

इस वर्ष में मन और बुद्धि को बिल्कुल व्यर्थ से फ्री करो। यही फास्ट गति को साधारण गति में ले आती है इसलिए ये समाप्ति समारोह करो अर्थात् स्वाहा करो। बिल्कुल क्लीन। कैसा भी है, लेकिन क्षमा करो। शुभ भावना, शुभ कामना की वृत्ति से शुभ वायब्रेशन्स धारण करो क्योंकि लास्ट में आगे बढ़ते हुए यही वृत्ति-वायब्रेशन आपकी सेवा बढ़ायेगी, तब जल्दी से जल्दी कम से कम 9 लाख बना सकेंगे। समझा, क्या स्वाहा करना है? व्यर्थ वृत्ति, व्यर्थ वायब्रेशन स्वाहा! फिर देखो, नेचुरल योगी और नेचर में फरिश्ता बने ही हुए हैं। इस अनुभव पर रिट्रीट करो, वर्कशॉप करो “कैसे होगा, नहीं; ऐसे होगा।'' अच्छा!

सदा स्वयं को बार-बार ओरीजनल स्वरूप ‘मैं निराकारी हूँ' - ऐसे निश्चय और नशे में उड़ने वाले, सदा निर्मानता द्वारा महानता की प्राप्ति के अनुभवी आत्मायें, ऐसे निर्मान, सदा महान् और सदा आकारी निराकारी स्थिति को नेचर और नेचुरल बनाने वाले सर्व श्रेष्ठ आत्माओं को बापदादा का बहुत-बहुत-बहुत याद-प्यार और नमस्ते।


वरदान:-    इस मरजीवा जीवन में सदा सन्तुष्ट रहने वाले इच्छा मात्रम् अविद्या भव

आप बच्चे मरजीवा बने ही हो सदा सन्तुष्ट रहने के लिए। जहाँ सन्तुष्टता है वहाँ सर्वगुण और सर्वशक्तियां हैं क्योंकि रचयिता को अपना बना लिया, तो बाप मिला सब कुछ मिला। सर्व इच्छायें इक्ट्ठी करो उनसे भी पदमगुणा ज्यादा मिला है। उसके आगे इच्छायें ऐसे हैं जैसे सूर्य के आगे दीपक। इच्छा उठने की तो बात ही छोड़ो लेकिन इच्छा होती भी है - यह क्वेश्चन भी नहीं उठ सकता। सर्व प्राप्ति सम्पन्न हैं इसलिए इच्छा मात्रम् अविद्या, सदा सन्तुष्ट मणि हैं।

स्लोगन:-   जिनके संस्कार इज़ी हैं वे कैसी भी परिस्थिति में स्वयं को मोल्ड कर लेंगे।

Friday, December 30, 2022

31.12.2022 BANGLA MURLI

                                     31.12.2022 BANGLA MURLI



"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমাদের শিব জয়ন্তীর উৎসব অনেক ধুমধামের সাথে পালন করতে হবে। এটা হলো তোমাদের জন্য অনেক বড় খুশীর দিন, সকলকে বাবার পরিচয় দিতে হবে"

প্রশ্নঃ- কোন্ বাচ্চারা নিজের অনেক বড় লোকসান করে ফেলে?

31.12.2022 HINDI MURLI

                               31.12.2022 HINDI MURLI

मीठे बच्चे - तुम्हें शिव जयन्ति का त्योहार बड़ी धूमधाम से मनाना है। यह तुम्हारे लिए बहुत बड़ा खुशी का दिन है, सबको बाप का परिचय देना है''

प्रश्नः- कौन से बच्चे अपना बहुत बड़ा नुकसान करते हैं? घाटा कब पड़ता है?

उत्तर:- जो बच्चे चलते-चलते पढ़ाई छोड़ देते हैं, वे अपना बहुत बड़ा नुकसान करते हैं। बाबा रोज़ इतने हीरे रत्न देते हैं, गुह्य पाइंटस सुनाते हैं, अगर कोई रेगुलर नहीं सुनते हैं तो घाटा पड़ जाता है। नापास हो जाते हैं, स्वर्ग की ऊंची बादशाही गंवा देते हैं। पद भ्रष्ट हो जाता है।

गीत:- रात के राही थक मत जाना......


ओम् शान्ति। यह रात और दिन मनुष्यों के लिए हैं। शिवबाबा के लिए रात और दिन नहीं है। यह तुम बच्चों के लिए है, मनुष्यों के लिए है। ब्रह्मा की रात ब्रह्मा का दिन गाया जाता है। शिव का दिन, शिव की रात ऐसे कभी नहीं कहा जाता है। सिर्फ एक ब्रह्मा भी नहीं कहा जायेगा। एक की रात नहीं होती है। गाया जाता है ब्राह्मणों की रात। तुम जानते हो अभी है भक्ति मार्ग का अन्त, साथ-साथ घोर अन्धियारे का भी अन्त है। बाप कहते हैं - मैं आता ही तब हूँ जबकि ब्रह्मा की रात होती है। तुम अभी सवेरे के लिए चलने लग पड़े हो। जब तुम ब्रह्मा की सन्तान आकर बनते हो तब तुमको ब्राह्मण कहा जाता है। ब्राह्मणों की रात पूरी हो फिर देवताओं का दिन शुरू होता है। ब्राह्मण जाकर देवता बनेंगे। इस यज्ञ से बहुत बड़ी बदली होती है। पुरानी दुनिया बदलकर नई होती है। कलियुग है पुराना युग, सतयुग है नया युग। फिर त्रेता 25 प्रतिशत पुराना, द्वापर 50 प्रतिशत पुराना। युग का नाम ही बदल जाता है। कलियुग को सब पुरानी दुनिया कहेंगे। ईश्वर कहा जाता है बाप को, जो ईश्वरीय राज्य स्थापन करते हैं। बाप कहते हैं मैं कल्प-कल्प संगमयुग में आता हूँ। टाइम तो लगता है ना। यूँ तो है एक सेकण्ड की बात, परन्तु विकर्म विनाश होने में समय लगता है क्योंकि आधाकल्प के पाप सिर पर हैं। बाप स्वर्ग रचता है तो तुम बच्चे भी स्वर्ग के मालिक तो बनेंगे। परन्तु सिर पर जो पापों का बोझा है उनको उतारने में टाइम लगता है। योग लगाना पड़ता है। अपने को आत्मा जरूर समझना है। आगे जब बाबा कहते थे तो जिस्मानी बाप याद आता था। अभी बाबा कहने से बुद्धि ऊपर चली जाती है। दुनिया में और किसकी बुद्धि में यह नहीं होगा कि हम आत्मा रूहानी बाप की सन्तान हैं। हमारा बाप टीचर गुरू तीनों ही रूहानी हैं। याद भी उनको करते हैं। यह है पुराना शरीर, इनको क्या श्रृंगार करना है। परन्तु अन्दर में समझते हैं अभी हम वनवाह में हैं। ससुरघर नई दुनिया में जाने वाले हैं। पिछाड़ी में कुछ भी नहीं रहता है। फिर हम जाकर विश्व के मालिक बनते हैं। इस समय सारी दुनिया जैसे वनवाह में है, इसमें रखा ही क्या है, कुछ भी नहीं। जब ससुरघर था तो हीरे-जवाहरों के महल थे। माल-ठाल थे। अभी फिर पियरघर से ससुरघर जाना है। अभी तुम किसके पास आये हो? कहेंगे बापदादा के पास। बाप ने दादा में प्रवेश किया है, दादा तो है ही यहाँ का रहवासी। तो बापदादा दोनों कम्बाइण्ड हैं। परमपिता परमात्मा पतित-पावन है। उनकी आत्मा अगर श्रीकृष्ण में होती, वह ज्ञान सुनाती तो श्रीकृष्ण को भी बापदादा कहा जाता। परन्तु श्रीकृष्ण को बापदादा कहना शोभता ही नहीं। ब्रह्मा ही प्रजापिता गाया हुआ है। बाप ने समझाया है यह 5 हजार वर्ष का चक्र है। तुम बच्चे प्रदर्शनी जब दिखाते हो तो उनमें यह भी लिखो कि आज से 5 हजार वर्ष पहले भी हमने यह प्रदर्शनी दिखाई थी और समझाया था कि बेहद बाप से स्वर्ग का वर्सा कैसे लिया जाता है। आज से 5 हजार वर्ष पहले मुआफिक फिर से हम त्रिमूर्ति शिव जयन्ति मनाते हैं। यह अक्षर जरूर डालना पड़े। यह बाबा डायरेक्शन दे रहे हैं, उस पर चलना है। शिव जयन्ति की तैयारी करनी है। नई-नई बात देख मनुष्य वन्डर खायेंगे। अच्छा भभका करना चाहिए। हम त्रिमूर्ति शिव की जयन्ति मनाते हैं। छुट्टी करते हैं। शिव जयन्ति की छुट्टी आफीशियल है। कोई करते हैं, कोई नहीं करते हैं। तुम्हारा यह बहुत बड़ा दिन है। जैसे क्रिश्चियन लोग क्रिसमस मनाते हैं। बहुत खुशी मनाते हैं। अब तुमको यह खुशी मनानी चाहिए। सबको बताना है कि हम बेहद के बाप से वर्सा ले रहे हैं। जो जानते हैं वही खुशी मनायेंगे। सेन्टर्स में आपस में मिलेंगे। यहाँ तो सब आ न सकें। हम मनाते हैं जन्मदिन। शिव-बाबा का मृत्यु तो हो न सके। जैसे शिवबाबा आया है वैसे चले जायेंगे। ज्ञान पूरा हो गया। लड़ाई शुरू हो गई। बस। इनको अपना शरीर तो है नहीं। तुम बच्चों को अपने को आत्मा समझ पूरा देही-अभिमानी बनना है, इसमें मेहनत लगती है। सतयुग में तो आत्म-अभिमानी हैं। वहाँ अकाले मृत्यु नहीं होगा। यहाँ बैठे-बैठे काल आ जाता है, हार्टफेल हो जाता है। कहेंगे ईश्वर की भावी। परन्तु ईश्वर की भावी नहीं है। तुम कहेंगे ड्रामा की भावी। ड्रामा में इनका पार्ट ऐसा था। अभी तो है ही आइरन एज़, नई दुनिया गोल्डन एज़ थी। सतयुग के महल कितने हीरों से सजाये हुए होंगे। अकीचार धन होगा। परन्तु उनका पूरा वृतान्त नहीं है। कुछ अर्थक्वेक आदि होती है तो टूट-फूट पड़ती, नीचे चली जाती है तो इन बातों का बुद्धि से काम लेना है। यह खाना बुद्धि के लिए है। तुम्हारी बुद्धि ऊपर चली गई है। रचता को जानने से रचना को भी जानते हैं। सारे सृष्टि का राज़ बुद्धि में है। ड्रामा में ऊंचे ते ऊंचा है भगवान। फिर ब्रह्मा-विष्णु-शंकर हम इन तीनों का आक्यूपेशन बता सकते हैं। क्या-क्या पार्ट है? जगत-अम्बा का कितना बड़ा मेला लगता है। जगत-अम्बा, जगत-पिता का आपस में क्या सम्बन्ध है? यह कोई नहीं जानते क्योंकि यह गुप्त बात है। माँ तो यह बैठी है, वह थी एडाप्ट की हुई इसलिए चित्र उनके बने हैं। उनको जगत-अम्बा कहा जाता है। ब्रह्मा की बेटी सरस्वती। भल माँ का टाइटिल दिया है परन्तु थी तो बेटी। सही करती थी ब्रह्माकुमारी सरस्वती। तुम उनको मम्मा कहते थे। ब्रह्मा को माँ कहना शोभता नहीं। यह समझने और समझाने में बड़ी रिफाईन बुद्धि चाहिए। यह गुह्य बातें हैं। तुम किसके भी मन्दिर में जायेंगे तो झट उनका आक्यूपेशन जान लेंगे। गुरूनानक के मन्दिर में जायेंगे तो झट बता देंगे कि वह फिर कब आयेंगे? उन लोगों को कुछ पता नहीं क्योंकि कल्प की आयु लम्बी कर दी है। तुम वर्णन कर सकते हो। बाप कहते हैं देखो मैं तुमको कैसे पढ़ाता हूँ? आता कैसे हूँ? श्रीकृष्ण की तो बात ही नहीं। गीता का पाठ करते रहते हैं, कोई 18 अध्याय याद करते हैं तो उनकी कितनी महिमा हो जाती है। एक श्लोक सुनायेंगे तो कहेंगे वाह! वाह! इन जैसे महात्मा तो कोई नहीं। आजकल तो रिद्धि-सिद्धि भी बहुत है। जादू का खेल बहुत दिखाते हैं। दुनिया में ठगी बहुत है। बाप तुमको कितना सहज समझाते हैं परन्तु पढ़ने वालों पर मदार है। टीचर तो एकरस पढ़ाते हैं कोई नहीं पढ़ेंगे तो नापास होंगे। यह भी होना जरूर है। सारी राजधानी स्थापन होनी है। तुम यह ज्ञान-स्नान कर, ज्ञान का गोता लगाए परिस्तान की परी अर्थात् स्वर्ग के मालिक बन जाते हो। रात-दिन का फ़र्क है। वहाँ तत्व भी सतोप्रधान होने से शरीर भी एक्यूरेट बनता है। नेचुरल ब्युटी रहती है। वह है ईश्वर की स्थापन की हुई भूमि। अभी आसुरी भूमि है। स्वर्ग, नर्क में बहुत फर्क है। अभी तुम्हारी बुद्धि में ड्रामा के आदि-मध्य-अन्त का राज़ बैठा हुआ है, नम्बरवार पुरुषार्थ अनुसार।

बाप कहते हैं - अच्छी रीति पुरुषार्थ करो। बच्चियां नये-नये स्थान पर चक्र लगाने जाती हैं। अगर अच्छी मातायें आदि हैं तो सर्विस को जमाना पड़े। सेन्टर पर अगर कोई नहीं आते हैं तो अपना नुकसान करते हैं। कोई पढ़ने के लिए नहीं आते हैं तो उनको फिर लिखना चाहिए। तुम पढ़ते नहीं हो इससे तुमको बहुत घाटा पड़ जायेगा। रोज़-रोज़ बहुत गुह्य प्वाइंट्स निकलती हैं। यह हैं हीरे रत्न, तुम पढ़ेंगे नहीं तो नापास हो जायेंगे। इतनी ऊंची स्वर्ग की बादशाही गँवा देंगे। मुरली तो रोज़ सुननी चाहिए। ऐसे बाप को छोड़ दिया तो याद रखना, नापास हो जायेंगे, फिर बहुत रोयेंगे। खून के ऑसू बहायेंगे। पढ़ाई तो कभी नहीं छोड़नी चाहिए। बाबा रजिस्टर देखते हैं। कितने रेगुलर आते हैं। न आने वालों को फिर सावधान करना चाहिए। श्रीमत कहती है - पढ़ेंगे नहीं तो पद भ्रष्ट हो जायेंगे। बहुत घाटा पड़ जायेगा। ऐसे लिखा-पढ़ी करो - तब तुम स्कूल को अच्छी तरह उठा सकेंगे। ऐसे नहीं कोई नहीं आया तो छोड़ दिया। टीचर को ओना रहता है कि हमारे स्टूडेन्ट जास्ती नहीं पास होंगे तो इज्जत जायेगी। बाबा लिखते भी हैं तुम्हारे सेन्टर पर सर्विस कम चलती है, शायद तुम सोते रहते हो। अच्छा!


मीठे-मीठे सिकीलधे बच्चों प्रति मात-पिता बादादा का याद-प्यार और गुडमार्निंग। रूहानी बाप की रूहानी बच्चों को नमस्ते।

धारणा के लिए मुख्य सार:-

1) इस पुराने शरीर का श्रृंगार नहीं करना है। वनवाह में रह नये घर में चलने की तैयारी करनी है।

2) ज्ञान स्नान रोज़ करना है। कभी भी पढ़ाई मिस नहीं करनी है।

वरदान:-    महानता के साथ निर्मानता को धारण कर सर्व का मान प्राप्त करने वाले सुखदाई भव

महानता की निशानी निर्मानता है। जितना महान उतना निर्मान क्योंकि सदा भरपूर हैं। जैसे वृक्ष जितना भरपूर होगा उतना झुका हुआ होगा। तो निर्मानता ही सेवा करती है और जो निर्मान रहता है वह सर्व द्वारा मान पाता है। जो अभिमान में रहता है उसको कोई मान नहीं देता, उससे दूर भागते हैं। जो निर्मान हैं वे सुखदायी होंगे। उनसे सभी सुख की अनुभूति करेंगे। सभी उनके समीप आना चाहेंगे।

स्लोगन:-   उदासी को तलाक देने के लिए खुशियों का खजाना सदा साथ रखो।


मातेश्वरी जी के मधुर महावाक्य

 

गीत:- नयनहीन को राह दिखाओ प्रभु ... अब यह जो मनुष्य गीत गाते हैं नयनहीन को राह बताओ, तो गोया राह दिखाने वाला एक ही परमात्मा ठहरा, तभी तो परमात्मा को बुलाते हैं और जिस समय कहते हैं प्रभु राह बताओ तो जरुर मनुष्यों को राह दिखाने के लिये खुद परमात्मा को निराकार रूप से साकार रूप में अवश्य आना पड़ेगा, तभी तो स्थूल में राह बतायेगा, आने बिगर राह तो बता नहीं सकेंगे। अब मनुष्य जो मूंझे हुए हैं, उन मूंझे हुए को राह चाहिए इसलिए परमात्मा को कहते हैं नयनहीन को राह बताओ प्रभु... इसको ही फिर खिवैया भी कहा जाता है, जो उस पार अथवा इन 5 तत्वों की जो बनी हुई सृष्टि है इससे पार कर उस पार अर्थात् 5 तत्वों से पार जो छट्ठा तत्व अखण्ड ज्योति महतत्व है उसमें ले चलेगा। तो परमात्मा भी जब उस पार से इस पार आवे तभी तो ले चलेगा। तो परमात्मा को भी अपने धाम से आना पड़ता है, तभी तो परमात्मा को खिवैया कहते हैं। वही हम बोट को (आत्मा रूपी नांव को) पार ले चलता है। अब जो परमात्मा के साथ योग रखता है उनको साथ ले जायेगा। बाकी जो बच जायेंगे वे धर्मराज की सजायें खाकर बाद में मुक्त होते हैं।

 

2) कांटों की दुनिया से ले चलो फूलों की छांव में, अब यह बुलावा सिर्फ परमात्मा के लिये कर रहे हैं। जब मनुष्य अति दु:खी होते हैं तो परमात्मा को याद करते हैं, परमात्मा इस कांटों की दुनिया से ले चल फूलों की छांव में, इससे सिद्ध है कि जरूर वो भी कोई दुनिया है। अब यह तो सभी मनुष्य जानते हैं कि अब का जो संसार है वो कांटों से भरा हुआ है। जिस कारण मनुष्य दु:ख और अशान्ति को प्राप्त कर रहे हैं और याद फिर फूलों की दुनिया को करते हैं। तो जरूर वो भी कोई दुनिया होगी जिस दुनिया के संस्कार आत्मा में भरे हुए हैं। अब यह तो हम जानते हैं कि दु:ख अशान्ति यह सब कर्मबन्धन का हिसाब किताब है। राजा से लेकर रंक तक हर एक मनुष्य मात्र इस हिसाब में पूरे जकड़े हुए हैं इसलिए परमात्मा तो खुद कहता है अब का संसार कलियुग है, तो वो सारा कर्मबन्धन का बना हुआ है और आगे का संसार सतयुग था जिसको फूलों की दुनिया कहते हैं। अब वो है कर्मबन्धन से रहित जीवनमुक्त देवी देवताओं का राज्य, जो अब नहीं है। अब यह जो हम जीवनमुक्त कहते हैं, तो इसका मतलब यह नहीं कि हम कोई देह से मुक्त थे, उन्हों को कोई देह का भान नहीं था, मगर वो देह में होते हुए भी दु:ख को प्राप्त नहीं करते थे, गोया वहाँ कोई भी कर्मबन्धन का मामला नहीं है। वो जीवन लेते, जीवन छोड़ते आदि मध्य अन्त सुख को प्राप्त करते थे। तो जीवनमुक्ति का मतलब है जीवन होते कर्मातीत, अब यह सारी दुनिया 5 विकारों में पूरी जकड़ी हुई है, मानो 5 विकारों का पूरा पूरा वास है, परन्तु मनुष्य में इतनी ताकत नहीं है जो इन 5 भूतों को जीत सके, तब ही परमात्मा खुद आकर हमें 5 भूतों से छुड़ाते हैं और भविष्य प्रालब्ध देवी देवता पद प्राप्त कराते हैं। अच्छा - ओम् शान्ति।

Thursday, December 29, 2022

30.12.2022 BANGLA MURLI



 “মিষ্টি বাচ্চারা - দূর দেশ থেকে বাবা এসেছেন ধর্ম এবং রাজ্য দুটিই স্থাপন করার জন্য, যখন দেবতা ধর্ম থাকে তখন দেবতাদের রাজত্ব থাকে, দ্বিতীয় ধর্ম বা রাজত্ব থাকে না”

প্রশ্নঃ -সত্যযুগে সব পুণ্য আত্মারা থাকে, কোনও পাপ আত্মা থাকে না, তার নিদর্শন কি ?

উত্তরঃ -সেখানে কোনও কর্ম ভোগ বা রোগ ইত্যাদি হয় না। এখানে রোগ ভোগ অসুখ বিসুখ ইত্যাদির দ্বারা প্রমাণিত হয় যে, আত্মারা পাপের সাজা কর্ম ভোগের রূপে ভোগ করছে, যাকে পাস্টের হিসেব-নিকাশ বলা হয়।

প্রশ্নঃ -বাবার কোন্ ইঙ্গিত দূরদর্শী বাচ্চারাই বুঝতে পারবে ?

উত্তরঃ -বাবা ইঙ্গিত করেন - বাচ্চারা, তোমরা বুদ্ধি যোগের রেস করো। এখানে বসে বাবাকে স্মরণ করো। ভালোবেসে স্মরণ করবে তো তোমরা বাবার গলার হার হয়ে যাবে। তোমাদের প্রেম সিক্ত অশ্রু মালার মুক্তোর দানা হয়ে যায়।

গীতঃ- অবশেষে সেই দিন এলো আজ....

ওম্ শান্তি । বাচ্চারা গান শুনলো। গানের অর্থ বুঝলো। ভারত হল বিশাল। সম্পূর্ণ ভারতকে পড়ানো সম্ভব নয়। এ'তো হল পড়াশোনা - কলেজ খুলতে থাকবে। এ হল অসীম জগতের পিতার ইউনিভার্সিটি। একেই বলা হয় - পাণ্ডব গভর্নমেন্ট। গভর্নমেন্ট বলা হয় সভেরিনিটিকে। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো - সভেরিনিটি (সার্বভৌমত্ব বা রাজত্ব) স্থাপন হচ্ছে। ধর্ম প্লাস সভেরিনিটি। রিলিজো পলিটিক্যাল .... দেবী-দেবতা ধর্মের স্থাপনা হচ্ছে, আর অন্য কোনও ধর্মের মানুষ রাজত্ব স্থাপন করে না। তারা শুধু ধর্ম স্থাপন করে। বাবা বলেন আমি আদি সনাতন ধর্ম এবং রাজত্ব স্থাপন করি, তাই রিলিজো পলিটিক্যাল বলা হয়। বাচ্চাদের খুব দূরদর্শী বুদ্ধিমত্তা থাকা উচিত। বাবা দুরদেশ থেকে এসেছেন। যদিও দুরদেশ থেকে সব আত্মারাই আসে। তোমরাও দূর দেশ থেকে এসেছো। নতুন ধর্ম যারা স্থাপন করতে আসে - তাদের আত্মারাও দূর থেকেই আসে। তারা ধর্ম স্থাপক আর একে বলা হয় ধর্ম এবং সভেরিনিটি স্থাপক। ভারতে সভেরিনিটি ছিল। মহারাজা-মহারানী ছিল। মহারাজা শ্রী নারায়ণ, মহারানী শ্রী লক্ষ্মী। তো এখন তোমরা বাচ্চারা বলবে আমরা শ্রীমৎ অনুসারে চলছি। বাবা, যাঁকে আমরা সব ভারতবাসীরা আহবান করেছি যে এসো - এসে পুরানো দুনিয়াকে পরিবর্তন করে নতুন সুখের দুনিয়া স্থাপন করো। পুরানো গৃহ এবং নতুন গৃহে পার্থক্য তো থাকে তাইনা। বুদ্ধিতে নতুন গৃহের কথাই স্মরণে থাকে। আজকাল তো বাড়ি ঘর ইত্যাদি ফ্যাশনেবল বানায়। ভাবে - এমন এমন করে বাড়ি তৈরি হবে। তোমরা জানো আমরা নিজের ধর্ম এবং রাজত্ব স্থাপন করছি। স্বর্গে আমরা হীরে-জহরতের মহল বানাবো। অন্য ধর্মের মানুষ এমন ভাবে না। যেমন ক্রাইষ্ট খ্রিস্টান ধর্ম স্থাপন করতে এসেছিলেন, এই কথা তারা তখন বুঝতে পারেনি, যখন বৃদ্ধি হয়েছে তখন নাম রাখে খ্রিস্টান ধর্ম। ইসলাম ইত্যাদি ধর্মের কোনও নাম চিহ্নটুকুও থাকে না। তোমাদের চিহ্ন শুরু থেকে এখনও পর্যন্ত চলছে। লক্ষ্মী-নারায়ণের চিত্র আছে - তোমরা এ'কথাও জানো তাঁদের রাজত্ব সত্য যুগে ছিল। সেখানে তোমাদের এই জ্ঞান থাকবে না যে, পাস্টে কাদের রাজধানী ছিল, ফিউচারে কাদের রাজধানী থাকবে। শুধু প্রেজেন্ট অর্থাৎ বর্তমানকে জানবে। এখন তোমরা পাস্ট, প্রেজেন্ট, ফিউচারকে জানো। সর্বপ্রথমে আমাদের ধর্ম ছিল, পরে অন্য ধর্ম গুলি এসেছে। সঙ্গমেই বাবা বসে বোঝান। এখন তোমরা ত্রিকালদর্শী হয়েছো। সত্য যুগে ত্রিকালদর্শী হবে না। সেখানে তো রাজত্ব করবে, অন্য ধর্মের নাম চিহ্ন কিছুই থাকবে না। নিজের আনন্দে রাজত্ব করবে।

এখন তোমরা সম্পূর্ণ চক্রের কথা জেনেছো। মানুষ এই কথা তো জানেনা যে, অবশ্যই দেবী-দেবতা ধর্ম ছিল। কিন্তু সেই ধর্ম কীভাবে স্থাপন হলো , কত সময় চলেছে - সে কথা জানেনা। তোমরা জানো সত্য যুগে এত গুলি জন্ম রাজত্ব করেছি তারপরে ত্রেতায় এত গুলি জন্ম হয়েছে। এদেরও জানতে হবে। বাচ্চারা জানে অবশ্যই অসীম জগতের পিতা আমাদের পড়ান। তোমরা জানো কৃষ্ণের আত্মার এ'হল অনেক জন্মের অন্তের জন্ম, এনার মধ্যেই এসে প্রবেশ করেছেন। এনার নাম ব্রহ্মা নিশ্চয়ই চাই। ব্রহ্মা থেকে বিষ্ণু, বিষ্ণু থেকে ব্রহ্মা। এই ত্রিমূর্তির নলেজ খুব সিম্পল। ইনি হলেন নিরাকার শিব পিতা, তাঁর কাছ থেকে বর্সা প্রাপ্ত হয়। নিরাকারের কাছ থেকে বর্সা কীভাবে প্রাপ্ত হয়? প্রজাপিতা ব্রহ্মার দ্বারা আমরা ব্রাহ্মণ থেকে দেবতা হতে চলেছি। সেই দেবতারাই ৮৪ জন্মের পরে ব্রাহ্মণ হয়। এই চক্রটি বুদ্ধিতে থাকা উচিত। আমরাই ব্রাহ্মণ, ব্রহ্মার সন্তানরাই রুদ্রের সন্তান হয়। আমরা আত্মারা নিরাকারী সন্তান, আমরা বাবাকে স্মরণ করি। এই চিত্রের বিষয়ে বোঝানো খুব সহজ। তপস্যা করছে পরে সত্য যুগে আসবে। তোমাদের বুদ্ধিতে থাকা উচিত - আমরা মানুষ থেকে দেবতায় পরিণত হচ্ছি। পরে দেবতা ধর্মের বাদশাহ হয়ে রাজত্ব করবো। যোগের দ্বারাই তোমাদের বিকর্ম বিনাশ হবে। যদি এখনও পাপ করতে থাকবে তো কি তৈরী হবে? মানুষ যখন তীর্থ যাত্রায় যায় তখন পাপ কর্ম করে না। পবিত্রও অবশ্যই থাকে। তারা বোঝে যে, দেবতাদের কাছে যাচ্ছি । মন্দিরেও সব সময় স্নান করে যায়। স্নান কেন করে ? প্রথমতঃ বিকারগ্রস্ত থাকে বলে, দ্বিতীয়তঃ প্রাকৃতিক কৃত্য করে বলে স্নান করতে হয় । তারপর পরিস্কার পরিচ্ছন্ন হয়ে দেবতাদের দর্শন করতে যায়। তীর্থযাত্রায় গিয়ে কখনও পতিত হয় না। চার ধামের পরিক্রমা করে পবিত্র হয়ে। অর্থাৎ পবিত্রতাই হল মুখ্য। দেবতারাও যদি পতিত হয় তবে পার্থক্য কি রইল। দেবতারা পবিত্র থাকে, আমরা পতিত হই। তোমরা জানো বাবা আমাদের ব্রহ্মার দ্বারা অ্যাডপ্ট করেছেন। যদিও তোমরা সব আত্মারাই হলে আমার সন্তান, কিন্তু তোমাদের পড়াবো কীভাবে ? রাজযোগ শেখাবো কীভাবে ? তোমরা মিষ্টি মিষ্টি বাচ্চাদেরকে স্বর্গের মালিক বানাবো কীভাবে ? তোমরা জানো বাবা নতুন দুনিয়া স্থাপন করেন। সুতরাং ভগবান অবশ্যই বাচ্চাদেরকে উপযুক্ত বানিয়ে বর্সা প্রদান করবেন। কোথায় উপযুক্ত বানাবেন ? সঙ্গমযুগে। বাবা বলেন, আমি সঙ্গমে আসি। এই মাঝখানের ব্রাহ্মণ ধর্মই হলো একেবারে আলাদা। কলিযুগে হল শূদ্র ধর্ম। সত্য যুগে হলো দেবতা ধর্ম। এ'হল ব্রাহ্মণ ধর্ম। তোমরা হলে ব্রাহ্মণ ধর্মের। এই সঙ্গম যুগ হলো খুবই ছোট। এখন তোমরা সম্পূর্ণ চক্রের বিষয়ে জানো। দূরদর্শী হয়ে গেছো।

তোমরা জানো ইনি হলেন বাবার রথ, এনাকে নন্দীগণও বলা হয়। সারাদিন তো রথে বসে যাত্রা করেন না। আত্মা, দেহ রূপী রথে বসে সারাদিন যাত্রা করে। আলাদা হয়ে গেলে তো দেহ থাকবে না। শিববাবা তো আসতে যেতে পারেন কারণ আত্মা হলো তাঁর নিজের। তাই আমি সর্বদা সওয়ার থাকি না, সেকেন্ডে আসা যাওয়া করতে পারি। আমার সমান তীক্ষ্ণ রকেট দ্বিতীয়টি নেই। আজকাল রকেট, বিমান ইত্যাদি কত রকমের যানবাহন তৈরি হয়েছে। কিন্তু সবচেয়ে তীক্ষ্ণ হল আত্মা। তোমরা বাবাকে স্মরণ করো - আর বাবা এসে গেলেন। আত্মাকে হিসেব-নিকেশ অনুসারে লন্ডনে জন্ম নিতে হবে তো সেকেন্ডে সেখানে গিয়ে গর্ভে প্রবেশ করবে। সুতরাং সবচেয়ে তীব্র বেগে গমন করে আত্মা। এখন আত্মা নিজ গৃহে অর্থাৎ পরমধাম যেতে পারে না কারণ তার শক্তি নেই। দুর্বল হয়ে পড়েছে, উড়তে পারে না। আত্মার উপরে পাপের বোঝা অনেক রয়েছে, শরীরের উপরে যদি বোঝা থাকতো তবে তো আগুনের দ্বারাই পবিত্র হয়ে যেতো, কিন্তু আত্মার মধ্যেই খাদ পড়ে। তাই আত্মা-ই সঙ্গে করে হিসেব-পত্র নিয়ে যায়। তাই জন্য বলা হয় - পাস্টের কর্ম ভোগ। আত্মা তো সংস্কার সঙ্গে করে নিয়ে যায়। জন্ম থেকেই কারো পা অকেজো হলে বলা হয় পাস্টে এমন কর্ম করেছে। জন্ম-জন্মান্তরের কর্ম, যা ভোগ করতে হয়। সত্যযুগে হল-ই পুণ্য আত্মা। সেখানে এইসব কথা থাকে না। এখানে সবাই পাপ আত্মা। সন্ন্যাসীদেরও প্যারালাইসিস হলে বলা হবে কর্ম ভোগ। আরে মহাত্মা শ্রী শ্রী ১০৮ জগৎ গুরু হয়েও এমন রোগ কেন হয় ? বলবে কর্ম ভোগ। দেবতাদের উদ্যেশ্যে এমন বলবে না। গুরুর মৃত্যু হলে শিষ্যদের অবশ্যই অনুশোচনা হবে। বাবার প্রতি খুব ভালোবাসা থাকলেও কান্নাকাটি করে। স্ত্রীর ভালোবাসা স্বামীর প্রতি থাকলে অবশ্যই কান্নাকাটি করবে। স্বামী দুঃখ প্রদানকারী হলে কাঁদবে না। মোহ না থাকলে বুঝবে ভবিতব্য। তোমাদেরও বাবার সাথে অনেক ভালোবাসা আছে। শেষ সময়ে বাবা চলে যাবেন - তোমরা বলবে ওহো! বাবা চলে গেলেন, উনি এত সুখ প্রদান করেছিলেন! শেষে পিছনে অনেকে পড়ে থাকবে। বাবার সাথে অনেক ভালোবাসা থাকে। তোমরা বলবে বাবা আমাদের রাজত্ব প্রদান করে চলে গেলেন। ভালোবাসার অশ্রু ঝরে পড়বে, দুঃখের নয়। এখানেও আত্মারূপী বাচ্চারা বহুকাল পরে শিব পিতার সাথে এসে মিলিত হয় তো প্রেম সিক্ত অশ্রু ঝরে পড়ে। এই প্রেমের অশ্রুই মালার মুক্তো দানা হয়ে যাবে। আমাদের পুরুষার্থই হল যে আমরা বাবার গলার হার হতে পারি, তাই বাবাকে স্মরণ করতে থাকি।

বাবার আদেশ হল - স্মরণের যাত্রা করতে থাকো। যেমন রেস করানো হয় অমুক স্থানটিকে ছুঁয়ে এসো, তারপরে হয় ক্রম অনুসারে। এখানেও বাবাকে যত স্মরণ করবে, যে প্রথমে রেস করে এগিয়ে যাবে সে-ই প্রথমে স্বর্গে এসে রাজত্ব করবে। তোমরা সব আত্মারা বুদ্ধির দ্বারা যোগে রেস করছো। এখানে বসে ওইখানে রেস করছো। আমরা শিববাবার সন্তান। বাবা ইঙ্গিত করেন - আমাকে স্মরণ করো, দূরদর্শী হও। তোমরা দুরদেশ থেকে এসেছো। এখন এই পরের দেশ বিনাশ হয়ে যাবে। এই সময় তোমরা রাবণের দেশে আছো, এই ধরিত্রী হল রাবণের। পরে তোমরা অসীম জগতের পিতার ধরিত্রীতে আসবে। সেখানে হল রামরাজ্য। রামরাজ্য, শিববাবা স্থাপন করেন। পরে অর্ধেক কল্পে রাবণের রাজ্য, ড্রামা অনুসারে এটাই নির্ধারিত আছে। এই সব কথা তোমরা বাচ্চারাই জানো তাই তোমরা প্রশ্ন করো, যার উত্তর তারা কেউই দিতে পারে না। যদি বলা হয় আত্মার পিতা হলেন গড ফাদার। আচ্ছা - তাঁর কাছ থেকে তোমাদের কি বর্সা প্রাপ্ত হওয়া উচিত ? এ'হল পতিত দুনিয়া। বাবা তো পতিত দুনিয়া রচনা করেননি তাইনা। কাউকে বোঝানো খুব সহজ। চিত্র দেখাতে হবে। ত্রিমূর্তির চিত্র কতো সুন্দর । এমন নিয়ম মেনে ত্রিমূর্তির চিত্র কোথাও নেই। ব্রহ্মার মুখমন্ডলে দাড়ি ইত্যাদি দেখানো হয়। বিষ্ণু আর শঙ্করের দেখানো হয় না। তাঁদের দেবতা রূপে গণ্য করে। ব্রহ্মা তো হলেন প্রজাপিতা। অনেকে অনেকরকম ভাবে বানিয়েছে। বাচ্চারা, এখন এইসব কথা তোমাদের বুদ্ধিতে আছে, অন্য কারো বুদ্ধিতে নেই। তারা যেন বুঝতেই চায় না। রাবণকে দহন কেন করা হয় - সে কথা কেউ জানেনা। রাবণ কে ? কবে এসেছিল? বলে দেয় অনাদি কাল থেকে দহন করা হচ্ছে। তোমরা বুঝেছো - রাবণ হল অর্ধেক কল্পের শত্রু। দুনিয়ায় নানান মত রয়েছে, যে যেমন বুঝিয়েছে সেইরকম নাম রেখে দিয়েছে। কেউ মহাবীর নাম দিয়েছে। মহাবীর তো হনুমানকে দেখানো হয়। এখানে আদি দেব মহাবীর নাম কেন রেখেছে ? মন্দিরে মহাবীর, মহাবীরাঙ্গনা আর তোমরা বাচ্চারা বসে আছো। তারা মায়ার উপরে বিজয় লাভ করেছে তাই মহাবীর বলা হয়। তোমরাও অনায়াসেই নিজেদের স্থানে এসে বসেছো। ওটা হল তোমাদের স্মরণিক। সে'সব হলো জড রূপে। তবুও চিত্র অবশ্যই লাগাতে হবে, যতক্ষণ না পর্যন্ত চৈতন্য স্বরূপের কাছে এসে জ্ঞান অর্জন করে। দিলওয়ারা মন্দিরের রহস্য খুব ভালো ভাবে বোঝাতে পারো। এরা পড়াশোনা করে গেছে তবে ভক্তিমার্গে এই স্মরণিক তৈরি হয়েছে। তোমাদের রাজধানী স্থাপন করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়। কটু কথাও শুনতে হয় কারণ কলঙ্গী ধর অর্থাৎ ময়ূর পঙ্খধারী হতে হবে। এখন তোমরা সবাই কটু কথা শোনো। সবচেয়ে বেশি গ্লানি হয় আমার। পরে প্রজাপিতা ব্রহ্মাকেও কটু কথা শুনতে হয়। আত্মীয় পরিজন ইত্যাদি সবাই ক্ষুব্ধ হয়ে থাকে। বিষ্ণু বা শঙ্করকে কেউ কটু কথা বলবে না। বাবা বলেন - কটু বচন আমি শুনি। তোমরা সন্তান বলে তোমাদেরও তা ভাগ নিতে হয়। তা নাহলে, ইনি (ব্রহ্মা বাবা) তো নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন, কটু কথা শোনার কোনও কথাই ছিল না। সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ গালি আমাকেই শুনতে হয়। নিজেদের ধর্ম-কর্মকে মানুষ ভুলে গেছে। কত বোঝানো হয়। আচ্ছা!


মিষ্টি - মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা - পিতা, বাপদাদার স্মরণের স্নেহ-সুমন আর সুপ্রভাত । আত্মাদের পিতা ওঁনার আত্মারূপী বাচ্চাদেরকে জানাচ্ছেন নমস্কার ।

ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-

১ ) দূরদর্শী হতে হবে। স্মরণের যাত্রার দ্বারা বিকর্ম গুলির বিনাশ করতে হবে। (রূহানী) যাত্রায় কোনও পাপ কর্ম করবে না।

 

২ ) মহাবীর হয়ে মায়ার উপরে বিজয় লাভ করতে হবে। গ্লানি থেকে ভয়ভীত হবে না, কলঙ্গীধর অর্থাৎ ময়ূরপঙ্খধারী হতে হবে।

 

*বরদানঃ-সর্ব শক্তি গুলির অনুভব করে সময় মতো সিদ্ধি প্রাপ্তকারী নিশ্চিন্ত বিজয়ী ভব

সর্ব শক্তিতে সম্পন্ন নিশ্চয় বুদ্ধি বাচ্চাদের বিজয় নিশ্চিত। যেমন কারো কাছে ধনের, বুদ্ধির বা সম্বন্ধ-সম্পর্কের শক্তি থাকে তো তার দৃঢ় নিশ্চয় থাকে যে এ' কি এমন বড় কথা। তোমাদের কাছে তো সব শক্তি আছে। সবচেয়ে বড় ধন অবিনাশী ধন সদা সাথেই আছে অর্থাৎ ধনের শক্তিও আছে, বুদ্ধি এবং পজিশনের শক্তিও আছে, সেগুলির শুধু ইঊজ করো, স্ব এর প্রতি কাজে লাগাও তাহলেই সময় মতো বিধি দ্বারা সিদ্ধি লাভ হবে।

*স্লোগানঃ-* ব্যর্থ দেখার বা ব্যর্থ শোনার বোঝাকে সমাপ্ত করাই হলো ডবল লাইট হওয়া।

30.12.2022 HINDI MURLI

 30.12.2022 HINDI MURLI


मीठे बच्चे - दूरदेश से बाप आये हैं धर्म और राज्य दोनों की स्थापना करने, जब देवता धर्म है तो राजाई भी देवताओं की है, दूसरा धर्म वा राज्य नहीं

 प्रश्नः- सतयुग में सब पुण्य आत्मायें हैं, कोई पाप आत्मा नहीं, उसकी निशानी क्या है?

उत्तर:- वहाँ कोई कर्मभोग (बीमारी) आदि नहीं होता है। यहाँ बीमारियाँ आदि सिद्ध करती हैं कि आत्मायें पापों की सज़ा कर्मभोग के रूप में भोग रही हैं, जिसे ही पास्ट का हिसाब-किताब कहा जाता है।

प्रश्नः- बाप के किस इशारे को दूरादेशी बच्चे ही समझ सकते हैं?

उत्तर:- बाप इशारा करते हैं - बच्चे तुम बुद्धियोग की दौड़ी लगाओ। यहाँ बैठे बाप को याद करो। प्यार से याद करेंगे तो तुम बाप के गले का हार बन जायेंगे। तुम्हारे प्रेम के ऑसू माला का दाना बन जाते हैं।

गीत:- आखिर वह दिन आया आज.....

ओम् शान्ति। बच्चों ने गीत सुना। गीत का अर्थ समझा। भारत तो बहुत बड़ा है। सारे भारत को नहीं पढ़ाया जा सकता है। यह तो पढ़ाई है - कॉलेज खुलते जायेंगे। यह हुई बेहद के बाप की युनिवर्सिटी। इनको कहा जाता है - पाण्डव गवर्मेन्ट। गवर्मेन्ट कहा जाता है सावरन्टी को। अब तुम बच्चे जानते हो - सावरन्टी स्थापन हो रही है। धर्म पलस सावरन्टी। रिलीजो पोलीटिकल... देवी-देवता धर्म भी स्थापन हो रहा है और कोई भी धर्म वाले राजाई नहीं स्थापन करते। वह सिर्फ धर्म स्थापन करते हैं। बाबा कहते हैं मैं आदि सनातन धर्म और राजाई स्थापन कर रहा हूँ, इसलिए रिलीजो पोलीटिकल कहा जाता है। बच्चों को बहुत दूरादेश बुद्धि बनना चाहिए। बाप दूरदेश से आये हुए हैं। यूँ दूरदेश से तो सब आत्मायें आती हैं। तुम भी दूरदेश से आये हो। नया धर्म जो स्थापन करने आते हैं - उनकी आत्मायें दूर से आती हैं। वह है धर्म स्थापक और इसको कहा जाता है धर्म और सावरन्टी स्थापक। भारत में सावरन्टी थी। महाराजा-महारानी थे। महाराजा श्री नारायण, महारानी श्री लक्ष्मी। तो अब तुम बच्चे कहेंगे हम श्रीमत पर चल रहे हैं। बाबा, जिसको हम सब भारतवासी पुकारते आये हैं कि आओ - आकर पुरानी दुनिया को बदल नई सुख की दुनिया स्थापन करो। पुराने घर और नये घर में अन्तर तो होता है ना। बुद्धि में नया मकान ही याद रहता है। आजकल तो मकान बहुत फैशनबुल बनते हैं। ख्याल करते रहते हैं - ऐसा-ऐसा मकान बनायें। तुम जानते हो हम अपना धर्म और राजाई स्थापन कर रहे हैं। स्वर्ग में हम हीरे-जवाहरों के महल बनायेंगे। दूसरे धर्म वाले ऐसे नहीं समझते। जैसे क्राइस्ट क्रिश्चियन धर्म स्थापन करने आया, यह उस समय नहीं समझते, जब वृद्धि होती है तब नाम रखते हैं क्रिश्चियन धर्म। इस्लामी आदि धर्म कोई भी निशानी वा नाम नहीं रहता। तुम्हारी निशानी शुरू से लेकर अभी तक चलती रहती है। लक्ष्मी-नारायण के चित्र हैं - यह भी जानते हो तो इन्हों का राज्य सतयुग में था। तुमको यह ज्ञान वहाँ नहीं होगा कि पास्ट में किसकी राजधानी थी, फ्यूचर में किसकी राजधानी होगी। सिर्फ प्रेजेन्ट को जानते हैं, बस। अभी तुम पास्ट, प्रेजेन्ट, फ्युचर को जानते हो। पहले-पहले हमारा धर्म था, फिर यह धर्म आये हैं। संगम पर ही बाप बैठ समझाते हैं। अभी तुम त्रिकालदर्शी बन गये हो। सतयुग में त्रिकालदर्शी नहीं होंगे। वहाँ तो राजाई करते रहेंगे और धर्मों का नाम-निशान नहीं रहेगा। अपनी मौज में राजाई करते रहेंगे।

अभी तुम सारे चक्र को जानते हो। मनुष्य यह तो नहीं जानते हैं कि बरोबर देवी-देवता धर्म था। परन्तु वह कैसे स्थापन हुआ, कितना समय चला - यह नहीं जानते हैं। तुम जानते हो सतयुग में इतने जन्म राज्य किया फिर त्रेता में इतने जन्म लिये। इन्हों को भी जानना पड़ेगा। बच्चे जानते हैं बरोबर बेहद का बाप हमको पढ़ाते हैं। तुम जानते हो कृष्ण की आत्मा का यह बहुत जन्मों के अन्त का जन्म है, इनमें ही आकर प्रवेश किया है। इनका नाम ब्रह्मा जरूर चाहिए। ब्रह्मा सो विष्णु, विष्णु सो ब्रह्मा। यह त्रिमूति की नॉलेज बहुत सिम्पुल है। यह निराकार बाप शिव, इनसे यह वर्सा मिलता है। निराकार से वर्सा कैसे मिला - यह प्रजापिता ब्रह्मा द्वारा ब्राह्मण सो देवता बन रहे हैं। फिर वही देवतायें 84 जन्मों के बाद ब्राह्मण बनते हैं। यह चक्र बुद्धि में रहना चाहिए। हम सो ब्राह्मण, ब्रह्मा के बच्चे सो रूद्र (शिव) के बच्चे। हम आत्मायें निराकारी बच्चे हैं। बाप को याद करते हैं। इन चित्रों पर समझाना बहुत सहज है। तपस्या कर रहे हैं फिर सतयुग में आयेंगे। तुम्हारी बुद्धि में रहना चाहिए - हम मनुष्य से देवता बन रहे हैं। फिर देवता धर्म का बादशाह बन राज्य करेंगे। योग से ही तुम्हारे विकर्म विनाश होंगे। अगर अभी भी पाप करते रहेंगे तो क्या बनेंगे। यात्रा पर जब जाते हैं तो पाप नहीं करते हैं। पवित्र भी जरूर रहते हैं। समझते हैं देवताओं के पास जाते हैं। मन्दिर में भी हमेशा स्नान करके जाते हैं। स्नान क्यों करते हैं? एक तो विकार में जाते हैं, दूसरा लेट्रीन में जाते हैं। फिर स्वच्छ बनकर देवताओं का दर्शन करने जाते हैं। यात्रा पर कब पतित नहीं बनते। 4 धामों की परिक्रमा पावन होकर देते हैं। तो पवित्रता है मुख्य। देवतायें भी अगर पतित होते तो फ़र्क क्या रहा। देवतायें पावन हैं, हम पतित हैं। तुम जानते हो बाबा ने हमको ब्रह्मा द्वारा गोद लिया है। यूँ तो तुम सब आत्मायें हमारे बच्चे हो, परन्तु तुमको पढ़ाऊं कैसे? राजयोग कैसे सिखलाऊं? तुम मीठे-मीठे बच्चों को स्वर्ग का मालिक कैसे बनाऊं? तुम जानते हो बाबा नई दुनिया स्थापन करते हैं। तो भगवान जरूर बच्चों को लायक बनाकर वर्सा देंगे। कहाँ लायक बनायेंगे? संगमयुग में। बाप कहते हैं, मैं संगम पर आता हूँ। यह बीच का ब्राह्मण धर्म ही अलग हो जाता है। कलियुग में है शूद्र धर्म। सतयुग में है देवता धर्म। यह है ब्राह्मण धर्म। तुम ब्राह्मण धर्म के हो। यह संगमयुग बहुत छोटा है। अभी तुम सारे चक्र को जान गये हो। दूरादेशी बन गये हो।

तुम जानते हो यह बाबा का रथ है, इनको नंदीगण भी कहते हैं। सारा दिन सवारी थोड़ेही होती है। आत्मा शरीर पर सारा दिन सवारी करती है। अलग हो जाए तो शरीर न रहे। बाबा तो आ-जा सकता है क्योंकि उनकी अपनी आत्मा है। तो मैं इनमें सदैव नहीं रहता हूँ, सेकण्ड में आ-जा सकता हूँ। मेरे जैसा तीखा राकेट कोई हो नहीं सकता। आजकल राकेट, एरोप्लेन आदि कितनी चीज़ें बनाई हैं। परन्तु सबसे तीखी आत्मा है। तुम बाप को याद करो - यह आया। आत्मा को हिसाब-किताब अनुसार लण्डन में जन्म लेना होगा तो सेकण्ड में वहाँ जाकर गर्भ में प्रवेश करेगी। तो सबसे तीखी दौड़ी पहनने वाली आत्मा है। अभी आत्मा अपने घर में जा नहीं सकती क्योंकि वह ताकत ही नहीं रही है। कमजोर हो गई है, उड़ नहीं सकती। आत्मा पर पापों का बोझ बहुत है, शरीर पर अगर बोझा होता तो आग से पवित्र हो जाता, परन्तु आत्मा में ही खाद पड़ती है। तो आत्मा ही साथ में हिसाब-किताब ले जाती है इसलिए कहा जाता है - पास्ट का कर्मभोग है। आत्मा संस्कार साथ में ले जाती है। कोई जन्म से लंगड़ा होता है तो कहा जाता है पास्ट में ऐसे कर्म किये हैं। जन्म-जन्मान्तर के कर्म हैं जो भोगने पड़ते हैं। सतयुग में है ही पुण्य आत्मा। वहाँ यह बातें होती नहीं। यहाँ हैं सब पाप आत्मायें। संन्यासियों को भी अर्धांग (लकवा) हो जाए तो कहेंगे कर्मभोग। अरे महात्मा श्री श्री 108 जगतगुरू को फिर यह बीमारी क्यों? कहेंगे कर्मभोग। देवताओं के लिए ऐसे नहीं कहेंगे। गुरू मरेगा तो फालोअर्स को जरूर अ़फसोस होगा। बाप पर भी जास्ती लव होता है तो रोते हैं। स्त्री का पति से जास्ती लव होगा तो रोयेगी। पति दु:खी करने वाला होगा तो नहीं रोयेगी। मोह नहीं होगा तो समझेगी भावी। तुम्हारा भी बाप के साथ बहुत लव है। पिछाड़ी में बाबा चला जायेगा - तुम कहेंगे ओहो! बाबा चला गया, जिसने इतना सुख दिया! पिछाड़ी में बहुत रहते हैं। बाप से बहुत लव रहता है। तुम कहेंगे बाबा हमको राजाई देकर चला गया। प्रेम के ऑसू आयेंगे, दु:ख के नहीं। यहाँ भी बच्चे बहुत समय के बाद आकर बाप से मिलते हैं तो प्रेम के ऑसू आते हैं। यह प्रेम के ऑसू फिर माला का दाना बन जायेंगे। हमारा पुरुषार्थ ही है कि हम बाबा के गले का हार बनें, इसलिए बाबा को याद करते रहते हैं।

बाबा का फरमान है - याद की यात्रा करते रहो। जैसे दौड़ाया जाता है फलाने स्थान को हाथ लगाकर आओ, फिर नम्बरवार होता है। यहाँ भी जितना बाबा को जास्ती याद करेंगे, जो पहले दौड़ी लगाकर जायेंगे वही फिर पहले स्वर्ग में लौट आकर राज्य करेंगे। तुम सब आत्मायें बुद्धि के योग से दौड़ रही हो। यहाँ बैठे हुए वहाँ दौड़ रही हो। हम शिव-बाबा के बच्चे हैं। बाबा इशारा करते हैं - मुझे याद करो, दूरादेशी बनो। तुम दूरदेश से आये हो। अब यह पराया देश विनाश हो जायेगा। इस समय तुम रावण के देश में हो, यह धरनी रावण की है। फिर तुम बेहद के बाप की धरनी पर आयेंगे। वहाँ है रामराज्य। रामराज्य बाप स्थापन करते हैं। फिर आधा में रावण राज्य ड्रामा अनुसार नूँधा हुआ है। यह सब बातें तुम बच्चे ही जानते हो इसलिए तुम प्रश्न पूछते हो, कोई नहीं बता सकेगा। अगर कहे आत्मा का फादर, गॉड फादर है। अच्छा - तुमको उनसे क्या वर्सा मिलना चाहिए? यह है पतित दुनिया। बाप ने पतित दुनिया तो नहीं रची है ना। कोई को भी समझाना बहुत सहज है। चित्र दिखाना पड़े। त्रिमूति का चित्र कितना अच्छा है। ऐसा कायदे अनुसार त्रिमूति शिव का चित्र कहाँ है नहीं। ब्रह्मा को दाढ़ी दिखाते हैं। विष्णु और शंकर को नहीं दिखाते हैं। उनको देवता समझते हैं। ब्रह्मा तो प्रजापिता है। कोई ने कैसे, कोई ने कैसे बनाया है। अभी तुम बच्चों की बुद्धि में यह सब बातें हैं, और कोई की बुद्धि में नहीं आता है। जैसे बांवरे हैं। रावण को क्यों जलाते हैं - कुछ पता ही नहीं। रावण है कौन? कब से आया? कह देते हैं अनादि काल से जलाते हैं। तुम समझते हो - यह आधाकल्प का दुश्मन है। दुनिया में अनेक मतें हैं, जिसने जो समझाया वह नाम रख दिया। कोई ने महावीर नाम डाल दिया। अब महावीर तो हनूमान को दिखाते हैं। यहाँ आदि देव महावीर नाम क्यों रखा है? मन्दिर में महावीर, महावीरनी और तुम बच्चे बैठे हो। उन्होंने माया पर जीत पाई है इसलिए महावीर कहा जाता है। तुम भी अनायास ही अपनी जगह पर आकर बैठे हो। वह तुम्हारा यादगार है। वह है जड़। फिर भी चित्र जरूर लगाना पड़े, जब तक चैतन्य के पास आकर समझें। देलवाड़ा मन्दिर का राज़ बहुत अच्छा समझा सकते हो। यह पढ़कर गये हैं तब भक्ति मार्ग में यह यादगार बने हैं। तुम्हारी राजधानी स्थापन करने में बड़ी मेहनत लगती है। गालियाँ भी खानी पड़ती हैं क्योंकि कलंगीधर बनना है। अभी तुम सब गाली खाते हो। सबसे जास्ती ग्लानि मेरी की है। फिर प्रजापिता ब्रह्मा को भी गाली देते हैं। मित्र सम्बन्धी आदि सब बिगड़ पड़ते हैं। विष्णु वा शंकर को थोड़ेही गाली देंगे। बाप कहते हैं - मैं गाली खाता हूँ। तुम बच्चे बने हो तो तुमको भी हिस्सा लेना पड़ता है। नहीं तो यह अपने धन्धे में था, गाली की बात ही नहीं। सबसे जास्ती गाली मुझे देते हैं। अपना धर्म-कर्म भूल गये हैं। कितना समझाते हैं। अच्छा!

मीठे-मीठे सिकीलधे बच्चों प्रति मात-पिता बापदादा का याद-प्यार और गुडमार्निंग। रूहानी बाप की रूहानी बच्चों को नमस्ते।

 

धारणा के लिए मुख्य सार:-

 

1) दूरादेशी बनना है। याद की यात्रा से विकर्मों का विनाश करना है। यात्रा पर कोई भी पाप कर्म नहीं करने हैं।

 

2) महावीर बन माया पर जीत पानी है। ग्लानि से डरना नहीं है, कलंगीधर बनना है।

 

वरदान:-    सर्व शक्तियों का अनुभव करते हुए समय पर सिद्धि प्राप्त करने वाले निश्चित विजयी भव

सर्व शक्तियों से सम्पन्न निश्चयबुद्धि बच्चों की विजय निश्चित है ही। जैसे किसी के पास धन की, बुद्धि की वा सम्बन्ध-सम्पर्क की शक्ति होती है तो उसे निश्चय रहता है कि यह क्या बड़ी बात है! आपके पास तो सब शक्तियां हैं। सबसे बड़ा धन अविनाशी धन सदा साथ है, तो धन की भी शक्ति है, बुद्धि और पोजीशन की भी शक्ति है, इन्हें सिर्फ यूज़ करो, स्व के प्रति कार्य में लगाओ तो समय पर विद्धि द्वारा सिद्धि प्राप्त होगी।

स्लोगन:-   व्यर्थ देखने वा सुनने का बोझ समाप्त करना ही डबल लाइट बनना है।

Wednesday, December 28, 2022

29.12.2022 BENGALI MURLI


 মিষ্টি বাচ্চারা - যে যতই গুণবান হোক, মিষ্টি মধুর স্বভাবের হোক অথবা ধনী হোক না কেন - তুমি যেন তার দিকে আকৃষ্ট হয়ো না, কোনো দেহকে স্মরণ করবে না।

*প্রশ্নঃ -যে সকল বাচ্চারা নলেজ পেয়েছে তাদের মুখ থেকে বাবার জন্য কোন্ মিষ্টি মধুর বাণী নির্গত হয়?

Tuesday, December 27, 2022

28.12.2022 BENGALI MURLI


  28.12.2022 BANGLA MURLI

"মিষ্টি বাচ্চারা - অসীম জগতের পিতার কাছে তোমরা অনেক উচ্চ মানের পড়াশোনা করছো, তোমাদের বুদ্ধিতে আছে যে পতিত-পাবন গডফাদারের স্টুডেন্ট আমরা,নতুন দুনিয়ার জন্য পড়াশোনা করছি"

প্রশ্নঃ -আত্মিক গভর্নমেন্টের কাছ থেকে সম্মানের বৃদ্ধি (পুরস্কার) কোন্ বাচ্চাদের হয়?

28.12.2022 HINDI MURLI

 28-12-2022 HINDI MURLI

मीठे बच्चे - बेहद के बाप से तुम बहुत ऊंची पढ़ाई पढ़ रहे हो, बुद्धि में है पतित-पावन गॉड फादर के हम स्टूडेन्ट हैं, नई दुनिया के लिए पढ़ रहे हैं''

प्रश्नः- रूहानी गवर्मेन्ट से इज़ाफा किन बच्चों को मिलता है?

27.12.2022 BENGALI MURLI


 
27.12.2022 BENGALI MURLI RAJYOG PATHSHALA

মিষ্টি বাচ্চারা - এখন তোমরা জ্ঞানের তৃতীয় নেত্র পেয়েছো, তোমরা জানো যে প্রতি ৫ হাজার বছর অন্তর ভোলানাথ বাবার দ্বারা আমরা এই জ্ঞান শুনে মানুষ থেকে দেবতায় পরিণত হয়ে যাই"

প্রশ্নঃ -জ্ঞানের ধারণা না হওয়ার মুখ্য কারণ কি?

https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/

01-04-2026 Bengali Murli

 মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...