“মিষ্টি বাচ্চারা—ব্রহ্মা বাবা শিববাবার রথ, উভয়ের একত্র পার্ট চলে; এতে সামান্যও সংশয় আসা উচিত নয়।”
প্রশ্নঃ মানুষ দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য কোন কৌশল রচনা করে, যাকে মহাপাপ বলা হয়?
উত্তরঃ মানুষ যখন দুঃখী হয়, তখন নিজেকে মারার (শেষ করে দেওয়ার) নানা উপায় রচনা করে। জীবঘাত করার কথা ভাবে, মনে করে এতে আমরা দুঃখ থেকে মুক্ত হয়ে যাব। কিন্তু এর মতো মহাপাপ আর কিছু নেই। তারা আরও দুঃখে জড়িয়ে পড়ে, কারণ এটি তো সীমাহীন দুঃখেরই দুনিয়া।
ওম শান্তি। বাচ্চাদের কাছে বাবা জিজ্ঞেস করেন, আত্মাদের কাছে পরমাত্মা জিজ্ঞেস করেন—এটা তো তোমরা জানোই যে আমরা পরমপিতা পরমাত্মার সামনে বসে আছি। তাঁর তো নিজের কোনো রথ নেই।
এটা তো নিশ্চিত, তাই না—এই ভ্রুকুটির মাঝখানেই বাবার নিবাস স্থান।
বাপ নিজেই বলেন—আমি এদের ভ্রুকুটির মাঝখানে বসি, এদের শরীর লোনে নিই। আত্মা যখন ভ্রুকুটির মাঝখানে থাকে, তখন বাপও সেখানেই বসেন। ব্রহ্মা থাকলে তবেই শিববাবাও থাকেন। ব্রহ্মা না থাকলে শিববাবা কীভাবে বলবেন?
উপরে তো আমরা সদা শিববাবাকেই স্মরণ করে এসেছি। এখন তোমরা বাচ্চারা জানো—আমরা এখানে বাবার কাছে বসে আছি। এমন নয় যে শিববাবা উপরে আছেন আর তাঁর প্রতিমা এখানে পূজিত হয়। এসব কথা খুব ভালোভাবে বোঝার বিষয়।
তোমরা তো জানো বাপ জ্ঞানের সাগর। জ্ঞান কোথা থেকে শোনান? কি তিনি উপর থেকে শোনান? তিনি তো এখানে নীচে এসেছেন। ব্রহ্মা-তনের মাধ্যমে শোনান।
অনেকে বলেন—আমরা ব্রহ্মাকে মানি না। কিন্তু শিববাবা নিজেই ব্রহ্মা-তনের দ্বারা বলেন—আমাকে স্মরণ করো। এটা তো বোঝার বিষয়, তাই না? কিন্তু মায়া খুবই প্রবল। এক মুহূর্তে মুখ ফিরিয়ে পিছনে ঠেলে দেয়।
এখন শিববাবা তোমাদের কাঁধ সামনে করেছেন—তোমরা সম্মুখে বসে আছ। তবুও যারা এমন বোঝে যে ব্রহ্মা কিছুই নন, তাদের গতি কী হবে! তারা দুর্গতি প্রাপ্ত হয়। কোনো জ্ঞানই থাকে না।
মানুষ ডাকেও—ও গড ফাদার। তবে সেই গড ফাদার কি শোনেন? তাদের তো বলা হয় না—লিবারেটর, এসো; না কি ওখানেই বসে বসে লিবারেট করবেন? কল্প-কল্প পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগেই বাপ আসেন। যাঁর মধ্যে তিনি আসেন, তাকেই যদি উড়িয়ে দেওয়া হয়, তবে কী বলা যাবে! নম্বর ওয়ান তমোপ্রধান।
নিশ্চয় থাকা সত্ত্বেও মায়া এক মুহূর্তে মুখ ফিরিয়ে দেয়। তার মধ্যে এত শক্তি আছে যে মুহূর্তের মধ্যে একেবারে worth not a penny বানিয়ে দেয়। এমনও আছে—কিছু না কিছু সেন্টারেও রয়েছে; তাই বাপ বলেন—খবরদার থেকো।
যদিও কারো কারো কাছে শোনা কথাই শোনাতে থাকে, তবু তারা যেন পণ্ডিতের মতো হয়ে যায়। যেমন বাবা পণ্ডিতের গল্প বলেন না—সে বলেছিল, “রাম-রাম” বললে নদী পার হয়ে যাবে। এটাও তো বানানো গল্প।
এই সময়ে তোমরা বাবার স্মরণের দ্বারা বিষয়-সাগর থেকে ক্ষীর-সাগরে যাচ্ছ, তাই না? ভক্তিমার্গে তারা অনেক গল্পকথা বানিয়ে ফেলেছে। এমন কথা আসলে হয় না—এগুলো বানানো গল্প।
পণ্ডিত অন্যদের বলে, কিন্তু নিজে একেবারেই চাটে পড়ে থাকে। নিজে বিকারে লিপ্ত থাকে আর অন্যদের বলে—নির্বিকারী হও। তাতে কী প্রভাব পড়বে?
এমন ব্রহ্মাকুমার-কুমারীরাও আছে—নিজেদেরই নিশ্চিত বিশ্বাস নেই, তবু অন্যদের শোনাতে থাকে। তাই দেখা যায়, কোথাও কোথাও শোনানো লোকের চেয়েও শোনার লোক বেশি তীক্ষ্ণ হয়ে যায়।
যারা অনেকের সেবা করে, তারা অবশ্যই প্রিয় লাগে, তাই না? কিন্তু যদি পণ্ডিত মিথ্যাবাদী প্রমাণিত হয়, তবে তাকে কে ভালোবাসবে! তখন ভালোবাসা যাবে তাদের দিকেই, যারা প্র্যাক্টিক্যালভাবে স্মরণ করে।
ভালো ভালো মহারথীদেরও মায়া গ্রাস করে নেয়। অনেকেই গ্রাস হয়ে গেছে। বাবা নিজেও বোঝান—এখনও কর্মাতীত অবস্থা হয়নি। একদিকে লড়াই হবে, অন্যদিকে কর্মাতীত অবস্থা হবে। পুরো সংযোগ রয়েছে। তারপর লড়াই সম্পূর্ণ হলে ট্রান্সফার হয়ে যাবে।
প্রথমে রুদ্র মালা গঠিত হয়। এই কথাগুলো আর কেউ জানে না। তোমরা বোঝো—বিনাশ সামনে দাঁড়িয়ে আছে। এখন তোমরা সংখ্যালঘু, তারা সংখ্যাগুরু। তাই তোমাদের কে মানবে?
যখন তোমাদের বৃদ্ধি হবে, তখন তোমাদের যোগবলের দ্বারা অনেকেই আকৃষ্ট হয়ে আসবে। যত তোমাদের থেকে কাট (জাঙ্ক) বেরোতে থাকবে, ততই শক্তি ভরতে থাকবে।
এমন নয় যে বাবা জ্ঞানী-জাননহার নন। তিনি এখানে এসে সবাইকে দেখেন, সবার অবস্থাকে জানেন। বাপ কি বাচ্চাদের অবস্থাকে জানবেন না? সবকিছুই তাঁর জানা থাকে। এতে অন্তর্যামীর কোনো কথা নেই।
এখনও কর্মাতীত অবস্থা হয়নি। আসুরী কথাবার্তা, চালচলন ইত্যাদি সবই প্রকাশ পেয়ে যায়। তোমাদের তো দেবী চলনই গড়ে তুলতে হবে।
দেবতারা সর্বগুণে সম্পন্ন, তাই না। এখন তোমাদেরও তেমনই হতে হবে। কোথায় সেই অসুর, আর কোথায় দেবতারা! কিন্তু মায়া কাউকেই ছাড়ে না, ছুঁই-মুঁই করে দেয়, একেবারে মেরে ফেলে।
৫টি সিঁড়ি আছে না। দেহ-অভিমান আসতেই উপর থেকে একেবারে নিচে পড়ে যায়। পড়ল আর মরল। আজকাল মানুষ নিজেকে মারার জন্য কত রকম উপায় রচনা করে। ২১ তলা থেকে লাফ দেয়—যাতে সঙ্গে সঙ্গে শেষ হয়ে যায়। এমন যেন না হয় যে পরে হাসপাতালে পড়ে থাকতে হয়, দুঃখ ভোগ করতে হয়।
৫ তলা থেকে পড়ে যদি না মরে, তবে কত দুঃখ ভোগ করতে হবে। কেউ কেউ নিজের গায়ে আগুন লাগায়। যদি কেউ তাদের বাঁচিয়ে ফেলে, তবে তাদের কত দুঃখ সহ্য করতে হয়। যদি পুড়ে যায়, তবে তো আত্মা চলে যাবে—এই ভেবে তারা জীবঘাত করে, শরীরকে শেষ করে দেয়।
তারা মনে করে—শরীর ছেড়ে দিলে দুঃখ থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে। কিন্তু এটাও মহাপাপ, আর আরও বেশি দুঃখ ভোগ করতে হয়, কারণ এটি তো সীমাহীন দুঃখেরই দুনিয়া; আর সেখানে আছে সীমাহীন সুখ।
তোমরা বাচ্চারা বোঝো—এখন আমরা রিটার্ন হচ্ছি, দুঃখধাম থেকে সুখধামে যাচ্ছি। এখন যিনি বাপ আমাদের সুখধামের মালিক বানাচ্ছেন, তাঁকেই স্মরণ করতে হবে।
এদের দ্বারা বাপ বোঝান; ছবিও তো আছে, তাই না। ব্রহ্মার মাধ্যমে স্বর্গের স্থাপনা। তোমরা বলো—বাবা, আমরা বহুবার আপনার কাছ থেকে স্বর্গের উত্তরাধিকার নিতে এসেছি। বাপও সঙ্গম যুগেই আসেন, যখন দুনিয়াকে পরিবর্তন করতে হয়।
তাই বাপ বলেন—আমি এসেছি তোমাদের বাচ্চাদের দুঃখ থেকে মুক্ত করে সুখের পবিত্র দুনিয়ায় নিয়ে যেতে। মানুষ ডাকেও—“হে পতিত-পাবন…।” তারা কিন্তু এটুকুও বোঝে না যে আমরা মহাকালকে ডাকি—আমাদের এই ছি-ছি দুনিয়া থেকে বাড়ি নিয়ে চলো। নিশ্চয়ই বাবা আসবেন। তারা ভাবে—আমরা মরলে তখন তো শান্তি হবে, তাই না। কিন্তু শান্তি তো পরমধামেই আছে। এই দুনিয়ায় শান্তি কীভাবে হবে—যতক্ষণ এত অসংখ্য মানুষ আছে!
সত্যযুগে সুখ-শান্তি ছিল। এখন কলিযুগে বহু ধর্ম রয়েছে।
ওগুলো যখন শেষ হয়ে যাবে, তখন এক ধর্মের প্রতিষ্ঠা হবে—তখনই তো সুখ ও শান্তি হবে, তাই না! হাহাকার-এর পরেই আবার জয়-জয়কার হবে। সামনে চলেই দেখো—মৃত্যুর বাজার কতটা গরম হয়ে ওঠে! বিনাশ অবশ্যই হবে।
এক ধর্মের প্রতিষ্ঠা বাপ এসে করান। তিনি রাজযোগও শেখান। বাকি সব বহু ধর্ম শেষ হয়ে যাবে। গীতায় কিছুই স্পষ্টভাবে দেখানো হয়নি। দেখানো হয়েছে—পাঁচ পাণ্ডব আর কুকুর হিমালয়ে গলে গেল। তারপর ফলাফল কী? প্রলয় দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে।
জলময় তো হয়, কিন্তু সারা দুনিয়া জলময় হতে পারে না। ভারত তো অবিনাশী পবিত্র খণ্ড। তার মধ্যেও আবু সবচেয়ে পবিত্র তীর্থস্থান, যেখানে বাপ এসে তোমাদের বাচ্চাদের মাধ্যমে সবার সদ্গতি করেন।
দিলওয়ালা মন্দিরে কত সুন্দর স্মৃতিচিহ্ন রয়েছে—কত অর্থপূর্ণ! কিন্তু যাঁরা এটি বানিয়েছেন, তাঁরা নিজেরাই তা বোঝেন না। তবুও যদি ভালোভাবে ভাবি, তারা তো ভালো বোঝদারই ছিলেন। দ্বাপরে নিশ্চয়ই ভালো বোঝদার ছিলেন।
কলিযুগে মানুষ তমোপ্রধান হয়। দ্বাপরেও তমোবুদ্ধি থাকে। সব মন্দিরের থেকেও এটি উচ্চতম—যেখানে তোমরা বসে আছ। এখন তোমরা দেখতে থাকবে—বিনাশে হোলসেল মৃত্যু হবে। সম্পূর্ণ মহাভারতের মতো যুদ্ধ হবে। সবাই শেষ হয়ে যাবে। কেবল একটি খণ্ডই থাকবে। ভারত খুব ছোট হয়ে যাবে, বাকি সবই শেষ হয়ে যাবে। স্বর্গও কতটা ছোট হবে।
এখন এই জ্ঞান তোমাদের বুদ্ধিতে রয়েছে। কাউকে বোঝাতেও সময় লাগে। এটাই পুরুষোত্তম সঙ্গম যুগ। এখানে কত অসংখ্য মানুষ আছে, আর সেখানে কত অল্প মানুষ থাকবে—সবাই শেষ হয়ে যাবে।
বিশ্বের হিস্ট্রি-জিওগ্রাফি শুরু থেকে আবার রিপিট হবে। অবশ্যই স্বর্গ থেকেই রিপিট শুরু হবে, শেষ দিক থেকে নয়। এই ড্রামার চক্র অনাদি, যা ঘুরতেই থাকে। এই দিকে কলিযুগ, আর ওদিকে সত্যযুগ। আমরা সঙ্গমে আছি—এটাও তোমরা বোঝো।
বাপ আসেন, আর বাপের তো অবশ্যই রথ দরকার, তাই না! তাই বাপ বোঝান—এখন তোমরা ঘরে যাচ্ছ। তারপর লক্ষ্মী-নারায়ণ হতে হবে, তাই দেবীগুণও ধারণ করতে হবে।
এ কথাও তোমাদের বাচ্চাদের বোঝানো হয়—রাবণ রাজ্য আর রাম রাজ্য কাকে বলা হয়। কীভাবে পতিত থেকে পবিত্র হয়, আবার পবিত্র থেকে পতিত হয়ে যায়—এই খেলার রহস্য বাবা বসে বোঝান।
বাপ তো নলেজফুল, বীজরূপ, তাই না! তিনি চৈতন্য। তিনিই এসে বোঝান। বাপই বলবেন—তোমরা কি পুরো কল্পবৃক্ষের রহস্য বুঝেছ? এতে কী কী ঘটে? এতে তোমরা কতটা পার্ট অভিনয় করেছ?
অর্ধ কল্প হলো দেবী স্বরাজ্য, আর অর্ধ কল্প হলো আসুরী রাজ্য। যারা ভালো ভালো বাচ্চা, তাদের বুদ্ধিতে নলেজ থাকে। বাপ তো আপন সমান বানান, তাই না!
টিচারদের মধ্যেও নম্বরওয়ার থাকে। কেউ কেউ টিচার হয়েও আবার বিগড়ে যায়। অনেককে শিখিয়ে আবার নিজেরাই শেষ হয়ে গেছে।
ছোট ছোট বাচ্চাদের মধ্যেও ভিন্ন ভিন্ন সংস্কার থাকে। কাউকে দেখো—নম্বর ওয়ান শয়তান, আবার কেউ কেউ পরিস্তানে যাওয়ার যোগ্য।
অনেকে আছে যারা না জ্ঞান গ্রহণ করে, না নিজের চলন-চরিত্র সংশোধন করে; বরং সবাইকে কেবল দুঃখই দিয়ে থাকে। শাস্ত্রেও এটা দেখানো হয়েছে যে অসুররা এসে লুকিয়ে বসে থাকত। অসুর হয়ে তারা কত কষ্টই না দেয়! এসব তো চলতেই থাকে।
সবচেয়ে উঁচু বাপকেই স্বর্গের প্রতিষ্ঠা করতে আসতে হয়। মায়াও খুবই প্রবল। দান করলেও মায়া আবার বুদ্ধি ঘুরিয়ে দেয়। অর্ধেককে তো অবশ্যই মায়া গ্রাস করবে—তাই তো বলা হয়, মায়া খুবই দুর্লঙ্ঘ্য। অর্ধ কল্প মায়ার রাজ্য চলে, তাই সে এত শক্তিশালী হবে না কি!
মিষ্টি-মিষ্টি হারানিধি বাচ্চাদের প্রতি মাতা-পিতা বাপদাদার স্নেহ-সুমন স্মরণ-ভালবাসা আর সুপ্রভাত। আত্মাদের পিতা তাঁর আত্মা রূপী সন্তানদের জানাচ্ছেন নমস্কার।
ধারণার জন্যে মুখ্য সারঃ-
১) কখনোই ছুঁই-মুঁই (অতি সংবেদনশীল) হওয়া যাবে না। দৈবীগুণ ধারণ করে নিজের চলন-চরিত্র সংশোধন করতে হবে।
২) বাবার ভালোবাসা পাওয়ার জন্য সেবা করতে হবে, কিন্তু যা অন্যদের শোনাও, তা নিজে অবশ্যই ধারণ করতে হবে। কর্মাতীত অবস্থায় পৌঁছানোর জন্য সম্পূর্ণ পুরুষার্থ করতে হবে।
বরদানঃ সাকার রূপে বাপদাদাকে সম্মুখ অনুভবকারী কম্বাইন্ড রূপধারী ভব।
যেমন শিবশক্তি কম্বাইন্ড, তেমনই পাণ্ডবপতি ও পাণ্ডব কম্বাইন্ড। যারা এমন কম্বাইন্ড রূপে থাকে, তাদের সামনে বাপদাদা সাকার রূপে সব সম্পর্কসহ উপস্থিত থাকেন। এখন দিন দিন আরও বেশি এমন অভিজ্ঞতা হবে—যেন বাপদাদা সামনে এসে দাঁড়িয়েছেন, হাত ধরেছেন; বুদ্ধি দিয়ে নয়, চোখ দিয়ে দেখবে—অনুভব হবে।
কিন্তু “এক বাবাই, আর কেউ নয়”—এই পাঠ যদি পাকা হয়ে যায়, তবে যেমন ছায়া সর্বদা সঙ্গে ঘোরে, তেমনই বাপদাদা চোখের সামনে থেকে কখনো সরে যাবেন না; সর্বদা সম্মুখের অনুভূতি থাকবে।
স্লোগানঃ মায়াজিত, প্রকৃতিজিত হওয়া শ্রেষ্ঠ আত্মাই স্ব-কল্যাণী তথা বিশ্ব-কল্যাণী।
অব্যক্ত ইশারা: এই অব্যক্ত মাসে বন্ধনমুক্ত থেকে জীবনমুক্ত অবস্থার অনুভব করো।
যখন তোমরা এখনই জীবনমুক্ত হও, তখন তোমাদের জীবনমুক্ত অবস্থার প্রভাব জীবনবন্ধ অবস্থায় থাকা আত্মাদের বন্ধনও সমাপ্ত করবে। তাহলে সেই দিনটি কবে আসবে, যখন সবাই জীবনমুক্ত হবে? কোনো বন্ধন থাকবে না।
সব বন্ধনের মধ্যে প্রথম বন্ধন হলো—দেহভানের বন্ধন। সেখান থেকে মুক্ত হও। দেহভান না থাকলে, অন্য সব বন্ধন আপনা-আপনিই শেষ হয়ে যাবে।
WWW.RAJYOGPATHSHALA.COM
Monday, January 5, 2026
06-01-2026 BENGALI MURLI
Subscribe to:
Post Comments (Atom)
https://bkrajyogpathshala.blogspot.com/
01-04-2026 Bengali Murli
মিষ্টি বাচ্চারা - বাচ্চারা, বাবা যা, বাবা ঠিক যেমন, তোমরা বাচ্চারাও তাঁকে নম্বর ক্রমানুসারেই চিনেছো, যদি সকলেই তাঁকে চিনে গেলে তবে তো অত্যন...
-
"মিষ্টি বাচ্চারা - অসীম জগতের পিতা এসেছেন বাচ্চারা তোমাদেরকে জ্ঞানের শৃঙ্গার করতে, উচ্চ পদ প্রাপ্ত করতে হলে সবসময় সালঙ্কারা হয়ে থাকো...
-
"মিষ্টি বাচ্চারা - তন-মন-ধন বা মন্সা-বাণী-কর্মের দ্বারা এমন সার্ভিস করো যাতে ২১ জন্মের জন্য বাবার থেকে প্রালব্ধ পাওয়া যায়। কিন্তু সার্...
-
"মিষ্টি বাচ্চারা - তোমরা হৃদয় দিয়ে বাবা-বাবা বললে খুশীতে রোমাঞ্চ জাগে, খুশিতে থাকলে মায়াজীত হয়ে যাবে" প্রশ্নঃ -বাচ্চাদের কোন্ ব্...
No comments:
Post a Comment